কবি হ
রে
কৃষ্ণ দাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
কবি হ
রেকৃষ্ণ
দাসের পরিচিতির পাতায় . . .
শুন সখি বুঝল বচন তোহারি
কবি হরিকৃষ্ণ দাস
হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৯৪৬, পৃষ্ঠা
৯৫০।
সখীর উক্তি রাধার প্রতি
॥ সুহই রাগ॥
শুন সখি বুঝল বচন তোহারি।
নন্দমন্দিরে গেলি সঙ্কেত ছোরি॥
অতএ সে নাগর করহুঁ মান।
মোরি বচনে সখি করু অবধান॥ ধ্রু॥
চল তুহুঁ লে চলুঁ সঙ্কেত ঠাম।
নাগর পূরব মনোরথ কাম॥
মান তেজব হরি ইথে নাহি বাধ।
তুহুঁ ধনি ছোড়হ নিদ মরিযাদ॥
দাস হরেকৃষ্ণ অব রস জান।
অহেতু কানু করল তোহে মান॥
ব্যাখ্যা
-
গুরুজনের মর্য্যাদা রক্ষার উদাহরণস্বরূপ উজ্জ্বল নীলমণিতে বর্ণিত আছে, বৃন্দা বিরহ
ব্যাকুলা শ্রীরাধাকে অভিসারের জন্য অনুরোধ করিলে শ্রীমতী বলিয়াছিলেন, ব্রজেশ্বরী
আমাকে স্মরণ করিয়াছেন। গুরুজনের আজ্ঞার অবজ্ঞা করিলে কাহারো মঙ্গল হয় না।
এই বলিয়া তিনি নন্দ মন্দিরে গমন করিয়াছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ এই সংবাদ না জানিয়া মান
করিয়াছিলেন। হরেকৃষ্ম দাস এই পদে তাহারই ইঙ্গিত করিয়াছেন।
--- হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, “বৈষ্ণব পদাবলী”॥
. *************************
.
সূচীতে . . .
মিলনসাগর
*
কবি হ
রেকৃষ্ণ
দাসের পরিচিতির পাতায় . . .
বৃখভানুসুতা রান্ধে পারশে রোহিণী
কবি হরিকৃষ্ণ দাস
হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৯৪৬, পৃষ্ঠা
৯৫০।
শ্রীকৃষ্ণের ভোজন
॥ সুহই রাগ॥
বৃখভানুসুতা রান্ধে পারশে রোহিণী।
বসিয়া ভোজন কৃষ্ণ করেন আপুনি॥
হেন কালে নন্দ সুত রসবতি হেরি।
শ্লথ রুচি অশন অনঙ্গ অঙ্গ ঘেরি॥
করে কবল কৃষ্ণ খাইতে না পারে।
ব্যস্ত হয়ে যশোমতি শুধাইছে তারে॥
অন্ন ব্যঞ্জন মিষ্ট অতি পরিষ্কার।
আমার শপতি বাছা খাও বার বার॥
কৃষ্ণ বোলে ভোজন করিলু বহুতর।
আর নাহি খাইতে পারি ভরিল উদর॥
গোঠের হইল বেলা ধেনু লইয়া যাব।
অন্ন দেহ লাগে ক্ষুধা সেই খানে খাব॥
কথা কহিয়া ভাব করিল গোপন।
দাস হরেকৃষ্ণ ভজে ও রাঙ্গা চরণ॥
. *************************
.
সূচীতে . . .
মিলনসাগর