কবি বল্লভদাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
শুনহ সুন্দরি কি রূপ তোর
কবি বল্লভ
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), দ্বিতীয় খণ্ড,
তৃতীয় শাখা, ১৪শ পল্লব, রূপোল্লাস, পদসংখ্যা ১০৬০।


.        ॥ বিহাগড়া॥

শুনহ সুন্দরি কি রূপ তোর।
হেরিতে হরল মরম মোর॥
মদন-সদন বদন-চান্দ।
ভুরু সে মুরতি সুরত ফান্দ॥
অরুণ তরুণ অধর-কাঁতি।
নিন্দিত-মোতিম দশন-পাঁতি॥
তীল-কুসুম-সুষম নাসা।
শ্যাম চাঁচর চিকুর-পাশা॥
অমল কমল লোচন জোর।
তরল করল হ-দয় মোর॥
রুচির চিবুক মধুর গীম।
বিধিক-শিলপ-শকত-সীম॥
কনক-দাড়িম কুচক জোর।
মুনিক মানস-চতুর-চোর॥
ভণয়ে বল্লভ না লভ বাক।
মদন দেয়ল জয়-পতাক॥

.            *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হেদে গো মালিনি সই অদ্বৈত-মন্দিরে চল যাই
কবি বল্লভ
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), তৃতীয়
খণ্ড, চতুর্থ শাখা-প্রথম ভাগ, ২১শ পল্লব, গৌরাঙ্গের সন্ন্যাস ইত্যাদি, পদসংখ্যা ২২৩২।


.              ॥ পঠমঞ্জরী॥

হেদে গো মালিনি সই অদ্বৈত-মন্দিরে চল যাই।
নিমাই আইলা তাহাঁ কহিল নিতাই॥
সে চাঁচর-কেশ-হীন কেমনে দেখিব।
দণ্ড কমণ্ডুল দেখি পরাণ তেজিব॥
ধাইল নদীয়ার লোক গৌরাঙ্গ দেখিতে।
দুখিত বল্লভ যায় কান্দিতে কান্দিতে॥

.            *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিতাই করিয়া আগে চলিলেন অনুরাগে
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), তৃতীয় খণ্ড, চতুর্থ শাখা-প্রথম ভাগ, ২১শ
পল্লব, গৌরাঙ্গের সন্ন্যাস ইত্যাদি, পদসংখ্যা ২২৩৩।


॥ শ্রীগান্ধার॥

নিতাই করিয়া আগে                             চলিলেন অনুরাগে
আইলা সভাই শান্তিপুরে।
মুড়াইতে মাথার কেশ                        ধব়্যাছে সন্ন্যাসীর বেশ
দেখিয়া সভার প্রাণ ঝুরে॥
কর যোড় করি আগে                        দাঁড়াইয়া মায়ের আগে
পড়িলেন দণ্ডবৎ হৈয়া।
দুই হাত তুলি বুকে                               চুম্ব দিলা চাঁদ-মুখে
কান্দে শচী গলায় ধরিয়া॥
ইহার লাগিয়া যত                                পড়াইলাম ভাগবত
এ কথা কহিব আমি কায়।
অনাথিনী করি মোরে                          যাবে বাছা দেশান্তরে
বিষ্ণুপ্রিয়ার কি হবে উপায়॥
এ ডোর কৌপিন পরি                            কি লাগিয়া দণ্ড ধরি
ঘরে ঘরে খাবে ভিক্ষা মাগি।
জিয়ন্ত থাকিতে মায়                             ইহা নাকি সহা যায়
কার বোলে হইলা বৈরাগী॥
গৌরাঙ্গের বৈরাগে                                ধরণী বিদার মাগে
আর তাহে শচীর করুণা।
কহয়ে বল্লভ দাস                               গোরাচাঁদের বৈরাগ
ত্রিজগতে রহিল ঘোষণা॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ভুবন-মঙ্গল গোরা-গুণে লোকনাথ ভোরা
কবি বল্লভ
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), তৃতীয় খণ্ড, চতুর্থ শাখা-প্রথম ভাগ, ২৫শ
পল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, পদসংখ্যা ২৩৮৩।


॥ মঙ্গল॥

ভুবন-মঙ্গল গোরা-                        গুণে লোকনাথ ভোরা
সুখে নরেত্তমে দয়া করি।
রাধাকৃষ্ণ-লীলা গুণ                        নিজ-শক্তি আরোপণ
পিয়াইল গৌরাঙ্গ-মাধুরি॥
অনুক্ষণ গোরা-রঙ্গে                        বিলাস বৈষ্ণব সঙ্গে
প্রিয় রামচন্দ্র সঙ্গে লৈয়া।
শ্রীভাগবত আদি                        গ্রন্থ গীত বিদ্যাপতি
নিজ পহু-গুণ আস্বাদিয়া॥
নরোত্তম দীন-বন্ধু                        অপার করুণা-সিন্ধু
রূপে গুণে রসের মুরতি।
রাধাকান্ত না দেখিয়া                        সদাই বিদরে হিয়া
কে বুঝিবে ঐছন পিরীতি॥
মোর ঠাকুর মহাশয়                        নরোত্তম দয়াময়
দন্তে তৃণ করোঁ নিবেদন।
বল্লভ পড়িয়া পাকে                        আকুল হইয়া ডাকে
অহে নাথ লইলুঁ শরণ॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হেন দিন শুভ পরভাতে
কবি বল্লভ
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), তৃতীয় খণ্ড, চতুর্থ শাখা-প্রথম ভাগ, ২৫শ
পল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, পদসংখ্যা ২৩৮৪।


॥ মঙ্গল॥

হেন দিন শুভ পরভাতে।
শ্রীনরোত্তম-নাম                            পহু মোর গৌর-ধাম
বার এক স্মৃতি হয় যাতে॥ ধ্রু॥
যাহার সঙ্গতি-কাম                          শ্রীল কবিরাজ নাম
ছাড়িয়া সে গৃহ পরিকর।
ঠাকুর শ্রীশ্রীনিবাস                          খেতরী করিলা বাস
প্রাণ-সমতুল কলেবর॥
নিত্যানন্দ-ঘরণী                                জাহ্নবা ঠাকুরাণী
ত্রিভুবনের পূজিত-চরণ।
যাহার কীর্ত্তন-কালে                            রুধির পুলক-মুলে
দেখি কৈল চৈতন্য-স্মরণ॥
ভাব দেখি আপনি                              জাহ্নবা ঠাকুরাণী
নাম থুইলা ঠাকুর মহাশয়।
পতিত-পাবন নাম ধর                        বল্লভে উদ্ধার কর
তবে জানি মহিমা নিশ্চয়॥


ব্যাখ্যা -
যেদিন অন্তত একবারও আমার প্রভু গৌরধামস্বরূপ নরোত্তমের নাম স্মরণ হয় সেদিনের প্রভাতকে শুভ
বলিয়া জানি। সেই নরোত্তমের সঙ্গলাভ-কামনায় রামচন্দ্র কবিরাজ গৃহ পরিকর, এমন কি, ঠাকুর
শ্রীনিবাসকে ছাড়িয়া খেতরিতে বাস করিতেন। রামচন্দ্র নরোত্তমের প্রাণতুল্য ছিলেন।

.              *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দুহুঁ জন বিলসই কুঞ্জক মাঝে
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩২শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৮৬২।


.        ॥ সুহই॥

দুহুঁ জন বিলসই কুঞ্জক মাঝে।
রসবতী গোরি রসিকবর-রাজে॥
দুহুঁ দোঁহা-বদন নিরখি মৃদু হাস।
হেরি সব সহচরি অধিক উল্লাস॥
কোই সখি চামর ঢুলায়ত অঙ্গে।
বদনহি তাম্বুল দেই কোই রঙ্গে॥
কত কত কৌতুক হাল পরিহাস।
আনন্দে নিমগন বল্লভ দাস॥

.           *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোরা-গুণে আছিলা ঠাকুর শ্রীনিবাস
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৫শ পল্লব, ভক্তগণ-বিয়োগে বিলাপ, পদসংখ্যা ২৯৮১।


.               ॥ ধানশী॥

গোরা-গুণে আছিলা ঠাকুর শ্রীনিবাস।
নরোত্তম রামচন্দ্র গোবিন্দ দাস॥
একুই কালে কোথা গেল দেখিতে না পাই।
থাকুক দেখিবার কাজ শুনিতে না পাই॥
যে করিল জগ-জনে করুণা প্রচুর।
হেন প্রভু কোথা গেলা আচার্য্য ঠাকুর॥
রাধাকৃষ্ণ-লীলা-গুণ যে কৈল প্রচার।
কোথা গেলা শ্রীআচার্য্য ঠাকুর আমার॥
হৃদয় মাঝারে মোর রহি গেল শেল।
জীতে আর প্রভু সঙ্গে দরশ না ভেল॥
এ ছার জীবনে মোর নাহি আর আশ।
সঙ্গে করি লেহ প্রভু এ বল্লভ দাস॥

.              *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শ্রীল নরোত্তম আরে মোর প্রভু রে বারেক তোমারে পাঙ
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৫শ পল্লব, ভক্তগণ-বিয়োগে বিলাপ, পদসংখ্যা ২৯৮২।


.        ॥ ধানশী॥

শ্রীল নরোত্তম আরে মোর প্রভু রে বারেক তোমারে পাঙ।
সে গুণ গাইয়া মুঞি মরিয়া না যাঙ॥
সে ফোটায় ঝলক মুখ দশনের জুতি।
ইষত মধুর হাসি বিজুরীর কাঁতি॥
ফুটিয়া রহিল শেল সেহ নহে বেথা।
মরমে মরম-দুখ কি কহিব কথা॥
মো মরোঁ মরিয়া যাঙ সে গুণ ঝুরিয়া।
বল্লভ দাসেরে লেহ আপন করিয়া॥

.              *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীঠাকুর মহাশয়
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৫শ পল্লব, ভক্তগণ-বিয়োগে বিলাপ, পদসংখ্যা ২৯৮৩।


.        ॥ বালা ধানশী॥

শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীঠাকুর মহাশয়।
রামচন্দ্র কবিরাজ প্রেম-রসময়॥
এ সব ঠাকুর সঙ্গে পারিষদ-গণ।
উজ্জ্বল-ভকতি-কথা করিলুঁ শ্রবণ॥
বৈষ্ণবের তুলা মেলা নানাবিধ দান।
পরিপূর্ণ প্রেম সদা কৃষ্ণ-গুণ-গান॥
এক কালে কোথা গেলা না পাই দেখিতে।
দেখিবার দায় রহুঁ না পাই শুনিতে॥
উচ্ছিষ্টের কুক্কুর মুঞি আছিলুঁ সেখানে।
যখন যে কৈলা কাজ সব পড়ে মনে॥
শুনিতে স্বপন হেন কহিতে কহো কথা।
ভিটা সোঙারিয়া কুক্কুর কান্দে এমতি আছোঁ এথা॥
বল্লভ দাসের হিয়ায় শে রহি গেল।
এ জনমে হেন বুঝি বাহির না ভেল॥

.              *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোরা পহুঁ না ভজিয়া মলুঁ
কবি বল্লভ দাসিয়া
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ২৯৮৬।


.        ॥ সুহই॥

গোরা পহুঁ না ভজিয়া মলুঁ।
আপনার করম-দোষে আপনি ডুবিলুঁ॥
অধনে যতন করি ধন তেয়াগিলুঁ।
প্রেম-রতন-মণি হেলায় হারাইলু॥
বিষয়-বিষম-বিষ সতত খাইলুঁ।
গৌর-কীর্ত্তন-রসে মগন না হৈলুঁ॥
সত্সঙ্গ ছাড়িয়া কৈলুঁ অসতে বিলাস।
তে কারণে করম-বন্ধন লাগে ফাঁস॥
এমন গৌরাঙ্গের গুণে না কান্দিল মন।
মনুষ্য-দুর্ল্লভ জন্ম হৈল অকারণ॥
কেনে আছয়ে প্রাণ কি সুখ লাগিয়া।
বল্লভ দাসিয়া কেন না গেল মরিয়া॥


আনুমানিক ১৭২৫ সালে রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) সংকলিত ও বিরচিত এবং
১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত
সমুদ্র”-তে এই পদটি এইভাবে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা, পদসংখ্যা ১৫, পৃষ্ঠা ৪৮৭।

.        ॥ বিভাস রাগ - ললিত তাল॥

মলুঁরে গোরা পহুঁ না ভজিয়া মলুঁ।
প্রেম রতন হাতে হাতে হারাইলু॥ ধ্রু॥
অধন যতন করি ধন তেয়াগিলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি ডুবিলুঁ॥
সৎ সঙ্গ ছাড়ি কলুঁ অসত বিলাস।
তে কারণে করম বন্ধন নাগ পাশ॥
বিষয় বিষম রস সতত খাইলুঁ।
গৌর কীর্ত্তন রসে মগন না হৈলুঁ॥
এমন গৌরাঙ্গের গুণে না কান্দিল মন।
মনুষ্য-দুর্ল্লভ জন্ম গেল অকারণ॥
কেন বা আছয়ে প্রাণ কি সুখ লাগিয়া।
বল্লভ দাসিয়া কেন না যায় মরিয়া॥

.              *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর