কবি যাদবেন্দ্র-এর বৈষ্ণব পদাবলী
*
সভে মেলি ভজ ভাই শ্রীনন্দের নন্দন
ভণিতা যাদবেন্দ্র
কবি যাদবেন্দ্র
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
"বৈষ্ণব পদাবলী", ৮০৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।


সভে মেলি ভজ ভাই শ্রীনন্দের নন্দন।
গোপ গোপীগণ হন যাঁর প্রাণধন॥
কায় মনে ভজ ভাই নন্দকুমার।
গোপ গোপী সঙ্গে যার নিত্য বিহার॥
সখাগণ সঙ্গে আর বৃন্দাবন ধাম।
সবাকার প্রাণ ভজ রাম কৃষ্ণ বলরাম॥
পিরীতি করিয়া ভজ রামানন্দলাল।
ব্রজবালা সঙ্গে আর রঙ্গিয়া রাখাল॥
একান্ত করিয়া ভজ নব ঘনশ্যাম।
শ্রীদাম সুদাম সঙ্গে আর বসুদাম॥
বৃষভানু নন্দিনী ভজ রত্নভানু সুতা।
নন্দের নন্দন ভজ রোহিণী কি পুতা॥
যাদবেন্দ্র কহে রাম কৃষ্ণ কর সার।
সভে মেলি ভজ ভাই গতি নাহি আর॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দিছে রাণী বাম করে শ্যাম
ভণিতা যাদবিন্দু
কবি যাদবেন্দ্র
এই পদটি ১৯২৩ সালে, সিউড়ী, বীরভূম থেকে প্রকাশিত, কুলদাপ্রসাদ মল্লিক ভাগবতরত্ন
সম্পাদিত, বীরভূমি পত্রিকায়, শিবরতন মিত্রের "অপ্রকাশিত প্রাচীন পদাবলী" প্রবন্ধে এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।  তিনি  পদটি পেয়েছিলেন রতন-লাইব্রেরীর ২০৮৮ সংখ্যক পুথি
থেকে।

গোষ্ঠ-লীলা।

দিছে রাণী বাম করে শ্যাম।
দক্ষিণ করে বলরাম॥
হের আয়রে বলরাম, হাত দে মোর মাথে।
প্রাণের অধিক শ্যাম সঁপে দি তোর হাতে॥
রামের হাতে শ্যাম দিয়া বলে নন্দরাণী।
লঞা যেছো আমার গোপাল, এনে দিও তুমি॥
যমুনার তীরে যখন গোপাল ধেঞা যায়।
আডুড় বিষম বড় সামালিও তায়॥
গোধনে গোধনে যখন লাগে হুলাহুলি।
সেখানে সামালে আমার পরাণ পুতলি॥
নবনব তৃণাঙ্কুর যেখানে দেখিবে।
সেইখানে গোপালে আমার কান্ধে করি লবে॥
রবির কিরণে যখন ঘামিবেক গা।
নূতন পল্লব নঞা দিও মন্দ বা॥
কাল যমুনার জল, কাল নীলমণি।
কালজলে কালরূপ মিশায় পাছে জানি॥
প্রাণধন তোরে দিঞা আমি ঘরে যাই।
যাদবিন্দু বলে রাণী, কিছু ভয় নাই॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোঠ বিজই রাম কানু
ভণিতা যাদবিন্দু
কবি যাদবেন্দ্র
এই পদটি ১৯২৩ সালে, সিউড়ী, বীরভূম থেকে প্রকাশিত, কুলদাপ্রসাদ মল্লিক ভাগবতরত্ন
সম্পাদিত, বীরভূমি পত্রিকায়, শিবরতন মিত্রের "অপ্রকাশিত প্রাচীন পদাবলী" প্রবন্ধে এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। তিনি পদটি পেয়েছিলেন রতন-লাইব্রেরীর ২০৮৮ সংখ্যক পুথি
থেকে।

গোষ্ঠ-লীলা।

গোঠ বিজই রাম কানু।
আগে পাছে শিশু ধায়, লাখে লাখে ধেনু॥
নপুরের ধ্বনি শুনি মুনির মন ভুলে।
ঢাকিল রবির রথ গোক্ষুরের ধূলে॥
সুরঙ্গ চাহনি বিনোদ পাগুড়ি।
কারু নীল, কারু পীত, কারু রাঙ্গা ধড়ি॥
কারু হাতে রাঙ্গা লাঠি, গলে গুঞ্জাহার।
কারু কারু কান্ধে শোভে ভোজনের ভার॥
কেহ কেহ ধেঞা গিএ ধেনু বাহুড়ায়।
যাদবেন্দু এক পাশে দাঁড়াইয়া চায়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর