| কবি যদনন্দন দাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| মুরছিত রাই হেরি সব সখিগণ ভণিতা যদুনন্দন দাস কবি যদুনন্দন দাস রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ২৮২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানসী রাগ ধ্রুব তালৌ॥ মুরছিত রাই হেরি সব সখিগণ হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত করঘাত হানই নীঝরে ঝরএ নয়ান॥ হরি কী আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে শ্যাম দু আখর উচ সরে সব জন কেলি॥ ধ্রু॥ বহু খেনে চেতন পাই সুধামুখি কাতরে চৌদিশ চাহ। বেঢ়ি সব সহচরি করয়ে অশ্বাসন কানু কাহে যাবে পুর মাহ॥ তুরিতহি সঙ্কেত কুঞ্জে তোহে মীলব হোয়ব অধিক উলাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখন চলু যদু নন্দন দাস॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২য় পল্লব, ভাবী-বিরহ, ১৬১৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির ৮২৬ সংখ্যক পদ। ॥ ধানশী॥ মুরছিত রাই হেরি সব সখিগণ হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত কর-ঘাত হানই নীঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি কিয়ে আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে শ্যাম দুই আখর উচ-সরে সব জন কেলি॥ ধ্রু॥ বহুখণে চেতন পাই সুধামুখি কাতরে চৌদিশে চাহ। বেঢ়ি সব সহচরি করয়ে আশ্বাসন কানু কাহে যাবে পুর মাহ॥ তুরিতহিঁ সঙ্কেত-কুঞ্জে তোহে মীলব হোয়ব অধিক উলাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগিণী ধানশ্রী॥ তাল সমোচিত॥ মুরূছিত রাই হেরি সব সখীগণ হোওল বিকল পরাণ। উরূ পর কতশত করাঘাত হানই নিঝরে ঝরএ নআন॥ হরি হরি কি আজু দৈবকি খেলি। রাইক শ্রবণে শ্যাম দুই আখর উচ্চস্বরে সব জন কেলি॥ বহুক্ষণে চেতন পাই সুধামুখি কাতরে চৌদিগে চাহ। বেরি সব সহচরী করে আশ্বাসল কানু কাহে জাবে পুরমাহ॥ তুরিতহি সঙ্কেত কুঞ্জে তুহি মিলব হোঅব অধিক উল্লাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দনদাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মুরছিত রাই, হেরি সব সখীগণ, হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত, করাঘাত হানই, নিঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি কি আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে, শ্যাম দুই আখর, উচসরে সব জন কেলি॥ বহুক্ষণ চেতন, পাই সুধামুখী, কাতরে চৌদিশে চাহ। বেড়ি সব সহচরী, করে আশ্বাসন কানু কাঁহে যাবে পুরমাহ॥ তুরিতহি সঙ্কেত কুঞ্জে তুহি মিলব হোঅব অধিক উল্লাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দনদাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মুরছিত রাই, হেরি সব সখীগণ, হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত, করাঘাত হানই, নিঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি, কিয়ে আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে, শ্যাম দুই আখর, উচ-সরে সব জন কেলি॥ ধ্রু॥ বহুক্ষণে চেতন, পাই সুধামুখী, কাতরে চৌদিকে চাহ। বেড়ি সব সহচরী, করয়ে আশ্বাসন, কানু কাঁহে যারে পুর মাহ॥ তুরিতহিঁ সঙ্কেত-, কুঞ্জে তোহে মিলব, হোয়ব অধিক উলাস। তাক সম্বাদ, জানাইতে তৈখনে, চলু যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মুরছিত রাই হেরি সব সখিগণ হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত কর-ঘাত হানই নীঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি কিয়ে আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে শ্যাম দুই আখর উচ-সরে সব জন কেলি॥ বহুখণে চেতন পাই সুধামুখি কাতরে চৌদিশে চাহ। বেঢ়ি সব সহচরি করয়ে আশ্বাসন কানু কাহে যাবে পুর মাহ॥ তুরিতহিঁ সঙ্কেত-কুঞ্জে তোহে মীলব হোয়ব অধিক উলাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - একতালা॥ মুরছিত রাই, হেরি সব সখীগণ, হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত, করাঘাত হানই, নীঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি কি আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে, শ্যাম দুই আখর, উচ্চ স্বরে সব জন কেলি॥ বহুখনে চেতন, পাই সুধামুখী কাতরে চৌদিশে চাহ। বেঢ়ি সব সহচরী, করয়ে আশ্বাসন, কানু কাহে যাবে পুর মাহ॥ তুরিত হি সঙ্কেত কুঞ্জে তোহে মিলব, হোয়ব অধিক উল্লাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি পুনঃ “শ্রীপদামৃতমাধুরী” গ্রন্থের ৪র্থ খণ্ডের, ২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - কাটা দশকুশী॥ মুরছিত রাই হেরি সব সখিগণ হোয়ল বিকল পরাণ। উর পর কত শত কর-ঘাত হানই নীঝরে ঝরয়ে নয়ান॥ হরি হরি কিয়ে আজু দৈবক খেলি। রাইক শ্রবণে শ্যাম দুই আখর উচসরে সব জন কেলি॥ বহুখণে চেতন পাই সুধামুখি কাতরে চৌদিশে চাহ। বেঢ়ি সব সহচরি করয়ে আশ্বাসন কানু কাহে যাবে পুরমাহ॥ তুরিতহিঁ সঙ্কেত কুঞ্জে তোহে মীলব হোয়ব অধিক উল্লাস। তাক সম্বাদ জানাইতে তৈখনে চলু যদুনন্দন দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাইক শেষ দশা শুনি গদগদ ভণিতা যদুনন্দন দাস কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, দূতী-সংবাদ, ১৭০৩-পদসংখ্যা। এই পদটি নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির ৯২৬ সংখ্যক পদ। শ্রীকৃষ্ণস্যোক্তির্যথা। ॥ ধানশী॥ রাইক শেষ দশা শুনি গদগদ নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠ- শবদ নাহি নিকসই ঝর ঝর লোচন-লোর॥ সজনি তুরিতহি করহ পয়াণ। কাতরে নাগর এতহিঁ নিদেশল সঘনে ঝরয়ে দুনয়ান॥ ধ্রু॥ এতহুঁ বচন যব সো সখি শূনল তৈখনে করল পয়াণ। মুরছিত রাই কুঞ্জে যাহাঁ লুঠয়ে যাই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি বিরহ দূরে করি কানু মিলত তুয়া পাশ। শুনইতে তবহিঁ চেতন পাই বৈঠল ভণ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ রাইক শেষ দশা শুনি গদগদ, নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠশবদ নাহি নিকসই, ঝর ঝর লোচন লোর॥ সজনি তুরিতহি করহ পয়াণ। কাতরে নাগর, এতহিঁ নিদেশল, সঘনে ঝরয়ে দু নয়ান॥ এতহুঁ বচন যব, সো সখী শুনল, তৈখনে করল পয়াণ। মূরছিত রাই, কুঞ্জে যাহা লুঠয়ে, যাঁই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি, বিরহ দূরে করি, কানু মিলল তুয়া পাশ। শুনইতে তবহিঁ, চেতন পাই বৈঠল, ভণ যদুনন্দনদাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ রাইক শেষ, দশা শুনি গদগদ, নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠ, শবদ নাহি নিকসই, ঝর ঝর লোচনলোর॥ সজনি, তুরিতহি করহ পয়াণ। কাতরে নাগর, এতহিঁ নিদেশল, সঙনে ঝরয়ে দুনয়ান॥ ধ্রু এতহুঁ বচন যব, সো সখী শুনল, তৈখনে করল পয়ান। মূরছিত রাই, কুঞ্জে যাহাঁ লুঠয়ে, যাই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি, বিরহ দূরে করি, কানু মিলল তুয়া পাশ। শুনইতে তবহিঁ, চেতন পাই, বৈঠল ভণ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৪৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ রাইক শেষ দশা শুনি গদ গদ নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠ শবদ নাহি নিকশই ঝর ঝর লোচন লোর॥ সজনি! তুরিতহি করহ পয়ান। কাতরে নাগর এতহু নিদেশল সঘনে ঝরয়ে দুনয়ান॥ ধ্রু॥ এতহু বচন যব সো সখী শুনল তৈখনে করল পয়ান। মুরছিত রাই কুঞ্জে যাহা লুটয়ে যাই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি বিরহ দূর করি কানু মিলল তুয়া পাশ। শুনইতে তবহি চেতন পাই বৈঠল ভণ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ রাইক শেষ দশা শুনি গদগদ নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠ- শবদ নাহি নিকসই ঝর ঝর লোচনলোর॥ সজনি তুরিতহি করহ পয়াণ। কাতরে নাগর এতহিঁ নিদেশল সঘনে ঝরয়ে দুনয়ান॥ এতহুঁ বচন যব সো সখি শূনল তৈখনে করল পয়াণ। মুরছিত রাই কুঞ্জে যাহাঁ লুঠয়ে যাই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি বিরহ দূরে করি কানু মিলত তুয়া পাশ। শুনাইতে তবহিঁ চেতন পাই বৈঠল ভণ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ১২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - ছোট দশকুশী॥ রাইক শেষ দশা শুনি গদ গদ নাগর ভেল বিভোর। কহইতে কণ্ঠ- শবদ নাহি নিকসই ঝর ঝর লোচন-লোর॥ সজনি তুরিতহি করহ পয়ান। কাতরে নাগর এতহিঁ নিদেশল সঘনে ঝরয়ে দুনয়ান॥ এতহুঁ বচন যব সো সখী শূনল তৈখনে করল পয়ান। মুরছিত রাই কুঞ্জে যাহাঁ লুঠয়ে যাই মিলল সোই ঠাম॥ উঠ উঠ সুন্দরি বিরহ দূরে করি কানু মিলত তুয়া পাশ। শুনইতে তবহিঁ চেতন পাই বৈঠল ভণ যদুনন্দন দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাইক উহ উতকণ্ঠিত বচনহি ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৪শ পল্লব, প্রকারান্তর সমৃদ্ধিমান্ সম্ভোগ, ২০০১-পদসংখ্যা। ॥ কামোদ॥ রাইক উহ উত কণ্ঠিত বচনহি সো সখি দ্রুত চলি গেল। নিজ গৃহে নাগর রতন মন্দির পর গোপতে যাই তহিঁ মেল॥ ইঙ্গিতে রাইক আরতি জানাওল বুঝইতে নাগর-রাজ। কালিন্দি-তীরে নিকুঞ্জ মনোহর জানাওল সঙ্কেত-কাজ॥ শুনি দোতি ধাই আওল যাহাঁ সুন্দরি কহতহি মধুরিম ভাষ। তুয়া লাগি যমুনা- তীরে গেও নাগর পূরব চির অভিলাষ॥ এতহু বচন শুনি সো ধনি সুবদনি করত গমন-উপচার। কানুক নিকটে দূতি আওল পুন কহ যদুনন্দন সার॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগিণী কামোদ॥ তালোচিত॥ রাইক ইহ উতকণ্ঠিত বচনহি সো সখী দ্রুত চলি গেলি। নিজ গৃহে নাগর রতন মন্দির পর গোপতে জাই তহি মেলী॥ ইঙ্গিত রাইক আরতি জানাওল বুঝইতে নাগররাজ। কালিন্দীতীর নিকুঞ্জ মনোহর জানায়ল সঙ্কেতকাজ॥ সুনি দূতী ধাই আওল জাহা সুন্দরী কহতহি মধুরিম ভাষ। তুয়া লাগী যমুনাতীর গেও নাগর পূরব চির অভিলাষ॥ এতহু বচন সুনি সো ধনি সুবদনী করত গমন উপচার। কানুক নিকটে দূতী আওল পুন কহো যদুনন্দন সার॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ রাইক উহ উত, কণ্ঠিত বচনহি, সো সখি দ্রুত চলি গেল। নিজ গৃহে নাগর, রতন মন্দিরপর, গোপতে যাই তঁহি মেল॥ ইঙ্গিতে রাইক, আরতি জানাওল, বুঝাইতে নাগর রাজ। কালিন্দীতীরে নিকুঞ্জ মনোহর, জানাওল সঙ্কেত কাজ॥ শুনি দোতি ধাই, আওল যাহাঁ সুন্দরী, কহতহি মধুরিম ভাষ। তুয়া লাগি যমুনা- তীরে গেও নাগর, পূরব চির অভিলাষ॥ এতহুঁ বচন শুনি, সো ধনী সুবদনী, করত গমন উপচার। কানুক নিকটে দূতা, আওল পুন, কহ যদু নন্দন সার॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পরস্পরের নিকট দূতী গমন ॥ কামোদ॥ রাইক উহ উৎ- কণ্ঠিত বচনহি সো সখি দ্রুত চলি গেল। নিজ গৃহে নাগর রতন-মন্দির পর গোপতে যাই তহিঁ মেল॥ ইঙ্গিতে রাইক আরতি জানাওল বুঝইতে নাগর-রাজ। কালিন্দি-তীরে নিকুঞ্জ মনোহর জানাওল সঙ্কেত-কাজ॥ শুনি দোতি ধাই আওল যাহাঁ সুন্দরি কহতহি মধুরিম ভাষ। তুয়া লাগি যমুনা- তীরে গেও নাগর পূরব চির অভিলাষ॥ এতহু বচন শুনি সো ধনি সুবদনি করত গমন উপচার। কানুক নিকটে দূতি আওল পুন কহ যদুনন্দন সার॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৩৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ - ছোট দশকুশী॥ রাইক উহ উত্কণ্ঠিত বচনহি সো সখী দ্রুত চলি গেল। নিজ গৃহে নাগর রতন মন্দির পর গুপতে যাই তঁহি মিল॥ ইঙ্গিতে রাইক আরতি জানাওল বুঝইতে নাগর-রাজ। কালিন্দী-তীরে নিকুঞ্জ মনোহর জানাইল সঙ্কেত কাজ॥ শুনি দূতী ধাই আওল যাহাঁ সুন্দরী কহতহি মধুরিম ভাষ। তুয়া লাগি যমুনা- তীরে গেও নাগর পূরব চির অভিলাষ॥ এতহু বচন শুনি সো ধনী সুবদনী করত গমন উপচার। কানুক নিকট দূতী আইল পুন কহ যদুনন্দন সার॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |