কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায় এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
সত্যানুসন্ধান
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
একটা মেঘ প্রশ্ন করে: আকাশ কেন শূন্য?
আমি বলি:স্বপ্ন মিছে। স্বপ্ন দেখায় পূণ্য।
পূণ্য বলে: আমিই ভোক্তা, আর বাকি সব পায়ে-
তুচ্ছ সমাজ এদের কাছে,নগ্ন সবার রায়ে।
রায় তো বলে: মিথ্যা যুক্তি-যুক্তির নামে কারচুপি
কোনটা মহান বলুন সবাই-নিজের দোষে পরে টুপি।
টুপি পরাটা হয়েছে রেওয়াজ-ওই দালালের মুখেই
চুন খসে তবু পান খসে না এই সেলামী ঠুকেই
সেলামী ঠোকে মন্ত্রী-সচিব আর বাকি সব নেতা-
আর বাকি সব যা যা আছে গুছিয়ে 'ভোগে' জেতা।
শূন্য সবই টাকার কাছে, যার যা আছে মানের
মন যদিও শূন্য নয় কো যদিও হয় তা দানের
আমার কাছে আছে ইমারত-রত্ন-সিন্ধু-খনি
প্রেমের থেকে আর কিছু নেই, জেনে নিন সব ধনী!!
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
একটা মেঘ প্রশ্ন করে: আকাশ কেন শূন্য?
আমি বলি:স্বপ্ন মিছে। স্বপ্ন দেখায় পূণ্য।
পূণ্য বলে: আমিই ভোক্তা, আর বাকি সব পায়ে-
তুচ্ছ সমাজ এদের কাছে,নগ্ন সবার রায়ে।
রায় তো বলে: মিথ্যা যুক্তি-যুক্তির নামে কারচুপি
কোনটা মহান বলুন সবাই-নিজের দোষে পরে টুপি।
টুপি পরাটা হয়েছে রেওয়াজ-ওই দালালের মুখেই
চুন খসে তবু পান খসে না এই সেলামী ঠুকেই
সেলামী ঠোকে মন্ত্রী-সচিব আর বাকি সব নেতা-
আর বাকি সব যা যা আছে গুছিয়ে 'ভোগে' জেতা।
শূন্য সবই টাকার কাছে, যার যা আছে মানের
মন যদিও শূন্য নয় কো যদিও হয় তা দানের
আমার কাছে আছে ইমারত-রত্ন-সিন্ধু-খনি
প্রেমের থেকে আর কিছু নেই, জেনে নিন সব ধনী!!
*********************
অঙ্ক
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
ভালোবাসার অঙ্কগুলো
ডুবছে দ্যাখো অন্তরে!
গভীরতাটাই স্বপ্নখোঁজে
আমি, তুমি আর অন্দরে।
বুদ্ধিজীবীর যাপনদহন
রত্নমালার খোরপোষে,
ওই ছেলেটাই যত্ত দোষী
এই বাড়িটার মালকোষে-
আমির মতো আমিন সাজাও
এ জমানার চৌদিকে
তুমিও কাঙাল, আমিও কাঙাল
কাঙাল সবাই একদিকে!
ভেতর থেকে সাচ্চা হতে
জলদি লাগো তড়িঘড়ি?
সময় দেওয়াল জাগছে এবার
হৃদয় হাতে হাতকড়ি!
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
ভালোবাসার অঙ্কগুলো
ডুবছে দ্যাখো অন্তরে!
গভীরতাটাই স্বপ্নখোঁজে
আমি, তুমি আর অন্দরে।
বুদ্ধিজীবীর যাপনদহন
রত্নমালার খোরপোষে,
ওই ছেলেটাই যত্ত দোষী
এই বাড়িটার মালকোষে-
আমির মতো আমিন সাজাও
এ জমানার চৌদিকে
তুমিও কাঙাল, আমিও কাঙাল
কাঙাল সবাই একদিকে!
ভেতর থেকে সাচ্চা হতে
জলদি লাগো তড়িঘড়ি?
সময় দেওয়াল জাগছে এবার
হৃদয় হাতে হাতকড়ি!
*********************
কবিতা আর তেমন করে আসে না
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
কবিতা আর তেমন করে আসে না
ঘুরে বেড়ায় অরুনিমার চর-
কোন সে দূরের কালবালিকার মেঘে
নাচতে নাচতে দুয়োরে বসায় কর!!
তুমি কি তেমন নিদূর সূদুর অতীত
ডালপালা মেলে আকাশে ছড়াও বৃক্ষ
আমি শুধু তার অমৃতরস নিয়ে
ভাষার ভেলায় সৈকতে মেলি শিক্ষ
মনের উঠোনে ঝরাপাতাগুলো বাজে
অনুরননের আস্ফালনের চোখ--
আগুন যখন ফুলের গন্ধে ফাগুন
আবির তখন সেই ইজেলের জোঁক-!!
তুমি কি শুধুই খাপছাড়া নিধূবধূ
আপডালে পড়ে শঙ্খপাখীর ছায়া
ছায়া ভেসে যায় চলন্ত মতো ধূধূ--
মাঝেমাঝে ওঠে রাকারুক্মিনী কায়া
কায়া সরে যায় মায়াহীন সসফেন
উদ্বিদুলীর দুন্দুভীবাণী যেন--
অতীতের সেই কালোকাহিনীর ফেনা
রক্তের মত দাগে অপলক হেন--!!
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
কবিতা আর তেমন করে আসে না
ঘুরে বেড়ায় অরুনিমার চর-
কোন সে দূরের কালবালিকার মেঘে
নাচতে নাচতে দুয়োরে বসায় কর!!
তুমি কি তেমন নিদূর সূদুর অতীত
ডালপালা মেলে আকাশে ছড়াও বৃক্ষ
আমি শুধু তার অমৃতরস নিয়ে
ভাষার ভেলায় সৈকতে মেলি শিক্ষ
মনের উঠোনে ঝরাপাতাগুলো বাজে
অনুরননের আস্ফালনের চোখ--
আগুন যখন ফুলের গন্ধে ফাগুন
আবির তখন সেই ইজেলের জোঁক-!!
তুমি কি শুধুই খাপছাড়া নিধূবধূ
আপডালে পড়ে শঙ্খপাখীর ছায়া
ছায়া ভেসে যায় চলন্ত মতো ধূধূ--
মাঝেমাঝে ওঠে রাকারুক্মিনী কায়া
কায়া সরে যায় মায়াহীন সসফেন
উদ্বিদুলীর দুন্দুভীবাণী যেন--
অতীতের সেই কালোকাহিনীর ফেনা
রক্তের মত দাগে অপলক হেন--!!
*********************
বোধন
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
সেই সে কবে আলোর ডানার মতো
স্মৃতিগুলো কাঠের স্রোতে মুক্তি পর্যটন...
ধূলোর নি:শ্বাসে,অবগুন্ঠিত মেঘে
হাওয়ার চোখের মত জারিত ক্রন্দন
কথার বিকারে মন পোড়া ছাই
স্থলজ শিকারি ছুটে আসে কল্পনার লোভে
তুলে নেয় কিছু মধুকৌস্তভ- কাঞ্চনসর
দুখজাগরে জড়িত তত্ত্ববোধ-উন্মত্ত ক্ষোভে
আগুনের মন্দ্রফলকে রক্তমালার মতো ঝরে যায়....!!
জীর্ণ হয় কবির রিক্তমাস,দৈন নিপীড়ন
জুড়ে যায় পঞ্চমের গলে-ক্রৌঞ্চমর্দন
মার্জিত হয় নতুন আখ্যায়িকায়,প্রতিছত্রে
রনচন্ডিকার মতো আকাশে ছড়িয়ে পড়ে দৈববোধন!!
*********************
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
সেই সে কবে আলোর ডানার মতো
স্মৃতিগুলো কাঠের স্রোতে মুক্তি পর্যটন...
ধূলোর নি:শ্বাসে,অবগুন্ঠিত মেঘে
হাওয়ার চোখের মত জারিত ক্রন্দন
কথার বিকারে মন পোড়া ছাই
স্থলজ শিকারি ছুটে আসে কল্পনার লোভে
তুলে নেয় কিছু মধুকৌস্তভ- কাঞ্চনসর
দুখজাগরে জড়িত তত্ত্ববোধ-উন্মত্ত ক্ষোভে
আগুনের মন্দ্রফলকে রক্তমালার মতো ঝরে যায়....!!
জীর্ণ হয় কবির রিক্তমাস,দৈন নিপীড়ন
জুড়ে যায় পঞ্চমের গলে-ক্রৌঞ্চমর্দন
মার্জিত হয় নতুন আখ্যায়িকায়,প্রতিছত্রে
রনচন্ডিকার মতো আকাশে ছড়িয়ে পড়ে দৈববোধন!!
*********************
প্রথম-আলো-১
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
এখনো অনেক কিছু করার আছে
বেঁচে থাকতে গেলে যুদ্ধবাজ হতে হয়-
বাজপাখীর ধারালো চঞ্চুর মতো......
তুমি তো মৃত্যুর ফসফরাস দেখো নি
দেখো নি ধ্বমনীজ্বালা;ফড়িং এর উদগ্রযোনী
তবে কেন মিছিমিছি সংসার-পিছল
পিছ্লে গেলেই ওই আলোর একবিন্দু ঐশ্বর্য্য
নিভে যেতে পারে,অস্ফুট অন্ধকারের এক ঝড়ে
তবু প্রানপন চরৈবেতি-চরৈ-চরাচরের
শুধু বুকের ওমথলিতে বাঘের শ্বাসের মতো
জোর কদমে উত্তোলিত করো তোমার যতটা আশ
তার উপরে উর্দ্ধশিখা ধরে ঘিয়ের মতো,মোমের প্রানের মতো
জীবন্ত হয়ে ওঠো আরও অফুরন্ত নদীর জোনাকির বিকাশ.....
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
এখনো অনেক কিছু করার আছে
বেঁচে থাকতে গেলে যুদ্ধবাজ হতে হয়-
বাজপাখীর ধারালো চঞ্চুর মতো......
তুমি তো মৃত্যুর ফসফরাস দেখো নি
দেখো নি ধ্বমনীজ্বালা;ফড়িং এর উদগ্রযোনী
তবে কেন মিছিমিছি সংসার-পিছল
পিছ্লে গেলেই ওই আলোর একবিন্দু ঐশ্বর্য্য
নিভে যেতে পারে,অস্ফুট অন্ধকারের এক ঝড়ে
তবু প্রানপন চরৈবেতি-চরৈ-চরাচরের
শুধু বুকের ওমথলিতে বাঘের শ্বাসের মতো
জোর কদমে উত্তোলিত করো তোমার যতটা আশ
তার উপরে উর্দ্ধশিখা ধরে ঘিয়ের মতো,মোমের প্রানের মতো
জীবন্ত হয়ে ওঠো আরও অফুরন্ত নদীর জোনাকির বিকাশ.....
*********************
স্বদেশ-বন্দনা- ১
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
গড়তে গেলেই ডুবতে হবে
মুখের ছাঁচে উঠবে শহরতলী।
খামখেয়ালীর ফাগুন যবন হোলী
গড়তে গেলেই মানুষ বদলে যাবে।।
কে যে কখন গিরগিটির হবে প্রদেশ
কে যে কখন আগুন মাখবে গায়ে
বলতে পারি না মায়ের পেটেই চলবে খুনোখুনি
বলতে পারি না দেহের রক্ত হবে সমুদ্রে শেষ
এখন থেকেই শুরু করো বোনাবুনি
এখন থেকেই রাশ টানো মাটির বুকে
এখন থেকেই ধরো দশের হাল
না হলে যাবে দেশটা বাঘের মুখে
কেন করছ হানাহানি, রাহাজানি
কেন করছ হিংসা, ঈর্ষা, দ্বেষ
তোমার মুখেই রয়েছে প্রতিমা চেয়ে
প্রতিমা হয়েই রইবে আগামী স্বদেশ!!
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
গড়তে গেলেই ডুবতে হবে
মুখের ছাঁচে উঠবে শহরতলী।
খামখেয়ালীর ফাগুন যবন হোলী
গড়তে গেলেই মানুষ বদলে যাবে।।
কে যে কখন গিরগিটির হবে প্রদেশ
কে যে কখন আগুন মাখবে গায়ে
বলতে পারি না মায়ের পেটেই চলবে খুনোখুনি
বলতে পারি না দেহের রক্ত হবে সমুদ্রে শেষ
এখন থেকেই শুরু করো বোনাবুনি
এখন থেকেই রাশ টানো মাটির বুকে
এখন থেকেই ধরো দশের হাল
না হলে যাবে দেশটা বাঘের মুখে
কেন করছ হানাহানি, রাহাজানি
কেন করছ হিংসা, ঈর্ষা, দ্বেষ
তোমার মুখেই রয়েছে প্রতিমা চেয়ে
প্রতিমা হয়েই রইবে আগামী স্বদেশ!!
*********************
কলঙ্ক-কঙ্কাল
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
নুন আর আমি মিশে গেছি
সমূদ্রের আকাশের মতো এ মন।
দোলনায় দুলছে ক্রমশঃ আত্মারাম।
বেদনার নদীর মায়া ঘিরেছে আমাকে।
কেবলই বিঃসংবাদ জীবনের কামিনী উৎসবের-
লাগাতার ঘোড়দৌড় অজান্তিক শৌচ কাননে--
মরা মাথার পেটি সমেত গ্রাস হচ্ছি।
অগুন্তি জল্লাদের পেটে হজমের জৈব্য বস্তু আমি...
আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি
এ জনম শুধু পাচ্য ও অপাচ্যের সাহিত্য!!
শুধু গুনের দোসর ও অগুনীর কলঙ্ক-কঙ্কাল ছাড়া আর কিছু নয়.....!!
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
নুন আর আমি মিশে গেছি
সমূদ্রের আকাশের মতো এ মন।
দোলনায় দুলছে ক্রমশঃ আত্মারাম।
বেদনার নদীর মায়া ঘিরেছে আমাকে।
কেবলই বিঃসংবাদ জীবনের কামিনী উৎসবের-
লাগাতার ঘোড়দৌড় অজান্তিক শৌচ কাননে--
মরা মাথার পেটি সমেত গ্রাস হচ্ছি।
অগুন্তি জল্লাদের পেটে হজমের জৈব্য বস্তু আমি...
আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি
এ জনম শুধু পাচ্য ও অপাচ্যের সাহিত্য!!
শুধু গুনের দোসর ও অগুনীর কলঙ্ক-কঙ্কাল ছাড়া আর কিছু নয়.....!!
*********************
সোহাগী
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
পেঁচার ধূসর জগৎ, শঙ্খচুর, গাংবৌ
কালো শালিকের পাখার কোটরে ধ্বংসস্তূপ
চীলের কঙ্কনাদ জেরবার ধূধূ গেরস্থ
আর ক্ষীরপাই দিঘির অবসন্ন প্রহর
তুমি কি দেখো রোজ শিশিরের কান্না
বারুদের রাগ ; কোজাগরী রাতের ঘুম
দীপাবলির ফুটন্ত উৎপাত, আগুন লড়াই
সরষের পায়ে হেমন্তের শারদ শিউলি
জ্যোৎস্না কবলিত মাঠে উলু গৈরিক ধূলি
তুমি মেখে নিতে তাকে রোমের গালে?
আমি ছাই পারতাম। তুমি তো কারাবলি
চিরুনধানের মহীয়সী নারীর রাঙাসিঁথি
আজ অবৈধ জনতার কোলে মাথা রেখে থেতো-
রক্ত আঁজল মুছে নিয়ে সে তো নীল পাহাড়
আসন্ন রোদের একটি রঙ মাখে ও, মিতালী
সত্যের তাল পাথরের মতো সেও রোজ ভোর
কালোর ডাক, আলোর ডাক, পাখীর ডাকে
সে জাগে একবার, দশবার, সোহাগের রাগে !!
*********************
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
পেঁচার ধূসর জগৎ, শঙ্খচুর, গাংবৌ
কালো শালিকের পাখার কোটরে ধ্বংসস্তূপ
চীলের কঙ্কনাদ জেরবার ধূধূ গেরস্থ
আর ক্ষীরপাই দিঘির অবসন্ন প্রহর
তুমি কি দেখো রোজ শিশিরের কান্না
বারুদের রাগ ; কোজাগরী রাতের ঘুম
দীপাবলির ফুটন্ত উৎপাত, আগুন লড়াই
সরষের পায়ে হেমন্তের শারদ শিউলি
জ্যোৎস্না কবলিত মাঠে উলু গৈরিক ধূলি
তুমি মেখে নিতে তাকে রোমের গালে?
আমি ছাই পারতাম। তুমি তো কারাবলি
চিরুনধানের মহীয়সী নারীর রাঙাসিঁথি
আজ অবৈধ জনতার কোলে মাথা রেখে থেতো-
রক্ত আঁজল মুছে নিয়ে সে তো নীল পাহাড়
আসন্ন রোদের একটি রঙ মাখে ও, মিতালী
সত্যের তাল পাথরের মতো সেও রোজ ভোর
কালোর ডাক, আলোর ডাক, পাখীর ডাকে
সে জাগে একবার, দশবার, সোহাগের রাগে !!
*********************
মনখারাপের পাঠশালা-১
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
আজ লক্ষীবার। বিপত্তি পায়ের নখের মতো ব্লেড
কোন শান্তিবার্তা নেই- বেমালুম ঈশ্বর হেঁকে যায়
এদিকে নাক ডাকিয়ে বাদ্যযন্ত্রনা- কিংশুক বিকেল
অন্যদিকে অন্যমনা মড়কাশুর বধের সিংহমূদ্রন
ছাপাখানায় শব্দযন্ত্র ছিঁড়ে পিলু চমকানো আক্কেল-
সেলামী জাহাজ মাথায় করে সাড়াপাড়া বেলুনব্যোম
যুপকাষ্ঠে কন্ঠিবলয়ে জুড়ে থাকে সেঁজুতির মাল্যকথন:
"বইটইগুলো আলমারিতে রাখতে পারিস না? এতো পড়া?"
নামাজের ধ্বমনীজুড়ে মালা করে ইচ্ছে করে তাকে দি পরিয়ে
কিন্তু না। সে পরতে চায় না। বিনাভরণ
এই এক বিসন্নতা। মায়াহীন কায়াহীন বিঁধ্যতা
আর পারা যায় না-একে রুখে দিতে পারলেই বাঁচতুম
মন থেকে স্মৃতিবিস্মৃত কারাগারের এক কংসবধ হত
জীবন ধন্য হতো সেদিন-গায়ে পড়ে ঝগড়া কাকে বলে ভূলে যেতুম
ভূলে যেতুম শিশুপাঠ,বর্ণপরিচয়,কথামালা,বোধদয়
নতুন আখ্যায়িকায় ছত্রে ছত্রে রন্ধ্রেরন্ধ্রে জানতুম
"একেই বলে জীবনের মৌণ পাঠশালা"-আত্মশমন!!
*********************
কবিচন্দ্র
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
আজ লক্ষীবার। বিপত্তি পায়ের নখের মতো ব্লেড
কোন শান্তিবার্তা নেই- বেমালুম ঈশ্বর হেঁকে যায়
এদিকে নাক ডাকিয়ে বাদ্যযন্ত্রনা- কিংশুক বিকেল
অন্যদিকে অন্যমনা মড়কাশুর বধের সিংহমূদ্রন
ছাপাখানায় শব্দযন্ত্র ছিঁড়ে পিলু চমকানো আক্কেল-
সেলামী জাহাজ মাথায় করে সাড়াপাড়া বেলুনব্যোম
যুপকাষ্ঠে কন্ঠিবলয়ে জুড়ে থাকে সেঁজুতির মাল্যকথন:
"বইটইগুলো আলমারিতে রাখতে পারিস না? এতো পড়া?"
নামাজের ধ্বমনীজুড়ে মালা করে ইচ্ছে করে তাকে দি পরিয়ে
কিন্তু না। সে পরতে চায় না। বিনাভরণ
এই এক বিসন্নতা। মায়াহীন কায়াহীন বিঁধ্যতা
আর পারা যায় না-একে রুখে দিতে পারলেই বাঁচতুম
মন থেকে স্মৃতিবিস্মৃত কারাগারের এক কংসবধ হত
জীবন ধন্য হতো সেদিন-গায়ে পড়ে ঝগড়া কাকে বলে ভূলে যেতুম
ভূলে যেতুম শিশুপাঠ,বর্ণপরিচয়,কথামালা,বোধদয়
নতুন আখ্যায়িকায় ছত্রে ছত্রে রন্ধ্রেরন্ধ্রে জানতুম
"একেই বলে জীবনের মৌণ পাঠশালা"-আত্মশমন!!
*********************
আমার বেদনা-৫
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
ভেতরে যেটা রয়েছে
তাকে জিগ্গেস করো?
ভালো আছো?
উত্তর আসবে না।
কেন? এরকম কেন?
কেনর পেছনে ডিগ্রি জড়িয়ে যায়
যেখানে বোধ ফিকে
বালির মতো হাওয়া
সেখানে তোমার অন্তরায়
বলে:কবে পরশু হবে?
আমি বলি: না না
আগামী তো কলকারখানা
জীবন সেখানে পঙ্গু বনে যায়
ভেতরটায় শুধু ফাঁপা শোলা
মাছির মতো পাঠশালা
পড়ছে যারা তারা কারা?
জিগ্গেস করো তাদের?
আমিও তাদের মতো হবো বেদনাহারা
নির্মম শিশুর মতো সাধের।
একটু চেকে নিও কিন্তু
দেখো যেন পেটি না ফট্ কে যায়
জীবন যখন অন্তরায়
যখন মৃত্যুর কথা ওঠে
বলে:কবে বিদায় নেব?
*********************
কবি তন্ময় চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১২.২০২৫।
ভেতরে যেটা রয়েছে
তাকে জিগ্গেস করো?
ভালো আছো?
উত্তর আসবে না।
কেন? এরকম কেন?
কেনর পেছনে ডিগ্রি জড়িয়ে যায়
যেখানে বোধ ফিকে
বালির মতো হাওয়া
সেখানে তোমার অন্তরায়
বলে:কবে পরশু হবে?
আমি বলি: না না
আগামী তো কলকারখানা
জীবন সেখানে পঙ্গু বনে যায়
ভেতরটায় শুধু ফাঁপা শোলা
মাছির মতো পাঠশালা
পড়ছে যারা তারা কারা?
জিগ্গেস করো তাদের?
আমিও তাদের মতো হবো বেদনাহারা
নির্মম শিশুর মতো সাধের।
একটু চেকে নিও কিন্তু
দেখো যেন পেটি না ফট্ কে যায়
জীবন যখন অন্তরায়
যখন মৃত্যুর কথা ওঠে
বলে:কবে বিদায় নেব?
*********************
