দোহু লুবধ বড় মনসিজ জাগি কবি বৈষ্ণবদাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগ থেকে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ১৬২।
দোহু লুবধ বড় মনসিজ জাগি। মান বিরহ দুখ দূরে গেও ভাগি॥ দুহু মুখ চুম্বন করে কত বেরি। দুহু তনু লাগল ভুজলতা বেড়ি॥ মদনে মাতল দোহে না সহে বেয়্যাজ। নবঘন ঝাপল তড়িতসমাজ॥ বয়ানে বয়ানে পর নয়নে নয়ন। হিয়ায় হিয়ায় তাহে নিবিড় মিলন॥ রতিরণপণ্ডিত দুহু শর বাণ। সমাধিএ বৈঠল রাধা কান॥ ছরমে ভিগল দোহার নীল পীতবাস। হৃদয়ে ভাবয়ে তাহা বৈষ্ণবদাস॥
লিখি এ করজ পাতি দিল শ্যামরায় কবি বৈষ্ণবদাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগ থেকে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ১৬২।
দোহে নিবেদনে সুখী দোহু মন মান কবি বৈষ্ণবদাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগ থেকে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ১৬৫।
কলহান্তরিতা মিলন সম্ভোগ নিবেন অন্তে রসোদ্গার।
দোহে নিবেদনে সুখী দোহু মন মান। নিজ নিজ স্থানে দোহু করল পয়ান॥ সখীসঙ্গে বৈঠে রাই কানুর প্রসঙ্গ। জতহু করল সই রভস তরঙ্গ॥ সুন সুন রে সখী রসময় কান। কতহু সাধনে মোর ভাঙ্গল মান॥ চরণে ধরিএ চাহে পরাইতে হার। ধরণী লোটল সোই কত শতবার॥ মিনতি বচনে তার দরবে পাষাণ। মানে কি গৌরব আছে দিতে হয় প্রাণ॥ সখীগণ কহে ধনি কত রস জান। নিতি মান দেখি নিতি দেখি সমাধান॥ বৈষ্ণবদাস এই হৃদয় অভিযোগী। দরসে মানিনী অদর্শনে বিয়োগী॥
গোরামুখ বিমল কমল হেম জিনি কবি বৈষ্ণবদাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগ থেকে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ১৭৩।
মিলন সম্পূর্ণ॥ তত্র গৌরচন্দ্র॥
গোরামুখ বিমল কমল হেম জিনি তাহে রুচি মলয়জ বিন্দু। পরিমলে ধায়ই কতই ভ্রমরাকুল চকোর শোভিত বলি ইন্দু॥ নিরজনে বসি গোরারায়। রাই ভাবাবেশে ষট্ পদে বোলত কাহে মোঝে নিঙড়ে উদয়॥ শ্যাম ভ্রমরা তুহুঁ কুসুমিত কাননে জঁহি অব মকরন্দপানে। মন্দিরমাঝে কাহে ভেল গুঞ্জসি না বুঝিএ চরিতবিধানে॥ এবে আনকাজে কাহে সে বিঘটন বোলত পুরব আবেশে। গোরাপ্রেম সুখসিন্ধু না পাঅল এক বিন্দু ভাবয়ে বৈষ্ণবদাসে॥
পুরবহি রাসে মগন গোরা নটবর কবি বৈষ্ণবদাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগ থেকে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ২১৭।