বাঙ্গালী পাঠক স্রোতে গা ঢেলে . পারে ভাসিতে, বিজ্ঞজনের হাসিটী দেখিয়া . পারে হাসিতে।
উজাতে চাহে না উজাতে জানে না . আগ্রহ করিয়া গ্রন্থ কেনে না, যদি কেহ কেনে পড়ে কদাচন, চাহে না রুচিরে করিতে মার্জ্জন, প’ড়ে যদি কেহ বুঝিতে নারে . গ্রন্থকারে গালি পাড়ে। বোকামি ভূতটা সবারি ঘাড়ে . না বুঝেও তারা গালি ঝাড়ে।
Tame tame tame . আস্ ছে না আর ফুর ফুরিয়ে . নবীন আলো মেখে গায়, . উথ্ লে দিয়ে মলয় বার . গোলাপ গন্ধ ছড়িয়ে দিয়ে . মন মাতান কবিতা। নির্ঝর আর গায় না গান . নিদের বুকের রাঙা স্বপন . দেখায় না আর তেমন নাচন প্রাণ ভোমরা . কচ্ছে না আর কমল মধু পান . মান করেছেন বনিতা !
বলি “ওঠ” “ওঠ” চাঁদের হাসি . আর থেক না মান করে, প্রাণের মাঝে ‘বউ কথা কও’ . ডাক্ ছে শোন প্রাণ ভরে।
Tennyর কবর এই কথাটা . এখনও কচ্ছে Plead The song that nevers a nation’s . heart . Is in itself a deed,
শক্তি আছে ভক্তি আছে . প্রেমের স্থানটা শূন্য, অধর যজ্ঞে সিদ্ধ হ’লে . অর্জ্জন কর্ তেন পুণ্য।
কি মাধুরী আছে বালা নয়নে তোমার নির্ভয়ে লিখিয়া কবি লইল বাহার। নন্দন বনের গন্ধে মোদিত মধুর সে সুধা করাল পান নাথেরে প্রচুর। কবিতাটী নবমুখী নবমুখে করে পান একটু উজ্জ্বল রস সে মুখেতে কর দান।
“প্রবাসী” ফুলাবে ঠোঁট দুর্নীতির অপবাদ দধিবৎ যশে তব ঘটাইবে পরমাদ। তাই--- নেশায় পোড়ে রূপের রঙে চুমার প্রলেপ চাও না দিতে, প্রেমের ছবি আঁক্ লে না ভাই সরল ভাবে জগৎ হিতে।
গীতাঞ্জলির রবিরে ভাই . আমরা বলি রবি নয়, শুষ্ক গীতে নাহিকো দেখি . “মানসীর” অভিনয়।
‘ সোণার তরী‘ রূপের তরী . ভাস্ ছে প্রেমের দরিয়ায়, প্রেমিক যে তার স্থান আছে তথি . প্রেমহীন কেঁদে ফিরে যায়।
ভিজে চোখে আজকে তোরে . মনে করছি ‘অকুরে’ ‘গোবিন’ গেছে কাল হ’রেছে . বাঙ্গালা দেশের মধুরে। আমার দেশটা আমার দেশটা . আমার চোখে কেমন ঠেকে
এরা বউকে রাখে বুকের মাঝে . পায়ে ঠেলে বুড়ো মাকে।
তৃষ্ণা কাতর গবুর মুখে . দিল না কেউ জলের কণা. বেদনাটা এমন দিনে . দারিদ বলে জানাল না।
বই পড়ে? না মলাট পড়ে? . পড়ে্ তে জানে কয় জনায়, পাঠক তেমন থাকলে পরে . বুঝ্ ত গবুর সাধনায়।
আমি ভজব না কৃষ্ণ রাধা . ওতে আছে অনেক বাধা . লক্ষ মন্ত্রে শুধুই সাধা ( এঁদের ) চোখের দৃষ্টি বয়স দোষে . নাহিকো বলে জগৎ ঘোষে। আমি আপন হাতে . গড়্ ব শিবে ছেনে কাদা আমি ভজ্ ব না আর . কৃষ্ণ রাধা।