| কবি যদনন্দন দাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| রজনিক শেষ সময় অরুণোদয় ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৫শ পল্লব, সমৃদ্ধিমান্ সম্ভোগের রসোদ্গার, ২০১৬-পদসংখ্যা। ॥ ললিত ভৈরবী॥ রজনিক শেষ সময় অরুণোদয় ঘূমল সহচরি দেখি। কত পরকারে জাগায়ল দুহুঁ জনে বৈঠল শয়ন উপেখি॥ রাধা-মাধব-কেলি। কৃপণ হেম জনু তিলেক না ছোড়ই ঐছন দুহুঁ জন মেলি॥ ধ্রু॥ রজনি প্রভাত হেরি ভেল আকুল সহচরিগণ কহে ভাষ। নিজ গৃহে গমন করণ অব সমুচিত পুন পূরব অভিলাষ॥ এত শুনি দুহুঁ জন অতিশয় কাতর কি করব কছু নাহি থেহ। কহ যদুনন্দন হোয়ল মীলন এক জীবন ভিন দেহ॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৪৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ অথ উত্থান॥ রাগিণী ললিত ভৈরবী॥ তালোচিত॥ রজনীক শেষ সময় অরুণোদয় ঘুমল সহচরী দেখি। কত পরকারে জাগাওলু দুহুজন বৈঠল সময় উপেখি॥ কুপল হেম জনু রাধামাধব কেলি। তিলেক না ছোড়ই ঐছন দুহুজন মেলী॥ রজনী প্রভাত হেরি ভেল আকুল সহচরীগণ কহে ভাষ। নিজগৃহে গমন করহু অব সমুচিত পুন পূরব অভিলাষ॥ এত শুনি দুহুজন অতিশয় কাতর কি করব কছু নাহি থেহ। কহো যদুনন্দন হোয়ব মিলন এক জীবন ভিন দেহ॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত-ভৈরবী॥ রজনীক শেষ, সময় অরুণোদয়, ( এই পংক্তিটি মুদ্রিত হয় নি। ) কত পরকারে, জাগায়ল দুহু জনে, বৈঠল শয়ন উপেখি॥ রাধা মাধব কেলি। কৃপণ হেম জনু, তিলেক না ছোড়ই, ঐছন দুহু জন মেলি॥ ধ্রু॥ রজনী প্রভাত হেরি ভেল আকুল, সহচরীগণ কহে ভাষ। নিজ গৃহে গমন, করণ অব সমুচিত, পুন পূরব অভিলাষ॥ এত শুনি দুহুঁ জন, অতিশয় কাতর, কি করব কছু নাহি থেহ। কহ যদুনন্দন, হোয়ল মিলন, এক জীবন ভিন দেহ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত ভৈরবী॥ রজনিক শেষ সময় অরুণোদয় ঘূমল সহচরি দেখি। কত পরকারে জাগায়ল দুহুঁজনে বৈঠল শয়ন উপেখি॥ রাধা-মাধব-কেলি। কৃপণ হেম জনু তিলেক না ছোড়ই ঐছন দুহুঁজন মেলি॥ রজনি প্রভাত হেরি ভেল আকুল সহচরিগণ কহে ভাষ। নিজ গৃহে গমন করণ অব সমুচিত পুন পূরব অভিলাষ॥ এত শুনি দুহুঁজন অতিশয় কাতর কি করব কছু নাহি থেহ। কহ যদুনন্দন হোয়ল মীলন এক জীবন ভিন দেহ॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত ভৈরবী - তেওট॥ রজনীক শেষ সময় অরুণোদয় ঘূমল সহচরি দেখি। কত পরকারে জাগায়ল দুহুঁ জনে বৈঠল শয়ন উপেখি॥ রাধা মাধব কেলি। কৃপণ হেম জনু তিলেক না ছোড়ই ঐছন দুহুঁ জন মেলি॥ ধ্রু॥ রজনি প্রভাত হেরি ভেল আকুল সহচরিগণে কহে ভাষ। নিজ গৃহে গমন করণ অব সমুচিত পুন পুরব অভিলাষ॥ এত শুনি দুহুঁ জন অতিশয় কাতর কি করব কিছু নাহি থেহ। কহ যদুনন্দন হোয়ল মীলন এক জীবন ভিন দেহ॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চন্দ্রাবলি সঞে বিলসই মাধব ভণিতা যদুনন্দন দাস কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৬শ পল্লব, সমৃদ্ধিমান্ সম্ভোগের রসোদ্গার, ২০৩৩-পদসংখ্যা। ॥ বিহগড়া॥ চন্দ্রাবলি সঞে বিলসই মাধব হেরি চলু রাইক পাশ। মলিন বয়ান নয়নযুগ ছল-ছল তেজই দীঘ নিশ্বাস॥ সুন্দরি কি কহব কপটক নেহ। যাক নাম তুহুঁ শুনই না পারসি তা সঞে বিলসয়ে সেহ॥ ধ্রু॥ অতিরসে মগন সঘন তাহে চুম্বই চৌদিশে সহচরিবৃন্দ। সুখময় যামিনি তুহুঁ ভেল তাপিনি বিগলিত লোচন-নিন্দ॥ কি কহব তাক চরিত অতি শঠপন কামি সে কামিনি পাশ। কহলুঁ এতহুঁ নিদেশ তোহে সুন্দরি এ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহগড়া॥ চন্দ্রাবলী সঞে, বিলসই মাধব, হেরি চলু রাইক পাশ। মলিন বয়ান, নয়ানযুগ ছল ছল, তেজই দীঘ নিশ্বাস॥ সুন্দরি কি কহব কপটক লেহ। যাক নাম তুহুঁ, শুনই না পারসি, তা সঞে বিলসয়ে সেহ॥ অতিরসে মগন, সঘন তাহে চুম্বই, চৌদিশে সহচরীবৃন্দ। সুখময় যামিনী, তুহুঁ ভেল তাপিনী, বিগলিত লোচন-নিন্দ॥ কি কহব তাক, চরিত অতি শঠপন, কামী সে কামিনী পাশ। কহলু এতহুঁ, নিদেশ তোহে সুন্দরি, এ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহগড়া॥ চন্দ্রাবলি সঞে, বিলসই মাধব, হেরি চলু রাইক পাশ। মলিন বয়ান, নয়ানযুগ ছল ছল, তেজই দীঘ নিশ্বাস॥ সুন্দরি, কি কহব কপটক লেহ। যাক নাম তুহুঁ, শুননা পারসি, তা সঞে বিলসয়ে সেহ॥ অতিরসে মগন, সঘন তাহে চুম্বই, চৌদিশে সহচরা বৃন্দ। সুখময় যামিনী, তুহুঁ ভেল তাপিনী, বিগলিত লোচন নিন্দ॥ কি কহব তাক, চরিত অতি শঠপ্রন, কামী সো কামিনী পাশ। কহলু এতহুঁ, নিদেশ তোহে সুন্দরি, এ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীরাধার প্রতি দূতীর উক্তি ॥ বিহগড়া॥ চন্দ্রাবলি সঞে বিলসই মাধব হেরি চলু রাই পাশ। মলিন বয়ান নয়নযুগ ছল-ছল তেজই দীঘ নিশ্বাস॥ সুন্দরি কি কহব কপটক নেহ। যাক নাম তুহুঁ শুনই না পারসি তা সঞে বিলসয়ে সেহ॥ অতিরসে মগন সঘন তাহে চুম্বই চৌদিশে সহচরিবৃন্দ। সুখময় যামিনি তুহুঁ ভেলি তাপিনি বিগলিত লোচন-নিন্দ॥ কি কহব তাক চরিত অতি শঠপন কামী সে কামিনি পাশ। কহলুঁ এতহুঁ নিদেশ তোহে সুন্দরি এ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহগড়া - যপতাল॥ চন্দ্রাবলী সঞে বিলসই মাধব . হেরি চলু রাইক পাশ। মলিন বয়ান নয়নযুগ ছল ছল . তেজই দীঘ নিশ্বাস॥ সুন্দরি কি কহব কপটক নেহ। যাক নাম তুহুঁ শুনই না পারসি . তা সঞে বিলসয়ে সেহ॥ ধ্রু॥ অতিরসে মগন সঘন তাহে চুম্বই . চৌদিশে সহচরিবৃন্দ। সুখময় যামিনি তুহুঁ ভেল তাপিনি . বিগলিত লোচন-নিন্দ॥ কি কহব তাক চরিত অতি শঠপন . কামি সে কামিনি পাশ। কহলুঁ এতহুঁ নিদেশ তোহে সুন্দরি . এ যদুনন্দন দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সখীর বদন হেরিতে নাগর ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৬শ পল্লব, বসন্তকালোচিত মান, ২০৫১-পদসংখ্যা। ॥ তথা রাগ॥ সখীর বদন হেরিতে নাগর নিঝরে নয়ান ঝরে। শয়নে স্বপনে না যানি যা বিনে সে কেনে এমন করে॥ শুন লো মরমি সখি। সে ধনী-নিয়ড়ে যাইব কেমনে সদয় হইবে নাকি॥ যদি পুন ধনী আমারে দেখিয়া ফিরিয়া বৈসয়ে রোখে। আমার কারণ বিনয়-বচন কহিতে হইবে তোকে॥ হেন মনে করি ধীর পদ ধরি চলিলা দূতীর সনে। দূতীরে মোহন সাধে পুন পুন এ যদুনন্দন ভণে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহিনী॥ সখীর বদন, হেরিতে নাগর, নিঝরে নয়ান ঝরে। শয়নে স্বপনে, না জানি যা বিনে, সে কেনে এমন করে॥ শুন লো মরমি সখি। সে ধনী নিয়ড়ে, যাইব কেমনে, সদয় হইবে নাকি॥ যদি পুনধনী, আমারে দেখিয়া, ফিরিয়া বৈসয়ে রোখে। আমার কারণ, বিনয় বচন, কহিতে হইবে তোকে॥ হেন মনে করি, ধীরে পদ ধরি, চলিলা দোতীর সনে। দোতীরে মোহন, সাধে পুন পুন, এ যদুনন্দন ভণে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ সখীর বদন, হেরিতে নাগর, নিঝরে নয়ান ঝরে। শয়নে স্বপনে, না জানি যা বিনে, সে কেনে এমন করে॥ শুন লো মরম সখী। সে ধনী নিয়ড়ে, যাইব কেমনে, সদয় হইবে নাকি॥ যদি পুন ধনী, আমারে দেখিয়া, ফিরিয়া বৈসয়ে রোখে। আমার কারণ, বিনয় বচন, কহিতে হইবে তোকে॥ হেন মনে করি, ধীরে পদ ধরি, চলিলা দোতীর সনে। দোতীরে মোহন, সাধে পুন পুন, এ যদুনন্দন ভণে॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই - যপতাল॥ সখীর বদন হেরিতে নাগর নিঝরে নয়ান ঝরে। শয়নে স্বপনে না জানি যা বিনে সে কেনে এমন করে॥ শুন লো মরম সখী। সে ধনী-নিয়ড়ে যাইব কেমনে সদয় হইবে নাকি॥ যদি পুন ধনী আমারে দেখিয়া ফিরিয়া বৈসয়ে রোখে। আমার কারণ বিনয় বচন কহিতে হইবে তোকে॥ হেন মনে করি ধীপ পদ ধরি চলিলা দূতীর সনে। দূতীরে মোহন সাধে পুন পুন এ যদুনন্দন ভণে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ সখীর বদন হেরিতে নাগর নিঝরে নয়ান ঝরে। শয়নে স্বপনে না জানি যা বিনে সে কেনে এমন করে॥ শুন লো মরমি সখি। সে ধনী-নিয়ড়ে যাইব কেমনে সদয় হইবে নাকি॥ যদি পুন ধনী আমারে দেখিয়া ফিরিয়া বৈসয়ে রোখে। আমার কারণ বিনয়-বচন কহিতে হইবে তোকে॥ হেন মনে করি ধীর পদ ধরি চলিলা দূতীর সনে। দূতীরে মোহন সাধে পুনপুন এ যদুনন্দন ভণে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চলল সুনাগর অন্তর গরগর ভণিতা যদুনন্দন দাস কবি যদুনন্দন দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৬শ পল্লব, বসন্তকালোচিত মান, ২০৫২-পদসংখ্যা। ॥ মঙ্গল॥ চলল সুনাগর অন্তর গরগর ঝরঝর লোচনে পানি। আগে করি দোতি মোতি করি হাতহি বোলত গদগদ বাণি॥ এ সখি ধনি কি করব পরসাদ। এহ নিজ দাসে দাস করি লেয়ব পূরব মঝু মন-সাধ॥ এত কহি কুঞ্জ-সমীপহি আওল দোতিক সঙ্গহি সঙ্গে। তুহুঁ আগে যাই রাই সনে মীলহ তাহিঁ বৈঠল করি ভঙ্গে॥ কানুক অঙ্গ-গন্ধে বন বাসল রাই কহত কিয়ে বাস। আওব জানি ফেরি ধনি বৈঠল কহ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ চলল সুনাগর, অন্তর গর গর, ঝর ঝর লোচনে পানী। আগে করি দোতী, মোতি করি হাতহি, বোলত গদ গদ বাণী॥ এ সখি ধনী কি করব পরসাদ। এহ নিজ দাসে, দাস করি লেয়ব, পূরব মঝু মনসাধ॥ এত কহি কুঞ্জ-সমীপহি আওল, দোতীক সঙ্গহি সঙ্গে। তুহুঁ আগে যাই, রাই সনে মিলহ, তাহে বৈঠল করি ভঙ্গে॥ কানুক অঙ্গ-গন্ধে বন ভাসল, রাই কহত কিয়ে বাস। আওব জানি, ফেরি ধনী বৈঠল, কহ যদুনন্দনদাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ চলল সুনাগর, অন্তর গর গর, ঝর ঝর লোচনে পানী। আগে করি দোতী, মোতি করি হাতহি, বোলত গদ গদ বাণী॥ এ সখি, ধনী কি করব পরমাদ। এহ নিজ দাসে, দাস করি লেবর, পূরব মঝুঁ মন-সাধ॥ এত কহি কুঞ্জ, সমীপহি আওল, দোতীক সঙ্গহি সঙ্গে। তুহুঁ আগে যাই, রাই সনে মিলহ, তাহে বৈঠল করি ভঙ্গে॥ কানুক অঙ্গ, গন্ধে বন ভাসল, রাই কহত কিয়ে বাস। আওব জানি, ফেরি ধনী বৈঠল, কহে যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ চলল সুনাগর অন্তর গরগর ঝরঝর লোচনে পানি। আগে করি দোতি জোড় করি হাতহি বোলত গদগদ বাণি॥ এ সখি ধনি কি করব পরসাদ। এহ নিজ দাসে দাস করি লেয়ব পূরব মঝু মনসাধ॥ এত কহি কুঞ্জ সমীপহি আওল দোতিক সঙ্গহি সঙ্গে। তুহুঁ আগে যাই রাই সনে মীলহ তাহিঁ বৈঠল করি ভঙ্গে॥ কানুক অঙ্গগন্ধে বন সুবাসল রাই কহত কিয়ে বাস। আওব জানি ফেরি ধনি বৈঠল কহ যদুনন্দন দাস॥ এই পদটি ১৯৩১-১৯৫৫ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই - তেওট॥ চলল সুনাগর অন্তর গর গর ঝরঝর লোচনে পানি। আগে করি দোতি মোতি করি হাতহি বোলত গদগদ বাণি॥ এ সখি ধনি কি করব পরসাদ। এহ নিজ দাসে দাস করি লেয়ব পূরব মঝু মন-সাধ॥ এত কহি কুঞ্জ সমীপহি আওল দোতিক সঙ্গহি সঙ্গে। তুহুঁ আগে যাই রাই সনে মীলহ তাহিঁ বৈঠল করি ভঙ্গে॥ কানুক অঙ্গ- গন্ধে বন বাসল রাই কহত কিয়ে বাস। আওব জানি ফেরি ধনি বৈঠল কহ যদুনন্দন দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নিশি-অবশেষে সকল সখীগণ ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪০৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত রাগ নিঃসাকরতালৌ॥ নিশি-অবশেষে সকল সখীগণ রাই কাহ্ণু সঞে ভোর। নিরমল নয়ন কমলহি অবিরত গলয়ে আনন্দ লোর॥ দেখ সখি অপরূব কাজ। বিছুরল গেহ গমন সব বূরল মোহ সরোবর মাঝ॥ বৃন্দাদেবি সঙ্কেত বচনহি কক্খটি হোই উনমাদ। জটিলা শবদ শুনায়ত উচ সরে শুন তহি ভেল পরমাদ॥ সচকিত লোচনে অনো অনো মুখ হেরি কুঞ্জসে নিকসে বাহার। দাস যদুনন্দন তুরি তহিঁ লেয়ল তহিঁ যত ছিল উপহার॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা - ২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ নিশি-অবশেষে সকল সখীগণ রাই কানু সঞে ভোর। নিরমল নয়ন-কমল বহি অবিরত গলতহি আনন্দ-লোর॥ দেখ দেখ অপরূপ কাজ। বিছুরল গেহ-গমন সভে বূরল মোহ-সরোবর মাঝ॥ ধ্রু॥ বৃন্দা-দেবি সঙ্কেত-বচন জানি কক্খটি হই উনমাদ। জটিলা-শবদ শুনায়ত উচ-স্বরে শুনইতে ভেল পরমাদ॥ সচকিত-লোচনে আন আন মুখ হেরি কুঞ্জসেঁ নিকসে বহার। দাস যদুনন্দন তুরিতহি লেয়ল তহিঁ যত ছিল উপহার॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৪৫৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গান্ধার॥ নিশি অবশেষে, সকল সখীগণ, রাই কানু সঞে ভোর। নিরমল নয়ন-কমল বহি অবিরত, গলতহি আনন্দ লোর॥ দেখ দেখ অপরূপ কাজ। বিছুরল গেহ-গমন সবে বূড়ল, মোহ সরোবর মাঝ॥ বৃন্দাদেবী, সঙ্কেতবচন জানি, কক্খটী হই উনমাদ। জটিলা-শবদ, শুনায়ত উচ্চস্বরে, শুনইতে ভেল পরমাদ॥ সচকিত-লোচনে, আন মুখ হেরি, কুঞ্জসেঁ নিকসে বাহার। দাস যদুনন্দন, তুরিতহি লেয়ল, তহিঁ যত ছিল উপহার॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ নিশি অবশেষে সকল সখীগণ রাই কানু সঞে ভোর। নিরমল নয়ন-কমল বহি অবিরত গলতহি আনন্দ লোর॥ দেখ দেখ অপরূপ কাজ। বিছুরল গেহ-গমন সভে বূরল মোহ-সরোবর মাঝ॥ ধ্রু॥ বৃন্দা-দেবি সঙ্কেত-বচন জানি কক্খটি হই উনমাদ। জটিলা-শবদ শুনায়ত উভরোলে শুনইতে ভেল পরমাদ॥ সচকিত-লোচনে আন আন মুখ হেরি কুঞ্জসেঁ নিকসে বহার। দাস যদুনন্দন তুরিতহি লেয়ল তহিঁ যত ছিল উপচার॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |