কবি সোমনাথ রায় এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
মন্দাক্রান্তা
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
বন্ধন মুক্তির এখানে এত স্বাদ, বলব শুনবার কোথায় লোক
নির্বাক সঙ্গীত লিখেছি কবিতায়, ইচ্ছা পিঞ্জর প্রকাশ হোক।
ঝর্ণার উচ্ছ্বাস থাকে না সাগরের, দগ্ধ সৈকত বিরাম চায়
প্রস্তর পিণ্ডের ওপরে চলাচল, রক্ষা করবার আছেন সাঁই।
যক্ষের মেঘদূত নিজেকে মনে হয়, ছত্র রোদ্দুর, প্রেসার হায়
মারকেট নয় মল, হাটে ও বাজারের কিস্তি শুধবার থাকেও দায়।
তারপর ঈশ্বর দিয়েছে এত দান, স্বপ্ন-শৃঙ্খল লোপাট হয়
মন্দাক্রান্তায় করেছি বসবাস শঙ্খ-সত্যেন পথের জয়।
****************************
নির্বাক সঙ্গীত লিখেছি কবিতায়, ইচ্ছা পিঞ্জর প্রকাশ হোক।
ঝর্ণার উচ্ছ্বাস থাকে না সাগরের, দগ্ধ সৈকত বিরাম চায়
প্রস্তর পিণ্ডের ওপরে চলাচল, রক্ষা করবার আছেন সাঁই।
যক্ষের মেঘদূত নিজেকে মনে হয়, ছত্র রোদ্দুর, প্রেসার হায়
মারকেট নয় মল, হাটে ও বাজারের কিস্তি শুধবার থাকেও দায়।
তারপর ঈশ্বর দিয়েছে এত দান, স্বপ্ন-শৃঙ্খল লোপাট হয়
মন্দাক্রান্তায় করেছি বসবাস শঙ্খ-সত্যেন পথের জয়।
****************************
বৈশাখী গান
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
নির্দয় সূর্যের ঘোড়ারা সারাদিন অগ্নি-বর্শায় খোঁচায় প্রাণ
বৈশাখ সন্ধ্যায় এসেছো তুমি আজ চাইছে অন্তর উদোম স্নান।
মাঠঘাট চৌচির পারে না কোনো জীব রাখতে প্রাণ তার কেবল শোক
প্রেমহীন মুখটাই হতাশা এঁকে দেয় মগ্ন তৃষ্ণায় ব্যাকুল চোখ।
বৃষ্টির সংকেত ঢেকেছে আকাশের কৃষ্ণ সম্ভার সদয় মেঘ
উন্মাদ বৃক্ষের শাখা ও প্রশাখায় করছে তোলপাড় ঝড়ের বেগ।
ঝমঝম সংগীত ঝাঁপিয়ে এসে যায় ছাদ না ময়দান তফাৎ নেই
অঙ্গের আনচান হয়েছে অবসান ফিরল বর্ষায় প্রাণের খেই।
রাত্তির বিস্তার পুলকে বলে যায় মত্ত নৃত্যের আসর চাই
ভরপুর উৎসব পালিত পেয়ালায় জন্ম-মৃত্যুর কুহক গায়।
****************************
বৈশাখ সন্ধ্যায় এসেছো তুমি আজ চাইছে অন্তর উদোম স্নান।
মাঠঘাট চৌচির পারে না কোনো জীব রাখতে প্রাণ তার কেবল শোক
প্রেমহীন মুখটাই হতাশা এঁকে দেয় মগ্ন তৃষ্ণায় ব্যাকুল চোখ।
বৃষ্টির সংকেত ঢেকেছে আকাশের কৃষ্ণ সম্ভার সদয় মেঘ
উন্মাদ বৃক্ষের শাখা ও প্রশাখায় করছে তোলপাড় ঝড়ের বেগ।
ঝমঝম সংগীত ঝাঁপিয়ে এসে যায় ছাদ না ময়দান তফাৎ নেই
অঙ্গের আনচান হয়েছে অবসান ফিরল বর্ষায় প্রাণের খেই।
রাত্তির বিস্তার পুলকে বলে যায় মত্ত নৃত্যের আসর চাই
ভরপুর উৎসব পালিত পেয়ালায় জন্ম-মৃত্যুর কুহক গায়।
****************************
তৃতীয় মানব
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
জন্মের সঙ্গেই দিয়েছে ভগবান হাস্যকৌতুক চোখের জল
ডাক্তার নার্সের চাহনি ছিরিহীন বাপ-মা অস্থির তাদের ফল
নেই যার লিঙ্গের নারী বা পুরুষের চিহ্ন সব্বার যেমন হয়
লজ্জায় ঘেন্নায় কাটাবে সে জীবন যৌন অঙ্গের বিকাশ নয়।
দল ছুট সন্তান না পায় পরিচয় হয় না ঠাঁই তার কোথাও নাম
বচ্ছর বচ্ছর ঘুরেছে কত চোর ছিঁচকে বদমাশ সমান কাম
বিদ্যার ইস্কুল দেবে না অধিকার নেই যে লিঙ্গের প্রকার ভেদ
হয় থাক পৌরুষ নতুবা নারী হোক ভিন্ন সত্তায় প্রকট ক্লেদ।
সঙ্গম স্বার্থেই জাতীয় নাগরিক বন্ধ্যা ভাণ্ডের অধীন শোক
ক্ষোভ সুখ আহ্লাদ রয়েছে সকলের নব্য নির্দেশ জাগায় চোখ
নির্দয় ঈশ্বর হয়েছে দয়াময় অস্ত সূর্যের উদয়কাল
সত্তার সম্মান ফিরেছে দেশে আজ অন্ধ নিন্দার ছিঁড়ুক জাল।
সর্ষের অন্তর ভূতেরা করে বাস লক্ষ রাখবার নজর চাই
কর্মের স্বাক্ষর তৃতীয় মানবের আনবে গৌরব প্রতিষ্ঠায়।
****************************
ডাক্তার নার্সের চাহনি ছিরিহীন বাপ-মা অস্থির তাদের ফল
নেই যার লিঙ্গের নারী বা পুরুষের চিহ্ন সব্বার যেমন হয়
লজ্জায় ঘেন্নায় কাটাবে সে জীবন যৌন অঙ্গের বিকাশ নয়।
দল ছুট সন্তান না পায় পরিচয় হয় না ঠাঁই তার কোথাও নাম
বচ্ছর বচ্ছর ঘুরেছে কত চোর ছিঁচকে বদমাশ সমান কাম
বিদ্যার ইস্কুল দেবে না অধিকার নেই যে লিঙ্গের প্রকার ভেদ
হয় থাক পৌরুষ নতুবা নারী হোক ভিন্ন সত্তায় প্রকট ক্লেদ।
সঙ্গম স্বার্থেই জাতীয় নাগরিক বন্ধ্যা ভাণ্ডের অধীন শোক
ক্ষোভ সুখ আহ্লাদ রয়েছে সকলের নব্য নির্দেশ জাগায় চোখ
নির্দয় ঈশ্বর হয়েছে দয়াময় অস্ত সূর্যের উদয়কাল
সত্তার সম্মান ফিরেছে দেশে আজ অন্ধ নিন্দার ছিঁড়ুক জাল।
সর্ষের অন্তর ভূতেরা করে বাস লক্ষ রাখবার নজর চাই
কর্মের স্বাক্ষর তৃতীয় মানবের আনবে গৌরব প্রতিষ্ঠায়।
****************************
বাসর গান
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
উদ্দাম রাত্রির হয়েছে অবসান ভাঙল সূর্যের প্রবল ঘুম
অস্থির ঝঞ্ঝার অবহেলিত স্বর লাভ কী মন যার কমনরুম
শয্যাও একটিই সেটিও বড়ো নয় স্পর্শ লাগবেই তড়িৎমন
ফাল্গুন সন্তুর গমকে আরোহণ করবে অন্তর নিবিড় ক্ষণ।
সংসার রক্ষায় সহানুভূতিশীল থাকব দুইজন পরস্পর
কাঞ্চন রোদ্দুর এসেছে জানালায় দরজা হাট হোক ভাসুক ঘর।
দূর হোক মিথ্যায় কলহ পরিবেশ লজ্জা ঘেন্নার অতীতবোল
চুম্বন মূর্ছায় ভাসাব তোকে আজ মাখবি উদ্দাম আবির দোল।
পূর্বের পল্লব ঝরিয়ে ফেলে গাছ সেই যে কঙ্কাল শুধুই কাঠ
প্রত্যয় নির্ভর ফিরিয়ে আনে তার গুল্ম সম্ভার প্রাণের হাট।
বৃক্ষের আশ্রয় পাখিরা নিরুপায় কন্ঠ সজ্জায় ওঠায় তান
বিহ্বল অঙ্গের তেমনি শিহরণ তুইও বার কর বাজুক গান।
ভ্রান্তির শেষ হোক দু-জনে পুনরায় পরবো পুষ্পের বাসরসাজ
বন্দির বন্ধ্যায় মোচিত হতে চাই মাখব চন্দন উভয় আজ।
প্রজ্ঞায় প্রস্তুত মরমে অধিকার পায় তো পাক সব বেতাল তাল
পিঞ্জর মন্দির সঘন মিলনের এই তো সংকেত মধুর কাল।
****************************
অস্থির ঝঞ্ঝার অবহেলিত স্বর লাভ কী মন যার কমনরুম
শয্যাও একটিই সেটিও বড়ো নয় স্পর্শ লাগবেই তড়িৎমন
ফাল্গুন সন্তুর গমকে আরোহণ করবে অন্তর নিবিড় ক্ষণ।
সংসার রক্ষায় সহানুভূতিশীল থাকব দুইজন পরস্পর
কাঞ্চন রোদ্দুর এসেছে জানালায় দরজা হাট হোক ভাসুক ঘর।
দূর হোক মিথ্যায় কলহ পরিবেশ লজ্জা ঘেন্নার অতীতবোল
চুম্বন মূর্ছায় ভাসাব তোকে আজ মাখবি উদ্দাম আবির দোল।
পূর্বের পল্লব ঝরিয়ে ফেলে গাছ সেই যে কঙ্কাল শুধুই কাঠ
প্রত্যয় নির্ভর ফিরিয়ে আনে তার গুল্ম সম্ভার প্রাণের হাট।
বৃক্ষের আশ্রয় পাখিরা নিরুপায় কন্ঠ সজ্জায় ওঠায় তান
বিহ্বল অঙ্গের তেমনি শিহরণ তুইও বার কর বাজুক গান।
ভ্রান্তির শেষ হোক দু-জনে পুনরায় পরবো পুষ্পের বাসরসাজ
বন্দির বন্ধ্যায় মোচিত হতে চাই মাখব চন্দন উভয় আজ।
প্রজ্ঞায় প্রস্তুত মরমে অধিকার পায় তো পাক সব বেতাল তাল
পিঞ্জর মন্দির সঘন মিলনের এই তো সংকেত মধুর কাল।
****************************
ত্রিওলে
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
১.
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
মেঘের শব্দে বুকে বাজে ঝুমঝুমি
পরোয়া করি না ঝড় বা বজ্রপাত
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
দু-জনে কাটাব ময়দানে সারারাত
হৃদয় আমার হয়েছিল মরুভূমি
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
মেঘের শব্দে বুকে বাজে ঝুমঝুমি
২.
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
তোমার মুখের একটি কৃষ্ণ তিল
একতারা-বুকে বেজে ওঠা গাবগুব
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
সূর্য তখন পশ্চিম নাকি পূব
আকাশে, খেয়াল করেনি শঙ্খচিল
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
তোমার মুখের একটি কৃষ্ণ তিল
৩.
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
কোন সুরে হবে একাকার তুমি, মাতবে আলিঙ্গনে
অশ্রুর ধারা ছুটে যেতে চায় জঙ্গল পর্বতে
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
সর্বদা জ্বলে আরতির দীপ এই হৃদয়ের ক্ষতে
মাঝেমাঝে পড়ি মূর্ছা কবলে, হুঁশ নেই তবু মনে
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
কোন সুরে হবে একাকার তুমি, মাতবে আলিঙ্গনে
৪.
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
শরীর মৃত্তিকাময়, বায়ু-ব্যবহারে তাকে গড়া যেত শিব
দুপুর গড়িয়ে গ্যাছে ঘাম ঝেড়ে, ক্লান্ত হয়ে বসেছি পৃথক
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
লাঙলের অন্তর্মুখী চলাচলে মুক্তি পায় সার্থক কৃষক
দু-চোখের জলে ভাসে পশ্চিমের রোদ, আমি আহাম্মক জীব
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
শরীর মৃত্তিকাময়, বায়ু-ব্যবহারে তাকে গড়া যেত শিব
****************************
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
মেঘের শব্দে বুকে বাজে ঝুমঝুমি
পরোয়া করি না ঝড় বা বজ্রপাত
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
দু-জনে কাটাব ময়দানে সারারাত
হৃদয় আমার হয়েছিল মরুভূমি
বৃষ্টি আসবে বলে বাড়িয়েছি হাত
মেঘের শব্দে বুকে বাজে ঝুমঝুমি
২.
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
তোমার মুখের একটি কৃষ্ণ তিল
একতারা-বুকে বেজে ওঠা গাবগুব
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
সূর্য তখন পশ্চিম নাকি পূব
আকাশে, খেয়াল করেনি শঙ্খচিল
আমাকে মুগ্ধ করে টেনেছিল খুব
তোমার মুখের একটি কৃষ্ণ তিল
৩.
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
কোন সুরে হবে একাকার তুমি, মাতবে আলিঙ্গনে
অশ্রুর ধারা ছুটে যেতে চায় জঙ্গল পর্বতে
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
সর্বদা জ্বলে আরতির দীপ এই হৃদয়ের ক্ষতে
মাঝেমাঝে পড়ি মূর্ছা কবলে, হুঁশ নেই তবু মনে
পুজোর অর্ঘ্য চেনাও আমাকে মন্দির কোন পথে
কোন সুরে হবে একাকার তুমি, মাতবে আলিঙ্গনে
৪.
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
শরীর মৃত্তিকাময়, বায়ু-ব্যবহারে তাকে গড়া যেত শিব
দুপুর গড়িয়ে গ্যাছে ঘাম ঝেড়ে, ক্লান্ত হয়ে বসেছি পৃথক
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
লাঙলের অন্তর্মুখী চলাচলে মুক্তি পায় সার্থক কৃষক
দু-চোখের জলে ভাসে পশ্চিমের রোদ, আমি আহাম্মক জীব
সারাদিন মাঠে চাষ করে গেছি, পাশে এসে বলেনি শিক্ষক
শরীর মৃত্তিকাময়, বায়ু-ব্যবহারে তাকে গড়া যেত শিব
****************************
হাইকু
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
কবি সোমনাথ রায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৪.৫.২০২৬।
১
জলের মাছ জলে
বড়ো গিলে খায় ছোটো
টু শব্দটি নয়
২
থমকে দেখেছি
তোমার দুটি চোখ জুড়ে
আমার বসবাস
৩
দূরের ইশারায়
বেপথে বেলুন ওড়ে
ঝরে যায় চুপসে
৪
তুমি যে নির্বাক
সারাদিন বৃষ্টি দ্যাখো
জল শুকায় চোখে
৫
মনের রামধনু
আকাশে টাঙিয়ে দিই
যতক্ষণ আলো
৬ ফাতনা দ্যাখা যায়
বড়শি জলের গভীরে
ছিপের সাধনা
৭
গলায় আলিঙ্গন
ফুসফুসে বানাও বাসা
যুদ্ধ শুরু হয়
৮
তাকে হারিয়েও
এ রাত যত নিঝুম হয়
সুগন্ধ ভাসে
৯
আজ মেঘলা আকাশ
তবু বৃষ্টি আসবে না
বুকে তুমুল ঝড়
১০
এখন বর্ষাকাল
ভ্রমরের ধ্বনি বাজে
দু-চোখ দৃষ্টিহীন
****************************
জলের মাছ জলে
বড়ো গিলে খায় ছোটো
টু শব্দটি নয়
২
থমকে দেখেছি
তোমার দুটি চোখ জুড়ে
আমার বসবাস
৩
দূরের ইশারায়
বেপথে বেলুন ওড়ে
ঝরে যায় চুপসে
৪
তুমি যে নির্বাক
সারাদিন বৃষ্টি দ্যাখো
জল শুকায় চোখে
৫
মনের রামধনু
আকাশে টাঙিয়ে দিই
যতক্ষণ আলো
৬ ফাতনা দ্যাখা যায়
বড়শি জলের গভীরে
ছিপের সাধনা
৭
গলায় আলিঙ্গন
ফুসফুসে বানাও বাসা
যুদ্ধ শুরু হয়
৮
তাকে হারিয়েও
এ রাত যত নিঝুম হয়
সুগন্ধ ভাসে
৯
আজ মেঘলা আকাশ
তবু বৃষ্টি আসবে না
বুকে তুমুল ঝড়
১০
এখন বর্ষাকাল
ভ্রমরের ধ্বনি বাজে
দু-চোখ দৃষ্টিহীন
****************************
