১৯২৪ সালের পর থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তাঁর প্রকাশিত কবিতার সাথে তাঁর নামের সঙ্গে কোনো কোনো ক্ষেত্রে “কবিগুণাকর” উপাধি দেখতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ এর পূর্বের কোনো সময়ে তাঁকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। কোন কোন পত্রিকায় কেবল শ্রীআশুতোষ মুখোপাধ্যায় বি.এ. দেওয়া রয়েছে, অথবা শুধু শ্রীআশুতোষ মুখোপাধ্যায়।
.
পাঁচ জন আশুতোষ মুখোপাধ্যায় - ^^ উপরে ফেরত
১। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ ইনি ১৮৭১ সালে প্রমোদকামিনী কাব্য লিখেছিলেন। ইনিই ১৮৬৪ সালের প্রথম পি.আর.এস. (প্রেমচাঁদ রয়চাঁদ স্কলার) কি না তা আমরা বলতে পারছি না।
২। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-২ স্যার (২৯. ০৬. ১৮৬৪ ~ ২৫. ০৫. ১৯২৪)। অর্থাৎ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়।
৩। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ (১৮৭১ - ১৯২২)। তাঁর এই জীবনকাল দেওয়া থাকলেও আমারা তা জোর দিয়ে বলতে পারছি না। কারণ তার পরেও বেশ কিছু পত্রিকায় এই নামের কবির কবিতা বেরিয়েছিল। অধ্যাপক সুকুমার সেনের মতানুযায়ী তিনিই প্রথম বাংলার ছড়ার সংকলক।
৪। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৪ কবিগুণাকর (প্রকাশকাল ১৯২২ - ১৯৩১) এই কালের মধ্যে বহু নামকরা পত্রিকায় এই নামে যে কবিতা বেরিয়েছিল, তা সম্ভবত কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩-এরই। কিন্তু তবুও এই কবিতাগুলিকে আমরা আলাদা করে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর পাতায় তুলেছি।
৫। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৫ ঔপন্যাসিক (৭.৯.১৯২০ - ৪.৫.১৯৮৯)।
মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ এবং কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৪ এর একই ব্যক্তি হবার সম্ভাবনা প্রবল।
এঁদের ছাড়াও একজন “রায় সাহেব আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, বি.এল.” এর “গায়ত্রী পরিচয়” নামের একটি গ্রন্থ পাওয়া গিয়েছে যার ১ম সংস্করণ বৈশাখ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৪ই মে ১৯২৫ নাগাদ প্রকাশিত হয়েছিল, মাধিপুরা, জিলা ভাগলপুর থেকে। এঁর কোনো কবিতা পাওয়া যায়নি তাই মিলনসাগরে এনার কোনো কবিতার পাতা করা হয় নি। “গায়ত্রী পরিচয়” গ্রন্থটি Published by the Author, 132, Dharmatala St, Calcutta এবং ছাপানো হয় তারা প্রেস থেকে। প্রিন্টার – শ্রীশশধর ঘোষ। ৫৬ নং সীতারাম ঘোষ স্ট্রীট্, কলিকাতা।
.
বিভিন্ন পত্রিকায় এই কবির কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর কবিতা আমরা পাই “বঙ্গবাণী”, “মানসী ও মর্ম্মবাণী”, “মাসিক বসুমতী”, “মাতৃ-মন্দির”, “নারায়ণ”, “পরিচারিকা”, “সচিত্র শিশির” প্রভৃতি সেকালের প্রথম সারির পত্র-পত্রিকায়।
আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি যে সমসাময়িক স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যয় যাঁকে আমরা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ২ বলছি, তিনি বহু সম্মাননা ও উপাধী তে ভূষিত হলেও, কবিগুণাকর উপাধীতে ভুষিত ছিলেন না।
.
কবির কন্যা বিয়োগে কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
কবির কন্যা তণিমা দেবী, মাত্র ১১ বছর বয়সে মারা গেলে তিনি “কন্যাশোকে” নামের একটি কবিতা লিখে, অক্ষয়কুমার নন্দী ও সুরবালা দত্ত সম্পাদিত “মাতৃ-মন্দির” পত্রিকার অগ্রহায়ণ ১৩৩১ সংখ্যায় (নভেম্বর ১৯২৪ ) প্রকাশিত করেন। স্যার আশুতোষের কন্যা কমলা দেবীও মারা যান স্যার আশুতোষের পরলোক গমনের ১ বছর আগে ২০২৩ সালে। কিন্তু কমলাদেবী যুবতী ছিলেন যখন তিনি মারা যান। তাঁর দ্বিতীয় বিবাহের ১৩ বছর পর তিনি মারা গিয়েছিলেন।
এছাড়াও এই কবির শিশিরকুমার মিত্র সম্পাদিত “সচিত্র শিশির” পত্রিকার ১৪ই জ্যৈষ্ঠ ১৩৩৪ সংখ্যায় (মে, ১৯২৭) প্রকাশিত “আত্ম-সমর্পণ” কবিতাতেও আমরা পাই কবির কন্যা বিয়োগের উল্লেখ।
তাই এই কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কবিগুণাকর বি-এ এবং কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় একই ব্যক্তি নন।
.
কবি আশুতোষ ৪ ও ৩ কি একই ব্যক্তি? - ^^ উপরে ফেরত
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতার কবি, মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৪ (কবিগুণাকর) এবং “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী” ও “ভাষা ও সুর” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৩ কি একই ব্যক্তি হতে পারেন?
এর প্রবল সম্ভাবনা মনে হলেও কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৪ এর নারী বা নারীত্বের প্রতি মনোভাবের চেয়ে, কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৩ এর নারী বা নারীত্বের প্রতি মনোভাব অনেক উদার। এটা তাঁদের নারী বা নারীত্ব নিয়ে রচিত কবিতা পড়লে বোঝা যায়।
এমন হওয়া আশ্চর্যের নয় যে একই কবি বিভিন্ন সময়ের মানসিক অবস্থায় কবিতা লিখেছেন কখনও প্রেম-ভালবাসা-শ্রদ্ধার সঙ্গে খুশির আবেশে, কখনও রাগ করে।
এই দুই কবি সম্বন্ধে, তথ্য-প্রমাণ সহকারে, যদি কারও কাছ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানতে পাই, তাহলে আমরা তা এখানে তুলে দেব তথ্য সরবরাহকারীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।
আমরা মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর কবিতা তুলে আগামি প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা। এই পাতা কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
উৎস ---
.
পাঁচ জন আশুতোষ মুখোপাধ্যায় - ^^ উপরে ফেরত
১। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ ইনি ১৮৭১ সালে প্রমোদকামিনী কাব্য লিখেছিলেন। ইনিই ১৮৬৪ সালের প্রথম পি.আর.এস. (প্রেমচাঁদ রয়চাঁদ স্কলার) কি না তা আমরা বলতে পারছি না।
২। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-২ স্যার (২৯. ০৬. ১৮৬৪ ~ ২৫. ০৫. ১৯২৪)। অর্থাৎ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়।
৩। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ (১৮৭১ - ১৯২২)। তাঁর এই জীবনকাল দেওয়া থাকলেও আমারা তা জোর দিয়ে বলতে পারছি না। কারণ তার পরেও বেশ কিছু পত্রিকায় এই নামের কবির কবিতা বেরিয়েছিল। অধ্যাপক সুকুমার সেনের মতানুযায়ী তিনিই প্রথম বাংলার ছড়ার সংকলক।
৪। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৪ কবিগুণাকর (প্রকাশকাল ১৯২২ - ১৯৩১) এই কালের মধ্যে বহু নামকরা পত্রিকায় এই নামে যে কবিতা বেরিয়েছিল, তা সম্ভবত কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৩-এরই। কিন্তু তবুও এই কবিতাগুলিকে আমরা আলাদা করে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর পাতায় তুলেছি।
৫। কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৫ ঔপন্যাসিক (৭.৯.১৯২০ - ৪.৫.১৯৮৯)।
মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৩ এবং কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-৪ এর একই ব্যক্তি হবার সম্ভাবনা প্রবল।
এঁদের ছাড়াও একজন “রায় সাহেব আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, বি.এল.” এর “গায়ত্রী পরিচয়” নামের একটি গ্রন্থ পাওয়া গিয়েছে যার ১ম সংস্করণ বৈশাখ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৪ই মে ১৯২৫ নাগাদ প্রকাশিত হয়েছিল, মাধিপুরা, জিলা ভাগলপুর থেকে। এঁর কোনো কবিতা পাওয়া যায়নি তাই মিলনসাগরে এনার কোনো কবিতার পাতা করা হয় নি। “গায়ত্রী পরিচয়” গ্রন্থটি Published by the Author, 132, Dharmatala St, Calcutta এবং ছাপানো হয় তারা প্রেস থেকে। প্রিন্টার – শ্রীশশধর ঘোষ। ৫৬ নং সীতারাম ঘোষ স্ট্রীট্, কলিকাতা।
.
বিভিন্ন পত্রিকায় এই কবির কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর কবিতা আমরা পাই “বঙ্গবাণী”, “মানসী ও মর্ম্মবাণী”, “মাসিক বসুমতী”, “মাতৃ-মন্দির”, “নারায়ণ”, “পরিচারিকা”, “সচিত্র শিশির” প্রভৃতি সেকালের প্রথম সারির পত্র-পত্রিকায়।
আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি যে সমসাময়িক স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যয় যাঁকে আমরা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ২ বলছি, তিনি বহু সম্মাননা ও উপাধী তে ভূষিত হলেও, কবিগুণাকর উপাধীতে ভুষিত ছিলেন না।
.
কবির কন্যা বিয়োগে কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
কবির কন্যা তণিমা দেবী, মাত্র ১১ বছর বয়সে মারা গেলে তিনি “কন্যাশোকে” নামের একটি কবিতা লিখে, অক্ষয়কুমার নন্দী ও সুরবালা দত্ত সম্পাদিত “মাতৃ-মন্দির” পত্রিকার অগ্রহায়ণ ১৩৩১ সংখ্যায় (নভেম্বর ১৯২৪ ) প্রকাশিত করেন। স্যার আশুতোষের কন্যা কমলা দেবীও মারা যান স্যার আশুতোষের পরলোক গমনের ১ বছর আগে ২০২৩ সালে। কিন্তু কমলাদেবী যুবতী ছিলেন যখন তিনি মারা যান। তাঁর দ্বিতীয় বিবাহের ১৩ বছর পর তিনি মারা গিয়েছিলেন।
এছাড়াও এই কবির শিশিরকুমার মিত্র সম্পাদিত “সচিত্র শিশির” পত্রিকার ১৪ই জ্যৈষ্ঠ ১৩৩৪ সংখ্যায় (মে, ১৯২৭) প্রকাশিত “আত্ম-সমর্পণ” কবিতাতেও আমরা পাই কবির কন্যা বিয়োগের উল্লেখ।
তাই এই কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কবিগুণাকর বি-এ এবং কবি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় একই ব্যক্তি নন।
.
কবি আশুতোষ ৪ ও ৩ কি একই ব্যক্তি? - ^^ উপরে ফেরত
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতার কবি, মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৪ (কবিগুণাকর) এবং “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী” ও “ভাষা ও সুর” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মিলনসাগরের কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৩ কি একই ব্যক্তি হতে পারেন?
এর প্রবল সম্ভাবনা মনে হলেও কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৪ এর নারী বা নারীত্বের প্রতি মনোভাবের চেয়ে, কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যয় ৩ এর নারী বা নারীত্বের প্রতি মনোভাব অনেক উদার। এটা তাঁদের নারী বা নারীত্ব নিয়ে রচিত কবিতা পড়লে বোঝা যায়।
এমন হওয়া আশ্চর্যের নয় যে একই কবি বিভিন্ন সময়ের মানসিক অবস্থায় কবিতা লিখেছেন কখনও প্রেম-ভালবাসা-শ্রদ্ধার সঙ্গে খুশির আবেশে, কখনও রাগ করে।
এই দুই কবি সম্বন্ধে, তথ্য-প্রমাণ সহকারে, যদি কারও কাছ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানতে পাই, তাহলে আমরা তা এখানে তুলে দেব তথ্য সরবরাহকারীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।
আমরা মিলনসাগরে কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর কবিতা তুলে আগামি প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা। এই পাতা কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবি আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ৪ কবিগুণাকর এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩। ৯.৫.২০২৬।
উৎস ---
- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, “ভূতপূর্ব্বা ভারতেশ্বরী ভিক্টোরিয়া ভারতী” গ্রন্থ, ১৯১৩।
- শিশিরকুমার দাশ, সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী, ২০০৩।
- সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান ১ম খণ্ড, ২০১০।