কবি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বৈষ্ণব পদাবলী
চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ২৯ পৃষ্ঠা।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-তে লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।” (পৃষ্ঠা ৩২১)।
চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
শ্রেয়ঃকৈরবচন্দিকাবিতরণং বিদ্যাবধূজীবনং।
আনন্দাম্বুধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণমৃতাস্বাদনং
সর্ব্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তনং॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ-
যিনি চিত্তরূপ দর্পণের মলনাশক, সংসারস্বরূপ মহাদাবানলের নির্ব্বাপক, কল্যাণরূপ কুমুদের প্রকাশবিষয়ে জ্যোত্স্নাপ্রদ অর্থাৎ চন্দ্রতুল্য, বিদ্যারূপা বধূর জীবনস্বরূপ, আনন্দসমুদ্রের বৃদ্ধিকর এবং পদে পদে সম্পূর্ণ অমৃতের আস্বাদরূপ ও অন্তঃকরণের তাপনাশক, এতাদৃশ সর্ব্বোত্কৃষ্ট শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তন জয়যুক্ত হউন॥
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই শ্লোকটি রয়েছে কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ২৯৯-এ। এখানে রচয়িতার নামের স্থানে “আনন্দাচার্য্য” দেওয়া রয়েছে।
তথাহি পদ্যাবল্যাং সপ্তমাঙ্কধৃত আনন্দাচার্য্যকৃত শ্লোকঃ।
চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
শ্রেয়ঃকৈরবচন্দিকাবিতরণং বিদ্যাবধূজীবননং।
আনন্দাম্বুধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণমৃতাস্বাদনং
সর্ব্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তনং॥
সরল টীকা ও ব্যাখ্যা -
যাহা চিত্তরূপ দর্পণের মলা বিদূরিত করিয়া দেয় ; যাহা সংসারদাবাগ্নিকে নির্ব্বাণ করিতে সক্ষম ; যাহা পরম শ্রেয়োরূপ শ্বেতোত্পলের শুভ্র কৌমুদী তুল্য ; যাহা পরাবিদ্যাবধূর জীবনস্বরূপ ; যাহা শুনিলে আনন্দসমুদ্র উথলিয়া উঠে ; যাহার প্রতিপদে অমৃতের আস্বাদন পূর্ণমাত্রায় নিহিত আছে ; এবং যাহা আত্মাকে যেন রসভাবে স্নান করাইয়া দিয়া অপূর্ব্ব তৃপ্তিসুখ প্রদান করিয়া থাকে ; শ্রীকৃষ্ণের সেই সংকীর্ত্তন জয়যুক্ত হইতেছে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
*************************************
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ২৯ পৃষ্ঠা।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-তে লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।” (পৃষ্ঠা ৩২১)।
চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
শ্রেয়ঃকৈরবচন্দিকাবিতরণং বিদ্যাবধূজীবনং।
আনন্দাম্বুধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণমৃতাস্বাদনং
সর্ব্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তনং॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ-
যিনি চিত্তরূপ দর্পণের মলনাশক, সংসারস্বরূপ মহাদাবানলের নির্ব্বাপক, কল্যাণরূপ কুমুদের প্রকাশবিষয়ে জ্যোত্স্নাপ্রদ অর্থাৎ চন্দ্রতুল্য, বিদ্যারূপা বধূর জীবনস্বরূপ, আনন্দসমুদ্রের বৃদ্ধিকর এবং পদে পদে সম্পূর্ণ অমৃতের আস্বাদরূপ ও অন্তঃকরণের তাপনাশক, এতাদৃশ সর্ব্বোত্কৃষ্ট শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তন জয়যুক্ত হউন॥
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই শ্লোকটি রয়েছে কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ২৯৯-এ। এখানে রচয়িতার নামের স্থানে “আনন্দাচার্য্য” দেওয়া রয়েছে।
তথাহি পদ্যাবল্যাং সপ্তমাঙ্কধৃত আনন্দাচার্য্যকৃত শ্লোকঃ।
চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
শ্রেয়ঃকৈরবচন্দিকাবিতরণং বিদ্যাবধূজীবননং।
আনন্দাম্বুধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণমৃতাস্বাদনং
সর্ব্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্ত্তনং॥
সরল টীকা ও ব্যাখ্যা -
যাহা চিত্তরূপ দর্পণের মলা বিদূরিত করিয়া দেয় ; যাহা সংসারদাবাগ্নিকে নির্ব্বাণ করিতে সক্ষম ; যাহা পরম শ্রেয়োরূপ শ্বেতোত্পলের শুভ্র কৌমুদী তুল্য ; যাহা পরাবিদ্যাবধূর জীবনস্বরূপ ; যাহা শুনিলে আনন্দসমুদ্র উথলিয়া উঠে ; যাহার প্রতিপদে অমৃতের আস্বাদন পূর্ণমাত্রায় নিহিত আছে ; এবং যাহা আত্মাকে যেন রসভাবে স্নান করাইয়া দিয়া অপূর্ব্ব তৃপ্তিসুখ প্রদান করিয়া থাকে ; শ্রীকৃষ্ণের সেই সংকীর্ত্তন জয়যুক্ত হইতেছে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
*************************************
নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্ব্বশক্তি
কবি শ্রীশ্রীচৈতন্য-মহাপ্রভু
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৩৯-৪০ পৃষ্ঠা। ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে। ১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্ব্বশক্তি
স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণেন কালঃ।
এতদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দ্দৈবমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥ ---পদ্যাবলী॥
অনুবাদ-
হে ভগবন্! তুমি নিজের নাম সম্বন্ধে শ্রীকৃষ্ণ, গোবিন্দ ও মুকুন্দ ইত্যাদি বহু বহু ভেদ করিয়া পুনর্ব্বার তত্সমুদায়ে স্বীয় সমস্ত শক্তিও অর্পণ করিয়াছি এবং সেই সকল নামের স্মরণে কালের নিয়মও কর নাই, হে কৃপাময়! তোমার ত এচাদৃশী কৃপা, কিন্তু আমারও এমনি দুর্দ্দৈব যে, ঐ সুদায় নামে কিঞ্চিন্মাত্রও অনুরাগ জন্মিল না॥ এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই পদটি, কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা-৩০১-এ। তিনি এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
তথাহি পদ্যাবল্যাং একোনবিংশাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবস্য শ্লোকঃ।
নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্ব্বশক্তি
স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণেন কালঃ।
এতদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দ্দৈবমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
ব্যাখ্যা - হে ভগবন্। তোমার এতাদৃশ কৃপা যে তোমার নামসকলে তুমি বহুপ্রকারে নিজশক্তি অন্তর্নিহিত করিয়া রাখিয়াছ ; এবং ঐ সকল নাম স্মরণের জন্য যথেষ্ট অবকাশও দিয়াছ ; কিন্তু হে প্রভো! আমার এমনি দুর্দ্দৈব, যে এমন নামে আমার অনুরাগ জন্মিল না।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
*************************************
কবি শ্রীশ্রীচৈতন্য-মহাপ্রভু
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৩৯-৪০ পৃষ্ঠা। ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে। ১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্ব্বশক্তি
স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণেন কালঃ।
এতদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দ্দৈবমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥ ---পদ্যাবলী॥
অনুবাদ-
হে ভগবন্! তুমি নিজের নাম সম্বন্ধে শ্রীকৃষ্ণ, গোবিন্দ ও মুকুন্দ ইত্যাদি বহু বহু ভেদ করিয়া পুনর্ব্বার তত্সমুদায়ে স্বীয় সমস্ত শক্তিও অর্পণ করিয়াছি এবং সেই সকল নামের স্মরণে কালের নিয়মও কর নাই, হে কৃপাময়! তোমার ত এচাদৃশী কৃপা, কিন্তু আমারও এমনি দুর্দ্দৈব যে, ঐ সুদায় নামে কিঞ্চিন্মাত্রও অনুরাগ জন্মিল না॥ এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই পদটি, কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা-৩০১-এ। তিনি এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
তথাহি পদ্যাবল্যাং একোনবিংশাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবস্য শ্লোকঃ।
নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্ব্বশক্তি
স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণেন কালঃ।
এতদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দ্দৈবমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
ব্যাখ্যা - হে ভগবন্। তোমার এতাদৃশ কৃপা যে তোমার নামসকলে তুমি বহুপ্রকারে নিজশক্তি অন্তর্নিহিত করিয়া রাখিয়াছ ; এবং ঐ সকল নাম স্মরণের জন্য যথেষ্ট অবকাশও দিয়াছ ; কিন্তু হে প্রভো! আমার এমনি দুর্দ্দৈব, যে এমন নামে আমার অনুরাগ জন্মিল না।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত॥
*************************************
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা
কবি শ্রীশ্রীচৈতন্য-মহাপ্রভু
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৪১ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
অথ নামসঙ্কীর্ত্তনং।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা
অমানিনা মানদেন কীর্ত্তনীয়ঃ সদা হরিঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥ ---পদ্যাবলী॥
অনুবাদ-
অথ নাম সঙ্কীর্ত্তন।
যিনি তৃণ অপেক্ষাও নিজেকে নীচ বলিয়া অভিমান করেন, যিনি তরুর ন্যায় সহিষ্ণুতা-গুণসম্পন্ন এবং মানশূন্য হইয়া অন্যকে সম্মান প্রদান করেন, এতাদৃশ মহাত্মাকর্ত্তৃকই সর্ব্বদা ভগবান্ হরি কীর্ত্তনীয় হইয়া থাকেন॥
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই শ্লোকটি কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০২-এ। তিনিও এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
তথাহি পদ্যাবল্যাং বিংশাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচন্দ্রোক্তশ্লোকঃ।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা
অমানিনা মানদেন কীর্ত্তনীয়ঃ সদা হরিঃ॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
ব্যাখ্যা -
তৃণের ন্যায় নীচ ও বৃক্ষের ন্যায় সহিষ্ণু হইয়া সর্ব্বপ্রকার অভিমান ত্যাগ ও অন্যের সম্মান সম্বর্দ্ধন করতঃ হরি নাম কীর্ত্তন করিবে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদি লীলা, পৃষ্ঠা ৩৬৮॥
*************************************
কবি শ্রীশ্রীচৈতন্য-মহাপ্রভু
পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৪১ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
অথ নামসঙ্কীর্ত্তনং।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা
অমানিনা মানদেন কীর্ত্তনীয়ঃ সদা হরিঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥ ---পদ্যাবলী॥
অনুবাদ-
অথ নাম সঙ্কীর্ত্তন।
যিনি তৃণ অপেক্ষাও নিজেকে নীচ বলিয়া অভিমান করেন, যিনি তরুর ন্যায় সহিষ্ণুতা-গুণসম্পন্ন এবং মানশূন্য হইয়া অন্যকে সম্মান প্রদান করেন, এতাদৃশ মহাত্মাকর্ত্তৃকই সর্ব্বদা ভগবান্ হরি কীর্ত্তনীয় হইয়া থাকেন॥
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
এই শ্লোকটি কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০২-এ। তিনিও এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
তথাহি পদ্যাবল্যাং বিংশাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচন্দ্রোক্তশ্লোকঃ।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা
অমানিনা মানদেন কীর্ত্তনীয়ঃ সদা হরিঃ॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
ব্যাখ্যা -
তৃণের ন্যায় নীচ ও বৃক্ষের ন্যায় সহিষ্ণু হইয়া সর্ব্বপ্রকার অভিমান ত্যাগ ও অন্যের সম্মান সম্বর্দ্ধন করতঃ হরি নাম কীর্ত্তন করিবে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদি লীলা, পৃষ্ঠা ৩৬৮॥
*************************************
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে
কবি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেব
কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০২। তিনি এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং পঞ্চাশীতিতঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবস্য শ্লোকঃ।
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
ব্যাখ্যা - হে জগদীশ! আমি তোমার নিকট ধন, জন, সুন্দরী স্ত্রী, অথবা কবিশক্তি, এ সকলের কিছুই চাহি না ; তুমি আশীর্ব্বাদ কর যেন আমার জন্মজন্মান্তরে তোমাতে অহৈতুকী শুদ্ধভক্তি থাকে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৯৪ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
এতৌ দ্বৌ শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
ব্যাখ্যা -
হে কৃষ্ণ! তোমার নামগ্রহণে কবে আমার নয়ন গলদশ্রুধারায়, বদন গদগদরুদ্ধবাক্যে এবং শরীর পুলকসমূহে পরিপূর্ণ হইবে ?
হে জগদীশ! আমি ধন বা জন অথবা সুন্দরী কবিতা কিছুই অভিলাষ করি না, কেবল জন্মে জন্মে তুমি যে ঈশ্বর, তোমাতেই আমার অহৈতুকী ভক্তি হউক॥
এই দুইটি শ্লোক শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
কবি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেব
কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০২। তিনি এই শ্লোকটিকে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৩২১-এ, লেখক জানাচ্ছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং পঞ্চাশীতিতঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবস্য শ্লোকঃ।
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
---শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
ব্যাখ্যা - হে জগদীশ! আমি তোমার নিকট ধন, জন, সুন্দরী স্ত্রী, অথবা কবিশক্তি, এ সকলের কিছুই চাহি না ; তুমি আশীর্ব্বাদ কর যেন আমার জন্মজন্মান্তরে তোমাতে অহৈতুকী শুদ্ধভক্তি থাকে।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০২॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৯৪ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
এতৌ দ্বৌ শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
ব্যাখ্যা -
হে কৃষ্ণ! তোমার নামগ্রহণে কবে আমার নয়ন গলদশ্রুধারায়, বদন গদগদরুদ্ধবাক্যে এবং শরীর পুলকসমূহে পরিপূর্ণ হইবে ?
হে জগদীশ! আমি ধন বা জন অথবা সুন্দরী কবিতা কিছুই অভিলাষ করি না, কেবল জন্মে জন্মে তুমি যে ঈশ্বর, তোমাতেই আমার অহৈতুকী ভক্তি হউক॥
এই দুইটি শ্লোক শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
অয়ি নন্দতনুজ! কিঙ্করং পতিতং মাং বিষমে ভবাম্বুধৌ
কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০৩। তিনি এই শ্লোকটিকে দাক্ষিণাত্য রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১পৃষ্ঠায় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং ভক্তমাহাত্ম্যে ত্রয়োদশাঙ্কধৃতদাক্ষিণাত্যকৃতঃ শ্লোকঃ।
অয়ি নন্দতনুজ! কিঙ্করং পতিতং মাং বিষমে ভবাম্বুধৌ।
কৃপয়া তব পাদপঙ্কজস্থিতধূলিসদৃশং বিচিন্তয়॥
ব্যাখ্যা -
হে নন্দরাজ! তোমার এই কিঙ্কর বিষম ভবসমুদ্রে পড়িয়া বড় কষ্ট পাইতেছে ; তুমি কৃপা করিয়া তব পাদপদ্মস্থিত ধূলিকণার ন্যায় দাসত্বে গ্রহণ কর।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০৩॥
*************************************
কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরোচিত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা ৩০৩। তিনি এই শ্লোকটিকে দাক্ষিণাত্য রচিত শ্লোক বলে জানিয়েছেন।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১পৃষ্ঠায় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং ভক্তমাহাত্ম্যে ত্রয়োদশাঙ্কধৃতদাক্ষিণাত্যকৃতঃ শ্লোকঃ।
অয়ি নন্দতনুজ! কিঙ্করং পতিতং মাং বিষমে ভবাম্বুধৌ।
কৃপয়া তব পাদপঙ্কজস্থিতধূলিসদৃশং বিচিন্তয়॥
ব্যাখ্যা -
হে নন্দরাজ! তোমার এই কিঙ্কর বিষম ভবসমুদ্রে পড়িয়া বড় কষ্ট পাইতেছে ; তুমি কৃপা করিয়া তব পাদপদ্মস্থিত ধূলিকণার ন্যায় দাসত্বে গ্রহণ কর।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্য লীলা, পৃষ্ঠা ৩০৩॥
*************************************
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২২শ পল্লব, শ্রীনিত্যানন্দের গুণবর্ণন, পদসংখ্যা ৩০৫৫ ও ৩০৫৬ এর মাঝে প্রক্ষিপ্ত পদ।
তথাহি পদ্যাবল্যাং চতুরশীতিতমাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবশ্লোকঃ।
॥ ধানশী॥
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ব্যাখ্যা -
(হে কৃষ্ণ!) তোমার নাম গ্রহণে কবে আমার নয়ন অশ্রু-ধারায় --- বদন গদ্গদবাক্যে ও দেহ পুলকনিকরে পরিপূর্ণ হইবে! ---সতীশচন্দ্র রায়, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৯৪ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
কেষাঞ্চিৎ॥
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
এতৌ দ্বৌ শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
ব্যাখ্যা -
হে কৃষ্ণ! তোমার নামগ্রহণে কবে আমার নয়ন গলদশ্রুধারায়, বদন গদগদরুদ্ধবাক্যে এবং শরীর পুলকসমূহে পরিপূর্ণ হইবে ?
হে জগদীশ! আমি ধন বা জন অথবা সুন্দরী কবিতা কিছুই অভিলাষ করি না, কেবল জন্মে জন্মে তুমি যে ঈশ্বর, তোমাতেই আমার অহৈতুকী ভক্তি হউক॥
এই দুইটি শ্লোক শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২২শ পল্লব, শ্রীনিত্যানন্দের গুণবর্ণন, পদসংখ্যা ৩০৫৫ ও ৩০৫৬ এর মাঝে প্রক্ষিপ্ত পদ।
তথাহি পদ্যাবল্যাং চতুরশীতিতমাঙ্কধৃতঃ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবশ্লোকঃ।
॥ ধানশী॥
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ব্যাখ্যা -
(হে কৃষ্ণ!) তোমার নাম গ্রহণে কবে আমার নয়ন অশ্রু-ধারায় --- বদন গদ্গদবাক্যে ও দেহ পুলকনিকরে পরিপূর্ণ হইবে! ---সতীশচন্দ্র রায়, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৯৪ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
কেষাঞ্চিৎ॥
নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদগদ-কণ্ঠয়া গিরা।
পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নাম-গ্রহণে ভবিষ্যতি॥
ন ধনং ন জনং ন সুন্দরীং কবিতাম্বা জগদীশ কাময়ে।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি॥
এতৌ দ্বৌ শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
ব্যাখ্যা -
হে কৃষ্ণ! তোমার নামগ্রহণে কবে আমার নয়ন গলদশ্রুধারায়, বদন গদগদরুদ্ধবাক্যে এবং শরীর পুলকসমূহে পরিপূর্ণ হইবে ?
হে জগদীশ! আমি ধন বা জন অথবা সুন্দরী কবিতা কিছুই অভিলাষ করি না, কেবল জন্মে জন্মে তুমি যে ঈশ্বর, তোমাতেই আমার অহৈতুকী ভক্তি হউক॥
এই দুইটি শ্লোক শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর কৃত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
যুগায়িতং নিমিষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতং
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
১৮৮৯ সালে প্রকাশিত, জগদীশ্বর গুপ্তের সরল টীকা ও ব্যাখ্যা সহ প্রণীত, কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা-৩০৪।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১য় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং সপ্তবিংশত্যধিক ত্রিশততমাঙ্কধৃত শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যচন্দ্রোক্তশ্লোকঃ।
যুগায়িতং নিমিষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতং।
শূন্যায়িতং জগৎ সর্ব্বং গোবিন্দবিরহেণ মে॥
ব্যাখ্যা -
গোবিন্দবিরহে আমার মুহূর্ত্তকাল যুগযুগান্তরের ন্যায় বোধ হয় ; নয়ন দিয়া বর্ষাতলের ধারার ন্যায় অশ্রু পড়িতে থাকে ; এবং সমস্ত জগৎ শূন্য প্রতিভাত হয়।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, চৈতন্যচরিতামৃত॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৩০৭ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
যুগায়িতং নিমেষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতং।
শূন্যায়িতং জগৎ সর্ব্বং গোবিন্দবিরহেণ মে॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ -
গোবিন্দবিরহে আমার নিমেষকাল যুগের ন্যায় হইতেছে, চক্ষুদ্বারা বর্ষার ন্যায় হইতেছে এবং সমুদায় জগৎ শূন্য হইতেছে। এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর স্বকৃত শিক্ষাষ্টকের অন্তর্গত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী, পৃষ্ঠা-৩০৮॥
*************************************
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
১৮৮৯ সালে প্রকাশিত, জগদীশ্বর গুপ্তের সরল টীকা ও ব্যাখ্যা সহ প্রণীত, কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন, পৃষ্ঠা-৩০৪।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১য় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
তথাহি পদ্যাবল্যাং সপ্তবিংশত্যধিক ত্রিশততমাঙ্কধৃত শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যচন্দ্রোক্তশ্লোকঃ।
যুগায়িতং নিমিষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতং।
শূন্যায়িতং জগৎ সর্ব্বং গোবিন্দবিরহেণ মে॥
ব্যাখ্যা -
গোবিন্দবিরহে আমার মুহূর্ত্তকাল যুগযুগান্তরের ন্যায় বোধ হয় ; নয়ন দিয়া বর্ষাতলের ধারার ন্যায় অশ্রু পড়িতে থাকে ; এবং সমস্ত জগৎ শূন্য প্রতিভাত হয়।
---জগদীশ্বর গুপ্ত, চৈতন্যচরিতামৃত॥
এই শ্লোকটি, পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, রূপ গোস্বামী সংগৃহীত প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”-র, ৩০৭ পৃষ্ঠায় রচয়িতার নামের স্থানে “শ্রীশ্রীভগবতঃ” অর্থাৎ শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বলে দেওয়া রয়েছে।
যুগায়িতং নিমেষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতং।
শূন্যায়িতং জগৎ সর্ব্বং গোবিন্দবিরহেণ মে॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ -
গোবিন্দবিরহে আমার নিমেষকাল যুগের ন্যায় হইতেছে, চক্ষুদ্বারা বর্ষার ন্যায় হইতেছে এবং সমুদায় জগৎ শূন্য হইতেছে। এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর স্বকৃত শিক্ষাষ্টকের অন্তর্গত॥
---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী, পৃষ্ঠা-৩০৮॥
*************************************
আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মা-
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন। পৃষ্ঠা-৩০৫। রামনারায়ণ বিদ্যারত্নের অনুবাদ সহ রূপ গোস্বামী সংগৃহীত শ্লোকসম্বলিত গ্রন্থ “পদ্যাবলী”, পৃষ্ঠা-৩১৯।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১য় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যমহাপ্রভুর স্বকৃত শিক্ষাষ্টকের অন্তর্গত।
আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মা-
মদক্শনাম্মর্ম্মহতাং করোতু বা।
যথা তথা বা বিদধাতু লম্পটো
মত্প্রাণনাথস্তু স এব নাপরঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ - আমি চরণানুরাগিণী, লম্পট আমাকে আলিঙ্গন করিয়া পেষণ করুণ, অথবা অদর্শনে মর্ম্মস্থানে পীড়াযুক্তই করুন, তাঁহার যাহা ইচ্ছা তাহাই করুন, কিন্তু তিনি আমার প্রাণনাথ, অপর কেহ নহেন। ---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
কবি শ্রীন্মহাপ্রভু
কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত, অন্ত্যলীলা, বিংশতিতম পরিচ্ছেদ, শিক্ষা শ্লোকার্থাস্বাদন। পৃষ্ঠা-৩০৫। রামনারায়ণ বিদ্যারত্নের অনুবাদ সহ রূপ গোস্বামী সংগৃহীত শ্লোকসম্বলিত গ্রন্থ “পদ্যাবলী”, পৃষ্ঠা-৩১৯।
ইসকন-এর (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) এর জার্মান ওয়েবসাইটে (http://www.harekrsna.de/home.htm) শ্রীশিক্ষষ্টকম্ এর পাতায় এই শ্লোকটি মহাপ্রভুর রচনা বলে জানানো হয়েছে।
১৯৮৫ এর পরে প্রকাশিত যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) রচিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে”, শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পরিচ্ছেদ, ৩২১য় লেখক জানিয়েছেন যে শিক্ষাষ্টকমের শ্লোকগুলির রচয়িতা স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেও “অনেকে বলেন শিক্ষাষ্টকের ৫টি শ্লোক মাত্র মহাপ্রভুর রচনা।”
এই শ্লোক ভগবান্ শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যমহাপ্রভুর স্বকৃত শিক্ষাষ্টকের অন্তর্গত।
আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মা-
মদক্শনাম্মর্ম্মহতাং করোতু বা।
যথা তথা বা বিদধাতু লম্পটো
মত্প্রাণনাথস্তু স এব নাপরঃ॥
শ্রীশ্রীভগবতঃ॥
অনুবাদ - আমি চরণানুরাগিণী, লম্পট আমাকে আলিঙ্গন করিয়া পেষণ করুণ, অথবা অদর্শনে মর্ম্মস্থানে পীড়াযুক্তই করুন, তাঁহার যাহা ইচ্ছা তাহাই করুন, কিন্তু তিনি আমার প্রাণনাথ, অপর কেহ নহেন। ---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন, পদ্যাবলী॥
*************************************
