আগো রাই (সই?) কি দেখিআ কি সুনিআ ভণিতা আহ্মান কবি আহ্মান জলধর সেন সম্পাদিত “ভারতবর্ষ” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক, শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের), “মুসলমান কবির বৈষ্ণব-পদাবলী” প্রবন্ধে। তিনি এই পদটি পুঁথি থেকে উদ্ধার করে প্রকাশ করার সময়ে কোনো রকম সংশোধন না করে, “যথা দৃষ্টং তথা লিখিতং” পন্থা অবলম্বন করেন বলে জানিয়েছেন।
॥ ধানশি - ভাটিআল॥
আগো রাই (সই ?) কি দেখিআ কি সুনিআ . তোরা মোরে দোস গো মুই ত না জান কিছু ননদিনী পিছু পিছু আজু কার বোলে কুবোল বুলি রোস গো॥ ধু॥ সব সখি এক হৈআ মিছা কথা কৈআ কৈআ . ব্রজ কুলে তোলে মিছা রোল গো। কারে (?) ভাবে মনে লাজ দিআছে সভার মাজ . আজু নাগর দিআছে করি কোল গো॥ হীন আহ্মানে ভণে এ বচনে রোস কেনে . অঙ্গ (?) তোহ্মারে অপরূপ চিন (৮) (গো) তরু বাঁসি কদম্বের কুল ত্রিকিনী (৯) জবুনার কুল . আজু প্রতি অঙ্গে দাগ ভিন্ন ভিন গো॥
এই পদটি ১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব- ভাবাপন্ন মুসলমান কবি” গ্রন্থের ৩৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশি - ভাটিআল॥
আগো রাই [সই ?] কি দেখিআ কি সুনিআ তোরা মোরে দোস গো। মুই ত না জানো কিছু ননদিনী পিছু পিছু আজু কার বোলে কুবোল বুলি রোস গো॥ ধু॥ সব সখি এক হৈআ মিছা কথা কৈআ কৈআ ব্রজকুলে তোলে মিছা রোল গো। কারে (?) ভাবে মনে লাজ দিআছে সভার মাজ . আজু নাগর দিআছে করি কোল গো॥ হীন অহ্মানে ভণে এ বচনে রোস কেনে অঙ্গ (?) তোহ্মার অপরূপ চিন (গো)। তরুবাঁশি কদম্বের ফুল ত্রিফিনী জবুনার কুল আজু প্রতি অঙ্গে দাগ ভিন্ন ভিন গো॥