কবি বল্লভদাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
আরে মোর আরে মোর গৌরাঙ্গ গোসাঞি
কবি বল্লভ দাসিয়া
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ৩০০১।

তত্র দৈন্য-বোধিকা প্রার্থনা যথা

.        ॥ সুহই॥

আরে মোর আরে মোর গৌরাঙ্গ গোসাঞি।
দীনে দয়া তোমা বিনে করে হেন নাই॥
এই ত ব্রহ্মাণ্ড মাঝে যত রেণু-প্রায়।
সে গণিতে পাপ মোর গণন না যায়॥
মনুষ্য-দুর্ল্লভ-জন্ম না হইবে আর।
তোমা না ভজিয়া কৈলুঁ ভাঁড়ের আচার॥
হেন প্রভু না ভজিলুঁ কি গতি আমার।
আপনার মুখে দিলাম জ্বলন্ত অঙ্গার॥
কেন বা আছয়ে প্রাণ কি সুখ লাগিয়া।
বল্লভ দাসিয়া কেন না গেল মরিয়া॥

.            *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গৌরাঙ্গ পাতকী উদ্ধার করুণায়
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৬শ
পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ৩০০২।


॥ ধানশী॥

গৌরাঙ্গ পাতকী উদ্ধার করুণায়।
সাধু-মুখে শুনি আমি                        পতিত-পাবন তুমি
উদ্ধারিয়া লেহ নিজ পায়॥
ওক শোকময় হয়                        বিষম-বিষয়-ভয়
পড়িয়া রহিলুঁ মায়া-জালে।
কে হেন করুণ জন                        তারে করোঁ নিবেদন
উদ্ধার পাইব কত কালে॥
শরীরের মাঝে যত                        সব হৈল বৈরী মত
কেহো কারো নিষেধ না মানে।
যাতনা যমের ঘর                        শুনিয়া লাগয়ে ডর
হরি-কথা না শুনিলুঁ কাণে॥
সাধু-সঙ্গ না করিলুঁ                        আপনা আপনি খাইলুঁ
সতত কুমতি সঙ্গ-দোষে।
দশনে দরিয়া তৃণ                        করোঁ এই নিবেদন
অকিঞ্চন এ বল্লভ দাসে॥

.            *************************               
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গৌরাঙ্গ পতিত-পাবন তুয়া নাম
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৬শ
পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ৩০০৯।


॥ শ্রীরাগ॥

গৌরাঙ্গ পতিত-পাবন তুয়া নাম।
কলি-জীবে যত                           আছিল কৃত-পাতকী
দেওলি সবে নিজ ঠাম॥ ধ্রু॥
আচণ্ডাল অবধি                        তোহারি গুণে কান্দয়ে
প্রেম-পুলকে নাহি ওর।
হরি-নাম-সুধা-রসে                               জগ-জন পূরল
দিন রজনী রহু ভোর॥
বিদ্যা-কুল-ধন-মদ                           আছিল বিপদ যত
ছাড়িয়া তোহারি গুণ গায়।
না দেখো পাষণ্ড জন                           সভাই উত্তম-মন
সঙ্কীর্ত্তনে গড়াগড়ি যায়॥
যদি বা আছয়ে কেহ                       অশেষ পাপের দেহ
না মানে না শুনে গোরা-গুণ।
বল্লভদাসের কথা                              মরমে পরম-বেথা
মুখে তার দেঙ কালী-চুণ॥

.            *************************               
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রথমে বন্দিয়া গাই গৌরাঙ্গ গোসাঞি
কবি বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), চতুর্থ খণ্ড, চতুর্থ
শাখা-দ্বিতীয় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ৩০১১।


.        ॥ শ্রীরাগ॥

প্রথমে বন্দিয়া গাই গৌরাঙ্গ গোসাঞি।
অদ্বৈত নিত্যানন্দ বিনু আর কেহো নাঞি॥
করুঁ-নয়ন কোণে একবার দেখো।
আপন-জনের জন করি মোরে লেখ॥
দায় ধরি দয়া করি তারে হেন নাঞি।
পরিবরে পতিত দেখিয়া সব ঠাঞি॥
যেবা জন পণ করি লইল শরণ।
স্বপনে নয়নে মনে নাহি দরশন॥
দয়াময় কথা কয় হেন কেহো আছে।
মুঞি পাপী নিবেদিয়ে কহে পহুঁর কাছে॥
দাঁতে ঘাস করোঁ আশ দয়া মোরে হয়ে।
বল্লভ দাসিয়া কহে বৈষ্ণবের পায়ে॥

.            *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সজনী শ্যাম সুনাগর ভুললা
কবি বল্লভ দাস
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী (১৯২৬) গ্রন্থ থেকে পাওয়া, পদসংখ্যা ৮৩৩। তাঁরা
পদটি পেয়েছিলেন ১২১৩ বঙ্গাব্দে (১৮০৬) কমলাকান্ত দাসের “পদ-রত্নাকর” সংকলন পুথি থেকে।


॥ ধানশী॥

সজনী শ্যাম সুনাগর ভুললা।
রঙ্গিম জাদ                              পীঠ পর দোলত
উর পর আরকত ভেলা॥ ধ্রু॥
হা হরি করি কর-                        কমলহি পরশই
দাগে দিগুণ ভেল রঙ্গ।
ন জানিয়ে কৌন                        সুকুমারি ঘটাওল
শিরিষ-কুসুম জিনি অঙ্গ॥
এত কহি মাধব                           মুগধ ভেল তহি
মুরছিত হরল গেয়ান।
ললিতা শ্যাম                             শ্যাম করি ডাকই
ঢর ঢর সজল নয়ান॥
যতনহি রাধা                             কোরে অগোরল
মোছত ও মুখ-চন্দ।
জাদক কাঁতি                          কাঁতি করি ফকরই
বল্লভ দাস রহু ধন্দ॥

.            *************************                
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ভালি গোরাচাঁদের আরতি বনী
কবি বীর বল্লভ দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২২ বঙ্গাব্দ (১৯১৫), চতুর্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩২শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৮৬৮।


অথ সায়ংকালোচিতং আরাত্রিকং।

.        ॥ গৌরী॥

ভালি গোরাচাঁদের আরতি বনি।
বাজে সংকীর্ত্তন মধুর ধ্বনি॥
শঙ্খ বাজে ঘন্টা বাজে বাজে করতাল।
মধুর মৃদঙ্গ বাজে শুনিতে রসাল॥
বিবিধ-কুসুম-ফুলে বনি বন-মালা।
কত কোটি চন্দ্র জিনি বদন উজালা॥
ব্রহ্মা-আদি দেব যাকো যোড়-করে।
সহস্র বদনে ফণি ছত্র ধরে॥
শিব শুষ্ক নারদ ব্যাস বিসারে।
নাহি পরাপর ভাব-ভরে॥
শ্রীনিবাস হরিদাস মঙ্গল গাওয়ে।
গদাধর নরহরি চামর ঢুলায়ে॥
বীর বল্লভ দাস গৌর-চরণে আশ।
জগ ভরি রহল মহিমা পরকাশ॥



এই পদটি, ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌর মোহন দাস সম্পাদিত “পদ-কল্পলতিকা” সংকলন
গ্রন্থে ৩য় পৃষ্ঠা, গৌরচন্দ্র অধ্যায়, ৮ম পদ, এইরুপে রয়েছে।


॥ গৌরী॥

ভালি গোরাচাঁদের আরতি বনী।
বাজে সংকীর্ত্তন মধুর ধ্বনি॥ ধ্রু॥
বিবিধ কুসুমফুলে বনি বনমালা।
কোত কোটিচন্দ্র জিনি বদন উজারা॥
ব্রহ্মাদি দেব যারে কর যোড় করে।
সহস্র বদনে ফণি ছত্রধরে॥
বীর বল্লভ দাস গৌর চরণে আশ।
জগভরি রহল মহিমা প্রকাশ॥


এই পদটিই, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯১৬) সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত
“শ্রীশ্রীপদ-রত্ন-মালা” সংকলন গ্রন্থে এইভাবে দেওয়া রয়েছে। তৃতীয়
অধ্যায়“সায়ংকালোচিত শ্রীগৌরাঙ্গের আরতি”, পদসংখ্যা ৬৯।

॥ গৌরী॥

ভালি গোরাচাঁদের আরতি বনী।
বাজে সংকীর্ত্তন মধুর ধ্বনি॥
শঙ্খ বাজে ঘন্টা বাজে বাজে করতাল।
মধুর মৃদঙ্গ বাজে শুনিতে রসাল॥
বিবিধ কুসুম ফুলে গলে বনমালা।
কত কোটি চন্দ্র জিনি বদন উজালা॥
ব্রহ্মা আদি দেব যাকো কর-জোড় করে।
সহস্র বদনে ফণি শিরে ছত্র ধরে॥
শিব নারদ শুক ব্যাস বিসারে।
নাহি পারত্পর ভাব-ভরে॥
শ্রিনিবাস হরিদাস মঙ্গল গাওয়ে।
গদাধর নরহরি চামর ঢলাওয়ে॥
বীর বল্লভ দাস গৌর চরণে আশ।
জগভরি রহল মহিমা প্রকাশ॥

.            *************************                   
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সজনী কোকহু প্রেমতরঙ্গ
কবি বল্লভ দাস
১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌর মোহন দাস সম্পাদিত “পদ-কল্পলতিকা” সংকলন গ্রন্থ থেকে পাওয়া।
“শ্রীকৃষ্ণস্য প্রেম বৈচিত্র” অধ্যায়ের ১ম পদ।


॥ মঙ্গল॥

সজনী কোকহু প্রেমতরঙ্গ।
বাইক কোরে চম-                          কি ছরি কহতহি
কবে হবে তাকর সঙ্গ॥ ধ্রু॥
আর কিয়ে কনক                         কসিত তনু সুন্দর
দরশ পরশ হোয়ে।
উরঃপর পাণি হানি                              ক্ষিতি সুতল
যুকত কণ্ঠে বিরয়ে॥
ক্ষণে কহে অধর                             মধুর নব পল্লব
আর কি মিলিব অব সই।
তাকর প্রেমে                                  মগন মজু মানস
নয়নে রহল রূপ গোই॥
আর কিযে শ্রবণে                         শুনব তাকর বোল
সোকিয়ে মধুরিম হাস।
নয়নহি বয়ন                                চন্দ্র কিয়ে হেরব
কুমদিনী হাস বিকাস॥
রাইক কোরে রান                                যব বিলপই
বজ্র বনিতা কুল হাস।
না বুঝিয়া ধন্দ                                বন্দ মুঝে লাগল
কহতছি বল্লভ দাস॥

.            *************************               
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রিয়ার জনম, দিবস আবেশে
কবি দাস বল্লভী  অথবা বল্লবী দাস
১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯১৬) সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত “শ্রীশ্রীপদ-রত্ন-মালা” সংকলন গ্রন্থ
থেকে পাওয়া। দ্বিতীয় অধ্যায়, শ্রীরাধিকার জন্মলীলা, পদসংখ্যা ৪১। এই পদটি ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত,
নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত শ্রীপদামৃতমাধুরী, তৃতীয় খণ্ডের ৫৩পৃষ্ঠায় “বল্লবী”
ভণিতা-যুক্ত রয়েছে।


প্রিয়ার জনম,                        দিবস আবেশে
আনন্দে ভরল তনু।
নদীয়া নগরে,                        বৃষ্ভানু পুরে,
উদয় হইল জনু।
গদাধর মুখ,                        হেরি পুনঃ পুনঃ
নাচে গোরা নট রায়।
ভাব অনুভব                        করি সঙ্গী সব
মহা মহোত্সব গায়॥
দধির সহিত,                        হলদি মিলিত,
কলসে কলসে ঢালি।
প্রিয়গণ নচে,                        নানা কাচ কাচে,
ঘন দিয়া হুলাহুলি॥
গৌরাঙ্গ নাগর,                        রসের সাগর,
ভাবের তরঙ্গ তায়।
জগত ভাসিল                        এহেন আননদে
এ দাস বল্লভী গায়॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ও মুখ শরদ-সুধাকর-সুন্দর
কবি শ্রীবল্লভ
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় শাখা, ১৩শ পল্লব,
অভিসারোত্কণ্ঠা, পদসংখ্যা ১০২২।


॥ মঙ্গল॥

ও মুখ শরদ-                                সুধাকর-সুন্দর
ইহ নলিনি-দল গঞ্জে।
ও তনু নবঘন-                                সুন্দর রঞ্জিত
ইহ থির দামিনি পুঞ্জে॥
দেখ রাধামাধব জোরি।
দুহুঁক পরশ-রসে                             দুগুঁ পুলকাইত
দুহুঁ দোহাঁ রহল আগোরি॥ ধ্রু॥
ও নব নাগর                                সব গুণে আগর
ইহ সে কলাবতি-সীম।
ও অতি চতুর-                            শিরোমণি বিদধদ
এ সব গুণহি গরীম॥
মধুর বৃন্দাবনে                               শ্যাম-গোরি-তনু
দুহুঁ নব কিশোরি কিশোর।
নরোত্তম দাস                                আশ চরণে রহু
শ্রীবল্লভ-মন ভোর॥

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গৌরাঙ্গ-প্রেমবাদলে ডোবে সব প্রেমজলে
কবি বল্লভ দাস
জগবন্ধু ভদ্র সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪ থেকে নেওয়া। চতুর্থ উচ্ছাস,
ভক্তের দৈন্য ও প্রার্থনা, পদসংখ্যা ২৮, পৃষ্ঠা ৩৩৪।


॥ ধানশী॥

গৌরাঙ্গ-প্রেমবাদলে                                 ডোবে সব প্রেমজলে
নদী নালা খাল বিল সকলি।
আমার কপাল ভাঙ্গা                                মরুময় শুকনো ডাঙ্গা
মোর হিয়া না ডুবে একলি॥
হরি হরি হে গৌরাঙ্গ কেন এ অদমে বাম।
কাঙ্গালে করুণা কর                                     বরেক নয়নে হের
দেও মহামন্ত্র হরিনাম॥ ধ্রু॥
অঞ্জামিল নিস্তারিলা                                জগাই মাধাই উদ্ধারিলা
চাপাল গোপালে কৈলা ত্রাণ।
যবন ম্লেচ্ছ চণ্ডালে                                    নামপ্রেম সবে দিলে
কি দোষে অধমে হৈলা বাম॥
অধম পতিত আমি                                    পতিত পাবন তুমি
মোরে প্রভু না করো নৈরাশ।
দাঁতে ঘাস করি এবে                                  তোমার করুণা মাগে
অভাগিয়া এ বল্লভদাস

.            *************************             
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর