কবি দিব্যসিংহ - চৈতন্য পরবর্তী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি গোদিন্দ দাস কবিরাজের পুত্র ছিলেন।
দিব্যসিংহের পুত্র ঘনশ্যাম কবিরাজ, পদকর্তা হিসেবে তাঁর থেকে অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

তিনিও, সংখ্যায় অল্প কিছু পদ রচনা করে গিয়েছেন কিন্তু তা তাঁর পিতার পদাবলীর ন্যায় জনপ্রিয়তা এবং
প্রসিদ্ধি লাভ করে নি।

সতীশচন্দ্র রায়, ১৯২৭ সালে প্রকাশিত, বৈষ্ণবদাস সংকলিত এবং তাঁর সম্পাদিত পদকল্পতরু
সংকলনের ৫ম খণ্ডের ভূমিকায় লিখেছেন . . .

দিব্যসিংহও পদ রচনা করে গিয়েছেন ; কিন্ত বোধ হয়, উহার সংখ্যা খুব কম ও উহা সাধারণের নিকট
তেমন প্রসিদ্ধি লাভ করে নাই। সে জন্যই পদামৃত সমুদ্র, পদকল্পতরু প্রভৃতি সংগ্রহে দিব্যসিংহের কোন পদ
উদ্ধৃত হয় নাই। বোধ হয়, পুত্রান্তে ফল --- এই প্রাচীন প্রবাদ-বাক্য অনুসারে মহাকবি গোবিন্দ
কবিরাজেরকবিত্ব-শক্তির প্রকৃত উত্তরাধিকার তাঁহার বর্ষীয়ান পুত্র দিব্যসিংহ কে না বর্ত্তিয়া, তাঁহার নবযুবক
পৌত্র ঘনশ্যাম কবিরাজেই যথেষ্ট পরিমাণে বর্ত্তিয়াছিল ; তাই তিনি মহাপ্রভুর পরবর্ত্তী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি
গোবিন্দ কবিরাজের অপেক্ষা কবিত্ব বিষয়ে অনেক হীন হইলেও, অদ্বিতীয় পিতামহের যোগ্য পৌত্র (ঘনশ্যাম
কবিরাজ) বলিয়াই পদকর্ত্তৃ-সমাজে গণ্য হইতে পারিয়াছেন।


দীনবন্ধু দাস সংকলিত সংকীর্তামৃত গ্রন্থে কবি দিব্যসিংহের ভণিতাযুক্ত পদ পাওয়া গিয়েছে। আমরা
দিব্যসিংহ ভণিতাযুক্ত দ্বিতীয় পদটি পেয়েছি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব
পদাবলী গ্রন্থে।

আমরা প্রতিটি পদে, সেই পদেটির উত্স-গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছি। একাধিক ক্ষেত্রে একাধিক রূপে পাওয়া
একই পদ একত্রে তুলে দিয়েছি  তুলনার জন্য।  সংস্কৃত ভাষার  পদগুলির বাংলায় অনুবাদ বা ব্যাখ্যা হাতে
পেলেই তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

আমরা
মিলনসাগরে  কবি দিব্যসিংহের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি দিব্যসিংহের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১২.৪.২০১৭                                                        
...
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?       
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .