কবি বিনয় মজুমদারের - জন্মগ্রহণ করেন বর্তমান মায়ানমারের তেডো  শহরে। তাঁর শৈশব কাটে
অবিভক্ত বাংলার কুলতলি ও ফরিদপুরে। বাবা বিপিন বিহারী ও মা বিনোদিনী দেবীর সাথে ১৯৫৩ সাল
থেকে পশ্চিম বঙ্গের বনগাঁর ঠাকুরনগরে এসে বসবাস শুরু করেন। কবি অকৃতদার ছিলেন। ১১ই ডিসেম্বর
২০০৬ তারিখে, দীর্ঘ রোগভোগের পর, তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে আই এস সি এবং শিবপুর বি ই কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ
স্নাতক হন। তাঁর কর্ম জীবনে কেটেছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন এন্ড পাবলিক হেল্থ, ইন্ডিয়ান  
স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউট, ত্রিপুরা গভমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।

১৯৬২ সালে তাঁর কবিতার বই 'ফিরে এসো চাকা' প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা লাভ করেন। অন্যান্য
কাব্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'নক্ষত্রের আলোয়', 'গায়ত্রীকে', 'অঘ্রাণের অনুভূতিমালা', 'বাল্মীকি কবিতা',
'হাসপাতালে লেখা কবিতা' ইত্যাদি।  রুস ভাষা শিখে কিছু রুসি সাহিত্যও তিনি বাংলায় অনুবাদ
করেছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন।

এখানে আমরা কবির বই 'ফিরে এসো চাকা' থেকে পাঁচটি কবিতা তুলে দিলাম। এই কবিতাগুলি তিনি
ডায়রির আকারে লিখেছিলেন এবং উত্সর্গ করেছিলেন গায়ত্রী চক্রবর্তীকে। এই কবিতাগুলি বইটির প্রথম
দুদিনের ও শেষ দুদিনের।

আমরা ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর কাছে যিনি কবির জীবনের উপর  "যে জীবন বিনয়ের,
বাউলের . . ."  নামক তথ্য সমৃদ্ধ প্রবন্ধটি লিখে পাঠিয়েছেন। কবি বিনয় মজুমদারের জীবন ও সাহিত্যের
উপর বিশেষজ্ঞ, কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর, কবিতার পাতায় যেতে
এখানে ক্লিক করুন . . .

আমরা
মিলনসাগরে কবি বিনয় মজুমদারের কবিতা প্রকাশিত করে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।




কবি বিনয় মজুমদারের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের যোগাযোগের ঠিকানা :-   
মিলনসাগর       
srimilansengupta@yahoo.co.in      


পাঁচটি কবিতা নিয়ে এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১২.১২.২০০৬।
ডঃ স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর কবিজীবনী ও তাঁর নির্বাচিত ১৫টি কবিতা নিয়ে পরিবর্ধিত সংস্করণ - ২৩.৮.২০২০।



.  
কবি ডঃ স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর লেখা
"যে জীবন বিনয়ের, বাউলের... " প্রবন্ধটি মিলনসাগরে পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .
কবি ডঃ স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর লেখা
"যে জীবন বিনয়ের, বাউলের... " প্রবন্ধটি মিলনসাগরে পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .