| কবি অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের বৈষ্ণব পদাবলী |
| নির্বান্ধব হৈল পুরী রাখতে নারিলাম হরি কবি ঘনশ্যাম দাস ১৯১৬ সালে হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলি সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা” গ্রন্থ, পৃষ্ঠা ৪৩৩। ॥ ধানশী॥ নির্বান্ধব হৈল পুরী রাখতে নারিলাম হরি কত না ভাবিব মনে দুঃখ। যাইতে যমুনার জলে কদম্ব তরুয়া তলে আর না হেরিব চাঁদ মুখ॥ সবে ছিলাম আনন্দেতে কে বজর পাড়িল মাথে কাল ইয়্যা আইল অকুর। অক্রূর চাপাঞা রথে হরে নিল মথুরাতে আঁধার করিয়া ব্রজপুর॥ এক কথা মনে ছিল কহিতে সে না পারিল সে শেল রহল মোর বুকে। কহে ঘনশ্যাম দাস হইবে কংসের নাশ পরিণামে ঘুযিবেক লোকে॥ . ******************* অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পার কর নবীন কাণ্ডারি কবি দ্বিজ ঘনশ্যাম ১৮৭০ সাল নাগাদ, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত, “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, পৃষ্ঠা ৮৮। নৌকা বিহার। নৌকা খণ্ড॥ পার কর নবীন কাণ্ডারি। তরঙ্গে পড়েছে লা, ভয়েতে হেলিছে গা, সকলে ডুবিয়ে পাছে মরি॥ একে তুমি নবীন নাইয়া, বহিতে না জান খেয়া, তাহে আবার ভাঙ্গা তোমার তরী। যমুনার ঢেউ বড়, তুমি তাহে নহ দড়, তরীতে ভরিল দেখ বারি॥ ডুবাইছ ডুবাওনা কেনে, কলঙ্ক হবে তুয়া নামে, কেমনে যাইবে ব্রজপুরী। ডুবে মরি নাহি দায়, নামের ভরম যায়, কে বলিবে দয়াময় হরি॥ আমরা আহির মেয়ে, তুমিত রসিক নেয়ে, রঙ্গ ভঙ্গ কি কর চাতুরী। এখন ডুবাও কেনে, কক্ষা করি গোপীগণে, ইন্দ্র ভয়ে রাখি গিরি ধরি॥ কহে দ্বিজ ঘনশ্যামে, পার কর গোপীগণে, তুয়া নামে ভবনদী তরি। ভবনদী পারাবার, তাহে তুমি কর্ণধার, তবে কেনে ডুবাও ব্রজনারী॥ . ******************* অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পেখলু গৌরচন্দ্র অনুপাম কবি ঘনশ্যাম দাস দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, পৃষ্ঠা ১০০। এই পদটি কোন ঘনশ্যামের, গ্রন্থে তার নির্দেশ নেই তাই এই পদটি মিলনসাগরের উভয় বা অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের পাতায় রাখা হলো। পেখলু গৌরচন্দ্র অনুপাম। জাচত জাক মূল নাহি ত্রিভুবনে ঐছে রতন হরিনাম॥ ধ্রু॥ জো এক সিন্ধু সো বিন্দু না জাচই পরবশ জলদ সঞ্চার। মানস অবধি রহত কল্পতরু না অ পার॥ জছু চরিতামৃত শ্রুতিপথে সঞ্চরু হৃদয় সরোবর পূর। উমড়ই নয়নে অধম মরুভূমহি হোয়ত পুলক অঙ্কুর॥ নামহি জাকো তাপ সব মিটই তাহে কি চান্দ উপাম। কহ ঘনশ্যাম দাস নাহি হোয়ত কোটি কোটি একধাম॥ . ******************* অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পেখলুঁ শ্যামরু ধাম কবি ঘনশ্যাম দাস ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত “কীর্ত্তন-পদাবলী”, পৃষ্ঠা ৫। রূপানুরাগ। ॥ তাল - তেওট॥ পেখলুঁ শ্যামরু ধাম। কুঞ্জ সমীপে নীপ অবলম্বই, রহই ভিভঙ্গিম ঠাম। চরণ অবধি বনমালা বিরাজিত হেরইতে উনমত হই। হেরইতে উনমত হই। মধুকর ছলে কত, বরজ কমণী চিত, তঁহি রহি গতি মতি খোই। মূরলী আলাপি ঝাঁপি গগনবধি গাওত কতহুঁ সুতান। কহ ঘনশ্যাম দাস চিত ফুরত রোয়ত মদন মান। . ******************* অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |