দিগন্ত আমায় ডাকে, আমি যাই অনন্ত আমায় ডাকে, আমি যাই যাবার আগে জেনে যাই, পাখি-ওড়া আকাশ নেমে এসেছে আমার দুয়ারে। যাবার আগে জেনে যাই, পশ্চিমে মেঘে মেঘে লেগেছে সোনা রঙ। যাবার আগে দেখে যাই মানুষের মুখে একচিলতে হাসি।
যাবার আগে যদি উসকে দিতে না-পারি স্মৃতির সলতে, যদি বৃষ্টি ঝরাতে না-পারি মানুষের বুকে ; তবে কেন এ পৃথিবীতে এ জন্মে আসা !
কুসুমপুর কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.১১.২০১৮
মনের ভিতর বাজতে থাকে কুসুমপুর কুসুমপুর। কুসুমপুর কোথায়, এই পৃথিবীর কোন কিনারে আমার কোন ধারণা নেই।
কিন্তু কুসুমপুর শব্দটা মনে পড়লেই বুকের ভিতর ঝমঝম বাজতে থাকে রেল ব্রিজ দিগন্তের কাছাকাছি উড়তে থাকে অলীক পাখিরা আর আমি স্বপ্নের ভিতর পার হয়ে যাই একের-পর-এক গতজন্মের চেনা শহর।
কুসুমপুর কী আমার আরেক ভালবাসার দেশ ? কুসুমপুর কী কবিতার মতো নিবিড় এক গ্রাম ? কখন যে বের হয়েছি কুসুমপুরের উদ্দেশ্যে রাত ভোর করে আবার তো সন্ধ্যা গড়াল।
কুসুমপুর, কুসুমপুর, আশ্চর্য এক নামের জাদু তৃষ্ণাকাতর মৃগের মতো আমাকে শুধু ছুটিয়ে নিয়ে বেড়ায় ; কোথায়, কত কত দূর— কুসুমপুর !
নদীর কাছে, নক্ষত্রের কাছে কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে প্রকাশ ২৯.১১.২০১৮
ভোরের আলো ডেকে বলেছিলঃ . চল, চল, নদীর কাছে চল। কুয়াশার ভেতর থেকে মোচার খোলের মতো ধীরে উন্মোচিত হচ্ছিল নৌকোর গলুই, স্পষ্ট হচ্ছিল ওপার, পাখিরা পারাপার করছিল দুই দেশের সীমা। তোমারও কী সাধ ছিল পাখি হবার ? ছুঁয়ে দেখার দুই পারের পানি ?