কবি ঘনশ্যাম কবিরাজের বৈষ্ণব পদাবলী
*
সহজহি মন্থর গতি জিতি কুঞ্জর
কবি ঘনশ্যামর দাস
১৯২৬ সালে প্রতাশিত সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, পৃষ্ঠা
৬০। কবিতাটি তাঁরা পেয়েছিলেন কমলাকান্ত দাস সঙ্কলিত পদরত্নাকর পুথি থেকে।

[ শ্রীরাধার অভিসার ]
সখীর উক্তি :---

॥ কেদার॥

সহজহি মন্থর                                   গতি জিতি কুঞ্জর
আর তাহে ঘন-অন্ধিয়ার।
প্রতিপদ নিরখি                                নিরখি তহি হোয়ব
চলইতে চরণ-সঞ্চার॥
সুন্দরি সমুচিত রচহ শিঙ্গার।
কানু-সম্ভাষণে                                    শুভ-খণ মানিয়ে
পহিল রজনি-অভিসার॥ ধ্রু॥
নীল-রতনগণ-                                      নিরমিত ভূষণ
পহিরহ নীলিম বাস।
মৃগমদে ভরু কুচ-                              কনয়-কলস যাহাঁ
শ্যামর-হৃদয়-উলাস॥
গুপত বেকত কর                                  কিঙ্কিণি নূপুর
এ দুহুঁ রহু মঝু পাশ।
কেলি-নিকুঞ্জ                                    নিকটে পহিরায়ব
কহ ঘনশ্যামর দাস॥


ই পদটি, এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রতাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলন,
পৃষ্ঠা ৭৮৯-এ এইভাবে রয়েছে। এই পদটি ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদ বলে এই গ্রন্থে উল্লেখ করা রয়েছে।

শ্রীরাধার অভিসার

॥ কেদার॥

সহজহি মন্থর                                     গতি জিতি কুঞ্জর
আর তাহে ঘন আঁধিয়ার।
প্রতিপদ নিরখি                                নিরখি তহি হোওব
চলইতে চরণসঞ্চার॥
সুন্দরি সমুচিত করহ শিঙ্গার।
কানু-সম্ভাষণে                                      শুভখণ মানিয়ে
পহিল রজনি-অভিসার॥ ধ্রু॥
নীলরতনগণ                                         বিরচিত ভূষণ
পহিরহ নীলিম বাস।
ঘন মৃগমদে ভরু                                  কনয় কলস কুচ
যাহে শ্যাম অধিক উল্লাস॥
গুপত বেকত কর                                    কিঙ্কিণী নূপুর
এ দুহু রহু মঝু পাশ।
কেলিনিকুঞ্জ                                     নিকটে পহিরাওব
কহ ঘনশ্যামর দাস॥

.          *******************          

এই ঘনশ্যাম ( ঘনশ্যাম কবিরাজের ) সূচীতে . . .   
ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . .    
দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সুচির-বিরহ-জর খীণ কলেবর
কবি ঘনশ্যামর দাস
১৯৪৬ সালে প্রতাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলন, পৃষ্ঠা ৮০১-এ এভাবে
দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদ বলে এই গ্রন্থে উল্লেখ করা রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের প্রতি দূতী

॥ বরাড়ী॥

সুচির বিরহজর                                 খীণ কলেবর
বিগলিত ভূষণ বেশ।
আছয়ে তোহারি                            পরশ রস লালসে
কেবল জীবন শেষ॥
মাধব শুনইতে তহারি সংবাদ।
শিশিরে লতা জনু                            বিনা অবলম্বনে
উঠইতে করু কত সাধ॥ ধ্রু॥
তোহারি রচিত ফুল                          হার নিরখি ধনী
পহিরলি শির পরলাই।
তুয়া পরিরম্ভণ                              অনুভবি তৈখন
পহিরলি হৃদয় বুলাই॥
উয়ল মনোজ-                             ভরমে অভিসারই
বাঢ়ল অধিক তিয়াস।
চলইতে খলই                             কৈছে পুন আওব
ভণ ঘনশ্যামর দাস॥


ই পদটিই, আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৯শ পল্লব, দূতী-
সংবাদ, পদসংখ্যা ১৬৯৪-এ এভাবে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

সুচির-বিরহ-জর খীণ কলেবর
বিগলিত ভূষণ বেশ।
আছয়ে তোহারি পরশ-রস-লালসে
কেবল জীবন-শেষ॥
মাধব শুনইতে তহারি সম্বাদ।
শিশিরে লতা হেন বিনি অবলম্বনে
উঠইতে করু কত সাধ॥ ধ্রু॥
তোহারি রচিত ফুল-হার নিরখি ধনি
পহিরলি শির পর লাই।
তুয়া পরিরম্ভণ অনুভবি মন মাহা
পহিরলি হৃদয় লাগাই॥
উয়ল মনোজ ভরমে অভিসারই
বাঢ়ল অধিক তিয়াস।
চলইতে খলই কৈছে পুন আওব
ভণ ঘনশ্যামর দাস॥

টীকা বা ব্যাখ্যা -
৮ - ১১। “তোহারি” ইত্যাদি। (দৃতীর হস্তে প্রেরিত) তোমার রচিত পুষ্পহার (সস্পৃহ নয়নে) নিরীক্ষণ করিয়া
(উহা তোমার প্রসাদ বলিয়া) মাথার উপর লইয়া পরিধান করিল ; (উহার স্পর্শে) মনের মধ্যে তোমার
আলিঙ্গন অনুভব করিয়া, উহাকে (হস্ত দ্বারা চাপিয়া) বক্ষে (উত্তমরূপে) লাগাইয়া পরিধান করিল!
১২ - ১৫। “উয়ল” ইত্যাদি। (কিন্তু পরক্ষণেই উহা যে পুষ্প-হার মাত্র, তাহা স্মরণ হওয়ায়) কন্দর্প উদিত
হইল অর্থাৎ কন্দর্প-পীড়া উপস্থিত হইল ; ( তখন ) শ্রীরাধা ভ্রম-বশতঃ ( তোমার নিকট ) অভিসারে প্রবৃত্ত
হইল ; (কিন্তু) সে (বিরহৃজনিত দুর্ব্বলতা হেতু) চলিতে স্খলিত হয়,--- ঘনশ্যাম দাস বলিতেছে--- কি প্রকারে
(এত দূরে) আসিবে?
---সতীশচন্দ্র রায়, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু॥

.          *******************          

এই ঘনশ্যাম ( ঘনশ্যাম কবিরাজের ) সূচীতে . . .   
ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . .    
দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হিয়ে বিরহানল জ্বলত নিরন্তর
কবি ঘনশ্যামর
১৯২৬ সালে প্রতাশিত সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, পৃষ্ঠা
৬৪। কবিতাটি তাঁরা পেয়েছিলেন কমলাকান্ত দাস সঙ্কলিত পদরত্নাকর ও সাহিত্য পরিষদের ২০১ পুথি
থেকে।

শ্রীরাধার প্রতি দূতীর উক্তি :---

॥ সুহই॥

হিয়ে বিরহানল জ্বলত নিরন্তর
লখই না পারই রোই।
জনু বড়বানল জলনিধি-অন্তর
বাহিরে বেকত ন হোই॥
সজনী কো কহু কানু সতন্ত্র।
তুয়া গুণ-গান গুপত অবলম্বন
সোই সতত জপ মন্ত্র॥ ধ্রু॥
তুহারি সম্বাদ শুনল যব তৈখনে
ধৈরজ ভেল উদাস।
দী নিশাস নয়ন-জল ছল ছল
গদ গদ রোধল ভাষ॥
নখর-শিখরে মহি লেখি বুঝায়ল
কহইতে নহি আছু ঠাম।
মরমক বেদন মরমে সমাপই
সো ঘনশ্যামর-নাম॥


ই পদটিই, ১৯৪৬ সালে প্রতাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলন, পৃষ্ঠা
৭৯৮-তে এভাবে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদ বলে এই গ্রন্থে উল্লেখ করা রয়েছে


মথুরা প্রত্যাগতা দূতীবাক্য

॥ সুহই॥

হিয়ে বিরহানলে                                    জ্বলত নিরন্তর
লখই না পারই কোই।
জনু বড়বানল                                     জলনিধি অন্তরে
বাহিরে বেকত ন হোই॥
সুন্দরি কো কহু কানু সতন্ত্র।
তুয়া গুণ নাম                                     গুপত অবলম্বন
সোই সতত জপমন্ত্র॥ ধ্রু॥
তোঁহারি সম্বাদ                                শুনল যব মো সঞে
ধৈরয ভেল উদাস।
দীঘ নিশ্বাস                                       নয়নজল ছল ছল
গদগদ বোলত ভাষ॥
নখরশিখরে মহী                                    লেখি বুঝাওল
কহইতে নাহি যছু ঠাম।
মরমক বেদন                                      মরমে সমাপই
সো ঘনশ্যামর নাম॥

.          *******************          

এই ঘনশ্যাম ( ঘনশ্যাম কবিরাজের ) সূচীতে . . .   
ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . .    
দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সুন্দরি বেরি এক কর অবধান
কবি ঘনশ্যাম
আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল) ১ম খণ্ড, ২য় শাখা, ১৭শ পল্লব, দুর্জ্জয় মান,
পদসংখ্যা ৫২২। পদটি রয়েছে নিমানন্দ দাস সঙ্কলিত পদরসসার এবং কমলাকান্ত দাস
সঙ্কলিত পদরত্নাকর পুথিতেও।

॥ কামোদ॥

সুন্দরি বেরি এক কর অবধান।
ক্ষেম অপরাধ প্রেম-                                বাদ করবি যব
তব কৈছে ধরব পরাণ॥ ধ্রু॥
লিখি লহ কবজ                                   দাস করি সুন্দরি
জীবন যৌবনে বহু ভাগি।
তুয়া গুণ-রতন                                    শ্রবণে মণি-কুণ্ডল
এবে ভেল ত্রিভঙ্গ বৈরাগী॥
পীতাম্বর গলে                                       করি কর-যূগলে
মিনতি করিয়ে তুয়া আগে।
হাম ঐছে লাখ                                      লাখ শ্যাম লুঠত
তুয়া ধনি চরণ সোহাগে॥
মনসিজ করে ধেনু                                হেরি কাতর তনু
বিছুরলু ধন-জন-মায়া।
তছু ভয় লাগি                                     শরণ হাম লেয়লু
দেহ পদ-পঙ্কজ ছায়া॥
ঐছন মিনতি                                        কয়ল যব নাগর
ধনি-লোচন জল পূর।
হেরইতে বদন                                 রোদন করু দুহুঁ জন
অব ঘনশ্যাম মন পূর॥


মলাকান্থ দাস সংকলিত, পদ-রত্নাকর পুথিতে এই পদটির শেষ চারটি পংক্তি বদলে নরহরি দাসের
ভণিতাযুক্ত চারটি পংক্তি পাওয়া গিয়েছে এ ভাবে।

॥ কামোদ॥

সুন্দরি বেরি এক কর অবধান।
ক্ষেম অপরাধ প্রেম-                                বাদ করবি যব
তব কৈছে ধরব পরাণ॥ ধ্রু॥
লিখি লহ কবজ                                    দাস করি সুন্দরি
জীবন যৌবনে বহু ভাগি।
তুয়া গুণ-রতন                                     শ্রবণে মণি-কুণ্ডল
এবে ভেল ত্রিভঙ্গ বৈরাগী॥
পীতাম্বর গলে                                        করি কর-যূগলে
মিনতি করিয়ে তুয়া আগে।
হাম ঐছে লাখ                                      লাখ শ্যাম লুঠত
তুয়া ধনি চরণ সোহাগে॥
মনসিজ করে ধেনু                                হেরি কাতর তনু
বিছুরলু ধন-জন-মায়া।
তছু ভয় লাগি                                    শরণ হাম লেয়লু
দেহ পদ-পঙ্কজ-ছায়া॥

তোহারি মুখের বাণী                                এ তিমির-যামিনী
দূরে গেল বৈধগধি রঙ্গ।
নরহরি দাস বলে                                  যদি বিধি অনুকুল
মিলাওব হিমকর সঙ্গ॥


ই পদটিই, ১৯৪৬ সালে প্রতাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলন, পৃষ্ঠা
৭৯৪-তে এভাবে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদ বলে এই গ্রন্থে উল্লেখ করা রয়েছে
। তাই আমরা এই পদটিকে এই অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের পাতায় এবং ঘনশ্যাম কবিরাজের পাতায় রেখেছি।

মানভঞ্জন

॥ কামোদ॥

সুন্দরি বেরি এক কর অবধান।
ক্ষেম অপরাধ প্রেম-                                বাদ করবি যব
তব কৈছে ধরব পরাণ॥ ধ্রু॥
লিখি লহ কবজ                                   দাস করি সুন্দরি
জীবন যৌবনে বহু ভাগি।
তুয়া গুণ-রতন                                    শ্রবণে মণিকুণ্ডল
এবে ভেল ত্রিভঙ্গ বৈরাগী॥
পীতাম্বর গলে                                        করি করযূগলে
মিনতি করিয়ে তুয়া আগে।
হাম ঐছে লাখ                                      লাখ যুগ লুঠই
তুয়া ধনি চরণ সোহাগে॥
মনসিজ করে ধেনু                               হেরি কাতর তনু
বিছুরলু ধনজন মায়া।
তছু ভয় লাগি                                     শরণ হাম লেয়লু
দেহ পদ-পঙ্কজ-ছায়া॥
ঐছন মিনতি                                      কয়ল যব নাগর
ধনি লোচন জল পুর।
হেরইতে বদন                                রোদন করু দুহুঁ জন
অব ঘনশ্যাম মন পূর॥

.      *******************          

অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . .   
ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . .    
দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
উতপত দেহ থেহ নাহি বান্ধই
কবি ঘনশ্যাম দাস
১৯৬১ সালে প্রতাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”,
ভূমিকা, ২৪-পৃষ্ঠা। পদটি তিনি পেয়েছিলেন ব্রজমণ্ডলের অদ্বিতীয় কীর্তনীয়া
শ্রীযুক্ত হরিদাস গায়েনজীর কাছে প্রাপ্ত, “রসবিলাসবল্লী নামের রাধাকুণ্ডের পুথি” থেকে।


উতপত দেহ, থেহ নাহি বান্ধই, অনুকুল, প্রতিকুল ভান।
সঘন নিশ্বাসে নিমিখ নাহি লোচনে, কি ভেল পাপ পরাণ॥
সজনি শুনইতে মানবি আন।
নিকলস চারু চিত্রপটে হট সঞে এর মূরতি অনুপাম॥
অভিনব শ্যাম জলদ নবকৈশোর মরকত জিনিয়া সুঠান।
বরিহা মিলিত ললিত নবমালতি ভালে চূড়া চিকণ বনান॥
মঝু মুখ হেরি ঢালি নয়নাঞ্জন হানল ভাণ্ডু সন্ধান।
তব্ ধরি উনমত হৃদয় থির নহ ভাল মন্দ একু না জান॥
অনল দহন ঘন, চাঁদ কিরণ যেন, হিমকর অনল সমান।
হেন বিপরিত রূপ হেরি ঐছন ঘনশ্যাম দাস পরমাণ॥

.         *******************          

অনির্দিষ্ট ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
ঘনশ্যাম কবিরাজের সূচীতে . . .   
ঘনশ্যাম নরহরি চক্রবর্তীর সূচীতে . . .    
দ্বিজ ঘনশ্যামের সূচীতে . . .    
সম্মিলিত ঘনশ্যামের সূচীতে . . .   


মিলনসাগর