ললিতা বচন শুনিয়া তখন ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীদাম ধরিল ছত্র পাত্র সুদাম ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীদাম বলে ধ ধবলী ফিরারে ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখি আমি আর না যাব যমুনা ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ১২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ কামোদ॥
সখি আমি আর না যাব যমুনা। কে আর ধৈরজ ধরে দেখিয়া সে জনা॥ পথের নিকটে ঘাটে যমুনার কূলে। অনুপম শ্যাম নাগর রহে তরুমূলে॥ অবিকল কলানিধি দেখিয়া বয়ান। হাসিতে নাশিতে পাবে রমণী পরাণ॥ তাহে অতি সুমধুর মুরলীর গীত। শুনি পশু পাখী কান্দে পাষাণ মিলিত॥ আপনা রাখিতে যার আছে অভিলাষ। সে জন দেখিতে তারে না করে প্রয়াস॥ এক অঙ্গ হেরইতে লাখ অঙ্গ কান্দে। দৈবে যদুনাথ দাস স্থির নাহি বান্ধে॥
হেন কালে বড়াই ফিরয়ে ঘরে ঘরে ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হের দেখ পুলিন সুন্দর ভণিতা যদুনাথ দাস কবি যদুনাথ দাস চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হের দেখ পুলিন সুন্দর। ইহা বলি ভাবেতে বিভোর॥ গদাধর সংহতি করিয়া। সংকীর্ত্তনে মিলিবে আসিয়া॥ রাধাকুণ্ডের ভাব হইল মনে। চাহে গোরা সুরধুনি পানে॥ তবে মোর পূর্ণ হবে আশ। কহতহি যদুনাথ দাস॥