| কবি দ্বিজ ঘনশ্যামের বৈষ্ণব পদাবলী |
| তরী বয়ে যায় কানাই যমুনার জলে কবি দ্বিজ ঘনশ্যাম ১৮৭০ সাল নাগাদ, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত, “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, পৃষ্ঠা ৮৯। ॥ ভাটিয়ারী॥ তরী বয়ে যায় কানাই যমুনার জলে। ললিতা বিশাখা তবে কহে কুতুহলে॥ যমুনার তরঙ্গে পুন ফেলিলা তরণী। কাতর হইয়া বলে রাই বিনোদিনী॥ ডুবাইছ ডুবাওনা কেনে ওহে রসিক নেয়ে। কেনবা আইলাম আমি আপনা খাইয়ে॥ তোমারে দিয়াছি ভার, কর বা না কর পার, দয়া নাহি অবলা বলিয়ে। যে লায়ে কাণ্ডারী তুমি, সে লায়ে কি মরি আমি কিছু নাহি জানে আহির মেয়ে॥ সকলি করিতে পার, মনে যাহা ইচ্ছা কর, পার কর বিকি যায় বয়ে। এই তোমার ছিল মনে, ডুবাইবে নিজ জনে, নারী মর দুকুল খোয়াইয়া। এত যমুনা নদী, তাহে ডুবে মরি যদি, ব্রজে যাবে কি বোল বলিয়ে॥ কানাই বলে চল রাই, আর ভয় কিছু নাই, যাই চল লা খানি বহিয়ে। দ্বিজ ঘনশ্যাম গায়, তরণী বহিয়া যায়, পার করে হরষিত হয়ে॥ . ******************* এই ঘনশ্যামের (দ্বিজ ঘনশ্যাম) সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পার কর নবীন কাণ্ডারি কবি দ্বিজ ঘনশ্যাম ১৮৭০ সাল নাগাদ, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত, “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, পৃষ্ঠা ৮৮। পার কর নবীন কাণ্ডারি। তরঙ্গে পড়েছে লা, ভয়েতে হেলিছে গা, সকলে ডুবিয়ে পাছে মরি॥ একে তুমি নবীন নাইয়া, বহিতে না জান খেয়া, তাহে আবার ভাঙ্গা তোমার তরী। যমুনার ঢেউ বড়, তুমি তাহে নহ দড়, তরীতে ভরিল দেখ বারি॥ ডুবাইছ ডুবাওনা কেনে, কলঙ্ক হবে তুয়া নামে, কেমনে যাইবে ব্রজপুরী। ডুবে মরি নাহি দায়, নামের ভরম যায়, কে বলিবে দয়াময় হরি॥ আমরা আহির মেয়ে, তুমিত রসিক নেয়ে, রঙ্গ ভঙ্গ কি কর চাতুরী। এখন ডুবাও কেনে, কক্ষা করি গোপীগণে, ইন্দ্র ভয়ে রাখি গিরি ধরি॥ কহে দ্বিজ ঘনশ্যামে, পার কর গোপীগণে, তুয়া নামে ভবনদী তরি। ভবনদী পারাবার, তাহে তুমি কর্ণধার, তবে কেনে ডুবাও ব্রজনারী॥ . ******************* এই ঘনশ্যামের (দ্বিজ ঘনশ্যাম) সূচীতে . . . ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . . ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . . অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . . সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . . মিলনসাগর |