ক্যারেকটার সার্টিফিকেট কবি জর্জ মীরজাফর গোস্বামী [ সংবাদে প্রকাশ বিশিষ্ট শিল্পপতি স্বরাজ পাল মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর শিল্পনীতিকে “গঠন মূলক ও বাস্তববাদী” বলে বর্ণনা করেছেন ! তিনি বলেছেন বসুর একটা “প্রোগোসিভ আউটলুক আছে ! ” ]
সংগ্রাম সেরে টেরে আজ তিনি বৃদ্ধ সপ্তাহে তিন দিন নিরামিষ সিদ্ধ ; কমুনিশ বলে তারে কংগ্রেসী নিন্দুক শালারা কি জানে তার কত বড় সিন্দুক ? লাঠি গুলি প্রশাসন কি দারুণ চলছে, তবু হায় কি কপাল, কমুনিশ বলছে । কচু চেনে বরাহতে, রতনটা রত্নে স্বরাজকে তেল দেন আহা কত যত্নে । পালবাবু তারে ক’ন বাস্তব বাদীরে, এসো ভাই দুইজনে হেঁড়ে গলা সাধিরে, তোমার আউটলুক প্রগতির পক্ষে গদী আর পুঁজি তাই বাঁধা এক লক্ষ্যে । কমুনিশ নও তুমি, মালিকের মিত্র লিখে দিই তোমাদের চরিতের চিত্র ।
বিমানবাবুর জেলের পরে কবি জর্জ মীরজাফর গোস্বামী [ সংবাদে প্রকাশ : মাননীয় জননেতা বিমানবসু মহাশয় বলেছেন, মানুষের জন্য জেলে যেতে তিনি ভয় পান না ]
জেলে গেলে মাখন-রুটি— কাজু বাদাম একটি-দু’টি সকাল বেলায় গুটিগুটি— হাঁটবো আমি ভাই ; ক্যাপিটালে যতেক লেখা লগ্নি পুঁজির অঙ্ক শেখা— আমার প্রিয়ার সিঁথির রেখা থাকুক না লাল তাই । বিচারপতি সেই সে লালা বউয়ের ভ্রাতা, তাই তো শালা শালা হ’লেও নয়তো কালা শ্লোগান শোনে তাই ।
আমরা যতেক বিপ্লবীগণ, ভুঁড়ির ওজন বাড়ছে যখন, ডিম্ব খেয়ে হাফ্ সে ডজন স্বাস্থ্য রাখি ভাই । বিপ্লবটা করবো যখন এটাই মোদের প্রতিজ্ঞা পণ গোয়েঙ্কা আর আম্বানীগণ সহায় আছে তাই । জেলে গেলে ইমেজখানি— বিপ্লবী এক, সে খানদানী হিসেব মানি ফয়দা জানি তুলনা মোর নাই ।
থাকলো লেখা ইতিহাসে, অগণনের অট্টহাসে কালবৈশাখ ঝঞ্ঝা আসে নৈঋতে মেঘ তাই ।
কোথায় বিমান ? কোথায় লালা? দিগ্বিদিকে আগুন জ্বালা ধরলো অসি অগ্নিবালা জুটলো লাখো ভাই । রাস্তা জুড়ে হাঁটলো যারা নেংটি পরা সর্বহারা যাচ্ছে মিছিল পাগল-পারা লাল লালে রোশনাই ।
সার্কাসটার্কাস করি না পছন্দ— . হুমহাম গম্ভীর বলিলেন নন্দ— নন্দরা বাঁচিবেই দেশসেবা করিয়া . রাজ্য ঠ্যাকাইতেই সাতিশয় মরীয়া । ট্যাঁ বা ফোঁ-টি চলবে না . গলবে না আইনে তিন কোটি পাঁচ সিকা . হলো তার মাইনে । বেশি দেন মার্কিন, কমটাই ‘লাল’ চীন . পদ্য লেখেন তিনি শান্তির ওই দিন । হাতে লাল ঝাণ্ডায় দাঁড়কাক হাগিছে— .লেনিনের চুল নাই ; টাক তাই মাগিছে । বিরোধীরা দলনেতা নয় ব্যাটা ক্লান্ত . ক্ষীর সর ভাগ চায়—কে যে দাদা ভ্রান্ত । পোষা আর পেট মোটা, রোগা কোনো পুলিশে . পাকড়ায় ক্যাঁক্ ক’রে, যারা unrully সে । সার্কাস হবে নাকো বলে রামগড়ুরে . enchore ! enchore ! বলে বাম গরু রে । জোকারের হাতে ওঠে কেন আজ হান্টার । জর্জের মায়া বড় পৈত্রিক প্রাণটার— সার্কাস কে দেখায় বলো দেখি অদ্য ? গোস্বামী রচিলেন পদ্যটি সদ্য !