| কবি যদনন্দন দাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| কি জানি বিয়াধি মোর ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীমত্যহ। ॥ শ্রীরাগ॥ কি জানি বিয়াধি মোর হতচিতে উপজল কিছুই না পাইয়ে থেহ। বুঝিতে না পারি হাম কিবা হয় পরিণামে কৈছনে হোয়ল এহ॥ ইহ মঝু বেদন হিয়ে হয় যৈছন সাধি নহে কহিয়ে বিশেষ। উপশম লাগি যদি করি তছু ঔষধি নিন্দব দেশ বিদেশ॥ সই ঘুচয়ে মরমক দাহ। যাহাতে নাহিক লাজ যদি হয় অছু কাজ ঐছে উপায় হাম চাহ॥ ধ্রু॥ যদুনন্দনে কহে শুনিলে সে ভাব নহে না করো মরমে তুহুঁ আন। তোমার অন্তরে যাহা তেজি লাজ কহ তাহা তবহুঁ সে করিয়ে বিধান॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পুরুবে আছিল যত সাধ ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পুনঃ ধানসী॥ পুরুবে আছিল যত সাধ। এবে সেই ভেল পরমাদ॥ গৌরকিশোর রসরাজ। অনুভব অলখিত কাজ॥ গোরাতনু ধরণি লোটায়। মহী ভেল কনক ছটায়॥ কমল নয়ানে ঝরু বারি। মধু পিয়ে ভ্রমরা উগারি॥ সুবদনে হরি হরি বোল। চান্দে বহে অমিয়া-কলোল॥ চলিতে না পারে পদ আধ। পুরুব পিরিতি উনমাদ॥ ভাসল ও রসে নরনারী। এ যদুনন্দন বলিহারি॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বকুল তরুতলে বিরলে বৈঠল ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পুনঃ বিহাগড়া॥ বকুল তরুতলে বিরলে বৈঠল কি রসে মজাওল চিত। নয়নে ঢরঢর বহয়ে ঝরঝর কাঁপয়ে থরহরি শীত॥ কি পেখলু দ্বিজবর ধীর। উঠত বৈঠত ছুটত খেনে খেনে লুঠত পরি পরি চীর॥ ধ্রু॥ কাঁচা কাঞ্চন- কিরণ কলেবর কি লাগি মহি গড়ি যাতি। কণ্ঠ গরগর কান্দয়ে উচ্চৈস্বর বিদরে কুলবতী ছাতি॥ অন্তর সুখভরে পুলক কলেবরে তিলেক নাহি রহে থির। এ যদুনন্দন ভণয়ে অনুভব ভাবিতে হিয়া মেনে চির॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| যাইতে দেখিয়া সোণার গোরা ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পুনঃ ধানশী॥ যাইতে দেখিয়া সোণার গোরা। নয়ানে অঝর ঝরয়ে লোরা॥ সুরধুনীকূলে নাহিয়া উঠে। অঙ্গের ছটায় তরুণী লুঠে॥ একে সে দীঘন চাঁচর কেশ। অধিক ঝাঁপল নিতম্বদেশ॥ আধের বাঁধল মোহন চূড়া। সে কুলকামিনী দু-কুল বুড়া॥ গজেন্দ্রদমন গমন হেরি। তরুণী দু-কুল না চায় ফিরি॥ হিয়ার দোলনি বাহুর শোভা। এ যদুনন্দন নয়ানলোভা॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রসভরে জগমন পগ নাহি চলই ভণিতা যদুনন্দন কবি যদুনন্দন দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পুনঃ সুহইরাগ॥ রসভরে জগমন পগ নাহি চলই। দিঠি জলপিছল মহি মাহা খলই॥ গৌর কলানিধি বিধি আনি দেল। তপত জগতজন শীতল ভেল॥ ধ্রু॥ জাগল তনুরূহ তিলহ ন নিদই। অন্তর গরগর তকল কি বিধঁই॥ থরহরি কম্পই চম্পক দেহা। যদুনন্দন ভণ ধনী-নবলেহা॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |