| গোকুলচন্দ্র ভণিতার কবির বৈষ্ণব পদাবলী |
| উঠ উঠ মোর নন্দের নন্দন ভণিতা গোকুলচন্দ্র কবি গোকুলানন্দ ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের নিদ্রাভঙ্গ উঠ উঠ মোর নন্দের নন্দন প্রভাত হইল রাতি। অঙ্গনে দাঁড়াঞা রয়েছে সকল বালক তোমার সাথী॥ মুখের উপরে মুখানি দিয়া ডাকরে যশোদা রাণী। কত সুখ পাঞা ঘুমাইছ শুঞা আমি কিছু নাহি জানি॥ নয়ন মেলিয়া দেখহ চাহিয়া উদয় হইল ভানু। শ্রীদাম সুদাম ডাকয়ে সঘন উঠ ভায়্যা ওহে কানু॥ অঙ্গ মোড়া দিয়া উঠিল সত্বরে সুন্দর যাদব রায়। মুখ প্রক্ষালিতে গোকুলচন্দ্রহি জলঝারি লঞা ধায়॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ধরিয়া মায়ের কর নাচে ভাল নটবর ভণিতা গোকুলচন্দ্র কবি গোকুানন্দ ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। কৃষ্ণের বাল্যলীলা ॥ যথারাগ॥ ধরিয়া মায়ের কর নাচে ভাল নটবর দধিদুগ্ধ সর ননী লোভে। শ্যামসুন্দর তনু লাগিয়াছে তাহে রেণু জলবিন্দু মেঘে যেন শোভে॥ হরি-মুখ চাহি রাণী আনন্দে কহয়ে বাণী নাচে ভাল মোর যাদুমণি। হের আইস নন্দরায় আনন্দ বহিয়া যায় দেখ নিজ সুতের নাচনি॥ শশী জিতি ওই মুখ দেখিঞা সভার মুখ আর নাচ বলে বারবার। হেন কালে নন্দ আসি চুম্ব খায় রাশি রাশি সুখ পাইয়া পরম অপার॥ গোপ গোপী চারিভিতে আনন্দ পাইয়া চিতে দেখে নৃত্য সভে যাদুয়ার। গোকুলচন্দ্রের বাণী শুনো ওগো নন্দরাণি নাচে কানু প্রাণ সভাকার॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |