কবির পড়াশোনা - প্রাথমিক মেরি ইমাকুলেট স্কুল, পরে কৃষ্ণনগর লেডি কারমাইকেল স্কুল ও কৃষ্ণনগর উইমেন্স কলেজ থেকে স্নাতক।
ছোট থেকেই তাঁর সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ ছিল। ছাপার অক্ষরে প্রথম লেখা প্রকাশ হয় ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় ১৯৭৯ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে অর্পিতা পালিত নামে, কলেজের দেওয়াল পত্রিকায়। বিবাহের পর লেখালিখি কিছুকাল বন্ধ থাকার পর অর্পিতা ঘোষ নামে আবার লেখা শুরু করে। বর্তমানে তিনি লেখালিখি করেন অর্পিতা ঘোষ পালিত নামে। .
কবির লেখালিখি - ^^ উপরে ফেরত
বিভিন্ন বাণিজ্যিক পত্রিকা, দৈনিক বিভিন্ন খবরের কাগজের সাহিত্যের পাতা, উত্তর সম্পাদকীয়তে, ভারত বিচিত্রা, কবি সম্মেলন, কৃত্তিবাস, সৃষ্টির একুশ শতক, কবিতা পাক্ষিক, নবকল্লোল, মাতৃশক্তি, জাগ্রত বিবেক, কলেজস্ট্রিট, প্রসাদ, নন্দন, কলেজ স্ট্রিট, পূর্বাশা এখন, বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিন, বিভিন্ন শিশু-সাহিত্য পত্রিকা, বাংলাদেশের দৈনিক কাগজ, নিউ জার্সি, আমেরিকা, প্যারিস, ওয়েলিংটন, কানাডা, আসাম, ত্রিপুরার বিভিন্ন দৈনিক কাগজে অসংখ্য লেখা প্রকাশিত ও এখনো নিয়মিত লিখে চলেছে। .
কবির প্রকাশিত গ্রন্থ - ^^ উপরে ফেরত
কবির একক কাব্যগ্রন্থ "পাথর পাতা নদী" ও “প্রজাপতি রোদ”। গল্পগ্রন্থ "জীবন কুড়ানো প্রহর" এবং প্রবন্ধ "ভুলতে বসা স্মরণে"। .
কবির প্রাপ্ত সম্মাননা - ^^ উপরে ফেরত
কবির প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে ISISAR'S WRITERS' MEET (27 and 28 August, 2025), ঋষি অরবিন্দ কলেজ অফ এডুকেশন (১৫ই আগষ্ট ২০২২), সমুদ্রগড় রাজবাড়ি ও সমুদ্রগড় ঈদ মোবারক কমিটি (২০২২), প্রসাদ (২০২২), 4th International Literary Meet (2024), কবিতা কোণ (২০২২), মহাবঙ্গ শিক্ষা সম্মান (৪-৯-২০১৯), হাইওয়ে (২০২৪), মহাবঙ্গ বিবেক চেতনা সম্মান (২৯-১২-২০১৯), ত্রিপুরা দর্পণ (২০২৫), ঊর্মিলা হালদার স্মৃতি গল্প প্রতিযোগিতা (২০২৩), রাজ্য শিশু সাহিত্য সংসদ (২০২০), প্রাঙ্গণ সাহিত্য সাধক (২০১৯), বাংলা রাইটার্স ফোরাম (২০২০) এবং আরো অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার। .
কবির কিছু ভাবনা কিছু কথা - ^^ উপরে ফেরত
কবির কাছে 'কবিতা' শ্বাস- প্রশ্বাসের মতো। নতুন কিছু ভাবনা এলেই লেখার জন্য মন তাঁর আঁকুপাঁকু করে।
তিনি মনে করেন আমাদের এই জীবন রঙ্গমঞ্চের স্টেজ। শীতে আসে পাতা-ঝরার দিন, বসন্তে কচি-পাতা গজায়। অথবা নদীর জোয়ার ভাটার মতো ধারাবাহিক ভাবে পক্ষকাল ওঠা-নামা করে ; দুঃখ, বেদনা, হাসি, কান্না নিয়ে বয়ে চলে জীবন। মনের ভেতরের লুকিয়ে থাকা ভাবনার সাথে বাইরের দর্শনীয় বস্তুর মিথক্রিয়ার ফলে যেটা জন্ম-গ্রহণ করে সেটাই কবিতা। কলমের কালিতে প্রসূতি মায়ের মতো প্রসবিত সন্তান কবিতা হয়ে ফুটে ওঠে। কবিতা যেন প্রস্ফুটিত ফুল। ব্যস্ততার কারণে ক-দিন লেখা না হলে মনে হয় যেন জীবন বৃথা।
তিনি বলেন - কবিতার কোনো বয়স নেই। কবিতা সব সময় চির-যৌবনা। যা সবার মাঝে আত্ম-গৌরব নিয়ে বেঁচে থাকে।
মিলনসাগরে কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত এর কবিতার পাতা তৈরী করে আমরা আনন্দিত।
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
চলভাষ : +৯১ ৯৭৩৩৫৭৬৯৫০
ফেসবুক: https://www.facebook.com/arpita.ghosh.palit.2025
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৫.৪.২০২৬
ছোট থেকেই তাঁর সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ ছিল। ছাপার অক্ষরে প্রথম লেখা প্রকাশ হয় ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় ১৯৭৯ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে অর্পিতা পালিত নামে, কলেজের দেওয়াল পত্রিকায়। বিবাহের পর লেখালিখি কিছুকাল বন্ধ থাকার পর অর্পিতা ঘোষ নামে আবার লেখা শুরু করে। বর্তমানে তিনি লেখালিখি করেন অর্পিতা ঘোষ পালিত নামে। .
কবির লেখালিখি - ^^ উপরে ফেরত
বিভিন্ন বাণিজ্যিক পত্রিকা, দৈনিক বিভিন্ন খবরের কাগজের সাহিত্যের পাতা, উত্তর সম্পাদকীয়তে, ভারত বিচিত্রা, কবি সম্মেলন, কৃত্তিবাস, সৃষ্টির একুশ শতক, কবিতা পাক্ষিক, নবকল্লোল, মাতৃশক্তি, জাগ্রত বিবেক, কলেজস্ট্রিট, প্রসাদ, নন্দন, কলেজ স্ট্রিট, পূর্বাশা এখন, বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিন, বিভিন্ন শিশু-সাহিত্য পত্রিকা, বাংলাদেশের দৈনিক কাগজ, নিউ জার্সি, আমেরিকা, প্যারিস, ওয়েলিংটন, কানাডা, আসাম, ত্রিপুরার বিভিন্ন দৈনিক কাগজে অসংখ্য লেখা প্রকাশিত ও এখনো নিয়মিত লিখে চলেছে। .
কবির প্রকাশিত গ্রন্থ - ^^ উপরে ফেরত
কবির একক কাব্যগ্রন্থ "পাথর পাতা নদী" ও “প্রজাপতি রোদ”। গল্পগ্রন্থ "জীবন কুড়ানো প্রহর" এবং প্রবন্ধ "ভুলতে বসা স্মরণে"। .
কবির প্রাপ্ত সম্মাননা - ^^ উপরে ফেরত
কবির প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে ISISAR'S WRITERS' MEET (27 and 28 August, 2025), ঋষি অরবিন্দ কলেজ অফ এডুকেশন (১৫ই আগষ্ট ২০২২), সমুদ্রগড় রাজবাড়ি ও সমুদ্রগড় ঈদ মোবারক কমিটি (২০২২), প্রসাদ (২০২২), 4th International Literary Meet (2024), কবিতা কোণ (২০২২), মহাবঙ্গ শিক্ষা সম্মান (৪-৯-২০১৯), হাইওয়ে (২০২৪), মহাবঙ্গ বিবেক চেতনা সম্মান (২৯-১২-২০১৯), ত্রিপুরা দর্পণ (২০২৫), ঊর্মিলা হালদার স্মৃতি গল্প প্রতিযোগিতা (২০২৩), রাজ্য শিশু সাহিত্য সংসদ (২০২০), প্রাঙ্গণ সাহিত্য সাধক (২০১৯), বাংলা রাইটার্স ফোরাম (২০২০) এবং আরো অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার। .
কবির কিছু ভাবনা কিছু কথা - ^^ উপরে ফেরত
কবির কাছে 'কবিতা' শ্বাস- প্রশ্বাসের মতো। নতুন কিছু ভাবনা এলেই লেখার জন্য মন তাঁর আঁকুপাঁকু করে।
তিনি মনে করেন আমাদের এই জীবন রঙ্গমঞ্চের স্টেজ। শীতে আসে পাতা-ঝরার দিন, বসন্তে কচি-পাতা গজায়। অথবা নদীর জোয়ার ভাটার মতো ধারাবাহিক ভাবে পক্ষকাল ওঠা-নামা করে ; দুঃখ, বেদনা, হাসি, কান্না নিয়ে বয়ে চলে জীবন। মনের ভেতরের লুকিয়ে থাকা ভাবনার সাথে বাইরের দর্শনীয় বস্তুর মিথক্রিয়ার ফলে যেটা জন্ম-গ্রহণ করে সেটাই কবিতা। কলমের কালিতে প্রসূতি মায়ের মতো প্রসবিত সন্তান কবিতা হয়ে ফুটে ওঠে। কবিতা যেন প্রস্ফুটিত ফুল। ব্যস্ততার কারণে ক-দিন লেখা না হলে মনে হয় যেন জীবন বৃথা।
তিনি বলেন - কবিতার কোনো বয়স নেই। কবিতা সব সময় চির-যৌবনা। যা সবার মাঝে আত্ম-গৌরব নিয়ে বেঁচে থাকে।
মিলনসাগরে কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত এর কবিতার পাতা তৈরী করে আমরা আনন্দিত।
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
চলভাষ : +৯১ ৯৭৩৩৫৭৬৯৫০
ফেসবুক: https://www.facebook.com/arpita.ghosh.palit.2025
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৫.৪.২০২৬