কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩ এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
ভধধামে বিজয়ার শঙ্করে ঈশারূপ দর্শন
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩ বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩ বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
এ কি করুণা ককণাময়!
ঈশা মম যে শঙ্করময়!
ঈশা মুশা ভিন্ন কভু নয়!
অমল কিরণে জ্ঞানোদয়!
হৃদয় শতদল লুটাই!
তুমি বিনে কে তারে ফুটাই!
অন্তরে অন্তর অন্তর্যামী!
তুমি বিনে কেগো আর স্বামী!
পিতামাতা সব গো মিলাই!
দয়াময়ে যদি গো জানাই!
বিজয়া নাহি যাবে গো ভবে!
রাখ কাছে জানি দয়া তবে!
রেখো রেখো ভবে সুখে আশু।
আঃ মা বিনা জানে না সে কিছু!
****************************
ঈশা মম যে শঙ্করময়!
ঈশা মুশা ভিন্ন কভু নয়!
অমল কিরণে জ্ঞানোদয়!
হৃদয় শতদল লুটাই!
তুমি বিনে কে তারে ফুটাই!
অন্তরে অন্তর অন্তর্যামী!
তুমি বিনে কেগো আর স্বামী!
পিতামাতা সব গো মিলাই!
দয়াময়ে যদি গো জানাই!
বিজয়া নাহি যাবে গো ভবে!
রাখ কাছে জানি দয়া তবে!
রেখো রেখো ভবে সুখে আশু।
আঃ মা বিনা জানে না সে কিছু!
****************************
প্রবোধ
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
মন আখি জুড়াল নেহারি রে!
মনোমোহন রূপ মাধুরি রে!
বাজেরে বাঁশরী উদাস স্বরে!
ফুল গন্ধে প্রাণ আকুল করে!
নিকুঞ্জ প্লাবিত রে চন্দ্রকরে!
ক্ষরে সুধা সদা মিটে ক্ষুধারে!
আন আন ফুলমালা ধ্বনি রে!
দাও দোঁহে গাথিয়ে বাধিয়ে রে!
হৃদয়ে পশিছে ভক্তি আশ রে!
অক্ষয় যুগল প্রেমপাশ রে!
হাস হাস চাঁদ ঐ আকাশে রে!
হারা হৃদয় ফিরে এসেছে রে!
চল চল ফিরে মায়ের বরে!
আলোক ফুটেছে আঁধার ঘরে!
****************************
মনোমোহন রূপ মাধুরি রে!
বাজেরে বাঁশরী উদাস স্বরে!
ফুল গন্ধে প্রাণ আকুল করে!
নিকুঞ্জ প্লাবিত রে চন্দ্রকরে!
ক্ষরে সুধা সদা মিটে ক্ষুধারে!
আন আন ফুলমালা ধ্বনি রে!
দাও দোঁহে গাথিয়ে বাধিয়ে রে!
হৃদয়ে পশিছে ভক্তি আশ রে!
অক্ষয় যুগল প্রেমপাশ রে!
হাস হাস চাঁদ ঐ আকাশে রে!
হারা হৃদয় ফিরে এসেছে রে!
চল চল ফিরে মায়ের বরে!
আলোক ফুটেছে আঁধার ঘরে!
****************************
আকাশে বিজয়া বাণী
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
আশুতোষেশ্বর শিবমন্দির, কুণ্ডলা --- জেলা বীরভূম। “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী (কাব্য)” গ্রন্থের কবিতা। কলিকাতা, বাগবাজার, ২নং আনন্দ চট্টোপাধ্যায়ের লেন, পত্রিকা প্রেসে শ্রীকেশবলাল রায় দ্বারা মুদ্রিত। ১৯১৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
উঠি দেখ সবে --- উঠি দেখ তবে
নাহি ভাস নীরে, ভাক্টোরী গিয়েছে
গোউর বরণ রে!
শোকের দারূণ প্রাচীর আঁধার
শতধা শতধা করিয়া বিদার
বিজয়া বিজয়ী তপন গিয়েছে
জীবন কিরণ রে!
মাথায় বিজয়া কিরীট ভাতিছে
গলার বিজয়া বাণীর মাল,
বিজয়া সেবায় উছলি উঠেছে
বিজয়া রবির করুণ ভাল!
উষা রাজবধু দাঁড়াইয়া পাশে
মনের উল্লাসে মা মা বলি ভাষে
মনে মনে হেসে হারা হুল বুঝি ;
বুঝিবা আনন্দ ধরে না তার!
আঁখি দুটি নত ভক্তি ভাবে রত
পদতলে শুয়ে সুখে ভাসে কত ;
অধর প্রপাত হইতে সঞ্জাত
হাসি সুধারাশি---ধরে না আর!
যাও যাও সবে---ছুটে যাও তবে,
যাও যাও তবে ত্বরা,
এখন বিজয়া কমল বিকাশ!
এখন হাসিছে ধরা!
স্নেহ দেহে যেন করুণ পরাণ
ভাসিছে কাতরে রে!
বিজয় চরণ নামিতে চায়!
বিজয় চরণ শৌভিতে চায়!
বিজয় হৃদয় মম
স্বরগ বিহগ সম
নব নব গান গাহিতে গাহিতে
ভারতের (আশু দীন) পানে চাহিতে চাহিতে
উড়িবে আকাশে রে!
****************************
নাহি ভাস নীরে, ভাক্টোরী গিয়েছে
গোউর বরণ রে!
শোকের দারূণ প্রাচীর আঁধার
শতধা শতধা করিয়া বিদার
বিজয়া বিজয়ী তপন গিয়েছে
জীবন কিরণ রে!
মাথায় বিজয়া কিরীট ভাতিছে
গলার বিজয়া বাণীর মাল,
বিজয়া সেবায় উছলি উঠেছে
বিজয়া রবির করুণ ভাল!
উষা রাজবধু দাঁড়াইয়া পাশে
মনের উল্লাসে মা মা বলি ভাষে
মনে মনে হেসে হারা হুল বুঝি ;
বুঝিবা আনন্দ ধরে না তার!
আঁখি দুটি নত ভক্তি ভাবে রত
পদতলে শুয়ে সুখে ভাসে কত ;
অধর প্রপাত হইতে সঞ্জাত
হাসি সুধারাশি---ধরে না আর!
যাও যাও সবে---ছুটে যাও তবে,
যাও যাও তবে ত্বরা,
এখন বিজয়া কমল বিকাশ!
এখন হাসিছে ধরা!
স্নেহ দেহে যেন করুণ পরাণ
ভাসিছে কাতরে রে!
বিজয় চরণ নামিতে চায়!
বিজয় চরণ শৌভিতে চায়!
বিজয় হৃদয় মম
স্বরগ বিহগ সম
নব নব গান গাহিতে গাহিতে
ভারতের (আশু দীন) পানে চাহিতে চাহিতে
উড়িবে আকাশে রে!
****************************
রাধা
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
বিদ্যাপতি, জয়দেব, চণ্ডীদাস কবি,
জ্ঞানদাস, গোবিন্দ, দেবেন্দ্র, মধু, রবি ;---
আরও কত কবি-শ্রেষ্ঠ---সুধন্য অমর---
হে রাধা, তোমার নাম গেয়েছে সুন্দর!
আমি আজ্ পৃথিবীর একান্তে বসিয়া
অতি ক্ষুদ্র কবি,---তব গাহিতেছি গান ;
ও রূপ সৌন্দর্য্যে চিত্ত উঠেছে ভরিয়া---
ভুলে গেছি সুখ দুখ মান অপমান!
গাহিতে গাহিতে যবে আসিবে মরণ---
(আমার কবিত্ব গান যাইবে ডুবিয়া
আমিও যাইব কোন্ রহস্যে ভাসিয়া ;---)
তখনও---মরিব আমি লভি' আস্বাদন
রাধা-নাম-সুধা, শুষ্ক পাণ্ডু ওষ্টে মোর ;
ঝরিবে কপোল বহি' নয়নের লোর!
****************************
জ্ঞানদাস, গোবিন্দ, দেবেন্দ্র, মধু, রবি ;---
আরও কত কবি-শ্রেষ্ঠ---সুধন্য অমর---
হে রাধা, তোমার নাম গেয়েছে সুন্দর!
আমি আজ্ পৃথিবীর একান্তে বসিয়া
অতি ক্ষুদ্র কবি,---তব গাহিতেছি গান ;
ও রূপ সৌন্দর্য্যে চিত্ত উঠেছে ভরিয়া---
ভুলে গেছি সুখ দুখ মান অপমান!
গাহিতে গাহিতে যবে আসিবে মরণ---
(আমার কবিত্ব গান যাইবে ডুবিয়া
আমিও যাইব কোন্ রহস্যে ভাসিয়া ;---)
তখনও---মরিব আমি লভি' আস্বাদন
রাধা-নাম-সুধা, শুষ্ক পাণ্ডু ওষ্টে মোর ;
ঝরিবে কপোল বহি' নয়নের লোর!
****************************
বাঁশী
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
গোকুলে দুকুল রাখা হয়েছে বিষম দায়,
ব্যাকুল গোপিকাকুল---কিছু না ভাবিয়া পায়!
ভয়ে ভয়ে চলে পথ, ভয়ে ভয়ে যমুনায়
গাহন করিতে নামে---বসন না ছাড়ি' যায়---
পাছে শঠচূড়ামণি আসি এই অবসরে
বসন করিয়া চুরি ওঠে তমালের 'পরে!
ননী চুরি, বস্ত্র চুরি, চুরি গোপিকার মন---
সমস্ত গোকুল যেন হইয়াছে জ্বালাতন!
পথে ঘাটে একা আর নাহি ফিরে পসারিণী
লয়ে দুগ্ধ-পূর্ণ-কুম্ভ,---নাহি আর বিকিকিনি!
সকালে দুপুরে সাঁজে কান হয় ঝালাপালা,
ডাকে বাঁশী--- “আয় রাধা, আর যত গোপবালা”!
বসন শাসন হারা মানেনা কটির বাঁধ---
টুটিতে লুটিতে চায় স্মরিয়া সে কালাচাঁদ!
****************************
ব্যাকুল গোপিকাকুল---কিছু না ভাবিয়া পায়!
ভয়ে ভয়ে চলে পথ, ভয়ে ভয়ে যমুনায়
গাহন করিতে নামে---বসন না ছাড়ি' যায়---
পাছে শঠচূড়ামণি আসি এই অবসরে
বসন করিয়া চুরি ওঠে তমালের 'পরে!
ননী চুরি, বস্ত্র চুরি, চুরি গোপিকার মন---
সমস্ত গোকুল যেন হইয়াছে জ্বালাতন!
পথে ঘাটে একা আর নাহি ফিরে পসারিণী
লয়ে দুগ্ধ-পূর্ণ-কুম্ভ,---নাহি আর বিকিকিনি!
সকালে দুপুরে সাঁজে কান হয় ঝালাপালা,
ডাকে বাঁশী--- “আয় রাধা, আর যত গোপবালা”!
বসন শাসন হারা মানেনা কটির বাঁধ---
টুটিতে লুটিতে চায় স্মরিয়া সে কালাচাঁদ!
****************************
রাধার রূপ
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
বাঁশরীর রন্ধ্রে, রন্ধ্রে বাজে “রাধানাম”,
নিশ্বাস-পবনে বহে---“রাধা বিনোদিনী”,
রূপে, রসে, গন্ধে, স্পর্শে, শব্দে অবিরাম
ব্যাপিয়া রয়েছে রাধা---বিশ্ব-বিজয়িনী!
রাধার চরণ-চিহ্ন রয়েছে অঙ্কিত
পথে ঘাটে কুঞ্জগেহে---বাহিরে অন্তরে---
যমুনার কাল জলে রয়েছে বিম্বিত
রাধার নয়ন দুটি---শোভিত কাজরে।
শ্রাবণ গগন ঘিরি' জলদ বিহরে---
মনে হয় রাধিকার চাঁচির চিকুর---
মধুমাসে মধুকর মধুর গুঞ্জরে---
ভ্রম হয় আসে রাধা বাজায়ে নূপুর!
বৈশাখের স্বর্ণ-রৌদ্রে দীপ্ত ধরাখানি---
ভাবিয়া রাধার রূপ বুকে তারে টানি!
****************************
নিশ্বাস-পবনে বহে---“রাধা বিনোদিনী”,
রূপে, রসে, গন্ধে, স্পর্শে, শব্দে অবিরাম
ব্যাপিয়া রয়েছে রাধা---বিশ্ব-বিজয়িনী!
রাধার চরণ-চিহ্ন রয়েছে অঙ্কিত
পথে ঘাটে কুঞ্জগেহে---বাহিরে অন্তরে---
যমুনার কাল জলে রয়েছে বিম্বিত
রাধার নয়ন দুটি---শোভিত কাজরে।
শ্রাবণ গগন ঘিরি' জলদ বিহরে---
মনে হয় রাধিকার চাঁচির চিকুর---
মধুমাসে মধুকর মধুর গুঞ্জরে---
ভ্রম হয় আসে রাধা বাজায়ে নূপুর!
বৈশাখের স্বর্ণ-রৌদ্রে দীপ্ত ধরাখানি---
ভাবিয়া রাধার রূপ বুকে তারে টানি!
****************************
প্রথম মিলন
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
এমনি স্বপন ঘেরা আছিল ধরণী---
এমনি আকাশ তলে যমুনা নাচিয়া চলে,
এমনি পাপিয়া বলে “পিউ” “পিউ” ধ্বনি!---
এমনি জোছনা-খেলা সৈকতে রজত-মেলা
সেই সে প্রথম হেথা মিলন-কাহিনী---
রাধারে লইয়া বুকে যামিনী যাপিনু সুখে
কঙ্কণে বাজিয়াছিল প্রেমের রাগিণী!
সেই আলিঙ্গন, সেই চুম্বন পরশ
যমুনার তীরে তীরে সারা বৃন্দাবন ঘিরে---
সমীর বহিছে যেন তাহারি হরষ!---
আমার হদয় মাঝে সেই সে পরশ বাজে
বাঁশরীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে, ঢালে নব রস!
সেই সে পরশ পেয়ে বাঁশী মোর উঠে গেয়ে---
রাধা-নামে মুখরিত আজি দিকদশ!
রাধার চরণ-তলে শ্যামের ত্রিবর্গ ফলে,
রাধার চরণ-নখে এ ব্রহ্মাণ্ড বশ!
এমনি স্বপন ঘেরা আছিল ধরণী!
এমনি আকাশ-তলে যমুনা নাচিয়া চলে---
এমনি পাপিয়া বলে “পিউ” “পিউ” ধ্বনি!
এমনি জোছনা-থেলা সৈকতে রজত-মেলা
রাধারে লইয়া বুকে গোঁয়ানু রজনী!
****************************
এমনি আকাশ তলে যমুনা নাচিয়া চলে,
এমনি পাপিয়া বলে “পিউ” “পিউ” ধ্বনি!---
এমনি জোছনা-খেলা সৈকতে রজত-মেলা
সেই সে প্রথম হেথা মিলন-কাহিনী---
রাধারে লইয়া বুকে যামিনী যাপিনু সুখে
কঙ্কণে বাজিয়াছিল প্রেমের রাগিণী!
সেই আলিঙ্গন, সেই চুম্বন পরশ
যমুনার তীরে তীরে সারা বৃন্দাবন ঘিরে---
সমীর বহিছে যেন তাহারি হরষ!---
আমার হদয় মাঝে সেই সে পরশ বাজে
বাঁশরীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে, ঢালে নব রস!
সেই সে পরশ পেয়ে বাঁশী মোর উঠে গেয়ে---
রাধা-নামে মুখরিত আজি দিকদশ!
রাধার চরণ-তলে শ্যামের ত্রিবর্গ ফলে,
রাধার চরণ-নখে এ ব্রহ্মাণ্ড বশ!
এমনি স্বপন ঘেরা আছিল ধরণী!
এমনি আকাশ-তলে যমুনা নাচিয়া চলে---
এমনি পাপিয়া বলে “পিউ” “পিউ” ধ্বনি!
এমনি জোছনা-থেলা সৈকতে রজত-মেলা
রাধারে লইয়া বুকে গোঁয়ানু রজনী!
****************************
কে তুমি
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কে তুমি রূপসি, কক্ষে কলসী
চলেছ যমুনা তীরে?
রাখালের বাঁশী গিয়াছে থামিয়া,
আঁধার এসেছে ঘিরে।
মন্থর গতি চলেছ যুবতি,
কঙ্কণ উঠে বাজি,
চরণ ঠমকে তালে ভালে তালে
মঞ্জীর উঠে গাজি'!
বক্ষ বসন--- স্রস্ত সমীরে
অঞ্চল ভূমে লোটে,
নূপুর তাড়নে রক্ত অশোক
সারি সারি ফুটে ওঠে!
নাহি কোন সখী চলেছ একাকী
নির্জ্জন পথ মাঝে---
গোপবধু যত কলসী ভরিয়া
ফিরিয়া এসেছে সাঁঝে!
কেমনে যাইবে যমুনার তীর---
কেমনে যাইবে একা?
আঁধার রজনী ঘিরেছে অবনী
নাহিক জোছনা-লেখা।
বৃষভানু-সুতা কহিছে তখন---
“আজি শ্যাম-সোহাগিনী,
শ্যামের পিরিতি যে জন ক'রেছে
সকল শঙ্কা জিনি'---
সে পারে যাইতে ভবনদীপারে,---
কা কথা যমুনাতীর?
সে জানেনা গেহ,--- শ্যামের চরণে
বেঁধেছে সোহাগ-নীড়।”
****************************
চলেছ যমুনা তীরে?
রাখালের বাঁশী গিয়াছে থামিয়া,
আঁধার এসেছে ঘিরে।
মন্থর গতি চলেছ যুবতি,
কঙ্কণ উঠে বাজি,
চরণ ঠমকে তালে ভালে তালে
মঞ্জীর উঠে গাজি'!
বক্ষ বসন--- স্রস্ত সমীরে
অঞ্চল ভূমে লোটে,
নূপুর তাড়নে রক্ত অশোক
সারি সারি ফুটে ওঠে!
নাহি কোন সখী চলেছ একাকী
নির্জ্জন পথ মাঝে---
গোপবধু যত কলসী ভরিয়া
ফিরিয়া এসেছে সাঁঝে!
কেমনে যাইবে যমুনার তীর---
কেমনে যাইবে একা?
আঁধার রজনী ঘিরেছে অবনী
নাহিক জোছনা-লেখা।
বৃষভানু-সুতা কহিছে তখন---
“আজি শ্যাম-সোহাগিনী,
শ্যামের পিরিতি যে জন ক'রেছে
সকল শঙ্কা জিনি'---
সে পারে যাইতে ভবনদীপারে,---
কা কথা যমুনাতীর?
সে জানেনা গেহ,--- শ্যামের চরণে
বেঁধেছে সোহাগ-নীড়।”
****************************
অভিসারিকা
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কোথা কোন্ বৃন্দাবনে, কোন্ নীপ-মূলে
বাজায় বাঁশরী আজ শ্যাম গুণমণি!
কোথায় একান্তে বসি' মালা গাঁথি ফুলে
দোলায় উরসে রাধা---বিদ্যুৎ-বরণী!
---রঞ্জিয়া তাম্বুল-রাগে অধর হিঙ্গুলে
সম্মুখে মুকুর রাখি' করে প্রসাধন!---
ভাবিছে---পরিবে কোন্ চিকণ দুকুলে
ভেটিতে সে প্রাণকান্তে!--- আনত নয়ন!
ঝরিছে শ্রাবণ-ধারা ;---স্বনিয়া স্বনিয়া
বহিতেছে আর্দ্র বায়ু,---আসিছে রজনী---
জনহীন শূন্য পথ রয়েছে পড়িয়া---
চলে গেছে শেষপান্থ!---বাহিরহ ধনি,
আর ব্যাজে কাজ নাই---দোহাই তোমারে,
আমারেও ল'য়ে চল হরি-অভিসারে!
****************************
বাজায় বাঁশরী আজ শ্যাম গুণমণি!
কোথায় একান্তে বসি' মালা গাঁথি ফুলে
দোলায় উরসে রাধা---বিদ্যুৎ-বরণী!
---রঞ্জিয়া তাম্বুল-রাগে অধর হিঙ্গুলে
সম্মুখে মুকুর রাখি' করে প্রসাধন!---
ভাবিছে---পরিবে কোন্ চিকণ দুকুলে
ভেটিতে সে প্রাণকান্তে!--- আনত নয়ন!
ঝরিছে শ্রাবণ-ধারা ;---স্বনিয়া স্বনিয়া
বহিতেছে আর্দ্র বায়ু,---আসিছে রজনী---
জনহীন শূন্য পথ রয়েছে পড়িয়া---
চলে গেছে শেষপান্থ!---বাহিরহ ধনি,
আর ব্যাজে কাজ নাই---দোহাই তোমারে,
আমারেও ল'য়ে চল হরি-অভিসারে!
****************************
অভিসারে
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি-এ
কবির ১৯১৪ সালে প্রকাশিত “ভাষা ও সুর” গীতিকাব্য গ্রন্থের “রাধা ও বাঁশী” অধ্যায়ের কবিতা। ১নং তাঁতিবাগান রোড্ হতে গ্রন্থকার কর্ত্তৃক প্রকাশিত। ইনি মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩। মিলনসাগরে প্রকাশ ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
নীল-অঞ্জন-ব্যাপ্ত-গগন, মেদুর পবন বহিছে ;
ফুটিছে কেতকী কাশ কুসুম, বর্যার বারি ঝরিছে!
যমুনার জলে কাল ঘনছায়া, তীরে বনরাজী শ্বসিছে ;
কদম্ব তরু হর্ষ সরস যেন শিহরিয়া উঠিছে।
নবঘন-শ্যাম শ্যামের বাঁশরী “রাধা রাধা” বলি কাঁদিছে---
সন্ধ্যার ছায়া ধরণীর কোলে মন্থর পদে নামিছে।
নীল দুকুলে অঙ্গ আবরি' একাকিনী রাই চলিছে---
প্রিয়-সমাগম-ব্যগ্র-মানস চরণে নূপুর রুণিছে!
দুরু দুরু দুরু কম্পিত হিয়া, শ্যাম নাম শুধু জপিছে ;
স্বস্ত বসন, স্রস্ত কবরি, ফুলমালা খসি' পড়িছে!
গুরু গুরু গুরু গর্জ্জিছে মেঘ, বিদ্যুৎদাম চকিছে
সান্দ্র-তিমির-আকাশ-নিকষে কনকের রেখা ফুটিছে!
ঝিল্লি-মুখর-নৈশ-প্রকৃতি বর্ষার জলে ভিজিছে ;
কিশোরীর তনু সিক্ত আকুল অঙ্গে বেপথু হানিছে!
রুচির উরসে চন্দন-লেপ্ মূরছিয়া ধীরে পড়িছে ;
চরণ কমলে অলক্তরাগ বনবীথি বুকে ধরিছে!
কুঞ্জ-কুটীরে বসি' বনমালী বেণুর রন্ধ্র, পূরিছে---
“কোথা রাধারাণী, কোথা রাধারাণী”, পথপানে শুধু চাহিছে!---
বিরহ-ব্যাকুল কবির বাঁশরী বর্ষা-সাঁঝে এ কাঁদিছে---
কিশোর মিলিল কিশোরী সঙ্গে,---কবি প্রিয়ানাম জপিছে!
****************************
ফুটিছে কেতকী কাশ কুসুম, বর্যার বারি ঝরিছে!
যমুনার জলে কাল ঘনছায়া, তীরে বনরাজী শ্বসিছে ;
কদম্ব তরু হর্ষ সরস যেন শিহরিয়া উঠিছে।
নবঘন-শ্যাম শ্যামের বাঁশরী “রাধা রাধা” বলি কাঁদিছে---
সন্ধ্যার ছায়া ধরণীর কোলে মন্থর পদে নামিছে।
নীল দুকুলে অঙ্গ আবরি' একাকিনী রাই চলিছে---
প্রিয়-সমাগম-ব্যগ্র-মানস চরণে নূপুর রুণিছে!
দুরু দুরু দুরু কম্পিত হিয়া, শ্যাম নাম শুধু জপিছে ;
স্বস্ত বসন, স্রস্ত কবরি, ফুলমালা খসি' পড়িছে!
গুরু গুরু গুরু গর্জ্জিছে মেঘ, বিদ্যুৎদাম চকিছে
সান্দ্র-তিমির-আকাশ-নিকষে কনকের রেখা ফুটিছে!
ঝিল্লি-মুখর-নৈশ-প্রকৃতি বর্ষার জলে ভিজিছে ;
কিশোরীর তনু সিক্ত আকুল অঙ্গে বেপথু হানিছে!
রুচির উরসে চন্দন-লেপ্ মূরছিয়া ধীরে পড়িছে ;
চরণ কমলে অলক্তরাগ বনবীথি বুকে ধরিছে!
কুঞ্জ-কুটীরে বসি' বনমালী বেণুর রন্ধ্র, পূরিছে---
“কোথা রাধারাণী, কোথা রাধারাণী”, পথপানে শুধু চাহিছে!---
বিরহ-ব্যাকুল কবির বাঁশরী বর্ষা-সাঁঝে এ কাঁদিছে---
কিশোর মিলিল কিশোরী সঙ্গে,---কবি প্রিয়ানাম জপিছে!
****************************
