মানবের নব প্রথম পীরিতি কবি মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্য মহারাজ জগদিন্দ্রনাথ রায় ও প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “মানসী ও মর্ম্মবাণী” মাসিক পত্রিকার আশ্বিন ১৩২৯ (সেপ্টেম্বর ১৯২২) সংখ্যায় প্রকাশিত। মহারাণী মনোমোহিনী দেবীর সংস্পর্শে আশার পরে লেখা “সোহাগ” কাব্যগ্রন্থের কবিতার অংশ বিশেষ।
মানবের নব প্রথম পীরিতি . তরুণ নূতন কুসুম মত, চিরকাল মনে রহে জাগরিত,--- . পরের পীরিতি রহে না তত। সেই সুখময় নবীন পীরিতি, . জনমে নবীন যৌবন সনে ; তাই চিরদিন পীরিতি মূরতি, . দেবতার মত জাগয়ে মনে। . . . . **************** . সূচীতে . . .
রাজা হয়ে যবে প্রেম সিংহাসনে কবি মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্য মহারাজ জগদিন্দ্রনাথ রায় ও প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “মানসী ও মর্ম্মবাণী” মাসিক পত্রিকার আশ্বিন ১৩২৯ (সেপ্টেম্বর ১৯২২) সংখ্যায় প্রকাশিত। মহারাণী মনোমোহিনী দেবীর সংস্পর্শে আশার পরে লেখা “সোহাগ” কাব্যগ্রন্থের কবিতার অংশ বিশেষ।
রাজা হয়ে যবে প্রেম সিংহাসনে . বসলো যতনে আদরে সেবি, ভকতি সাধনে পূজিলো তোমায়, . তুমি যবে হো প্রেমের দেবী। ভাবের চন্দন আদরে মাখিয়া, . কবিতা কুসুমে গাঁথিয়া হার, প্রেম-উপহার দিলাম তোমায়, . এ দীনের আছে কি ধন আর। . **************** . সূচীতে . . .