কবি গৌরাঙ্গ দাস- এই কবির মাত্র দুটি বৃন্দাবন লীলার পদ পাওয়া গিয়েছে সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” নামের বৈষ্ণব পদাবলী সংকলনে।
১৫২৯ শকাব্দে (১৬০৭খৃষ্টাব্দ) শ্রীনিবাস আচার্যের কন্যা হেমলতা ঠাকুরাণীর শিষ্য যদুনন্দন দাস রচিত কর্ণানন্দ গ্রন্থের প্রথম নির্যাস, “শ্রীআচার্য্যপ্রভুর শাখা বর্ণন”-এ শ্রীনিবাস আচার্যের এক শিষ্য গৌরাঙ্গ দাসের বর্ণনা পাওয়া যায়। তিনি এই কবি হতে পারেন।
তার পর কৃপা কৈলা গৌরাঙ্গ দাসেরে। তাহার অনন্ত গুণ কে বর্ণিতে পারে॥ সদা হরিনাম লয় ভাবাবিষ্ট মনে। নিজ প্রভুর পাদপদ্ম সদা চিন্তে মনে॥ সদা হরিনাম যিঁহো করেন গ্রহণ। রাধাকৃষ্ণ লীলা তার সদাই স্মরণ॥ রূপ সনাতন বলি সঘন ফুত্কার। ভট্ট গোসাঞি বলিতেঁই বহে অশ্রুধার॥ গৌরাঙ্গ বলিতে যিঁহো ভাবাবিষ্ট মন। নিজ প্রভুর পাদপদ্ম ভাবে তত ক্ষণ॥ ---রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন সম্পাদিত শ্রীযদুনন্দন দাসের কর্ণানন্দ, ১ম নির্যাস, ২২-পৃষ্ঠা॥
আমরা মিলনসাগরে কবি গৌরাঙ্গ দাসের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো। আমাদের ঠিকানা - srimilansengupta@yahoo.co.in
বিভিন্ন রূপে গৌর ভণিতার কবিদের পাতার লিঙ্ক - পাতার উপরে . . . মিলনসাগরে প্রকাশিত "গৌর" সম্বলিত বিভিন্ন ভণিতায় ক্লিক করলেই সেই পাতায় চলে যেতে পারবেন।