কবি লোচনদাসের লোচন ও লোচনাদাস ভণিতার বৈষ্ণব পদাবলী
*
হেম বরণি কনক চাঁপা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের শিষ্য মুকুন্দদাস গোস্বামী প্রণীত, রাসবিহারী
সাঙ্খ্যতীর্থ দ্বারা সম্পাদিত, মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী দ্বারা প্রকাশিত, পদাবলী সংকলন সহ
বৈষ্ণব সিদ্ধান্ত গ্রন্থ, “সিদ্ধান্ত-চন্দ্রোদয়”, ১৯০৫ খৃষ্টাব্দ, ১৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হেমবরণী রাই কনক চাঁপা।
বিধি দিয়াছে রূপ অঞ্জলি মাপা॥
তোহেঁ গোরি ধনি সো কাল অঙ্গ।
তোহেঁ তাহেঁ ভাল মিলবি সঙ্গ॥
এ নব যৌবন ধনি না করু নট।
অবিলম্বে শ্যাম নাগরে ভেট॥
মিনতি করিয়া লোচন কয়।
তুমি গেলে শ্যামের পরাণ রয়॥

ই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন
নিমানন্দ দাসের “পদরসসার” পুথি থেকে।

শ্রীরাধার পূর্ব্ব-রাগ
॥ ধানশী॥

হেম-বরণি কনক-চাঁপা।
বিধি দিছে রূপ আঁজল-মাপা॥
তুহুঁ গোরি ধনি সে কাল-অঙ্গ।
তুহুঁ তাহে ভালে মিলব সঙ্গ॥
এ নব-যৌবন না করি নটো।
অবিলম্বে শ্যাম-নাগরে ভেটো॥
মিনতি করিয়া লোচন কয়।
তুমি গেলে শ্যামের পরাণ রয়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের আপ্তদূতী
॥ ধানশী॥

হেমবরণি কনকচাঁপা।
বিধি দিছে রূপ আঁজল মাপা॥
তুঁহু গোরি ধনি সে কাল অঙ্গ।
তুঁহু তাহে ভালে মিলব সঙ্গ॥
এ নব যৌবন না করি নটো।
অবিলম্বে শ্যামনাগরে ভেটো॥
মিনতি করিয়া লোচন কয়।
তুমি গেলে শ্যামের পরাণ রয়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হেমবরণি কনকচাঁপা।
বিধি দিছে রূপ আঁজল মাপা॥
তুঁহু গোরি ধনি সে কাল অঙ্গ।
তুঁহু তাহে ভালে মিলব সঙ্গ॥
এ নব যৌবন না করি নটো।
অবিলম্বে শ্যামনাগরে ভেটো॥
মিনতি করিয়া লোচন কয়।
তুমি গেলে শ্যামের পরাণ রয়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
ঠারে ঠোরে তারে তোরে
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন
পাবনা জেলার রায়-দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ শ্রীরাগ॥

“ঠারে-ঠোরে তারে-তোরে
.                        দেখিলাম নয়ানে।
কিসের কথা কৈতেছিলি
.                        নন্দের পোয়ের সনে॥
যুবা মায়্যা পথে পায়্যা
.                        মধ্যে কিসের কথা।
হেন বুঝি দাদার আমার
.                        হেট্ করিবি মাথা॥”
“কিসের তর্জ্জন কিসের গর্জ্জন
.                        কিসের হেট্-মাথা
কখন কৈতেছিলাম নন্দের
.                        পোয়ের সনে কথা॥
নন্দের পোয়ের সনে কথা
.                        কৈতেছিলাম যদি।
তখন কেনে ধরিস নাই লো
.                        থুবড়া গরবা-গুণী॥
আপ্ নি যেমন পরকে তেমন
.                        শতেক-ভাতারি।
হাতে-নোথে ধরি আর
.                        সিন্ধ্-মুখে চুরি॥”
লোচন দাসের মনে আশ
.                        পূর্ ল এত দিনে
মরে না কেন ছার-কপালী
.                        দেখ্যা শ্যামের সনে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ শ্রীরাগ॥

ঠারে ঠোরে তারে তোরে
.                দেখিলাম নয়ানে।
কিসের কথা কৈতেছিলি
.                নন্দের পোয়ের সনে॥
যুবা মায়্যা পথে পায়্যা
.                মধ্যে কিসের কথা।
হেন বুঝি দাদার আমার
.                হেঁট করিবি মাথা॥”
কিসের তর্জন কিসের গর্জন
.                কিসের হেঁট মাথা।
কখন কৈতেছিলাম নন্দের
.                পোয়ের সনে কথা॥
নন্দের পোয়ের সনে কথা
.                কৈতেছিলাম যদি।
তখন কেনে ধরিস নাই লো
.                থুবড়া গরবাখাগী॥
আপ্ নি যেমন পরকে তেমন
.                শতেকভাতারি।
হাতে নোথে ধরি আর
.                সিন্ধ মুখে চুরি॥
লোচন দাসের মনে আশ
.                পূর্ ল এত দিনে
মরে না কেন ছারকপালী
.                দেখ্যা শ্যামের সনে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ঠারে ঠোরে তারে তোরে
.                দেখিলাম নয়ানে।
কিসের কথা কৈতেছিলি
.                নন্দের পোয়ের সনে॥
যুবা মায়্যা পথে পায়্যা
.                মধ্যে কিসের কথা।
হেন বুঝি দাদার আমার
.                হেঁট করিবি মাথা॥”
কিসের তর্জন কিসের গর্জন
.                কিসের হেঁট মাথা।
কখন কৈতেছিলাম নন্দের
.                পোয়ের সনে কথা॥
নন্দের পোয়ের সনে কথা
.                কৈতেছিলাম যদি।
তখন কেনে ধরিস নাই লো
.                থুবড়া গরবাখাগী॥
আপ্ নি যেমন পরকে তেমন
.                শতেকভাতারী।
হাতে নোথে ধরি আর
.                সিন্ধ মুখে চুরি॥
লোচন দাসের মনে আশ
.                পূরুল এত দিনে।
মরে না কেন ছারকপালী
.                দেখ্যা শ্যামের সনে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
আই আই লাজের কথা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“আই আই                          লাজের কথা
জাতি-কুল-নাশা বাণী।
সব বিড়াল্ নী                       বোলে রাধা
শ্যাম-সোহাগিনী॥
ঝাড়া কাপড়                           পড়ি যদি
বোলে দো-চারিণী।
সব বিড়াল্ নী                         সতা সতী
আমি ভালে জানি॥
একই                                  নগরে ঘর
কৃষ্ণ খেলার সাথী।
সেই পিরিতে                       নাগর কানাই
আইসে নিতি-নিতি॥”
লোচন বোলে                        আগো দিদি
ভয় করিছ কারে।
ভুবন                                 যাহার বশ
বশ কব়্যাছ তারে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

আই আই লাজের কথা   
.                জাতিকুলনাশা বাণী।
সব বিড়াল্ নী বোলে রাধা
.                শ্যামসোহাগিনী॥
ঝাড়া কাপড় পড়ি যদি   
.                বোলে দোচারিণী।
সব বিড়াল্ নী সতা সতী
.                আমি ভালো জানি॥
একই নগরে ঘর         
.                কৃষ্ণ খেলার সাথী।
সেই পিরিতে নাগর কানাই
.                আইসে নিতি-নিতি॥
লোচন বোলে আগো দিদি
.                ভয় করিছ কারে।
ভুবন যাহার বশ       
.                বশ কব়্যাছ তারে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৩৭-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আই আই লাজের কথা   
.                জাতিকুলনাশা বাণী।
সব বিড়াল্ নী বোলে রাধা
.                শ্যামসোহাগিনী॥
ঝাড়া কাপড় পড়ি যদি   
.                বোলে দোচারিণী।
সব বিড়াল্ নী সতা সতী
.                আমি ভালো জানি॥
        একই নগরে ঘর কৃষ্ণ খেলার সাথী।
সেই পিরিতে নাগর কানাই
.                আইসে নিতি নিতি॥
লোচন বোলে আগো দিদি
.                ভয় করিছ কারে।
          ভুবন যাহার বশ বশ কব়্যাছ তারে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শিশু-কালের ভালোবাসা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“শিশু-কালের ভালোবাসা
.                        তোমরা বল কি।
কিসের লাগ্যা ডর করিব
.                        বাপের ঘরের ঝি॥
তোমরা তো কো কথা   
.                        হৈয়া কুল-নারী।
আমার সাথে দেখি লোকে
.                        করে ঠারা-ঠারি॥
চাউটা-নাউটা কত কথা  
.                        কয় কত ঠাঞি।
এমন কভু দেখি নাই      
.                        শুন আগো মাই॥
সব যুবতী মেলি মোরা    
.                        গিয়াছিলাম জলে।
চৌখের মাথা খায়্যা কেবা
.                        বৈলা দিল ঘরে॥”
লোচন বলে ডর কি হেইলো
.                        নোত রাখ্যাছে কেটা।
কাকে সতী রাখ্যাছে সে   
.                        নন্দ ঘোষের বেটা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

শিশুকালের ভালোবাসা  
.                তোমরা বল কি।
কিসের লাগ্যা ডর করিব
.                বাপের ঘরের ঝি॥
তোমরাও তো কও কথা
.                হৈয়া কুল-নারী।
আমার সাথে দেখি লোকে
.                করে ঠারাঠারি॥
চাউটা-নাউটা কত কথা  
.                কয় কত ঠাঞি।
এমন কভু দেখি নাই     
.                শুন আগো মাই॥
সব যুবতী মেলি মোরা  
.                গিয়াছিলাম জলে।
চৌখের মাথা খায়্যা কেবা
.                বৈলা দিল ঘরে॥
 লোচন বলে ডর কি হেইলো
.                নোত রাখ্যাছে কেটা।
কাকে সতী রাখ্যাছে সে
.                নন্দ ঘোষের বেটা॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শিশুকালের ভালোবাসা  
.                তোমরা বল কি।
কিসের লাগ্যা ডর করিব
.                বাপের ঘরের ঝি॥
তোমরাও তো কও কথা
.                হৈয়া কুলনারী।
আমার সাথে দেখি লোকে
.                করে ঠারাঠারি॥
চাউটা নাউটা কত কথা  
.                কয় কত ঠাঞি।
এমন কভু দেখি নাই     
.                শুন আগো মাই॥
সব যুবতী মেলি মোরা  
.                গিয়াছিলাম জলে।
চৌখের মাথা খায়্যা কেবা
.                বৈলা দিল ঘরে॥
লোচন বলে ডর কি হেইলো
.                নোত রাখ্যাছে কেটা।
কাকে সতী রাখ্যাছে সে
.                নন্দ ঘোষের বেটা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বিষম হইল বড় শ্যাম বন্ধুর লেঠা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“বিষম হইল বড় শ্যাম-বন্ধুর লেঠা।
লোড় করিতে ননদ-মাগী দেয় সেই খোঁটা॥
কালি বিকাল-                        বেলায় আমরা
যাইতেছিলাম জলে।
ঠেকড়া মাব়্যা                          কলসী কাড়্যা
রাখ্ল লইয়া ঘরে॥
বড় ভয়                                  কব়্যা আর
না বারাল্যাম নাছে।
মন মুরছি                                 বসিয়া যে
রহিলাম এক-পাশে॥
দণ্ড-চারি                             বেলা থাক্ তে
আইল তার ভাই।
কত কথা                                কৈলে তার
লেখা-জোখা নাই॥
কি কৈলাম                           কোথা দেখলে
কেবা দিলে বল্যা।”
লোচন বোলে                            আগো দিদি
সে চৌখ ছয়-রথ খাল্যা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

বিষম হইল বড় শ্যামবন্ধুর লেঠা।
লোড় করিতে                              ননদমাগী
দেয় সেই খোঁটা॥
কালি বিকাল-                       বেলায় আমরা
যাইতেছিলাম জলে।
ঠেকরা মাব়্যা                        কলসী কাড়্যা
রাখ্ল লইয়া ঘরে॥
বড় ভয়                                 কব়্যা আর
না বাব়্যালাম নাছে।
মন মুরছি                               বসিয়া যে
রহিলাম এক-পাশে॥
দণ্ড-চারি                            বেলা থাক্ তে
আইল তার ভাই।
কত কথা                               কৈলে তার
লেখাজোখা নাই॥
কি কৈলাম                          কোথা দেখলে
কেবা দিলে বল্যা।
লোচন বলে                            আগো দিদি
সে চৌখ ছয়রথ খাল্যা॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিষম হইল বড় শ্যামবন্ধুর লেঠা।
লোড় করিতে ননদমাগী    
.                                দেয় সেই খোঁটা॥
কালি বিকালবেলায় আমরা
.                                যাইতেছিলাম জলে।
ঠেকরা মাব়্যা কলসী কাড়্যা
.                                রাখ্ল লইয়া ঘরে॥
বড় ভয় কব়্যা আর       
.                                না বাব়্যালাম নাছে।
মন মুরছি বসিয়া যে      
.                                রহিলাম একপাশে॥
দণ্ড চারি বেলা থাকতে    
.                                আইল তার ভাই।
কত কথা কৈলে তার     
.                                লেখাজোখা নাই॥
কি কৈলাম কোথা দেখলে
.                                কেবা দিলে বল্যা।
লোচন বলে আগো দিদি
.                                সে চৌখ ছয়রথ খাল্যা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
যে ক্লেশ পথে কেউ নাই সাথে
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“যে ক্লেশ পথে                      কেউ নাই সাথে
গিয়াছিলাম জলে।
হেন বেলাতে                          বিনোদ কালা
কদম্বের তলে॥
আঁখি ঠাব়্যা                              ডাকে যদি
গেলাম তার কাছে।
কত কথা                                 কৈল বন্ধু
কৈতে নারি লাজে॥
বন্ধুর সনে                               কথা আমি
কৈছি হাস্যা হাস্যা।
হেন বেলাতে                             ননদ-মাগী
দেখিলেক আস্যা॥
কেমন কব়্যা                           ঘরকে যাব
ডর লাগ্যাছে বড়।”
লোচন বোলে                           আগো দিদি
বুক করো গা দড়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ তথা রাগ॥

যে ক্লেশ পথে                   কেউ নাই সাথে
গিয়াছিলাম জলে।
হেন বেলাতে                     বিনোদ কালা
কদম্বের তলে॥
আঁখি ঠাব়্যা                          ডাকে যদি
গেলাম তার কাছে।
কত কথা                              কৈল বন্ধু
কৈতে নারি লাজে॥
বন্ধুর সনে                           কথা আমি
কৈছি হাস্যা হাস্যা।
হেন বেলাতে                          ননদমাগী
দেখিলেক আস্যা॥
কেমন কব়্যা                        ঘরকে যাব
ডর লাগ্যাছে বড়।
লোচন বলে                        আগো দিদি
বুক করো গা দড়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যে ক্লেশ পথে কেউ নাই সাথে
.                                গিয়াছিলাম জলে।
হেন বেলাতে বিনোদ কালা    
.                                কদম্বের তলে॥
আঁখি ঠাব়্যা ডাকে যদি       
.                                গেলাম তার কাছে।
কত কথা কৈল বন্ধু           
.                                কৈতে নারি লাজে॥
বন্ধুর সনে কথা আমি       
.                                কৈছি হাস্যা হাস্যা।
হেন বেলাতে ননদমাগী       
.                                দেখিলেক আস্যা॥
কেমন কব়্যা ঘরকে যাব     
.                                ডর লাগ্যাছে বড়।
লোচন বলে আগো দিদি     
.                                বুক করো গা দড়॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শুন গো তাহার কাজ কহিতে হাসিয়ে লাজ
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“শুন গো তাহার কাজ                        কহিতে হাসিয়ে লাজ
দেখা হৈল কদম্বের তলে।
বিবিধ ফুলের মালা                          যতনে গাঁথিয়া কালা
পরাইতে চাহে মোর গলে॥
আমি মরি ঐ দুখে                           ভয় নাহি তার বুকে
সাত পাঁচ সখী ছিল সাথে।
চাতুরী করিয়া চার                          বসনে করিলাম আড়
ডর হৈল পাছে কেহ দেখে॥
না জানে আপন পর                             সকল বাসয়ে ঘর
কারো পানে ফিরিয়া না চায়।
আমারে দেখিয়া হাস্যা                      বাহু পসারিয়া আস্যা
মুখে মুখ দিয়া চুমা খায়॥
গলাতে বসন ধরে                            কত না মিনতি করে
কথা না কহিলাম আমি লাজে।”
লোচন বোলে গেল কুল                        গোকুল হৈল উলথুল
আর কি চাতুরী ধনি সাজে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ধামালী
(রসোদ্গার)
॥ তথারাগ॥

শুন গো তাহার কাজ                        কহিতে বাসিয়ে লাজ
দেখা হৈল কদম্বের তলে।
বিবিধ ফুলের মালা                          যতনে গাঁথিয়া কালা
পরাইতে চায় মোর গলে॥
আমি মরি ঐ দুখে                           ভয় নাহি তার বুকে
সাত পাঁচ সখী ছিল সাথে।
চাতুরী করিয়া সার                          বসনে করিলাম আড়
ডর হৈল পাছে কেহ দেখে॥
না জানে আপন পর                            সকল বাসয়ে ঘর
কারো পানে ফিরিয়া না চায়।
আমাকে দেখিয়া হাস্যা                     বাহু পসারিয়া আস্যা
মুখে মুখ দিয়া চুমা খায়॥
গলাতে বসন ধরে                           কত না মিনতি করে
কথা না কহিলাম আমি লাজে।
লোচন বোলে গেল কুল                      গোকুল হৈল উলথুল
আর কি চাতুরী ধনি সাজে॥

ই পদটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত, সুকুমার সেন সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রথম মিলন

শুন গো তাহার কাজ                        কহিতে বাসিয়ে লাজ
দেখা হৈল কদম্বের তলে।
বিবিধ ফুলের মালা                          যতনে গাঁথিয়া কালা
পরাইতে চায় মোর গলে
আমি মরি অই দুখে                         ভয় নাহি তার বুকে
সাত পাঁচ সখি ছিল সাথে।
চাতুরী করিয়া চার                         বসনে করিলাম আড়
ডর হৈল পাছে কেহ দেখে
না জানে আপন পর                            সকল বাসয়ে ঘর
কারো পানে ফিরিয়া না চায়।
আমারে দেখিয়া হাস্যা                      বাহু পসারিয়া আস্যা
মুখে মুখ দিয়া চুমা খায়।
গলাতে বসন ধরে                            কত না মিনতি করে
কথা না কহিলাম আমি লাজে।
লোচন বোলে গেল কূল                      গোকুল হৈল উলথুল
আর কি চাতুরী ধনি সাজে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন গো তাহার কাজ কহিতে বাসিয়ে
.        লাজ দেখা হৈল কদম্বের তলে।
বিবিধ ফুলের মালা যতনে গাঁথিয়া   
.        কালা পরাইতে চায় মোর গলে॥
আমি মরি ঐ দুখে ভয় নাহি তার বুকে
.        সাত পাঁচ সখী ছিল সাথে।
 চাতুরী করিয়া সার বসনে করিলাম আড়
.        ডর হৈল পাছে কেহ দেখে॥
না জানে আপন পর সকল বাসয়ে ঘর
.        কারো পানে ফিরিয়া না চায়।
আমাকে দেখিয়া হাস্যা বাহু পাসারিয়া
.        আস্যা মুখে মুখ দিয়া চুমা খায়॥
গলাতে বসন ধরে কত না মিনতি করে
.        কথা না কহিলাম আমি লাজে।
লোচন বোলে গেল কুল গোকুল হৈল   
.        উলথুল আর কি চাতুরী ধনি সাজে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
গোধূলি সময় আছে
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

গোধূলি-                             সময় আছে
ঝিকিমিকি-বেলা।
হাস্যা হাস্যা                         ঘর সন্ধাইল
বিনোদ নাগর কালা॥
একলা আমি                         বস্যা আছি
কেহ নাহি ঘরে।
গা দুর্ দুর্                          করে মোর
ননদিনীর ডরে॥
হেন সময়                             আকস্মাত
আইল মোর পতি।
অঙ্গ-ছটায়                           ঘর ঝল-মল
লুকাইব কতি॥
“কেও কেও                     হেইগো হেইগো”
কৈল দারুণ শোর।
“সাঁজের বেলা                       কোথা হৈতে
আইল দারুণ চোর॥”
লোচন বোলে                        আগো দিদি
তুমি যেমন ঠেটা।
তেমনি                                ডিঙ্গর বটে
নন্দঘোষের বেটা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

গোধূলি                             সময় আছে
ঝিকিমিকি বেলা।
হাস্যা হাস্যা                       ঘর সন্ধাইল
বিনোদ নাগর কালা॥
একলা আমি                       বস্যা আছি
কেহ নাহি ঘরে।
গা দুর্ দুর্                        করে মোর
ননদিনীর ডরে॥
হেন সময়                           আকস্মাত
আইল মোর পতি।
অঙ্গ ছটায়                          ঘর ঝলমল
লুকাইব কতি॥
কে ও কে ও                   হেইগো হেইগো
কৈল দারুণ শোর।
সাঁজের বেলা                      কোথা হৈতে
আইল দারুণ চোর॥
লোচন বোলে                      আগো দিদি
তুমি যেমন ঠেটা।
তেমনি                             ডিঙ্গর বটে
নন্দ ঘোষের বেটা॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোধূলি সময় আছে      
.                                ঝিকিমিকি বেলা।
হাস্যা হাস্যা ঘর সন্ধাইল
.                                বিনোদ নাগর কালা॥
একলা আমি বস্যা আছি
.                                কেহ নাহি ঘরে।
গা দুর্ দুর্ করে মোর   
.                                ননদিনীর ডরে॥
হেন সময় অকস্মাত     
.                                আইল মোর পতি।
অঙ্গ ছটায় ঘর জলমল  
.                                লুকাইব কতি॥
  কে ও কে ও হেইগো হেইগো
.                                কৈল দারুণ শোর।
সাঁজের বেলা কোথা হৈতে
.                                আইল দারুণ চোর॥
লোচন বলে আগো দিদি
.                                তুমি যেমন ঠেটা।
তেমনি ডিঙ্গর বটে      
.                                নন্দ ঘোষের বেটা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শুন শুন ওগো সই
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“শুন শুন                                 ওগো সই
দণ্ড দুই চাইর রাইতে।
দাদা ঘর                             নাই---গেলাম
বইয়ের কাছে শুইতে॥
প্রদীপ লৈয়া                         ঘর ঢুকিলাম
(সুধাইলাম) তোর কোলে কে।
ঢাক করিয়া                      বোলে তোমার
দাদা আস্যাছে॥
দাদা আমার                        শুইয়া আছে
আমি মরি ডাক্যা।
বুকের ভিতর                     কব়্যা রাখ্ ছে
বসন দিয়া ঢাক্যা॥
বসন খুল্যা                         দেখলাম যদি
নন্দের ঘরের কানু।
ধরব বল্ তে                   দৌড়ায়্যা পলায়
কাড়্যা রাখছি বেণু॥”
লোচন দাসের                      মনের আশা
পূর্ ল এত-দিনে।
রাধার প্রেম                          বেক্ত হৈল
নন্দের পোয়ের সনে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৪৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কুটিলার উক্তি
॥ তথারাগ॥

শুন শুন                                  ওগো সই
দণ্ড দুইচাইর রাইতে।
দাদা ঘর                             নাই---গেলাম
বইয়ের কাছে শুইতে॥
প্রদীপ লৈয়া                          ঘর ঢুকিলাম
(সুধাইলাম) তোর কোলে কে।
ঢাক করিয়া                        বোলে তোমার
দাদা আস্যাছে॥
দাদা আমার                          শুইয়া আছে
আমি মরি ডাক্যা।
বুকের ভিতর                       কব়্যা রাখ্ ছে
বসন দিয়া ঢাক্যা॥
বসন খুল্যা                           দেখ্লাম যদি
নন্দের ঘরের কানু।
ধরব বল্ তে                        দৌড়া পলায়
কাড়্যা রাখছি বেণু॥”
লোচন দাসের                        মনের আশা
পুর্ ল এত দিনে।
রাধার প্রেম                             বেক্ত হৈল
নন্দের পোয়ের সনে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন শুন ওগো সই            .
.                                দণ্ড দুইচাইর রাইতে।
দাদা ঘর নাই গেলাম        .
.                                বইয়ের কাছে শুইতে॥
প্রদীপ লৈয়া ঘর ঢুকিলাম    
.                                (সুধাইলাম) তোর কোলে কে।
ঢাক করিয়া বোলে তোমার
.                                দাদা আস্যাছে॥
দাদা আমার শুইয়া আছে   
.                                আমি মরি ডাক্যা।
বুকের ভিতর কব়্যা রাখ্ ছে
.                                বসন দিয়া ঢাক্যা॥
বসন খুল্যা দেখ্লাম যদি    
.                                নন্দের ঘরের কানু।
ধরব বল্ তে দৌড়া পলায়  
.                                কাড়্যা রাখছি বেণু॥”
লোচন দাসের মনের আশা
.                                পুরাঁল এত দিনে।
রাধার প্রেম বেক্ত হৈল     
.                                নন্দের পোয়ের সনে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
আর না গোকুলে রবো শুন গো যশোদা
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত
পদরত্নাবলী”, ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি তিনি পেয়েছিলেন পাবনা জেলার রায়-
দৌলতপুরের বিহারীলাল অধিকারীর “দৌঃ” পুথি থেকে।

ব্রজ-লীলা রসোদ্গার
॥ তথা রাগ॥

“আর না গোকুলে রবো শুন গো যশোদা।
আমার বৌয়ের কলঙ্ক রটালে তোমার বেটা॥
লোড় করিতে                           বাড়ীকে যায়
কাহুক না মানে।
পাথর-বুকে                             ঘর ঢুকে গো
ভয় নাহি তার মনে॥
বৌকে আমার                             কৈল সেই
কুলের খাখারি।
ঘাটে মাঠে                             বোলে লোকে
আর সইতে নারি।
তোর বেটার                              সনে মোর
কিবা ছিল বাদ।
ঘুচাইলে                               গোকুলের বাস
পূর্ ল মনের সাধ॥”
“বলিলে তো                           হয় না হেই গো
দেও সাবুদ কব়্যা।”
লোচন বোলে                             আমি জানি
লোত রাখ্যাছি কাড়্যা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর