কবি যদুনাথ দাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
নিয়ড় না হয়্য কানাই আমরা পরের নারী
ভণিতা যদুনাথ        
কবি যদুনাথ দাস
১৬৯৩ শকাব্দে অর্থাৎ ১১৭৮বঙ্গাদে অর্থাৎ ১৭৭১খৃষ্টাব্দে পদকর্তা দীনবন্ধু দাস সংকলিত,
১৩৩৬ বঙ্গাব্দে (১৯২৯খৃষ্টাব্দে) অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“সংকীর্ত্তনামৃত”, ২৫৪ পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ালি॥

নিয়ড় না হয়্য কানাই আমরা পরের নারী।
পরপুরুষের পবন পরশিলে সচেল সিনান করি॥
অধঃশির ঊর্দ্ধচরণে তপোবনে সেবহ শঙ্কর দেবে।
সতত অরণ্যে শরণ শৈলজা পূজা কর একভাবে॥
জাহ্নবী-জলধি-সঙ্গম নিকটে শঙ্কটে কামনা কর।
তভো বৃষভানু-নন্দিনীনিচোল অঞ্চল ছুইতে নার॥
কালি পয়োধর পান করিঞাছ অধরে সৌরভ পাই।
কোথা বা শিখিলে এত নাগরালি কহ না কাহার ঠাঞি॥
আমার অঙ্গের ছায়া ছুইতে মনে না করিহ সাধ।
গোঁয়ার গোয়ালা দেখিলে তোমা লঞা পাছে পড়ে পরমাদ॥
আলপে আলপে সঘনে সঘনে বচন রচহ মীঠ।
সব অভরণ থাকিতে হিয়ার হারে বাঢ়াঞাছ দীঠ॥
মদনে আকুল আপন দুকুল কলঙ্ক কি লাগি কর।
যদুনাথ বলে ইঙ্গিত নহিলে কি লাগি বাহু পসার॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
মোহন বিজই বনে দুরে গেও সখীগণে
ভণিতা যদুনাথ
কবি যদুনাথ দাস
১৬৯৩ শকাব্দে অর্থাৎ ১১৭৮বঙ্গাদে অর্থাৎ ১৭৭১খৃষ্টাব্দে পদকর্তা দীনবন্ধু দাস সংকলিত, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে
(১৯২৯খৃষ্টাব্দে) অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ২৬২ পদসংখ্যায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।


মোহন বিজই বনে                       দুরে গেও সখীগণে
একলা রহল ধনী রাই।
দুটি আঁখি ছল ছল                          রাইর চরণতল
কাহ্ন আসি পড়িল লোটাই॥
বিনোদিনী জনম সফল হল্য মোর।
তোমা হেন গুণনিধি                    পথে মিলাওল বিধি
আনন্দের কি কহব ওর॥
পারিলুঁ বসনখানি                     আস্য আস্য বিনোদিনী
মুখে করি বসনের বায়।
কত রবি উদিঞাছে                    বসনে মিলাঞা গেছে
কনকমঞ্জরি দুটি পায়॥
আনিঞা যমুনাজল                        ধোয়াইঞা পদতল
ধড়ার আচলে মোছাইল।
চূড়া ভাঙ্গি ফুল নিল                        রাইর চরণে দিল
বেদমন্ত্র পঢ়ি পূজা কৈল॥
নাগর আরতি করি                        রসবতি-করে ধরি
বসাইল আপনার পাশে।
মোহন বিজই বনে                            মীলল দুহুঁ জনে
যদুনাথ মনে মনে হাসে॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বাজল বেণু নিসান
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৬৯৩ শকাব্দে অর্থাৎ ১১৭৮বঙ্গাদে অর্থাৎ ১৭৭১খৃষ্টাব্দে পদকর্তা দীনবন্ধু দাস সংকলিত, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে
(১৯২৯খৃষ্টাব্দে) অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ২১০ পদসংখ্যায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বাজল বেণু নিসান।
করি কোন ছদ্ম                    পদ্মমুখি নিকসই
হেরইতে বিপিন পয়ান॥
সুন্দরি দেখই না পাওল রঙ্গ।
সো সুন্দর সুবদন                দ্রুত চলি গেও বন
কো জানে কোন তরঙ্গ॥
মেঘনাদ শুনি                        যৈছে চাতকিনী
ধাওল পানি পিয়াসে।
দক্ষিণ পবন                        দারুণ দুখ দেওল
ভৈ গেল বড়ই নিরাশে॥
তনয় পাঠাঞা বনে               যাহাঁ বৈঠে রোদনে
আভিররাজকি নারী।
তিতি তিতি নয়ন-                সলিল বহি যাওত
আওল গোপ কিশোরী॥
রাধা চন্দ্র-                          বদন হেরি সুন্দর
সব দুখ বিছুরল রাণী।
দুহুঁক অঞ্চলে                        দুহুঁ মুখ মোছই
পূছত গদ গদ বাণী॥
ছোড়ি নিশাস                          রাই পুন পূছত
কোন বিপিনে আজু গেলা।
যদুনাথ দাস কহে                    ঘর বড় দারুণ
তাহাঁ কাহাঁ যাওবি বালা॥

ই পদটি পুনঃ দীনবন্ধু দাস সংকলিত “সংকীর্ত্তনামৃত” গ্রন্থে, ২৪৬ পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বাজল বেণুনিসান।
করি কোন ছদ্ম                     পদ্মমুখি নিকসই
হেরইতে বিপিনপয়ান॥
সুন্দরি দেখই না পাওল রঙ্গ।
সো সুন্দর সুবদন                দ্রুত চলি গেও বন
কো জানে কোন তরঙ্গ॥
মেঘনাদ শুনি                        যৈছে চাতকিনী
ধাওল পানি পিয়াসে।
দক্ষিণ পবন                       দারুণ দেখ দেওল
গেল বড়ই নিরাশে॥
তনয় পাঠাঞা বনে              যাহা বৈঠে রোদনে
আভিররাজকি নারী।
তিতি তিতি নয়ন-                সলিল বহি যাওত
আওল গোপকিশোরী॥
রাধা-চন্দ্র-                          বদন হেরি সুন্দর
সব দুখ বিছুরল রাণী।
দুহুঁক অঞ্চলে                        দুহুঁ মুখ মোছই
পূছত গদ গদ বাণী॥
ছোড়ি নিশ্বাস                         রাই পুন পূছত
কোন বিপিনে আজু গেলা।
যদুনাথ দাস কহে                    ঘর বড় দারুণ
তাহাঁ কাহাঁ যাওবি বালা॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কপালে চন্দন-চান্দ কামিনীমোহন ফান্দ
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৬৯৩ শকাব্দে অর্থাৎ ১১৭৮বঙ্গাদে অর্থাৎ ১৭৭১খৃষ্টাব্দে পদকর্তা দীনবন্ধু দাস সংকলিত, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে
(১৯২৯খৃষ্টাব্দে) অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ২২৭ পদসংখ্যায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

কপালে চন্দন-চান্দ                      কামিনীমোহন ফান্দ
আন্ধারে করিয়া থাকে আলা।
মেঘের উপরে যেন                        সদাই উদয় করে
নিশি দিশি শশী ষোল কলা॥
কি হেরিলাম কদম্বতলাতে।
বিনা পরিচয়ে মোর                     পরাণ যেমন করে
জিতে কি পারিএ পাসরিতে॥
কিশোর বয়স বেশ                   আর তাহে রসাবেশ
আর তাহে ভাতিয়া চাহনী।
হাসির হিলোলে মোর                সে কি পাসরিবে আর
সুধই সুধার তনুখানি॥
যদুনাথ দাস বলে                  তারে দেখি কে না ভুলে
জগতে আছএ হেন প্রাণী॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নাগর আসিঞা রাইএরে দেখসিঞা
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৬৯৩ শকাব্দে অর্থাৎ ১১৭৮বঙ্গাদে অর্থাৎ ১৭৭১খৃষ্টাব্দে পদকর্তা দীনবন্ধু দাস সংকলিত, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে
(১৯২৯খৃষ্টাব্দে) অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ৪৪৪ পদসংখ্যায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।


নাগর আসিঞা রাইএরে দেখসিঞা।
বিরহে জারল গোরি                    জিএ দণ্ড দুই চারি
দূতীমুখে এ কথা শুনিঞা॥
বান্ধিতে রহিল চূড়া                        তিলক রইল মুড়া
তর নাহি সহে বাঁশী নিতে।
নূপুর বিহনে পায়                        অমনি চলিঞা যায়
পীতধড়া পরিতে পরিতে॥
লুনি জিনি সুকোমল                      ও রাঙ্গা চরণ-তল
কোথা পড়ে নাহিক ঠাহর।
কৃপা করি চাতকিরে                    পিয়াস করিতে দূরে
ধায় যেন নব জলধর॥
আবেশে রাধার ধাম                     আসি উত্তরিল শ্যাম
বিরহিনী জিল হেন বাসে।
যদুনাথ দাসে কয়                           মৃত তরু মুঞ্জরয়
বসন্ত নিয়ড় পরকাশে॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কহই কলহন্তে কটু ভাষ সব সহচরী
ভণিতা যদুনাথ
কবি যদুনাথ দাস
১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ২৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী - ঝাঁপতাল॥

কহই কলহন্তে কটু                        ভাষ সব সহচরী
গঞ্জি বরমানিনীক কাজে।
আপনি নিজ হিত বুঝি                    নাহকে উপেখলি
অবসি রোদসি কোন লাজে॥
যবহুঁ হরি চরণে ধরি,                লুটত তুয়া পৌরুষং
তবহুঁ তুহু রহলি নিজ গরবে।
শীতল কর কমল যুগ                   চরণে করি ঠেললি
অবহু মঝু মুখ চাহিলে কি হবে॥
(যব) ললিতা বহু সাধিয়ে,              বিষাদ ভাবি বৈঠল
বিশাখা তোয় মিনতি কত করল।
চিত্রা সহ নাগর,                          সুদেবী লেই সাধল
তবহু তোর দয়া কিছু না হল॥
অবহি ইন বিপতি দিনে            সাধসি কাহে জনে জনে
আগেতে ইহা কিছুই না বুঝলি।
কহই যদুনাথ অব                        বাম তোহে নাগর
আপন দোষে রমণী সব মজালি॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
(তখন) সখি সঙ্গে বসি কমলিনী
সখি সঙ্গে বসি কমলিনী
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ১০৩-পৃষ্ঠায় পদটি এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহিনী বেহাগ - ছোট আড়াধরণ তাল॥

(তখন) সখি সঙ্গে বসি কমলিনী।
কহে রাধে মনেরি কাহিনী॥
হেনকালে মুরলী বাজিল।
শুনি ধনি চমকি উঠিল॥
বলে আর না বেজো মুরলী।
কুল শীল সকলি নাশিলি॥
বাঁশী তুমি বাজ ধীরে ধীরে।
যাব আমি সেই অনুসারে॥
যদুনাথ দাসে কহে বাণী।
বিপিনে সাজিল বিনোদিনী॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কালা নিলে জাতিকুল প্রাণ নিলে বাঁশী
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ১০৩-পৃষ্ঠায় পদটি এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তিলক কামোদ - ডাঁশপাহিড়া॥

কালা নিলে জাতিকুল প্রাণ নিলে বাঁশী।
কালিয়া শ্যামের লাগি হব বনবাসী॥
গঞ্জে গঞ্জুক দুরুজনা তাহে না ডরাই।
ছাড়া ছাড়ুক নিজপতি আপদে এড়াই॥
তুষের অনলে যেন জ্বলে ধিকি ধিকি।
তেমতি কালার প্রেমে ঠেকিলাম সখি॥
সতত ভাসিগো যেন সোতের শেহলি।
এমন বেথিত নাই যে সুধায় রাধা বলি॥
সাপিনি দংশিলে তারে ঝাড়ে গুণিজনে।
কালিয়া দংশিলে তন্ত্র মন্ত্র নাহি জানে॥
যদুনাথ দাসে কয় শুন বিনোদিনী।
পানিসার মন্ত্র শ্যামের মরলী ধ্বনি॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অষ্টাদশ দণ্ড নিশা পরিমাণ যবে
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ১৩০-পৃষ্ঠায় পদটি এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেহাগ - তেওট॥

অষ্টাদশ দণ্ড নিশা পরিমাণ যবে।
গুরুজন পরিজন নিদ্রা যায় সবে॥
সাজিয়া চলিল ভেল বৃষভানু বালা।
পূর্ণিমার চাঁদ জিনি বদন উজ্জ্বলা॥
ঝলমল করে প্রতি অঙ্গের বিভূতি।
কনক মকুর মণি মাণিকের দ্যুতি॥
থল কমল দল চরণ-সঞ্চার।
নব অনুরাগে কত আরতি বিথার॥
যদুনাথ দাসে কহে আসি কুঞ্জ মাঝে।
চারি দিগে নেহারই হরি রসরাজে॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কি মোহন যাদুয়া কি রঙ্গ
ভণিতা যদুনাথ দাস
কবি যদুনাথ দাস
১৯৩৮ সালে প্রকাশিত সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”, ২১৭-
পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানসী সূহই - দশকুসী॥

কি মোহন যাদুয়া কি রঙ্গ।
নব নলিনী-দল                     জিনি মুখ সুন্দর
পঙ্ক বিরাজিত অঙ্গ॥
কর-জানু-ভর গতি                চরণ চঞ্চল অতি
ক্ষিতি চুম্বন মোতিমাল।
নিজ কটি কিঙ্কিণী                  ঝুমুর ঝুমুর শুনি
রহি রহি অঙ্গ নেহার॥
জননী ভরম হইয়া            আনের নিকট যাইয়া
আঁচল ধরিয়া উঠে কোলে।
ঊর্দ্ধে নয়ন করি                 বয়ান নেহারি হরি
মা বলিয়া আনদিকে চলে॥
বুদ্ধি রহিতে হেন                    ফিরে জগজীবন
যশোমতী দেখিয়ে অলিন্দে।
কহে যদুনাথ দাস                জনমে জনমে আশ
সো পহুঁ চরণারবিন্দে॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৬৯-পৃষ্ঠায় পদটি এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই ধানশী - দশকুশী॥

কি মোহন যাদুয়া কি রঙ্গ।
নব নলিনী-দল,                     জিনি মুখ সুন্দর,
পঙ্ক বিরাজিত অঙ্গ॥
কর জানু ভর গতি,                চরণ চঞ্চল অতি,
ক্ষিতি চুম্বন মোতিমাল।
নিজ কটি কিঙ্কিণী,                  ঝুমুর ঝুমুর শুনি,
রহি রহি অঙ্গ নেহার॥
জননী ভরম হইয়া,            আনের নিকট যাইয়া,
আঁচল ধরিয়া উঠে কোলে।
ঊর্দ্ধে নয়ন করি,                  বয়ান নেহারি হরি,
মা বলিয়া আনদিকে চলে॥
বুদ্ধি-রহিতে হেন,                     ফিরে জগজীবন,
যশোমতী দেখিয়ে অলিন্দে।
কহে যদুনাথ দাস,                জনমে জনমে আশ,
সো পহুঁ-চরণারবিন্দে॥

.        *************************        
.                                                                                
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর