কবি অমিয় চক্রবর্তী - ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও
সমালোচক। তিনি জন্মগ্রহণ করেন হুগলী জেলার শ্রীরামপুরে। তাঁদের আদি নিবাস ছিল অবিভক্ত বাংলার
পাবনায়। পিতা দ্বিজেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন গৌরীপুর এস্টেট-এর দেওয়ান। মাতা অনিন্দিতা দেবী।

১৯২১ সালে তিনি বিহার প্রদেশের হাজারিবাগ সেন্ট কলম্বাস কলেজ থেকে স্নাতক হয়ে বিশ্বভারতীতে ভর্তি
হন। পরে সেখানেই তিনি অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।

১৯২৪ থেকে ১৯৩৩ পর্যন্ত তিনি ছিলেন
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব। ১৯৩০ সালে রবীন্দ্রনাথের সহযাত্রী
হয়েছিলেন জার্মানি, ডেনমার্ক, সোভিয়েত রাশিয়া, আমেরিকা ভ্রমণকালে। ১৯৩২ সালে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে
ভ্রমণকালে
রবীন্দ্রনাথের সহযাত্রী হয়েছিলেন।

১৯৪৬-৪৮ সালে ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময়ে নোয়াখালি, বিহার ও অন্যত্র গান্ধীজির শান্তি
পদযাত্রার কালে তিনি ছিলেন পাশে। ১৯৪৮ খেকে দীর্ঘ সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছেন বিবিন্ন
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কাজে। ১৯৫০ সালে তিনি রাষ্ট্রসংঘে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের উপদেষ্টা
হয়েছিলেন।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “খসড়া” (১৯৩৮), “এক মুঠো” (১৯৩৯), “মাটির দেয়াল” (১৯৪২),
“অভিজ্ঞান বসন্ত” (১৯৪৩), “পারাপার” (১৯৫৩), “পালাবদল” (১৯৫৫), “ঘরে ফেরার দিন” (১৯৬১) প্রভৃতি।

তিনি তাঁর “চলো যাই” গ্রন্থের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার এবং “ঘরে ফেরার দিন” কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৪ সালে
সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। আরও বহু সম্মাননায় ভূষিত কবি, ভারত সরকার দ্বারা
১৯৭০ সালে পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত হন এবং বিশ্বভারতীর দ্বারা দেশিকোত্তম সম্মানে ভুষিত হন ১৯৬৩
সালে।

আমরা
মিলনসাগরে  তাঁর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে আমাদের এই প্রচেষ্টা
সার্থক বলে মনে করবো।   



উত্স -  শিশিরকুমার দাশ সম্পাদিত সংসদ বাংলা সাহিত্য সঙ্গী, ২০০৩।
.           অঞ্জলি বসু সম্পাদিত সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, দ্বিতীয় খণ্ড, ২০১৫।
.           ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত
কালেরকণ্ঠ.কম ওয়েবসাইট।



মিলনসাগরে কবি অমিয় চক্রবর্তীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।   





আমাদের ই-মেল
- srimilansengupta@yahoo.co.in                                        




মাত্র পাঁচটি কবিতা নিয়ে এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২০০৫
নতুন কবিতা ও কবি-পরিচিতি নিয়ে এই পাতার পরিবর্ধিত সংস্করণ - ০৪.১০.২০১৬




...