কবি আনন্দ দাস - এর শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর দুটি পদ সহ মোট পাঁচটি পেয়েছি। কবি আনন্দচাঁদ ও কবি আনন্দ দাস সম্ভবত একই ব্যক্তি এবং তিনি বা তাঁরা উত্কৃষ্ট মানের পদ রচনা করতে পারতেন যা গোবিন্দদাস বা বলরাম দাসের এই বিষয়ের পদের সঙ্গে তুলনা করা চলে বলে পদকল্পতরুর সম্পাদক সতীশচন্দ্র রায় মনে করতেন। এখানে তাঁর ১৯৩১ সালে প্রকাশিত, শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর ৫ম খণ্ডের ভূমিকার উদ্ধৃতি থেকে তা স্পষ্ট হয়।
“আনন্দচাঁদ ও আনন্দদাস উভয় ভণিতার পদই পদকল্পতরুতে পাওয়া গিয়াছে। তাঁহার একজন কিংবা পৃথক্ পৃথক্ পদ-কর্ত্তা, তাহা নিশ্চিতরূপে বলা যায় না ; তবে আমাদিগের বিবেচনায় আনন্দচাঁদ ও আনন্দদাস অভিন্ন। আনন্দচাঁদের রচিত ২৪৫৫ সংখ্যক শ্রীকৃষ্ণের রূপ-বর্ণনার সুদীর্ঘ পদের সহিত আনন্দ দাসের ২৮৭২ সংখ্যক শ্রীরাধার রূপ-বর্ণনার পদের আলোচনা করিয়া উভয় পদ একজনের রচিত বলিয়াই প্রতীতি হয়। আনন্দচাঁদের দেশ-কাল সম্বন্ধে কিছুই জানা যায় নাই। ইনি যে সুন্দর শব্দবিন্যাসে পটু ছিলেন, তাঁহার কৃত ২৪৫৫ সংখ্যক শ্রীকৃষ্ণের সর্ব্ববয়ব-রূপ-বর্ণনাই সে বিষয়ে সাক্ষ্য দান করিবে। তাঁর এই পদটি গোবিন্দদাস বা বলরাম দাসের এই শ্রেণীর পদের সহিত তুলনীয় বটে।”
আমরা মিলনসাগরে কবি আনন্দ দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো। আমাদের ঠিকানা - srimilansengupta@yahoo.co.in