কবি লোচনদাসের লোচন ও লোচনাদাস ভণিতার বৈষ্ণব পদাবলী
*
কানুক ঐছে দশা শুনি রাই
ভণিতা লোচনদাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার
“শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
             
কানুক ঐছে দশা শুনি রাই। কাতর নয়নেতে সখীমুখ চাই॥
কেমনে মিলব সখী নাগর পাশ। গগনে উদিত ভেল রবি পরকাশ॥
সাসুড়ি ননদি মোর সদাই অথির। তিল আধ নাহি করে নয়ন বাহির॥
রাজনন্দিনী আমি কুলবধূ বালা। পাড়াপড়সি হলো কলঙ্কের ডালা॥
কেমনে জাইব বল রহিতে না পারি। হিয়ার মাঝারে জাগে সেই নীলগিরি॥
সে হেন নাগর মোর আছএ কেমনে। সঙরি সঙরি হিয়া স্থির নাহি মানে॥
করহ উপায় জাব শ্যামদরশনে। কহএ লোচনদাস বিলম্ব আর কেনে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
উদ্বেগ দেখিএ ধনির সহচরিগণ
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার
“শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
             
উদ্বেগ দেখিএ ধনির সহচরিগণ। কানুর উদ্দেশে চলে সখী একজন॥
জাঁহা জাঁহা বিলসই তাঁহা তাঁহা জাই। চকিত বিলোকনে সব দিশ চাই॥
বিগলিত পত্র পশুপদে খরসাঁন। স্থকিতহি মানই আওল কান॥
নিকট ভেটল জব বনপশু জান। তুরিতে চলল  পুন মাধব ঠান॥
অব দূরে মিলল নাগররাজ। লোচনে কহে দূতী দেওল লাজ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”-এ পুনর্বার, ১১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উদ্বেগ দেখিএ ধনির সহচরীগণ। কানুর উদ্দেশে চলে সখী একজন॥
জাঁহা জাঁহা বিলসই তাঁহা তাঁহা জাই। চকিত বিলোকনে সব দিস চাই॥
বিগলিত পত্র পশুপদে খরসাঁন। স্থকিতহি মানল আওল কান॥
নিকট ভেঠল জব বনপশু জান। তুরিতে চলল  পুন মাধব ঠাম॥
অব দূরে মিলল নাগররাজ। লোচন কহে দূতী দেওলি লাজ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোরাগুণে আছিলা ঠাকুর নরহরি
ভণিতা লোচনদাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ
বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ১৬৫-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গৌরচন্দ্র॥

গোরাগুণে আছিলা ঠাকুর নরহরি।
স্বরূপ রূপ সনাতন মুকুন্দ মুরারি॥
প্রিয় গদাধর আর ঠাকুর শ্রীনিবাস।
প্রিয় বাসু ঘোষ আর প্রাণ হরিদাস॥
এ বড় রহল শেল মরম সহিতে।
একু বেলায় কোথা গেল না পাই দেখিতে॥
পরানের পরান গেল শ্রীরঘুনন্দন।
না মরে এ সব শোকে এ দাস লোচন॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোরা পহুঁ অদ্বৈতমন্দির ছাড়ি চলে
ভণিতা লোচনানন্দ
কবি লোচন দাস
এই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা
সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
লোচনানন্দ ভণিতার এই একটিই পদ পাওয়া গেছে
এই পদটি লোচনানন্দ ভণিতার পাতাতেও দেওয়া রয়েছে।

অথ ভবন্ বিরহঃ।
তত্র গৌরচন্দ্রঃ।
॥ পাহিড়া রাগ॥

গোরা পহুঁ অদ্বৈতমন্দির ছাড়ি চলে।
কান্দে শান্তিপুরনাথ                        শিরে দিঞা দুটি হাথ
লোটাঞা লোটাঞা ভূমিতলে॥
অদ্বৈতঘরণী কান্দে                          কেশপাশ নাহি বান্ধে
হা নাথ বলিঞা উচ্চস্বরে।
নিত্যানন্দ করি সঙ্গে                           আপন কীর্ত্তন রঙ্গে
কে আর নাচিবে মোর ঘরে॥
অনেক দিবস পরে                             অবধৌত বিশ্বম্ভরে
নানারূপে করিলা বিহারে।
এবে সেই দুটি ভাই                        কি দোষে ছাড়িয়া যাই
শান্তিপুর করিয়া আন্ধারে॥
নদিয়ানিবাসী যত                           কান্দে তারা অবিরত
হা হা বলি লোটায় ভূমিতলে।
লোচনানন্দ ভণ                                    গোকুল হই যেন
তেমতি হইল শান্তিপুরে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় শচী-নন্দন ত্রিভুবন-বন্দন
ভণিতা দাস লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯৩৭-৫৩সালের মধ্যে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ - বড় দশকুশী॥

জয় শচী-নন্দন,                        ত্রিভুবন-বন্দন,
ভুবন-মঙ্গল অবতার।
বেদ-গোপতধন,                     হরিনাম সংকীর্ত্তন,
অবনি করিতে পরচার॥
জয় জয় নিত্যানন্দ,               অক্রোধ পরমানন্দ,
প্রেমদাতা ভুবন-পাবন।
কলি-মদ-মাতঙ্গ-                     মদ বিনিবারিতে,
নামাঙ্কুশ করিয়া ধারণ॥
জয় শ্রীঅদ্বৈতচন্দ্র,                জয় গৌর ভক্তবৃন্দ,
জীব প্রতি শুভদৃষ্টি করি।
কলি-ভুজঙ্গম-বিঘ্ন,                   দমন করিতে যত্ন,
নদীয়াতে আসি গৌর হরি॥
জয় চৈতন্যের গণ,                  অবনি বসয়ে সব,
ভূমি লুঠি করয়ে বন্দন।
হয়েছেন হবেন যত,                হরিদাস কত শত,
নিবেদয়ে এ দাস লোচন॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কি দুর্ভাগ্য বলবন্ত গণিয়া না পাই অন্ত
ভণিতা দাস লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯৩৭-৫৩সালের মধ্যে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি বলরামদাসের ভণিতাতেও
পাওয়া গেছে।

॥ ধানশী - দশকুশী॥

কি দুর্ভাগ্য বলবন্ত,                        গণিয়া না পাই অন্ত,
জ্ঞানকর্ম্মে মুগ্ধ মুনিগণ।
যার নামে নিবেদন,                        অন্ন মাগে সেই জন,
তারে অন্ন না হৈল অর্পণ॥
অন্ন ভিক্ষা নাই মনে,                    শিক্ষা দিতে জগজনে,
গোবিন্দ পাঠাইল শ্রীদামেরে।
জ্ঞানকাণ্ডে কর্ম্মকাণ্ডে,                যে কিছু আছে ব্রহ্মাণ্ডে,
ইথে কেহ না পাবে আমারে॥
ইহা ভাবি ভক্তগণে,                       বিচার করিয়া মনে,
জ্ঞানকর্ম্ম কাণ্ড পরিহরি।
মদমত্ত সম জানে,                        বিষভাণ্ড করি মানে,
পরিহরি বোলে হরি হরি॥
লোচন দাস বলে তাই,                    জ্ঞানকর্ম্মে প্রেম নাই,
প্রেম বিনে না মিলে গোবিন্দ।
শ্রীকৃষ্ণ-প্রেম-দর্পণ,                        জ্ঞানিকে নহে অর্পণ,
কি দেখিবে যেথা জ্ঞান অন্ধ॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গুঞ্জ অলি পুঞ্জ বহু কুঞ্জে রহু মাতিয়া
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক, ৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ কাণড়া রাগ॥

গুঞ্জ অলি      পুঞ্জ বহু       কুঞ্জে মন মাতিয়া।
মত্তপিক       দত্তরবে       ফাটে মঝু ছাতিয়া॥
বল্লীযুত       মল্লীফুল          গন্ধসহ মারুতা।
কুঞ্জকলি        শৃঙ্গ অতি    বৃন্দ কাঁহু নৃত্যতা॥
সখি মন্দ মঝু ভাগিয়া।
কান্ত বিনা    ভ্রান্ত প্রাণ    কাহে রহু বাঁচিয়া॥ ধ্রু॥
ভস্ম তনু  ----পুষ্পধনু         সঙ্গে রস পুরিয়া।
অঙ্গ মঝু     ভঙ্গ করু      প্রাণ যাকু ফাটিয়া॥
পশ্য মঝু      দুঃখ হেরি    রোয়ে পশু পাখিরে।
বল্লী নব       কুঞ্জ ভেল      তুঙ্গ ভয় ভাজীরে॥
গচ্ছ সখি      পুচ্ছ কি বা    আনি দেহ নাহ রে।
স্পর্শসুখ      দর্শ লাগি      লোচনক আশ রে॥

ই পদটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত, সুকুমার সেন সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিরহ নিকৃন্তন

গুঞ্জ-অলি-            পুঞ্জ বহু             কুঞ্জে রহু             মাতিয়া।
মত্ত পিক-            দত্ত রবে            ফাটে মঝু            ছাতিয়া॥
বল্লীযুত              মল্লীফুল-             গন্ধসহ               মারুতা।
কুঞ্জকলি              শৃঙ্গ অলি-            বৃন্দ কাহে            নৃত্যতা॥
.                   সখি                    মন্দ মঝু            ভাগিয়া।
কান্ত বিনা             ভ্রান্ত প্রাণ           কাহে রহু            বাঁচিয়া॥ ধ্রু॥
ভস্মতনু               পুষ্পধনু             সঙ্গে রস-            পুরিয়া।
অঙ্গ মঝু              ভঙ্গ করু             প্রাণ যাকু            ফাটিয়া॥
পশ্য মঝু              দুঃখ হেরি            রোয়ে পশু-          পাখী রে।
বল্লী নব-             কুঞ্জ ভেল              তুঙ্গ ভয়-             ভাজী রে॥
গচ্ছ সখি            পুচ্ছ কিবা             আনি দেহ             নাহ রে।
স্পর্শ-সুখ             দর্শ লাগি             লোচনক             আশ রে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
চিকুর ফুরিছে বসন খুসিছে
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত, বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ও তারাপ্রসন্ন
ভট্টাচার্য্য সংকলিত এবং অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ সম্পাদিত, “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”, ৩য় খণ্ড, ২য়
সংখ্যা, ১৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভটীয়ালি রাগ॥

চিকুর ফুরিছে                        বসন খুসিছে
পুলক জৌবন ভার।
বাম অহ্গ আঁখি                    সঘনে নাচিছে
দুলিছে হিয়ার হার॥
সজনি মাধব আসিব ঘরে।
সব সুলক্ষণ                          দেখিলু এখন
নিশ্চয় কহিলু তোরে॥
দেখিলু সপন                            চারূ চর্রন
গিরির উপরে বসি।
মালতির মালা                       দধির পসরা
মাধব মিলিব আসি॥
হাথের বসন                          খসিছে এখন
দেবের মাথায় ফুল।
কহয়ে লোচন                          সব সুলক্ষণ
বিহি ভেল অনুকুল॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ছার লোকে না জানে মানুষ বলি কারে
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, মণীন্দ্রমোহন বসু সম্পাদিত “সহজিয়া সাহিত্য”,
২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।


ছার লোকে না জানে মানুষ বলি কারে।
মানুষের রীত দেখি লোকালোক মরে॥
মানুষ দেবের সীর।
যার প্রেম জগতে প্রচার॥
জগতের শ্রেষ্ঠ মানুষ করে কেলি।
প্রেম-পীরিতি-রসে মানুষ করে কেলি॥
মানুষের প্রেমলীলা গুপ্ত সব কাজে।
মানুষের ধর্ম্ম নহে লোকের সমাজে॥
তিন লোক চা’য়া আছে ইসব ধিয়ানে।
ঈশ্বর মানুষ সব কেহ নাই জানে॥
পরকীয়া রস     *    *    মানুষের হয়।        
লোচন বলে এই হয়, ঘুচিল সংশয়॥

মন্তব্য -
মানুষ প্রেম-পীরিত-রসে কেলি করেন, এবং তিনি দেবতারও শ্রেষ্ঠ, এইরূপ বিবৃতি অন্যান্য
পদেও পাওয়া যায়। ভগবান্ সচ্চিদানন্দ-স্বরূপ, এইভাবে সহজিয়ারা তাঁহাকে উপলব্ধি
করিতে চেষ্টা করেন নাই। তিনি যে প্রেমময়, এবং জগতে অদ্ভুত প্রেমলীলা করিতেছেন,
ইহাই তাঁহাদের মুখ্য ধারণা। তাঁহাদের প্রেমের উপাসনা এই আদর্শেই প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে।
---মণীন্দ্রমোহন বসু, সহজিয়া সাহিত্য॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কেবা সে প্রকৃতি পুরুষ কেবা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, মণীন্দ্রমোহন বসু সম্পাদিত “সহজিয়া সাহিত্য”, ২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

কেবা সে প্রকৃতি পুরুষ কেবা।
কে কারে মানুষ করয়ে সেবা॥
প্রকৃতি বলিয়া বলায় জগত।
প্রকৃতি কি বস্তু না জান এ তত্ত্ব॥
সত্ত্ব রদ তম প্রকৃতি আশ্রয়।
প্রকৃতি পরপুরুষ আশ্রয়॥
অতি সত্ত্ব-পুরুষ কহিতে না পারি।
না কহিলে কেহ নহে ইহার অধিকারী॥
অতি সত্ত্ব-পুরুষ মানুষ আশ্রয়।
মানুষ সভার শ্রেষ্ঠ সার @য়॥
কত মত আছেত কত জনে।
@ন্ত না জানে সেই রাধার স্মরণে॥
সেইত মানুষের অদ্ভুত চরিত।
অদ্ভুত শৃঙ্গার তার অদ্ভুত চরিত॥
মানুষ সেই জগতের সার।
লোচন কহে                        মহাবিষ্ণু না জানে
কেমনে জানিবে জীব ছার॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।

মন্তব্য -
যিনি নিত্যদেবরূপে মহাবিষ্ণুরও সৃষ্টিকর্ত্তা। যিনি পরমপুরুষ, তিনিই প্রকৃত মনুষ্য-পদবাচ্য। উপনিষদের
ব্রহ্মের পরিকল্পনা এখানে আছে।---মণীন্দ্রমোহন বসু, সহজিয়া সাহিত্য॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর