কবি মধুমিতা ভট্টাচার্য - জন্মগ্রহণ করেন উত্তর পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ধর্মনগর শহরে। পিতা সুনীল দে একজন সরকারি শিক্ষক ছিলেন। মাতা বিভা দে ছিলেন শিক্ষিতা গৃহবধূ। তিনি কাছাড়ের (আসাম) বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন সংগ্রামী ছিলেন। কবির স্বামী শ্রী অতনু ভট্টাচার্য।
.
কবি মধুমিতা ভট্টাচার্য - জন্মগ্রহণ করেন উত্তর পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ধর্মনগর শহরে। পিতা সুনীল দে একজন সরকারি শিক্ষক ছিলেন। মাতা বিভা দে ছিলেন শিক্ষিতা গৃহবধূ। তিনি কাছাড়ের (আসাম) বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন সংগ্রামী ছিলেন। কবির স্বামী শ্রী অতনু ভট্টাচার্য।


.
কবির শিক্ষা ও কর্ম -    ^^ উপরে ফেরত
কবি মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন "রাগনা মাধ্যমিক সরকারি বিদ্যালয়"-এ এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন "চন্দ্রপুর সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়" থেকে। দুটি স্কুলই ত্রিপুরার ধর্মনগরে। এরপর তিনি ত্রিপুরা মহাবিদ্যালয় ও আসাম বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা করছেন। .


কবির সাহিত্য চর্চা -     ^^ উপরে ফেরত
ছোটবেলা থেকেই (ক্লাস ফাইভ সিক্স থেকে) তাঁর সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল। ক্লাস এইটে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন, কালাছড়া, স্বরচিত কবিতা প্রতিযোগিতায় অষ্টম স্থান অর্জন করেন। বহ্নিশিখা লিটল ম্যাগাজিনের মতো আরো কয়েকটি পত্রিকায় তখন নিয়মিত লিখতেন।

তারপর প্রায় আঠারো বছর অনিয়মিতভাবে সাহিত্য চর্চা। ২০১৮ থেকে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা পুনরায় শুরু হয়। বর্তমানে ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করছেন।

তিনি কবিতার পাশাপাশি গল্প, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনী, প্রবন্ধ, আলোচনা, শিশুদের জন্য ছড়া এবং গল্পও লিখছেন। ভবিষ্যতে তাঁর, উপন্যাস নিয়ে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে। .


কবির রচনাবলি -   ^^ উপরে ফেরত
তাঁর লেখা “ভাসান” কবিতার নাট্য রূপান্তর ও মঞ্চায়ন রাজ্য তথা বহির্রাজ্যে বিশেষভাবে সাড়া জাগিয়েছে।

তাঁর এ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “চেতনা সূর্য” (২০১৫, ধর্মনগর বইমেলা, বহ্নিশিখা পাবলিকেশন, ত্রিপুরা), “এবং হাঁটছি” (২০২৩, আগরতলা বইমেলা, দিগন্ত প্রকাশনী, ত্রিপুরা), “প্যাপিরাসে আঁকা” (২০২৪, নীহারিকা প্রকাশনা, আগরতলা, ত্রিপুরা), “কাচের শহরে বনমোরগ” (২০২৪, নীহারিকা প্রকাশনা , আগরতলা , ত্রিপুরা), “পোতাশ্রয় চুপ করে থাকে” (২০২৫, স্রোত প্রকাশনা ,কুমারঘাট, ত্রিপুরা), “মেঘের বুটিক” (২০২৬ ,বইঘর প্রকাশনা , কলকাতা)। তাঁর একটি গল্পের বই “চতুর্দশীর চাঁদ ও একটি অন্য গল্প” (২০২৬, দিগন্ত প্রকাশনা, ত্রিপুরা)।

তিনি বিশ্বাস করেন কবিতাই তাঁর বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না, অনেক প্রতিবাদই করা হয়ে ওঠে না সরাসরি, তাই তিনি ভাবেন “সব কথা কাব্য হয়ে থাক।” সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় কাজ করার ইচ্ছে তাঁর রয়েছে।

বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসারে তিনি বদ্ধ পরিকর। তাঁর কথায়...
--- “একটি কবিতার জন্ম না হওয়া পর্যন্ত
মৃত্যুকে বলবো ফিরে যেতে”

(কবির "মেঘের বুটিক" কাব্যগ্রন্থের, “শুধু কবিতার জন্য” কবিতার একটি লাইন।)


মিলনসাগরে কবি মধুমিতা ভট্টাচার্যর কবিতার পাতা তৈরী করে আমরা আনন্দিত।

কবি মধুমিতা ভট্টাচার্যর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন



বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।



কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
চলভাষ : +৯১ ৯৭৭৪১২৪২৪৪
ঠিকানা : চন্দ্রপুর, দেশবন্ধু রোড, ধর্মনগর, ত্রিপুরা, পিন - ৭৯৯২৫০।


আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ
: +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭



এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৪.৪.২০২৬


^^ উপরে ফেরত