কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
স্বদেশ আমার! তোমার সেবায় এ ব্রত লইনু আজি
কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯২৩ সালের সমাবর্তনী অভিভাষণের শেষে দেশমাতার উদ্দেশ্যে তিনি কবি সিসিল স্প্রিং রাইস দ্বারা ১৯২১ সালে রচিত “I vow to thee” কবিতার প্রথম স্তবকের বাংলা অনুবাদ এবং ইংরেজী কবিতাটির ১ম স্তবক পড়েছিলেন। এই বাংলা অনুবাদটির রচয়িতা হিসেবে অন্য কোনো কবির নাম আমরা পাইনি। এরকম একটি কবিতা স্যার আশুতোষ চাইলে অবশ্যই লিখতে পারতেন, তাতে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। তাই স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ই এই অনুবাদ কবিতাটির রচয়িতা বলে আমরা ধরে নিচ্ছি। কিন্তু কেউ যদি অন্য কোনো কবির নাম প্রমাণসহ আমাদের জানান, তবে আমরা তা এখানে প্রকাশ করবো। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
স্বদেশ আমার! তোমার সেবায় এ ব্রত লইনু আজি
পুজিতে তোমার আনিব খুঁজিয়া ধরণীর ধনরাজি।
তুমি যদি চাও প্রাণ প্রিয়ধন-দ্বিধা না জাগিবে মনে।
শুধাব না কথা, প্রফুল্ল বদনে এনে দেব ও চরণে।
আমার প্রাণের প্রীতি হবে দেবী! তব পূজা-উপচার
অবাধে সকলি সঁপিয়া তোমায়, লইব সেবার ভার।
*********************
I vow to thee, my country (only the 1st stanza)
Poet Cecil Spring Rice
Cecil Spring Rice is primarily known for writing the lyrics to the patriotic hymn "I Vow to Thee, My Country". He was a career diplomat who served in the Foreign Office and War Office, eventually becoming the British Ambassador to the United States during the First World War. He was educated at Eton and at Balliol College, Oxford, at both of which he was a contemporary and close friend of George Nathaniel Curzon or Lord Carzon, Viceroy of India (1899–1905).
I vow to thee, my country, all earthly things above,
Entire and whole and perfect, the service of my love;
The love that asks no questions, the love that stands the test,
That lays upon the altar the dearest and the best;[10]
The love that never falters, the love that pays the price,
The love that makes undaunted the final sacrifice.
কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯২৩ সালের সমাবর্তনী অভিভাষণের শেষে দেশমাতার উদ্দেশ্যে তিনি কবি সিসিল স্প্রিং রাইস দ্বারা ১৯২১ সালে রচিত “I vow to thee” কবিতার প্রথম স্তবকের বাংলা অনুবাদ এবং ইংরেজী কবিতাটির ১ম স্তবক পড়েছিলেন। এই বাংলা অনুবাদটির রচয়িতা হিসেবে অন্য কোনো কবির নাম আমরা পাইনি। এরকম একটি কবিতা স্যার আশুতোষ চাইলে অবশ্যই লিখতে পারতেন, তাতে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। তাই স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ই এই অনুবাদ কবিতাটির রচয়িতা বলে আমরা ধরে নিচ্ছি। কিন্তু কেউ যদি অন্য কোনো কবির নাম প্রমাণসহ আমাদের জানান, তবে আমরা তা এখানে প্রকাশ করবো। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
স্বদেশ আমার! তোমার সেবায় এ ব্রত লইনু আজি
পুজিতে তোমার আনিব খুঁজিয়া ধরণীর ধনরাজি।
তুমি যদি চাও প্রাণ প্রিয়ধন-দ্বিধা না জাগিবে মনে।
শুধাব না কথা, প্রফুল্ল বদনে এনে দেব ও চরণে।
আমার প্রাণের প্রীতি হবে দেবী! তব পূজা-উপচার
অবাধে সকলি সঁপিয়া তোমায়, লইব সেবার ভার।
*********************
I vow to thee, my country (only the 1st stanza)
Poet Cecil Spring Rice
Cecil Spring Rice is primarily known for writing the lyrics to the patriotic hymn "I Vow to Thee, My Country". He was a career diplomat who served in the Foreign Office and War Office, eventually becoming the British Ambassador to the United States during the First World War. He was educated at Eton and at Balliol College, Oxford, at both of which he was a contemporary and close friend of George Nathaniel Curzon or Lord Carzon, Viceroy of India (1899–1905).
I vow to thee, my country, all earthly things above,
Entire and whole and perfect, the service of my love;
The love that asks no questions, the love that stands the test,
That lays upon the altar the dearest and the best;[10]
The love that never falters, the love that pays the price,
The love that makes undaunted the final sacrifice.
দুই ছেলে
কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
লীলা মজুমদার সংকলিত, নারায়ণ পুস্তকালয় দ্বারা প্রকাশিত, শিশুদের ছড়ার বই “শ্রেষ্ঠ ছড়া” সংকলনের কবিতা। আমরা সঠিক বলতে পারছি না যে এই ছড়াটি বাংলার বাঘেরই লেখা কি না। কারণ ওই সময়ে একই নামের আরও এক কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কবিগুণাকরের (যাঁকে আমরা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ২ হিসেবে উল্লেখ করেছি) কবিতা নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছিল। তবুও আমরা মনে করছি যে এই ছড়াটির রচয়িতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-ই হবেন কারণ ছড়ার বিযয়বস্তু “সুশিক্ষা”। কিন্তু কেউ যদি অন্য কোনো কবির নাম প্রমাণসহ আমাদের জানান, তবে আমরা তা এখানে প্রকাশ করবো। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
সোনা ছেলে বই পেলে হেসে কুটি কুটি,
দুষ্টু ছেলে বই ফেলে করে ছুটোছুটি।
সোনা ছেলে বই পেলে করে কেমন পড়া,
দুষ্টু ছেলে বই ফেলে করে তাড়াহুড়া।
সোনা ছেলে পাঠশালে পাঠে দেয় মন,
দুষ্টু ছেলে পাঠশালে করে জ্বালাতন।
*********************
কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
লীলা মজুমদার সংকলিত, নারায়ণ পুস্তকালয় দ্বারা প্রকাশিত, শিশুদের ছড়ার বই “শ্রেষ্ঠ ছড়া” সংকলনের কবিতা। আমরা সঠিক বলতে পারছি না যে এই ছড়াটি বাংলার বাঘেরই লেখা কি না। কারণ ওই সময়ে একই নামের আরও এক কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কবিগুণাকরের (যাঁকে আমরা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ২ হিসেবে উল্লেখ করেছি) কবিতা নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছিল। তবুও আমরা মনে করছি যে এই ছড়াটির রচয়িতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-ই হবেন কারণ ছড়ার বিযয়বস্তু “সুশিক্ষা”। কিন্তু কেউ যদি অন্য কোনো কবির নাম প্রমাণসহ আমাদের জানান, তবে আমরা তা এখানে প্রকাশ করবো। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
সোনা ছেলে বই পেলে হেসে কুটি কুটি,
দুষ্টু ছেলে বই ফেলে করে ছুটোছুটি।
সোনা ছেলে বই পেলে করে কেমন পড়া,
দুষ্টু ছেলে বই ফেলে করে তাড়াহুড়া।
সোনা ছেলে পাঠশালে পাঠে দেয় মন,
দুষ্টু ছেলে পাঠশালে করে জ্বালাতন।
*********************
