কবি লোচনদাস ঠাকুর ও লোচনানন্দ ঠাকুরের বৈষ্ণব পদাবলী
*
আর মঝু বাণী শুনহ বর রাই
ভণিতা দীন লোচন দাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের,
রসিকমোহন বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত
বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ ১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক,
৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ সুহয়ী রাগ॥

আর মঝু বাণী শুনহ বর রাই।
মাধব-রাগ পরিহর ঘর যাই॥ ধ্রু॥
তুঁহু বর সুন্দরী অখিল জগত-সার।
কুল শীল ধৈরজ ধরমে অপার॥
পতিবরতাক এমত নহু রাত।
নিজ পতি ছোড়কে না করু অনুচিত॥
অকৃতি পতি যদি হয় গুণহীন।
তবি কুলকামিনী তাক অধীন॥
কেশরী অলখি না ভুলত হরিণী।
সুশীতল চাঁদ না ভজত নলিনী॥
কুল বনিতাগণ এমত বেভার।
পরপুরুষাদি গমন দুরাচার॥
এত শুনি নাগরী হওল উদাস।
আশ্বাস করত দীন লোচন দাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সখি হে কি কহব সে সব দুঃখ
ভণিতা দীন লোচন দাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের,
রসিকমোহন বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত
বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ ১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক,
৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ দুঃখী বরাড়ী রাগ॥

সখি হে কি কহব সে সব দুঃখ।
আমার অন্তর     হয় জর জর       বিদরিয়া যায় বুক॥ ধ্রু॥
প্রেমের বদন     না জানে কখন      নিদয় নিঠুর হরি।
কুলিশ সমান     তাহার পরাণ       বধিতে অবলা নারী॥
প্রেম দুরাচার     না করে বিচার     স্থানাস্থান নাহি জানে।
সে শঠ লম্পট     কুটিল কপট        নিশি দিশি পড়ে মনে॥
হাম কুলবতী     নবীনা যুবতী        কানুর পিরিতি কাল।
তাহাতে মদন     হইয়া দারুণ        হৃদয়ে হানয়ে শেল॥
আনের বেদন      আনে নাহি জানে     শুনলো পরাণ সখি।
মোর মনোদুঃখ     তুমি নাহি দেখ     আন জনে কাঁহা লখি॥
কি দোষ তোমার     পরাণ আমার     সেহ মোর বশ নয়।
কানু বিরহেতে     বলিলে যাইতে     তথাপি প্রাণ না যায়॥
নারীর যৌবন        দিন দুই তিন         যেন পদ্মপত্র্রের-জল।
বিধি মোরে বাম     না হেরিল শ্যাম     আমার করম ফল॥
সখীর সদন         করি বিলোপন         সজল নয়ন ধনী।
হেরিয়া লোচন        আশ্বাস বচন     কহে যুড়ি দুই পাণি॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নাগর বর শুন মঝু বচন আলাপ
ভণিতা দীন লোচন দাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের,
রসিকমোহন বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত
বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ ১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক,
৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ ধানসী॥

নাগর বর শুন মঝু বচন আলাপ॥ ধ্রু॥
শশিমুখী সখী যব    ভেজলি বর মোহিনী    তহুঁ মিকুঞ্জে হাম থেহ।
তিরই নিজ অঙ্গ    শুনল শঠ চাতুরী       যত যত কহলহি নাহ॥
রসময় বচন        শুনই বর নাগর        পুলক বদনে করু হাস।
নিশি অবশেষে    অরুণ কিরণে যনু    সরসী সরস পরকাশ॥
সতত কেলিসর    পরিহরি মাধব         আদরে শুন তুয়া নাম।
মদন শরাসনে      জর জর অন্তর        অকুশল শত নাহি মান॥
মন্দ বিচলিত      মলয়জ চন্দন          ভেলি সখি ভসম সমান।
বিরহ-হুতাশনে    জর জর তনু মন      ছটফট করত পরাণ॥
ফলল মনস্তরু      শুন বর নাগরি        অব সখি না হও উদাস।
ধৈরজ ধর চিতে    আনব সোই নাগর    কহত দীন লোচন দাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সখি! চাতকিনী আছে জল আশে
ভণিতাহীন পদ
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

সখি! চাতকিনী আছে জল আশে।
উদয় নবীন ঘন,                        অলখি তাহার মন
আনন্দ-লহরী নীরে ভাসে॥ ধ্রু॥
চিরকাল ধেয়াইয়া                   মেঘে থাকে তাকাইয়া
তাহে বিধি হৈল বিপরীত।
দারুণ সে ঝঞ্ঝাবাতে                    মেঘ নিল অন্যপথে
চাতকিনীর কি হৈবে গতি॥
মেঘ বিনা সে বাঁচে না              অন্য জল সে পিয়ে না
তৃষ্ণায় মরে অবলা পরাণে।
হায় বিধি এ কি কৈলা                দেখাইয়া হরি লৈলা
তোর বুদ্ধি অজ্ঞের সমানে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শুনহ সুমুখী নহ মন দুঃখী
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৩য় অঙ্ক, ৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

শুনহ সুমুখী    নহ মন দুঃখী    হৃদয়ে না ভাব ত্রাস।
প্রথমে মুকুলা    চটুল নলিনী    কারে না করে উল্লাস॥ ধ্রু॥
জন মনোহর    সৌরভ তাহার    যদি মধুকর পায়।
শিথিল ধৈরজ    হই অলিরাজ    আকুল হইয়া ধায়॥
শুন শুন হে পরাণ প্রিয়া।
তব গুণগারাম    শুনিয়া সে নাম    ছাড়ি উদাসীন হইয়া॥
কপট বিমুখ    তাহে মন দুঃখ    না ভাব সুন্দরি তুমি।
তোমার পিরিতি    নবীত আরতি    ছলেতে জানিল আমি॥
“আর না ভাব পরাণ-রাধা।
তুমি হে আমার    আমি হে তোমার    ঘুচাও মনের বাধা।
কৈতব তেজিল    এত লিখি দিল    বিনা মূলে তব দাস।”
পড়িয়া লিখন    হাসে সখীগণ    লোচন মন উল্লাস॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অয়ে দেখিতে লাগয়ে সাধ
ভণিতা দীন লোচন দাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৪র্থ অঙ্ক, ৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ পূরবী রাগ॥

অয়ে দেখিতে লাগয়ে সাধ।
অনেক দিবস    পরে অলখিত    কালাচাঁদ পরমাদ॥ ধ্রু॥
সে চাঁদ অধর    অতি সুমধুর    এবে সে বিধুর দেখি।
অনঙ্গ-বিশিখে    অঙ্গ তর তর    ঝুরয়ে কমল আঁখি॥
উড়ুর নাগর    যেন তার কর    নলিনী মলিনীকরে।
তেমা@ মলিন    কানুর বদন    প্রবল মদন-শরে॥
পরিহরি কেলি    সতত ব্যাকুলি    দেখিয়া বিদরে বুক।
বিরহে ধূষর    কানুর শরীর    তাহাতে উপজে দুখ॥
এতেক বিচারি    মদনসুন্দরী    করয়ে ঈষৎ হাস।
কর জোড় করি    আশ্বাসে মুরারি    এ দীন লোচন দাস॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সখা হে মোর দুর্দ্দৈব-বিলাস
ভণিতাহীন পদ
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৪র্থ অঙ্ক, ৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ যথা রাগ॥

সখা হে মোর দুর্দ্দৈব-বিলাস।
হেলে হারাইয়া মণি                        এবে ঝুরে মোর প্রাণী
মন মোর সতত উদাস॥ ধ্রু॥
যবে সেই পদ্মমুখী                           অনঙ্গ-পত্রিকা লিখি
পাঠাইয়া দিল দূতী-হাতে।
তবে কৈল উপহাস                          এবে হলো সর্ব্বনাশ
সম্বরিতে নারি সখা চিতে॥
করি মুঞি শুদ্ধি বুদ্ধি                        তেজিলাম গুণনিধি
না দেখি উপায় আর সখা।
যদি থাকে পূর্ব্বপূণ্য                          নয়ন গোচর পুন২
তার সহ হবে মোর দেখা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বিদ্ বলে দেবি বৃন্দাবন-তরু চাই
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৪র্থ অঙ্ক, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ বরাড়ী রাগ॥

বিদ্ বলে দেবি বৃন্দাবন-তরু চাই।
নব নব পল্লব       কিশলয় দলচয়      অলখি না পায়বি মাই॥ ধ্রু॥
সরসিজ কানন      উপরি নিরমায়লু      তোড়ি তোড়ি কুসুম পলাশে।
সো সব কানন         অবভেল মর্ম্মর           কানুর বিরহ-হুতাশে॥
সরলে-অলখি না বুঝহ কাজ।
দারুণ মনোভবে        জর জর অন্তর        দূর ভেল ধৈরজ লাজ॥
সতত কেলিরস        পরিহরি মাধব        চিরদিন রহু তুয়া আসে।
যৈছে চাতকগণ         নেহারই গগন         প্রবল পিয়াস পরকাশে॥
হেরি চন্দন চাঁদ          গরলসম শঙ্কহি         আনল মলয় সমীরে।
বদ বদ সুন্দরি           ইথে কি মনোভব   আনিদেহ সো প্রিয়া রাধা।
লোচন সমীপে         হেরব যব সোপদ           টুটব চিন্তন বাধা॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
মাধব তুঁহু কঠিন পরাণ
ভণিতা দীন লোচন দাস
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৪র্থ অঙ্ক, ৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ সামতোড়ী রাগ॥

মাধব তুঁহু কঠিন পরাণ।
সো কুলকামিনী         তুয়া গুণ গণি         নিশি দিশি ঝুরহ বয়ান॥ ধ্রু॥
চম্পক কুসুম          জিতি তনু লাবণী        অব ভেল কালিমা কারা।
পূণমিক চাঁদ             যৈছে ক্ষীণ অনুদিন         তৈছন হই পরচারা॥
নিরবধি নয়ন-         সলিল-ভব কর্দ্দম     তাহে অতি ক্ষীণ তনু রাধে।
চলই মন্থর              চলই না পারই         প্রতিপদে পততিচ সাধে॥
মনসিজ-বিশিখে         বিষাদিত অন্তর    হরি হরি মাধব দারুণ বাধা।
তব গুণ গ্রাম     গরল সম জারল       শিব শিব কথমপি জীবতি রাধা॥
যৈছক চাতক           জলদ নেহারই              কাতর প্রবল পিয়াসে।
তৈছন তুঁহুরকর            পন্থ নেহারত            ভণে দীন লোচন দাসে॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
এইত দুর্গম পথ তিমিরে আচ্ছাদিত
ভণিতা লোচন
কবি লোচন দাস
এই পদটি ষোড়শ শতকে, রায় রামানন্দের সংস্কৃত ভাষায় রচিত “জগন্নাথবল্লভ” নাটকের, রসিকমোহন
বিদ্যাভূষণের বঙ্গানুবাদের সঙ্গে ওই গ্রন্থের ষোড়শ শতকে লোচনদাস রচিত বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের পদাবলীসহ
১৯২৮ সালে প্রকাশিত “জগন্নাথবল্লভ নাটকম্” গ্রন্থ, ৪র্থ অঙ্ক, ৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীলোচনদাস ঠাকুরের পদ

॥ রামকিরি রাগ॥

এইত দুর্গম পথ                                তিমিরে আচ্ছাদিত
গিরি দরি নাহি হয় জ্ঞান।
বৃথা হৈল আগমন                                হারাইল এ জীবন
বল সখি কিসে বাঁচে প্রাণ॥ ধ্রু॥
হরি বড় নিরদয়                               নারী বধে নাহি ভয়
পাষাণ সমান তার বুক।
না করিল অঙ্গীকার                           নিশচয় জানিনু সার
কোন লাজে দেখাইব মুখ॥
মরিব গরল ভুখি                              না রাখিব প্রাণ সখি
নিশ্চয় বলিল তোরে সার।
লোচন-বচন শুন                               না ভাবিহ অন্য মন
আনি দিব নন্দের কুমার॥

.        *************************       
.                                                                               
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর