| কবি যদুনাথ দাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| গদাধর নরহরি করে ধরি গৌরহরি ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৮শ পল্লব, প্রকারান্ত সমৃদ্ধিমান্ সম্ভোগ, ২১২৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি নিমানন্দ দাস বিরচিত পদরসসার পুথির ২২৩৩ সংখ্যক পদ। ॥ শ্রীগান্ধার॥ গদাধর নরহরি করে ধরি গৌরহরি প্রেমাবেশে ধরণী লোটায়। কহিলে না হয় তহু ফুকরি ফুকরি পহু বৃন্দা-বিপিন-গুণ গায়॥ নিজ লীলা নিধুবন সোঙরিয়া উচাটন কান্দে পহু যমুনা বলিয়া। নয়ানে বহিছে কত সুরধুনী-ধারা মত দর দর শ্রীবুক বাহিয়া॥ সুবলের শুদ্ধ সখ্য বৃন্দাদেবীর প্রিয় বাক্য ললিতার ললিত সুলেহ। বিশাখার প্রেম-কথা সোঙরি মরমে বেথা কহি কহি না ধরয়ে দেহ॥ কাহাঁ মোর প্রাণেশ্বরী কাহাঁ গোবর্দ্ধন-গিরি কাহাঁ মোর বংশী পীত বাস। প্রেম-সিন্ধু উথলিল জগত ভরিয়া গেল না বুঝিল যদুনাথ দাস॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২) জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ২৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ গদাধর নরহরি করে ধরি গৌরহরি প্রেমাবেশে ধরণী লোটায়। কহিলে না হয় তহুঁ ফুকরি ফুকরি পহু বৃন্দাবিপিন গুণ গায়॥ নিজ লীলা নিধুবন সোঙরিয়া উচাটন কাঁকে পহুঁ যমুনা বলিয়া। নয়ানে @অক কত সুরধুনী ধারা মত দর দর শ্রীবুক বাহিয়া॥ সুবলের শুদ্ধ সখ্য বৃন্দাদেবীর প্রিয়বাক্য ললিতার ললিত সুলেহ। বিশাখার প্রেমকথা সোঙরি মরমে ব্যথা কহি কহি না ধরয়ে দেহ॥ কাহা মোর প্রাণেশ্বরী কাঁহা গোবর্দ্ধনগিরি কাঁহা মোর বংশী পীতবাস। প্রেমসিন্ধু উথলিল জগত ভরিয়া গেল না বুঝিল যদুনাথ দাস॥ @ - অপাঠ্য অক্ষর। এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ গদাধর নরহরি করে ধরি গৌরহরি প্রেমাবেশে ধরণী লোটায়। কহিলে না হয় তহুঁ ফুকরি ফুকরি পহুঁ বৃন্দাবিপিনগুণ গায়॥ নিজ লীলানিধুবন সোঙরিয়া উচাটন কাঁদে পহু যমুনা বলিয়া। নয়ানে ঝরিছে কত সুরধুনী ধারা মত দর দর চিবুক বাহিয়া॥ সুবলের শুদ্ধ সখ্য বৃন্দাদেবীর প্রিয় বাক্য ললিতার ললিত সুলেহ। বিশাখার প্রেমকথা সোঙরি মরমে ব্যথা কহি কহি না ধরয়ে থেহ॥ কাহাঁ মোর প্রাণেশ্বরী কাহাঁ গোবর্দ্ধনগিরি কাহাঁ মোর বংশী পীত বাস। প্রেমসিন্ধু উথলিল জগত ভরিয়া গেল না বুঝিল যদুনাথ দাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| গৌর-বরণ তনু সুন্দর সুখময় ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২০শ পল্লব, শ্রীগৌরচন্দ্র প্রকারান্তর, ২১৮০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি নিমানন্দ দাস বিরচিত পদরসসার পুথির ২২৮৮ সংখ্যক পদ। ॥ তথা রাগ॥ গৌর-বরণ তনু সুন্দর সুখময় সদয়-হৃদয় রসাল রে। কুন্দ করবির গাঁথন থরে-থর দোলনি বনি বন-মাল রে॥ গৌর-বামে বর প্রিয় গদাধর নিগুঢ় রস পরকাশ রে। রাস-মণ্ডল ঐছে ভানল প্রেমে গদ গদ ভাষ রে॥ নদিয়া নগরে চাঁদ কত কত দূরে গেও অন্ধিয়ার রে। কতহুঁ ঊয়ল দীপ নিরমল ইথেহুঁ লখই না পার রে॥ গৌর গদাধর প্রেম-সরোবর উথলি মহিতল পূর রে। দাস যদুনাথ বিধি-বিড়ম্বিত পরশ না পাই ঝূর রে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২) জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ২৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ গৌরবরণ তনু, সুন্দর সুধাময়, সদয় হৃদয় রসালয়ে। কুন্দকরবীর, গাঁথন থর থর, দোলনি বনি বনমালয়ে॥ গৌর বাসে বর, প্রিয় গদাধর, নিগূঢ় রস পরকাশয়ে। রাসমণ্ডল ঐছে, ভাসল প্রেমে, গদ গদ ভাসয়ে॥ নদীয়া নগরে, চাঁদ কত কত, দূরে গেও আঁধিয়ারে। কতিহু উয়ল, দীপ নিরমল, ইবেহুঁ নামই না পাররে॥ গৌর গদাধর, প্রেম সরোবর, উথলি মহিতল পূররে। দাস যদুনাথে, বিধি বিড়ম্বিত, পরশ না পাই ঝুররে॥ এই পদটি পুনঃ জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ৮২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ আনন্দ-কামোদ॥ গৌরবরণ তনু সুন্দর সুধাময় সদয় হৃদয় রসাল রে। কুন্দ-করবীর গাঁথন থরে থর দোলনী বনি বনমাল রে॥ গৌর বামে বর প্রিয় গদাধর নিগূঢ় রস পরকাশ রে। রাসমণ্ডল ঐছে ভাসল প্রেমে গদগদ ভাষ রে॥ নদীয়া-নগরে চাঁদ কত কত দূরে গেও আন্ধিয়ার রে। কতহু উয়ল দীপ নিরমল ইথেহু নামই না পার রে॥ গৌর-গদাধর প্রেম-সরোবর উথলি মহীতল পূর রে। দাস যদুনাথ বিধি-বিড়ম্বিত পরশ না পাইয়া ঝুর রে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ গৌরবরণ তনু সুন্দর সুধাময় সদয় হৃদয় রসালয়। কুন্দকরবীর গাঁথন থরে থর দোলনি বনমালা সে দোলয়॥ গৌর সেবাপর প্রিয় গদাধর গূঢ় রস পরকাশে। রাসমণ্ডল যেন ঐছে ভাসল প্রেমে গদ গদ ভাষে॥ নদীয়া নগরে চাঁদ কত কত দূরে গেও আঁধিয়ার। কতিহুঁ উয়ল দীপ নিরমল উলূক লখয়ি না পার॥ গৌর গদাধর প্রেম সরোবর উথলি মহীতল পূর। দাস যদুনাথ বিধিবিড়ম্বিত পরশ না পাইয়া ঝুর॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অপরূপ চাঁদ উদয় নদিয়াপুরে ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ (১৯২৩), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২০শ পল্লব, শ্রীগৌরচন্দ্র প্রকারান্তর, ২১৯১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি নিমানন্দ দাস বিরচিত পদরসসার পুথির ২২৯৯ সংখ্যক পদ। ॥ ধানশী॥ অপরূপ চাঁদ উদয় নদিয়াপুরে তিমির নাহি রে ত্রিভুবনে। অবনিতে অখিল জীবের শোক নাশল নিগম-নিগুড় প্রেম-দানে॥ আরে মোর গৌরসুন্দর রায়। ভকত-হৃদয়-কুমুদ পরকাশল অকিঞ্চন-জীবের উপায়॥ শেষ শঙ্কর নারদ চতুরানন নিরবধি যার গুণ গায়। সো পহু নিরুপম নিজ-গুণ শুনইতে আনন্দে ধরণী লোটায়॥ অরুণ নয়ানে বরুণ-আলয় বহয়ে প্রেম-সুধা-জল। যদুনাথ দাস বলে যেন সোণার কমলে প্রসবিছে মুকুতার ফল॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২) জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ২৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ অপরূপ চাঁদ উদয় নদীয়াপুরে তিমির না রহে ত্রিভুবনে। অবনীতে অখিল জীবের শোক নাশল নিগমনিগূঢ় প্রেমদানে॥ আরে মোর গৌরাঙ্গ সুন্দর রায়। ভকত-হৃদয়-কুমুদ পরকাশল অকিঞ্চন জীবের উপায়॥ ধ্রু॥ শেষ শঙ্কর, নারদ চতুরানন, নিরবধি যাঁর গুণ গায়। সো পহুঁ নিরুপম, নিজগুণ শুনইতে, আনন্দে ধরণী লোটায়॥ অরুণ নয়ানে, বরুণ-আলয়, বহয়ে প্রেমসুধা-জল। যদুনাথদাস বলে, জীবের করমফলে, প্রসবে সো মুকুতার ফল॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরচন্দ্র-প্রকারান্তর ॥ ধানশী॥ অপরূপ চাঁদ উদয় নদিয়াপুরে তিমির না রহে ত্রিভুবনে। অবনীতে অখিল জীবের শোক নাশল নিগমনিগূঢ় প্রেমদানে॥ (আরে মোর) গৌর সুন্দর রায়। ভকত-হৃদয়- কুমুদ পরকাশল অকিঞ্চন জীবের উপায়॥ ধ্রু॥ শেষ শঙ্কর নারদ চতুরানন নিরবধি যাঁর গুণ গায়। সো পহুঁ নিরুপম নিজগুণ শুনইতে আনন্দে ধরণী লোটায়॥ অরুণ নয়ান কিয়ে বরুণ-আলয় হেন বরিষয়ে প্রেমসুধা-জল। যদুনাথ দাস বলে জীবের করমফলে প্রসবে সো মুকুতার ফল॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চৈতন্য নিতাই আরে দোন ভাই নাচে রে ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২) জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ২০৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রামকেলি॥ চৈতন্য নিতাই আরে দোন ভাই নাচে রে। খোল করতাল, পঞ্চম রসাল, তা থৈয়া তা থৈয়া বাজে রে॥ সোনার কমল, করে টলমল, প্রেম-সিন্ধু মাঝে রে। উত্তম অধম, দীনহীন জন, এ ঢেউ সভারে বাজে রে॥ সাত সম্প্রদায়, অতি উভরায়, জগন্নাথ গায় রে। সভায় দেখিছে, সর্ব্বত্র নাচিছে, এককালে গোরারায় রে॥ অপূর্ব্ব ঐশ্বর্য্য, অপূর্ব্ব মাধুর্য্য, প্রকটিত এ লীলায় রে। যদুনাথ দাসে, প্রেমানন্দে ভাসে, পহুঁ কৃপালব চায় রে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রামকেলি॥ চৈতন্য নিতাই আরে দোন ভাই নাচে রে। খোল করতাল পঞ্চম রসাল তা থৈয়া তা থৈয়া বাজে রে॥ সোনার কমল করে টলমল প্রেম-সিন্ধু মাঝে রে। উত্তম অধম দীনহীন জন এ ঢেউ সভারে বাজে রে॥ সাত সম্প্রদায় অতি উভরায় জগন্নাথ আগে গায় রে। সভায় দেখিছে সর্ব্বত্র নাচিছে এককালে গোরা রায় রে॥ অপূর্ব্ব ঐশ্বর্য্য অপূর্ব্ব মাধুর্য্য প্রকটিত এ লীলায় রে। যদুনাথ দাসে প্রেমানন্দে ভাসে পহুঁ কৃপালব চায় রে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| জয় জয় কল রবে আনন্দে মাতিল সভে জয় জয় জয় রবে আনন্দে মাতিল সভে ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। তিনি পেয়েছিলেন নিমানন্দ দাস বিরচিত পদরসসার পুথির থেকে। শ্রীকৃষ্ণের জন্মোত্সব ॥ ধানশী॥ জয় জয় কল-রবে আনন্দে মাতিল সভে কেহু রহে কারো মুখ চাহিয়া। কারো পদ নাহি চলে কেহু আধ-আধ বোলে কেহু কেহু ডাকে উচ্চ করিয়া॥ গোপী বাস না সম্বরে লাজ ভয় দূর করে অঙ্গের ভূষণ পড়ে খসিয়া। কোন গোপী হাতাহাতি কহিয়া আনন্দে মাতি নন্দের অঙ্গনে যায় গড়িয়া॥ কেহু নৃত্য কেহু গীত সর্ব্ব-অঙ্গ পুলকিত কেহু গোপাল কোলে লয় তুলিয়া। কারো কোলে নীলমণি পদ্ম-উতপল জিনি গোপী রহে চান্দ-মুখ চাহিয়া॥ যদুনাথ দাসে সত্য সত্য করি কয়। গোপিকার প্রাণ-ধন যদু-রায় হয়॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ জয় জয় জয় রবে আনন্দে মাতিল সভে কেহু রহে কারো মুখ চাহিয়া। কারো পদ নাহি চলে কেহু আধ-আধ বোলে কেহু কেহু ডাকে উচ করিয়া॥ গোপী বাস না সম্বরে লাজ ভয় বহু দূরে অঙ্গের ভূষণ পড়ে খসিয়া। কোন গোপী হাতাহাতি করিয়া আনন্দে মাতি নন্দের অঙ্গনে যায় গড়িয়া॥ কেহু নৃত্য কেহু গীত সর্ব্ব-অঙ্গ পুলকিত কেহু গোপাল কোলে লয় তুলিয়া। কারো কোলে নীলমণি দেখে মুখ পদ্ম জিনি যদুনাথ রহে মুখ চাহিয়া॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |