সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি    
বিভিন্ন রূপে গৌর ভণিতা    
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
গৌরী দাস
চৈতন্য সমসাময়িক কবি
পঞ্চদশ শতকের শেষার্ধ থেকে ষোড়শ শতকের প্রমার্ধ।
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
গৌরীদাস
গৌরীদাস - আমরা চৈতন্য সমসাময়িক দুজন গৌরীদাস পাই। প্রথমজন গৌরীদাস পণ্ডিত এবং দ্বিতীয়জন
গৌরীদাস কীর্তনীয়া। দ্বিতীয় গৌরীদাস কীর্তনীয়াকেই “গৌরীদাস” ভণিতার পদকর্তা হিসেবে ধরা হয়।

গৌরীদাস পণ্ডিত ছিলেন অম্বিকা-কালনা নিবাসী মুখটী বংশীয় কংসারি মিশ্রের পুত্র এবং সূর্য্যদাস পণ্ডিতের
ছোট ভাই। তাঁর সম্বন্ধে দৈবকীনন্দনের বৈষ্ণব বন্দনায় আছে . . .

গৌরীদাস পণ্ডিত বন্দোঁ প্রভুর আজ্ঞাকারী।
আচার্য্যগোসাঞিরে নিল উত্কলনগরী

---দৈবকীনন্দন, বৈষ্ণব বন্দনা (অতুলকৃষ্ণ দোস্বামী সম্পাদিত) ১৯১০, ২২-পৃষ্ঠা॥

দ্বিতীয় গৌরীদাস কীর্তনীয়া সম্বন্ধেও দৈবকীনন্দনের বৈষ্ণব-বন্দনায় উল্লেখ রয়েছে। তা নীচে  দেওয়া
সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতিতে দেওয়া রয়েছে।
আমরা মিলনসাগরে  কবি গৌরী দাসের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি গৌরী দাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।      


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১০.৪.২০১৮                                      
...
.
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে
আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান
তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো।
আমাদের ঠিকানা -
srimilansengupta@yahoo.co.in
বিভিন্ন রূপে গৌর ভণিতার কবিদের পাতার লিঙ্ক -                              পাতার উপরে . . .  
মিলনসাগরে প্রকাশিত "গৌর" সম্বলিত বিভিন্ন ভণিতায় ক্লিক করলেই সেই পাতায় চলে যেতে পারবেন।

গৌর দাস . . .     
গৌরচরণ . . .     
গৌরমোহন দাস . . .   
গৌরসুন্দর দাস . . .   
গৌরাঙ্গ দাস . . .     
গৌরী দাস . . .     
সুন্দর দাস . . .   
.
সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি -                                                                পাতার উপরে . . .   
বৈষ্ণবদাস সংকলিত ও বিরচিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর সম্পাদক সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের
৫ম খণ্ডের ভূমিকায় কবি গৌরীদাস সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

বাঙ্গালা বৈষ্ণব সাহিত্যে দুইজন গৌরীদাসের বিরবণ পাওয়া যায়। ইহাঁদিগের প্রথম জন পণ্ডিত গৌরীদাস
‘ঠাকুর পণ্ডিত’ নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন। ইনি অম্বিকা-কালনা নিবাসী মুখটী-বংশীয় কংসারি মিশ্রের পুত্র এবং
সূর্য্যদাস পণ্ডিতের কনিষ্ঠ ভ্রাতা। এই ভ্রাতৃ-দ্বয় শ্রীমহাপ্রভু ও শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর সম-সাময়িক এবং
তাঁহাদিগের পরম ভক্ত ছিলেন। গৌরীদাস পণ্ডিতের প্রেম-ভক্তিতে আকৃষ্ট হইয়া শ্রীমহাপ্রভু সন্ন্যাস
গ্রহণের এক বত্সর পূর্ব্বে একদা নিত্যানন্দ প্রভুকে সঙ্গে লইয়া অম্বিকা কালনায় গৌরীদাসের ভবনে শুভাগমন
করেন। এই সময়ে শ্রীমহাপ্রভুর সহিত তাঁহার যে প্রীতিসূচক কথোপকথন হয়, উহা পদকর্ত্তা কৃষ্ণদাস
পদকল্পতরু ২৩৫৮ (ঠাকুর পণ্ডিতের বাড়ী গোরা নাচে ফিরি ফিরি) ও (শ্রীবৃন্দাবন নাম রত্ন-চিন্তামণি-ধাম)
২৩৫৯ সংখ্যক ঐতিহাসিক পদ-দ্বয়ে চির-স্মরণীয় করিয়া রাখিয়াছেন। শ্রীমহাপ্রভু গৌরীদাসের গৃহে এই
উপলক্ষে যে অলৌকিক কার্য্য প্রদর্শিত করেন, তাহা ২৩৫৯ (শ্রীবৃন্দাবন নাম রত্ন-চিন্তামণি-ধাম) ও ২৩৬০
(শ্রীবৃন্দাবন নাম রত্নখচিত ধাম) সংখ্যক পদে বর্ণিত হইয়াছে। বৈষ্ণব সমাজে প্রসিদ্ধ আছে যে, গৌরীদাস
পণ্ডিতের প্রতিষ্ঠিত এই শ্রীগৌরাঙ্গ ও শ্রীনিত্যানন্দের যুগল-মূর্ত্তির সেবাই প্রভুদ্বয়ের সর্ব্বাপেক্ষা প্রাচীন সেবা
বটে। গৌরীদাস পণ্ডিত শ্রীবৃন্দাবনের সুবল-সখা ও তাঁহার জন্ম-ভূমি অম্বিকা-কালনা দ্বাদশ পাটের অন্যতম
পাটরূপে বৈষ্ণব সমাজে বিখ্যাত। নিত্যানন্দ প্রভু তার পরবর্ত্তী কালে সূর্য্যদাস পণ্ডিতের কন্যা বসিধা ও
জাহ্নবী ওরফে জাহ্নবা দেবীর পাণীগ্রহণ করেন। এই গৌরীদাস আলোচ্য পদের রচয়িতা কি না, নিশ্চিত বলা
যায় না।

দ্বিতীয় গৌরীদাস একজন প্রসিদ্ধ কীর্ত্তনীয়া এবং নিত্যানন্দের সম-সাময়িক ভক্ত ছিলেন। ইহাঁ সম্বন্ধে বৈষ্ণব-
বন্দনায় লিখিত হইয়াছে,---
গৌরীদাস-কীর্ত্তনীয়ার কেশেতে ধরিয়া।
নিত্যানন্দস্তব করাইলা নিজশক্তি দিয়া॥
(---দৈবকীনন্দন, বৈষ্ণব বন্দনা (অতুলকৃষ্ণ দোস্বামী সম্পাদিত) ১৯১০, ২২-পৃষ্ঠা॥)

পদকল্পতরুর ‘গৌরীদাস’ ভণিতার---‘পহু মোর নিত্যানন্দ রায়’ ইত্যাদি ২৩২৩ সংখ্যাক পদটী নিত্যানন্দ
বন্দনা-বিষয়ক বটে। এই বন্দনা-পদকে লক্ষ্য করিয়াই বৈষ্ণব-বন্দনায় আরূপ লিখিত হইয়াছে, ইহা অনুমান
করিয়াই বোধ হয়, শ্রীযুক্ত অচ্যুতচরণ তত্ত্বনিধি মহাশয় এই কীর্ত্তনিয়া গৌরীদাসকেই পদকর্ত্তা বলিয়া মত
প্রকাশ করিয়াছেন। আমরাও তাঁহার ঐ মতই সমীচীন বলিয়া বিবেচনা করি
।”
.