কবি দ্বিজ ঘনশ্যাম - ছিলেন গোবিন্দদাস কবিরাজের পৌত্র। পিতা দিব্যসিংহ ও পদ রচনা করতেন কিন্তু তিনি তাঁর পিতার মতো প্রসিদ্ধি জনপ্রিয়তা লাভ করে নি। দিব্যসিংহের পদাবলীর পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন। ইনিও ঘনশ্যাম, ঘনশ্যামর ও ঘনশ্যাম দাস ভণিতাযুক্ত পদাবলী রচনা করে গিয়েছেন।
দুইজন ঘনশ্যাম! - ঘনশ্যাম ভণিতার আমরা দু-জন পদকর্তা পাই। প্রথমজন মহাকবি গোবিন্দ কবিরাজের পৌত্র ঘনশ্যাম কবিরাজ। তিনি তাঁর পিতামহের অনুকরণে অনেক সুন্দর সুন্দর ব্রজবুলির পদ লিখে গিয়েছেন। তাঁর রচিত “গোবিন্দরতিমঞ্জরী” গ্রন্থে তাঁর অনেকগুলি পদ রয়েছে। দ্বিতীয়জন অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগের বৈষ্ণব কবি ও ভক্তি-রত্নাকর, গৌর-চরিত-চিন্তামণি গ্রন্থের রচয়িতা এবং শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের সংকলক ও রচয়িতা, নরহরি চক্রবর্তী। তিনি “নরহরি” সহ “ঘনশ্যাম” ভণিতায়ও পদ কচনা করেছেন।
তৃতীয় ঘনশ্যাম ? দ্বিজ ঘনশ্যাম! পাতার উপরে . . . এযাবৎ বৈষ্ণব পদকর্তাদের জীবনীর গবেষকগণ কেবল মাত্র দুজন ঘনশ্যামের উল্লেখ করেছেন। তাঁদের সবারই এই নির্দেশ যে ঘনশ্যাম দুইজন। প্রথমজন মহাকবি গোবিন্দদাস কবিরাজের পৌত্র ঘনশ্যাম দাস কবিরাজ। দ্বিতীয়জন অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগের বৈষ্ণব কবি ও ভক্তি-রত্নাকর, গৌর-চরিত-চিন্তামণি গ্রন্থের রচয়িতা এবং শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের সংকলক ও রচয়িতা, নরহরি চক্রবর্তী। এঁরা দুজনই ঘনশ্যাম, ঘনশ্যাম দাস, ঘনশ্যামর দাস, ঘনশ্যামর দাস ভণিতাযুক্ত পদ রচনা করে গিয়েছেন।
আমরা, উনিশ শতকের মধ্যভাগে চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও সংকলিত, ১৯২২ সালে তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা প্রকাশিত শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু নামক গ্রন্থে চারটি “নৌকা বিহার, নৌকা খণ্ড”- এর পদ পেয়েছি। এই চারটি পদে “দ্বিজ ঘনশ্যাম” ভণিতা রয়েছে। দ্বিজ ঘনশ্যাম ভণিতার পদ আমরা এর পূর্বতন কোনো পদাবলী সংকলনেই পাইনি।
এই গ্রন্থের কোথাও “দ্বিজ ঘনশ্যাম” ভণিতাযুক্ত পদ নিয়ে কিছু বলা নেই। তার একটি কারণ হতে পারে যে, পদামৃতসিন্ধুর সংকলক চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এই গ্রন্থের প্রকাশনা নিজে করে যেতে পারেন নি। পদাবলী সংগ্রহ করতেই তাঁর জীবন কেটে যায়। তাঁর শেষসময় উপস্থিত হলে, তিনি এই দায়িত্ব তাঁর পুত্রদের উপর ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন। পুত্রদের মধ্যে কেবল রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর ঠিকানা ছিল ৫নং নয়নচাঁদ দত্তের ষ্ট্রীট্, কলিকাতা, তিনিও তাঁর কর্মক্ষম সময়ে তা সম্পাদন করতে পারেননি। পিতার মৃত্যুর পর প্রায় দীর্ঘ ৫০ বছর কেটে গেলে, তাঁর নিজের অবসরকালীন জীবনের শেষভাগে এসে ১৯২২সালে তিনি এই গ্রন্থ প্রকাশিত করেন। এই কাজটি ছিল তাঁর পক্ষে তাঁর পিতার, শেষ শয্যায় প্রকাশ করা, শেষ ইচ্ছা পূরণ বা শেষ আজ্ঞা পালন! তিনি এই গ্রন্থ নিজে পদাবলী সাহিত্যের সংগ্রাহক ও বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রকাশ করে যান নি। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে, এই গ্রন্থের প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, হিন্দুস্কুলের প্রধান শিক্ষক রায় রসময় মিত্র বাহাদুর এবং সুবিখ্যাত নাট্যকার জয়দেব প্রণেতা ভক্তকবি হরিপদ চট্টোপাধ্যায়, যাঁরা এই গ্রন্থের কেবল প্রুফ সংশোধন করে দিয়েছিলেন। পদাবলীর বিশ্লেষণ এবং পদকর্তার পরিচিতির দিকটি নিয়ে আমরা ঐ গ্রন্থে কারও কোনো লেখা দেখতে পাইনা।
তাই এমন হতেও পারে যে অষ্টাদশ শতকের শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর সংকলক বৈষ্ণবদাস ও তার পরবর্তিকালে, দ্বিজমাধব সংকলিত ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট শ্রীপদমেরুগ্রন্থ-এর পরবর্তী কালে দ্বিজ ঘনশ্যাম নামে কোনো নতুন রচয়িতার আবির্ভাব হয়েছিল। অথবা এই “দ্বিজ ঘনশ্যামের” পদগুলির সম্বন্ধে অন্যান্য সংগ্রাহক ও সংকলকরা অবগত ছিলেন না। শ্রীশ্রীপদকল্পতরু খ্যাত বৈষ্ণবদাসের আগে-পরে বা সমকালীন গৌরসুন্দর দাস সংকলিত সংকীর্তানন্দ, পরবর্তী কালের কমলাকান্ত দাস সংকলিত পদরত্নাকর, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার, দীনবন্ধু দাস সংকলিত সংকীর্তনামৃত, প্রভৃতি গ্রন্থগুলি আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি বলে জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না যে এই গ্রন্থগুলিতে দ্বিজ ঘনশ্যাম পদকর্তার কোনো পদ আছে কি না। এই পাতায় আমাদের দেওয়া “উত্স” গ্রন্থগুলির, শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু ব্যতিত “দ্বিজ ঘনশ্যাম”-এর কোনো পদ নেই, ।
এই পদগুলি বাংলা ভাষায় রচিত এবং সেই বাংলা ভাষা, তুলনামূলকভাবে অন্য ঘনশ্যামের পদাবলীর থেকে আধুনিকতর রা অপ্রাচীন বলে আমাদের মনে হয়েছে। আমরা বিশেষজ্ঞ নই, তাই এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, একটি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছবার জন্য। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের ইমেল - srimilansengupta@yahoo.co.in
আমরা এখানে এই চারটি দ্বিজ ঘনশ্যামের পদ প্রকাশিত করছি।
ঘনশ্যাম কবিরাজের প্রশস্তিপাতার উপরে . . . এই ঘনশ্যামের সমসাময়িক ও পরবর্ত্তী পদকর্তারা তাঁদের পদাবলীর মধ্য দিয়ে তাঁর সম্বন্ধে যে প্রশংসাপূর্ণ উল্লেখ করেছিলেন তার কয়েকটি এখানে দেওয়া হল . . . ১। বৈষ্ণবদাস, পদকল্পতরু, পদসংখ্যা ১৮। কবি-নৃপ-বংশজ ভুবন-বিদিত-যশ . ঘনশ্যাম বলরাম। ঐছন দুহুঁজন নিরুপম গুণগণ . গৌর-প্রেমময়-ধাম॥
৪। কমলাকান্ত, পদরত্নাকর পুথি। শ্রীঘনশ্যাম দাস কবি-শশধর . গোবিন্দ-কবি-সম-ভাস। এ থেকেই বোঝা যায় যে এই সমস্ত পদকর্তাদের কাছে ঘনশ্যাম কবিরাজের পদাবলী কত সমাদর লাভ করেছিল।
দুর্গাদাস লাহিড়ীর উদ্ধৃতিপাতার উপরে . . . ১৯০৫ সালে দুর্দাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত ও সংকলিত বৈষ্ণব পদ লহরী সংকলনে তিনি ঘনশ্যাম দাস সম্বন্ধে লিখেছেন কিন্তু এই ঘনশ্যাম কবিরাজের কথা কিছু লেখেন নি। . . .
“ইনি একজন প্রসিদ্ধ পদ কর্ত্তা। পদাবলী ব্যতীত ইঁহার রচিত গ্রন্থও অনেক আছে তন্মধ্যে পদ্দতি প্রদীপ, গৌর চরিত চিন্তামণি, শ্রিনিবাস চরিত ও ভক্তি রত্নাকর প্রভৃতি গ্রন্থ বিশেষ উল্লেখ যোগ্য। পদাবলীতে ইঁহার সঙ্গীত-শাস্ত্রজ্ঞতার পরিচয় পাওয়া যায়। তবে ইঁহার পদাবলির অনেক স্থল সেরূপ সরল ও সহজ বোধগম্য নহে। ইঁহার অপর নাম নরহরি সুতরাং ইঁহাকে দ্বিতীয় নরহরি বলিয়া গণ্য করিতে হইবে। ইঁহার নিবাস কাটোয়ার সন্নিকট। পিতার নাম জগন্নাথ চক্রবর্তী।”
“এই ঘনশ্যাম কবিরাজ কোন শকে জন্মগ্রহণ করেন, তাহা নিশ্চিত জানা যায় নাই ; তবে গোবিন্দ কবিরাজের জীবন-বৃত্তান্ত প্রসঙ্গে দেখা গিয়াছে যে, তিনি প্রায় ৪০ বত্সর বয়সের সময় প্রথম পদ রচনা আরম্ভ করেন। এবং সে সময় তাঁহার পুত্র দিব্যসিংহও প্রাপ্তবয়স্ক হইয়াছিলেন। গোবিন্দ কবিরাজ ইহার পরেও ৩৬ বত্সর জীবিত থাকিয়া বহুসংখ্যক পদ রচনা করিয়া ১৫৩৫ শকে অর্থাৎ ১৬১৩ খৃষ্টাব্দে পরলোকে গমন করেন। সুতরাং তাঁহার মৃত্যুকালে তাঁহার পৌত্র ঘনশ্যাম কবিরাজ অন্ততঃ ২৫ বত্সর বয়স্ক হইয়াছিলেন। এবং সে জন্য পিতামহের নিকট হইতেও পদ-রচনা বিষয়ে অনেক শিক্ষালাভ করার সৌভাগ্য তাঁহার ঘটিয়াছিল এরূপ অনুমান করিলে বোধ হয়, উহা অসঙ্গত হইবে না। দিব্যসিংহও পদ রচনা করে গিয়েছেন ; কিন্ত বোধ হয়, উহার সংখ্যা খুব কম ও উহা সাধারণের নিকট তেমন প্রসিদ্ধি লাভ করে নাই। সে জন্যই পদামৃত সমুদ্র, পদকল্পতরু প্রভৃতি সংগ্রহে দিব্যসিংহের কোন পদ উদ্ধৃত হয় নাই। বোধ হয়, পুত্রান্তে ফল --- এই প্রাচীন প্রবাদ-বাক্য অনুসারে মহাকবি গোবিন্দ কবিরাজের কবিত্ব-শক্তির প্রকৃত উত্তরাধিকার তাঁহার বর্ষীয়ান পুত্র দিব্যসিংহ কে না বর্ত্তিয়া, তাঁহার নবযুবক পৌত্র ঘনশ্যাম কবিরাজেই যথেষ্ট পরিমাণে বর্ত্তিয়াছিল ; তাই তিনি মহাপ্রভুর পরবর্ত্তী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি গোবিন্দ কবিরাজের অপেক্ষা কবিত্ব বিষয়ে অনেক হীন হইলেও, অদ্বিতীয় পিতামহের যোগ্য পৌত্র (ঘনশ্যাম কবিরাজ) বলিয়াই পদকর্ত্তৃ-সমাজে গণ্য হইতে পারিয়াছেন। . . .
“. . . পদকল্পতরুর উদ্দৃত ৪২টি পদের অতিরিক্ত ঘনশ্যাম কবিরাজের আরও ১৮টি সুন্দর ব্রজবুলীর পদ ‘পদ- রত্নাকর’, ‘পদ-রস-সার’ প্রভৃতি পুথি হইতে সংগৃগিত হইয়া ‘অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলী’ গ্রন্থে সন্নিবেশিত হইয়াছে। ঘনশ্যাম দাসের অনেক সুন্দর সুন্দর পদ ব্রজ-বুলীর পদ যে অনাদরে লুপ্ত হইয়া গিয়াছে, এরীপ মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। যেখানে ভাবের গূঢ়তার জন্য গোবিন্দ কবিরাজের অপূর্ব্ব পদাবলীরও সমুচিত সমাদর ঘটে নাই, সেখানে যে ঘনশ্যামের কিঞ্চিৎ দুর্বোধ্য ব্রজ-বুলীর পদাবলীরও অনুচিত অনাদর ঘটিবে, তাহাতে বিস্মিত হওয়ার কারণ নাই। আমরা আশা করি যে, অতঃপর সুশিক্ষিত পাঠক-সমাজে গোবিন্দ কবিরাজের পদাবলীর সহিত কিয়ত্পরিমাণে সম-ভাবাপন্ন ঘনশ্যামের পদাবলীরও যথাযোগ্য আলোচনা হইতে থাকিবে। আমাদিগের শিক্ষিত যুবকগণ খোঁজ করিলে বোধ হয়, ঘনশ্যাম কবিরাজের বহু লুপ্তপ্রায় পদের এখনও সন্ধান মিলিতে পারে। ঘনশ্যাম কবিরাজ ‘গোবিন্দ-রতিমঞ্জরী’ নামক একখানা পুথি রচনা করিয়া গিয়াছেন বলিয়া বৈষ্ণব-সমাজে প্রসিদ্ধি আছে। তাঁহার ঐ পুথিখানার একটা প্রামাণিক সংস্করণ প্রকাশিত হওয়া একান্ত বাঞ্ছনীয়।”
এই উপরোক্ত ‘গোবিন্দ-রতিমঞ্জরী’ নামক পুথিটি আমাদরেও হাতে আসে নি এবং আমরা জানিনা যে তার কোনো মুদ্রিত সংস্করণ বেরিয়েছে কি না। যদি তা আমরা হাতে পাই তা হলে এখানে ঘনশ্যাম কবিরাজের আরও পদাবলী তোলা সম্ভব হবে।
কোন ঘনশ্যামের কোন পদ ?পাতার উপরে . . . কোন ঘনশ্যামের কোন পদ, এটা বলে দেবার মত বিশেষজ্ঞ আমরা নই। পূর্বের বিশেষজ্ঞগণের মতানুযায়ী আমরা ঘনশ্যামের পদাবলীর চারটে তালিকা করেছি। যে কোনো ঘনশ্যামের পাতা থেকেই পাঠক যে কোনো কবিতার পাতায় যেতে পারবেন।
১। প্রথম তালিকায় থাকছে ঘনশ্যাম কবিরাজের পদ। পদকল্পতরু ও অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলীর সতীশচন্দ্র রায় ও গৌরপদ তরঙ্গিণীর জগবন্ধু ভদ্রর, চয়ন করা ঘনশ্যাম কবিরাজের পদ। এছাড়া রয়েছে সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলী” গ্রন্থে সংকলিত “ঘনশ্যাম দাস” ভণিতার পদ। যদিও সেই গ্রন্থে, “ঘনশ্যাম দাস” ভণিতার পদগুলি কোন ঘনশ্যামের তা সতীশচন্দ্র রায় স্পষ্ট করে লিখে যান নি। কিন্তু পদকল্পতরু গ্রন্থের ৫ম খণ্ডের ভূমিকায় অপ্রকাশিত পদ- রত্নাবলী গ্রন্থের ঘনশ্যামের পদাবলী নিয়ে তিনি যা লিখেছেন তা থেকে স্পষ্ট যে তিনি মনে করতেন যে অপ্রকাশিত পদরত্নাবলির ঘনশ্যাম দাসের পদগুলিও ঘনশ্যাম কবিরাজেরই রচনা। তাই সেই পদগুলিও আমরা এই ঘনশ্যামের পাতায় তুলে দিচ্ছি, সেই পদের উত্স-গ্রন্থের উল্লেখ সহ। হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলনের ঘনশ্যাম ভণিতাযুক্ত কেবল একটি মাত্র পদ নরহরি চক্রবর্তীর পদ বলে উল্লেখ করা রয়েছে। অন্য ৫৯টি পদ ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদ বলে উল্লেখ করা রয়েছে। তাই সেই পদগুলি আমরা উভয় ঘনশ্যামের পাতায় তুলে দিচ্ছি, সেই পদের উত্স-গ্রন্থের উল্লখ সহ। এ ছাড়া অন্যান্য গ্রন্থে পাওয়া ঘনশ্যাম দাস কবিরাজের পদও থাকছে সংগ্রাহক-সংকলকের নির্দেশানুসারে।
২। দ্বিতীয় তালিকায় থাকছে ঘনশ্যাম চক্রবর্তী বা নরহরির “ঘনশ্যাম” ভণিতার। নরহরি ঘনশ্যাম চক্রবর্তীর সংকলিত ও বিরোচিত গীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের ঘনশ্যামের পদাবলী থাকছে এই পাতায়। এ ছাড়া অন্যান্য গ্রন্থে পাওয়া ঘনশ্যাম চক্রবর্তীর পদও থাকছে সংগ্রাহক-সংকলকের নির্দেশানুসারে।
৩। তৃতীয় তালিকায় থাকছে অনির্দিষ্ট ঘনশ্যাম ভণিতার পদাবলী। যে পদগুলি সম্বন্ধে আমরা নিশ্চিত নই যে তা ঘনশ্যাম কবিরাজ না ঘনশ্যাম চক্রবর্তীর পদ, সেই পদগুলি এই পাতায় থাকছে।
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো। আমাদের ঠিকানা - srimilansengupta@yahoo.co.in