কবি বিশ্বম্ভরের বৈষ্ণব পদাবলী
গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়
ভণিতা বিশ্বম্ভর
কবি বিশ্বম্ভর দাস দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৭ম পল্লব, অভিসারানুরাগ,
৭৪৩পদসংখ্যক পদ-রূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারানুরাগঃ।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ কামোদ॥

গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়।
পুরব সোঙরি পহু মৃদু মৃদু ধায়॥
নিরজনে কহে চল সুরধুনী-তীরে।
পশুপতি পূজিব বিপদ যাবে দূরে॥
ঐছন বচন সভে রচন করিয়া।
অগৌর চন্দন ফুল হস্তেত করিয়া॥
নিজ জন সঙ্গে চলে গোরা দ্বিজ-মণি।
কহে বিশ্বম্ভর গোরার যাইয়ে নিছনি॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার
“শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।


॥ গৌরচন্দ্র॥
॥ কামদ॥

অভিসারা মেলি গৌরাঙ্গচরিত কিছু কহনে না জায়। পুরুব সোঙরি পহু মৃদু মৃদু ধায়॥
নিজজনে কহে জাব সুরধুনীতীরে। পশুপতি পূজিব বিপদ জাবে দূরে॥
ঐছন সভে মেলি রচন করিঞা। অগোর চন্দন ফুল হস্তেতে করিঞা॥
নিজজন সঙ্গে চলে গোরা দ্বিজমণি। কহে বিশ্বম্ভর গোরার জাইএ নিছনি॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র
রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ২০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

অভিসারানুরাগ।

গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়। পুরব সোঙরি পহুঁ মৃদু মৃদু ধায়॥
নির্জ্জনে কহে চল সুরধুনী-তীরে। পশুপতি পূজিব বিপদ যাবে দূরে॥
ঐছে বচন সবে রচন করিয়া। অগুরু চন্দন ফুল হস্তেতে করিয়া॥
নিজ জন সঙ্গে চলে গোরা দ্বিজমণি। কহে বিশ্বম্ভর গোরার যাইয়ে নিছনি॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), পঞ্চম উচ্ছ্বাস, ১৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

( অভিসার, রসোদ্গার ও উত্কণ্ঠিতা )
॥ কামোদ॥

গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়।
পূরব সোঙরি প্রভু মৃদু মৃদু ধায়॥
নিজ জনে কহে চল সুরধুনীতীরে।
পশুপতি পূজিব বিপদ যাবে দূরে॥
ঐছন বচন সবে রচন করিয়া।
অগৌর চন্দন ফুল হস্তেতে করিয়া॥
নিজ জন সঙ্গে চলে গোরা দ্বিজমণি।
কহে বিশ্বম্ভর গোরার যাই যে নিছনি॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসার।
( প্রকারান্তর )
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ কামোদ॥

গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়।
পূরব সোঙরি প্রহুঁ মৃদু মৃদু ধায়॥
নিরজনে কহে চল সুরধুনী তীরে।
পশুপতি পূজব বিপদ যাবে দূরে॥
ঐছন বচন সবে রচন করিয়া।
অগুরু চন্দন ফুল হস্তেতে করিয়া॥
নিজ নিজ সঙ্গে চলে গোরা দ্বিজমণি।
কহে বিশ্বম্ভর গোরার নিছনি॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩সালের মধ্যে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ মল্লাক সারঙ্গ - দুঠুকী॥

গৌরাঙ্গ চরিত কিছু কহনে না যায়।
পুরুব সোঙরি গোরা মৃদু মৃদু ধায়॥
নিজ জনে কহে বন সুরধুনী তীরে।
পশুপতি পূজব বিপদ যাবে দূরে॥
ঐছন বচন রচন সভে করিয়া।
অগুরু চন্দন ফুল হস্তেতে লইয়া॥
নিজ জন সঙ্গে বনে গৌর দ্বিজমণি।
কহে বিশ্বম্ভর গোরার যাইয়ে নিছনি॥

.        ************************          
.                                                                                                
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
খেলা সমাধিয়া শ্রমযুত হৈয়া
ভণিতা বিশ্বম্ভর দাস
কবি বিশ্বম্ভর দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২১শ পল্লব, বন-ভোজন,
১১৯৯পদসংখ্যক পদ-রূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ বনভোজন।
॥ তথা রাগ॥

খেলা সমাধিয়া                        শ্রমযুত হৈয়া
সখাগণ লৈয়া সঙ্গে।
ভোজন সম্ভার                       ছিল ভারে ভার
ভোজনে বসিলা রঙ্গে॥
যমুনা-পুলিনে                           বেঢ়ি সখাগণে
মাঝে করি বৈসে কানু।
পাড়ি বনপাত                        তাহে নিল ভাত
জল ভরি শিঙ্গা বেণু॥
সব সখা মেলি                        করিয়া মণ্ডলী
ভোজন করয়ে সুখে।
ভাল ভাল কৈয়া                    মুখ হৈতে লৈয়া
সভে দেই কানু মুখে॥
সভে কহে ভাই                        আমার কানাই
মোরে বড় ভাল বাসে।
আমার সমুখে                         বসি খায় সুখে
সদা রহে মোর পাশে॥
এহি করি মনে                        করয়ে ভোজনে
আনন্দ-সাগরে ভাসে।
বিশ্বম্ভর দাস                         করি মনে আশ
রহে সুবলের পাশে॥

ই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”,
২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উত্তরগোষ্ঠ।
॥ মঙ্গল॥

খেলা সমাধিয়া শ্রমযুক্ত হৈয়া সখা গণ লইয়া সঙ্গে।
ভোজন সম্ভার ছিল ভারেভার ভোজনে বসিলা রঙ্গে॥
যমুনা পুলিনে বেঢ়ি সখাগণে মাঝে করে বসে কানু।
পাড়ি বন পাত তাহে নিল ভাত জলভরি শিঙ্গা বেণু॥
সব সখা মেলি করিয়া মণ্ডলী ভোজন করয়ে সুখে।
ভাল ভাল কয়্যা মুখে হইতে লইয়া সভে দেই কানু মুখে॥
সভে কহে ভাই আমারি কানাই মোরে বড় ভালবাসে।
আমার সমুখে বসি খায় সুখে সদা রয় মোর পাশে॥
এই করি মনে করয়ে ভোজনে আনন্দ সাগরে ভাসে।
বিশ্বম্ভর দাস করি মনে আশ রহে সুবলের পাশে॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র
রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ মঙ্গল॥

খেলা সমাধিয়া, শ্রমযুক্ত হইয়া, সখাগণ লইয়া সঙ্গে।
ভোজন সম্ভার ছিল ভারে ভার, ভোজনে বসিলা রঙ্গে॥
যমুনা-পুলিনে বেড়ি সখাগণে, মাঝে ক’রে বসে কানু।
পাতি নব পাত, তাহে নিল ভাত, জল ভরি শিঙ্গা বেণু॥
সব সখা মিলি, করিয়া মণ্ডলী, ভোজন করয়ে সুখে।
ভাল ভাল কয়ে, মুখ হ’তে লয়ে, সবে দেয় কানুমুখে॥
সবে বলে ভাই, আমারি কানাই, মোরে বড় ভালবাসে।
আমার সমুখে, বসি খায় সুখে, সদা রয় মোর পাশে॥
এই করি মনে, করয়ে ভোজনে, আনন্দ-সাগরে ভাসে।
বিশ্বম্ভর দাস, করি মনে আশ, রহে সুবলের পাশে॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩সালের মধ্যে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা।
॥ শ্রীরাগ - জপতাল॥

খেলা সমাধিয়া,                        শ্রমযুত হৈয়া,
সখাগণ লৈয়া সঙ্গে।
ভোজন সম্ভার,                      ছিল ভারে ভার,
ভোজনে বসিলা রঙ্গে॥
যমুনা পুলিনে,                        বেঢ়ি সখাগণে,
মাঝে করি বৈঠে কানু।
পাড়ি বনপাত,                      তাহে নিল ভাত,
জল ভরি শিঙ্গা বেণু॥
সব সখা মেলি,                        করিয়া মণ্ডলী,
ভোজন করয়ে সুখে।
ভাল ভাল কৈয়া,                   মুখ হৈতে লইয়া,
সবে দেয় কানাই-মুখে॥
সবে কহে ভাই,                        আমার কানাই,
মোরে বড় ভালবাসে।
আমার সম্মুখে,                        বসি খায় সুখে,
সদা রহে মোর পাশে॥
এই করি মনে,                        করয়ে ভোজনে,
আনন্দ-সাগরে ভাসে।
বিশ্বম্ভর দাস,                        মনে করি আশ,
রহে সুবলের পাশে॥

.        ************************          
.                                                                                                
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
জাগিহো কিশোরী গোরি রজনী ভৈ ভোরে
ভণিতা বিশ্বম্ভর
কবি বিশ্বম্ভর দাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১০৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কুঞ্জভঙ্গ
॥ তথা রাগ॥

জাগিহো কিশোরী গোরি রজনী ভৈ ভোরে।
রতি অলসমে নিন্দ যাওত রসরাজহি কোরে॥
নীলবসন মণি আভরণ ভৈ গেয়ো বিথারে।
শাসু নন্দী এ্যায়সে বিবাদী মনমে নাহি তেরে॥
নগরক লোক জাগি বাঠল ক্যাসে যাওব পুরে।
অরুণ উদয় হোই আওত শারী শুক ফুকারে॥
শুনি নাগর উঠি বৈঠল নাগরি করি কোরে।
বিশ্বম্ভর ঝারি পুরি লেই ঠারো রহত দ্বারে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৯৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জাগিহো কিশোরী গোরি রজনী ভৈ ভোরে।
রতি অলসমে নিন্দ যাওত রসরাজহি কোরে॥
নীলবসন মণি আভরণ ভৈ গেয়ো বিথারে।
শাসু নন্দী এ্যায়সে বিবাদী মনমে নাহি তেরে॥
নগরক লোক জাগি বৈঠল ক্যাসে যাওব পুরে।
অরুণ উদয় হোই আওত শারী শুক ফুকারে॥
শুনি নাগর উঠি বৈঠল নাগরি করি কোরে।
বিশ্বম্ভর ঝারি পুরি লেই ঠারো রহত দ্বারে॥

.        ************************          
.                                                                                                
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আরতি বলরামচন্দ্র রেবতী রমণ রাজে
ভণিতা বিশ্বম্ভর
কবি বিশ্বম্ভর দাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১০৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বলরামের আরতি
॥ তথা রাগ॥

আরতি বলরামচন্দ্র রেবতী রমণ রাজে।
বামে নবীন চিকন শ্যাম
দক্ষিণে শোভের শ্রীবলরাম
ব্রজবালক নাচত গাওত নন্দ আঙ্গিনা মাঝে॥
জয় জয় জয় নন্দলাল
জয় জয় জয় রাম গোপাল
ঝাঁঝরি খঞ্জরী ঠমক তাল মধুর মধুর বাজে।
গাওয়ে গোয়াল অতি রসালি
যূথে যূথে মিলি গোপিনী ভালি
সুরট সুরঙ্গ রাম কেলি সুর নর মুনি সাজে॥
যশোমতী রূপ নিরখে ভাল
রোহিণীর করে আরতি থাল
গোঘৃত রচিত কর্পূরবাতি ঢরকত দুহুঁ মাঝে।
মদনবিজয়ী রূপ উজার
রবি লুকায়ত কিরণে যার
বিশ্বম্ভর ভণে ও রাঙ্গা চরণে বংশীবদন গাজে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ৯৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আরতি বলরামচন্দ্র রেবতী রমণ রাজে।
বামে নবীন চিকন শ্যাম
দক্ষিণে শোভের শ্রীবলরাম
ব্রজবালক নাচত গাওত নন্দ আঙ্গিনা মাঝে॥
জয় জয় জয় নন্দলাল
জয় জয় জয় রাম গোপাল
ঝাঁঝরি খঞ্জরী ঠমক তাল মধুর মধুর বাজে।
গাওয়ে গোয়াল অতি রসালি
যূথে যূথে মিলি গোপিনী ভালি
সুরট সুরঙ্গ রাম কেলি সুর নর মুনি সাজে॥
যশোমতী রূপ নিরখে ভাল
রোহিণীর করে আরতি থাল
গোঘৃত রচিত কর্পূরবাতি ঢরকত দুহুঁ মাঝে।
মদনবিজয়ীরূপ উজার
রবি লুকায়ত কিরণে যার
বিশ্বম্ভর ভণে ও রাঙ্গা চরণে বংশীবদন গাজে॥

.        ************************          

.                                      
                                         সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
শ্রীশশিশেখর জয় জয়
ভণিতা বিশ্বম্ভর
কবি বিশ্বম্ভর দাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১০৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শশিশেখর বন্দনা
॥ তথা রাগ॥

শ্রীশশিশেখর জয় জয়।
চন্দ্রশেখর অনুজ জয় পরম করুণাময়॥
রসময় সঙ্গীত                        মনোহর সুরচন
অনুপম ভাব নিধান।
সুকবি সুগায়ক                        কোকিল সুস্বর
মধুর বিনোদ তালমান॥
কতেক যতনে মঝু                     শিক্ষা সমাধিলা
হাম অধম বোধহীন।
কহ বিশ্বম্ভর                            প্রণতি পুরঃসর
চরণে শরণাগত দীন॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৯৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীশশিশেখর জয় জয়।
.                চন্দ্রশেখর অনুজ জয় পরম করুণাময়॥
.      রসময় সঙ্গীত মনোহর সুরচন
.                                অনুপম ভাব নিধান।
.       সুকবি সুগায়ক কোকিল সুস্বর
.                                মধুর বিনোদ তালমান॥
.         কতেক যতনে মঝু শিক্ষা সমাধিলা
.                                হাম অধম বোধহীন।
.  কহ বিশ্বম্ভর প্রণতি পুরঃসর
.                                চরণে শরণাগত দীন॥

.        ************************        

.                                            
                                                 সূচীতে . . .    



মিলনসাগর