অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা
*
ফিরব না
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


হাতল সবুজ তামা ; পুরু দরজা পুরোনো গাছের,
বন্ধ – তবু খোলা তার স্পষ্ট আওয়াজ “এসো এসো” ;
ঝোড়ো শূন্যে দেওদার, অত ঢেউ, পাতাভরা ঢেউ ;
ফুলের রঙিন ফেনা, নীল ফ্রেমে ; বাড়ি অবিশ্বাসী |
বঙ্কিম গলিতে এসে দাঁড়াই ৩২বি-তে ;  খুঁজে চাই |
মন্ত্রের দরজা ঐ খুলে কারা বস্তা নিয়ে আসে
সেই দরজা খুলে ; পাটের কুবের, কেনা মুটে |
ধনিকের নখ কবে এখানেও প্রাণের মর্মে দাগা ;
বন্ধ হল চিরদিন খোলা দরজা আরো খুলে গিয়ে |
ঝোড়ো দিনে কার স্পর্শ, স্পর্শাতীত সেদিনের বাড়ি,
উর্ধ্বাকাশে লগ্ন-লাগা স্তব্ধ তারা, তপ্ত ঠান্ডা পাতা,
চেনার অসীম ডুব, বন্ধুপরিবারে স্নিগ্ধ ভাব,
ঠেকে এসে চুন আর ধুলোর আড়তে | এরা কারা,
হো হো হাসি পান খায়, দোক্তার দোকান, লাল জল,
বড়োবাজারের মজা গিজিগিজি ; প্রাকৃত ধনের
মোটা মজা দৈন্য গৃধুতার ; কলকাতা ; ফিরে যাব
দরজা বন্ধ ক’রে ধড়াস বুকের মধ্যে, একা,
বসন্তরাত্রির ঝড়ে দৃষ্টিভরা একটি সে কাহিনী
কুসুম-সংকীর্ণ গলি, কোথা সেই দরজা-পারের
গাছে পরিচ্ছন্ন বাসা | চিহ্নহারা |  প্রবাসী পথের
ধুলোয় দুপুরে চলি, রোদ্দুরে চলেছে মালগাড়ি ||

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
বুনো সংসারে
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেশ, সুবর্ণজয়ন্তী কবিতা সংকলন ১৯৩৩-১৯৮৩ থেকে নেওয়া |

শাখামৃগ :

“তপ্ত আদিম বনকন্যা
হে বানরী
নর্তিত অবাধ চোখ, কোমল লোমের লেজ নেড়ে
ভীত ক্ষুব্ধ উঁচু ডালে সহায়তা লোভে চেয়ে থাকো
প্রাণের খেলায় ডাকো
সঙ্গীকে—
আমি সেই নর, এখনো বানর |
প্রবল বাদামি বন্যা
শিহর-শরীরে, শ্যামরক্ত জ্বলে গাছে,
নিচে জলে আছে
কচ্ছপ, ঠাণ্ডায় প্রাণ পেতে—
লঙ্কা লাল, কাকাতুয়া, জংলি মেঘ-ঘন জামরুল
কামরাঙা ঝোলে শাখে, টাটকা ঝরে আগুনি শিম
পেয়ারা আতার রস নখে পেড়ে
জীবময় তুমি ওঠো মেতে
--- জানি সে-ভঙ্গিকে |
বানর, বানরী
প্রত্যাশার লগ্নে দূর কী বুঝেছি, সহচরী,
নরহীন শস্যহীন রাস্তাহীন মাটি
তবু সে অদৃশ্য পথে হাঁটি
বাঁচা-মরা আয়ুকাল কবে শুরু হয়েছে সকালে—
সাদা বলদের জোড়া মেঘদল চষে
আকাশ যেমন, কালে-কালে
শূন্যের নিকষে
ফোটে বর্ষা রোদ, জন্মে গুল্ম পত্রজালে
বনতলে পুষ্পে পঙ্কে কুঞ্চিত অগণ্য জন্তু কীট,
শামুকে অঙ্কুরে শুক্রে অনাগত প্রাণের কিরীট
ধরে যৌন জৈব ধন—
হাড়ে মাংসে মনোময় ক্রমিকের বিস্তীর্ণ চেতন |
তুমি এরই মধ্যে আনো শিশুকান্না, মাতৃস্নেহরস
হে মর্কটী, বাহু ঘেরে দাও মুগ্ধ অমৃত পরশ—
ডালে-ডালে আমি ঘুরি, খুঁজি ঘর, পশুর দুরাশা
অন্ধবহা দীপ শুধু, পাঁজরা-পোড়া অগ্নি, নর-তেজে
কবে সেই প্রদাহের ভাষা
স্নিগ্ধ হবে দু-জনার সংসারে ঘরের ঘন্টা বেজে ||”

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
বুনো সংসারে
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেশ, সুবর্ণজয়ন্তী কবিতা সংকলন ১৯৩৩-১৯৮৩ থেকে নেওয়া |

শাখামৃগী :

“বানরী তোমার, তবু গড়ে তোলো অর্ধনারীশ্বরী |
তুমি হবে ঢাকমুখো হনুমান
তারি শিষ্য , রাবণের অরি
পর্বতপ্রমাণ ;
নতুন অধ্যায়
অযোধ্যায় ;
হঠাৎ দণ্ডকবনে হানে বিঘ্ন প্রলয়-আঁধারে—
তার পরে কোথা হতে হনু-মহাবীর
প্রবল হুংকারে
সীতা সাধ্বী লক্ষ্মী তাঁকে বাঁচাবে লঙ্কায় লম্ফ দিয়ে,
বানর-সৈন্যেরা যাবে দলে-দলে সঙ্গ নিয়ে,
রঘুপতি পদে শেষে নতশির ;
নরোত্তম নরোদ্ভব সেই দিন
নর নারী বানর বানরী
আদিম প্রাচীন
যুক্ত হব নবজন্মে, সে-স্থিতির ছবি
তাই আজই দেখি বুকে ;  অপ্রাকৃত মধু
পেয়েছি দু-জনে বনে মহুয়া সন্ধ্যায়,
আসন্ন নন্দিত
তোমার দৃষ্টিতে জানে এ বানরী-বধূ
শৈবভাবে বিল্বপত্রে, বৈষ্ণবী জাহ্নবী---
শুনি ভবিষ্যের হাওয়া বয়ে যায়
বসন্তের নামাবলী মৌমাছি-বন্দিত |
ভয়াকুল প্রাণে-প্রাণে ক্ষুধা শঙ্কা, তারো বেশি
আগামীর তৃপ্তি ঢেকে রাখে
কদ্বেল কাঁঠাল জাম জলাবর্ষা ঝিল্লিডাকে |
মুক্তির অন্বেষী
লাফে-লাফে চলো যাই প্রাণতীর্থে মন্দিরে কানাচে
---যাত্রীরা বুঝবে না শুধু চাল-কলা দেবে ঠোঙা জুড়ে
দুটো বানরের দিকে দয়ার প্রসাদ ছুঁড়ে---
বুনো শিশু দু-জনার দূরাগত শোনে ঐ গাছে
আদি বাল্মিকীর কথা, কৃত্তিবাস যে-কাহিনী ভনে----
ঠাঁই যেন পাই সবে ত্রাণ সেই বিশ্বরামায়ণে ||”

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
চিরদিন
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


আমি যেন বলি, আর তুমি যেন শোনো
জীবনে জীবনে তার শেষ নেই কোনো |
দিনের কাহিনী কত, রাত চন্দ্রাবলী
মেঘ হয়, আলো হয়, কথা যাই বলি |
ঘাস ফোটে, ধান ওঠে, তারা জ্বলে রাতে,
গ্রাম থেকে পাড়ি ভাঙে নদীর আঘাতে |
দুঃখের আবর্তে নৌকো ডোবে, ঝড় নামে,
নূতন প্রাণের বার্তা জাগে গ্রামে গ্রামে—
নীলান্ত আকাশে শেষ পাই নি কখনও
আমি যেন বলি, আর তুমি যেন শোনো ||

তুমি যেন বলো, আর আমি যেন শুনি
প্রহরে প্রহরে যায় কল্পজাল বুনি |
কুমুদ কহ্লার ভাসে থৈ থৈ জলে,
কোথা মাঠ ফেটে যায় মারীর অনলে |
আঙিনায় শিশু খেলে, ফুলে ধরে মৌ,
তুলসীতলায় দীপ জ্বালে মেজো বৌ,
সানাই-বাজানো রাতে হঠাৎ জনতা
বিয়ে ভেঙে মালা ছিঁড়ে ছড়ায় মত্ততা |
মানুষের প্রাণে তবু অনন্ত ফাল্গুনী—
তুমি যেন বলো, আর আমি যেন শুনি ||

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
বৃষ্টি
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


কেঁদেও পাবে না তাকে বর্ষার অজস্র জলধারে |

ফাল্গুন বিকেলে বৃষ্টি নামে |
শহরের পথে দ্রুত অন্ধকার |
লুটোয় পাথরে জল, হাওয়া তমস্বিনী ;
আকাশে বিদ্যুত্জ্বলা বর্শা হানে
ইন্দ্রমেঘ ;
কালো দিন গলির রাস্তায় |
কেঁদেও পারে না তাকে অজস্র বর্ষার জলধারে |

নিবিষ্ট ক্রান্তির স্বর ঝরঝর বুকে
অবারিত |
চকিত গলির প্রান্তে লাল আভা দুরন্ত সিঁদুরে
পরায় মুহূর্ত টিপ,
নিভে যায় চোখে
কম্পিত নগরশীর্ষে বাড়ির জটিল বোবা রেখা |
বিরামস্তম্ভিত লগ্ন ভেঙে
আবার ঘনায় জল |
বলে নাম, বলে নাম, অবিশ্রান্ত ঘুরে ঘুরে হাওয়া
খুঁজেও পাবে না যাকে বর্ষার অজস্র জলধারে |

আদিম বর্ষণ জল, হাওয়া, পৃথিবীর |
মত্ত দিন, মুগ্ধ ক্ষণ, প্রথম ঝঙ্কার
অবিরহ,
সেই সৃষ্টিক্ষণ
স্রোতঃস্বনা
মৃত্তিকার সত্তা স্মৃতিহীনা
প্রশস্ত প্রাচীন নামে নিবিড় সন্ধ্যায়,
এক আর্দ্র চৈতন্যের স্তব্ধ তটে |

ভেসে মুছে ধুয়ে ঢাকা সৃষ্টির আকাশে দৃষ্টিলোক |
কী বিহ্বল মাটি গাছ, দাঁড়ানো মানুষ দরজায়
গুহার আঁধারে চিত্র, ঝড়ে উতরোল
বারে-বারে পাওয়া, হওয়া, হারানো নিরন্ত ফিরে ফিরে—
ঘনমেঘলীন
কেঁদেও পাবে না যাকে বর্ষার অজস্র জলধারে |

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
Zen--ধরনে
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


.          কোয়ান
দ্রিমিদ্রিমি ঢেউ বুঝি সমে থামে
আগমের উপছনো গতি নামে—
.         চাঁদ ডোবা অরণ্য ইশারা,
.        তারা স্তিমিতির তীরে ধারা |

.        কই ছায়া, নেই ঘূর্ণি, জল নেই,
.        কত জল পার হল বহনের বেলা সেই—
.        ফেরিঘাট, হাট, লেন-দেন ;
কুহু ডাক, খর তরী, মেঘ-লাগা, কইছু নেই---
.        স্রোতহীন নদীহীন Zen ||

.           সাটোরি
জন্মনীল চোখে দেখা
কালোর কাজল কচি ছায়া চোখে দেখা
শুধু তাই—
শুধু অবাকের দেখা
শুধু ঝুঁকে থাকা দেখা
কাঠ খড় বেড়াল বা জল—
যেখানেই দেখা, ---দ্যাখে ;
যেখানেই ছোঁয়—সব ছোঁয়,
তাই এত খুশি |
একেবারে ||

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
পর্যবসিত
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


বলতে পারো মৌমাছির মর্ত্যবেলা ভরতি মধুচাকে ;
মোমের দেয়ালে ঠাসা ঘন স্বর্ণরস ঢেলে কোষে
সংসারের কী ব্যস্ততা, সময়ও অজানা, মক্ষীলোকে
ভিতরে অদৃশ্য রাণী, তারই চতুর্দিকে সামাজিক
মুহূর্তে মুহূর্তে ত্রস্ত সুখী ওরা আত্মবিন্দু ঢেলে
মূর্ছা মিষ্টি ভবষ্যের কল্প রচে দ্রব বংশাবলী |
ভন্ ভন্ সারাদিন, বাহিরের রৌদ্র হীরে-ঝরা
ঝাঁকের কর্মীরা ওড়ে, পবন-শাখায় নীল-দোলা
সাঁতার শূন্যের ঢেউয়ে, পৌঁছে বারবার পদ্ম ফুলে
ফিরে আসে ইন্দ্রিয়ের কম্পন কুহকে জীব-ঘরে |
কারা ধোঁয়া দেবে শেষে, লোভের লুন্ঠন হানা দল
ভালুক-মানুষ কবে  ঝড় উঠবে   শুকনো মৃণালের
ঋতুর বৈরিতা মানা দিনান্ত কখন নেমে এল,
একটি দুটি ক্রমে চক্র-পরিবারে লুপ্ত হবে কোথা
কেউ তা ভাবে না, বাঁচে, জানে না কেবল মধু গাঁথে
ঘেঁষাঘেঁশি কাজে মত্ত, মৌমাতালেরা  পরিশ্রমী ;
আছে,  ছিল,  চলে   গেলে অন্য অন্য চাক তৈরি হবে ||

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
অ্যান আর্বার
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


পৌঁছুতে আজ তো বেশি লাগে নি সময় ?
এই তো এখনও হাতে রয়েছে সে বন্ধ-করা চিঠি,
দুপুরের লম্বা ট্রেন এখন চলেছে জানলা পারে,
ঐ দোলা ডাল থেকে দু-দন্ড উড়েছে শূন্যে পাখি,
এই তো চোখের মগ্ন ছবির অগাধ থেকে ওঠা
জ্বলজ্বল বোঁটা এই মুহূর্তের
ঝরঝর ধোয়া দিন সম্পূর্ণ আবার ভরে আসে—
সাক্ষী সব কিছু—
যেখানে রওনা শুধু তার থেকে ঘড়ি বলে, শুধু
মিনিটখানিকও নয় ; দাঁড়িয়েছি একাকিনী তবু
বয়েছি পায়ের কাছে |

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
যে-কোনো
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


হতে পারত ঐ ঘর, হতে পারত ঐ
.        ঘুমানো শিশুকে দুলিয়ে গানের ঘর—
.        রাঙা রোদ্দুরে লুটোনো স্নানের ঘরে
.        খোলা জানালার আকাশে পাহাড়,
.                নরম সূর্য ;
.        শুকোচ্ছে জামা বাগানের তারে,
.        ঝিরি গাছ দোলা হাওয়ায় ছায়ায়—
.                হতে পারত ঐ
.                সবই আমার ||

দু-চোখ বিভোর ভাবছে পথিকা
.        যেতে-যেতে তবু সবই তো আমারই—
.        শীতলপাটিতে ক্ষণবিশ্রাম
.        মধুর দুপুরে,
.        আলনার পাশে পাতা-খোলা বই,
.                ছড়ানো খেলনা,
.        ভরা-সংসার বুকে নিয়ে পার হওয়া |
দেশে বহুদেশে ছবি জাগে শুধু
.                হতে পারত ঐ
.        হতে পারত ঐ ঘর, তিনের সংসার ||

.               ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর
*
উত্সব
কবি অমিয় চক্রবর্তী
দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক রায় সম্পাদিত “বাংলা আধুনিক কবিতা” ১ থেকে
নেওয়া |


কখনও ভেবেছ ? দূর দেশে
ক্ষুদ্র গ্রামে যেতে-আসতে মহনীয় ছায়া
নেমে আসবে দোকানের কাঁচে, ফুটপাথে
লুটোবে কান্নার মন্ত্র, বিশ্ববিজয়িনী
বাজবে শঙ্খ | পুষ্পবৃষ্টি ঝরবে গলিতে—
অগণ্য যাত্রীর মধ্যে প্রবাসী একজনে
শুনবে স্তব্ধ বিশ্বে তার মৃদু কন্ঠধ্বনি
এই দিনে ||

.          ************************     
.                                                                              
সূচীতে . . .    



মিলনসাগর