| কবি মাধব-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| বলরামের কর লৈয়া গোপালেরে সমর্পিয়া কবি মাধব আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “শ্রীশ্রীপদকল্পতরু” গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৫৭০। এই পদটি পদকল্পতরুর ক-পুথিতে “শেখর” ভণিতায় পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু রায়শেখর প্রণীত দণ্ডাত্মিকা গ্রন্থে এই পদটি নেই বলে সতীশচন্দ্র রায় জানাচ্ছেন। তাই তিনি মনে করেন এই পদটি মাধবের রচিত হোয়ার সম্ভাবনা বেশী। ॥ কল্যাণী॥ বলরামের কর লৈয়া গোপালেরে সমর্পিয়া পুন পুন বলে নন্দরাণী। এই নিবেদন তোরে না যাবে কালিন্দী-তীরে সাবধান মোর নীলমণি॥ রামেরে লইয়া কোরে সিঞ্চয়ে আঁখির নীরে পুন পুন চুম্বে মখখানি। সভার অগ্রজ তুমি তোরে কি শিখাব আমি বাপ মোর যাইয়ে নিছনি॥ বলাই রাণীর পায় পুন পরণাম করে পুন পুন রাণী কোলে করে। যাইতে না পারে বনে বান্ধিল রাণীর প্রেমে কহে রাম গদগদ স্বরে॥ কিছু ভয় নাহি মনে ঘর যাই দুই জনে সকালে খাইবা অন্ন-পানে। সংবাদ পাইলে তবে আমরা খাইব সবে মাধব কহয়ে সাবধানে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৮১-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা ॥ কল্যাণী॥ বলরামের কর লৈয়া গোপালেরে সমর্পিয়া পুন পুন বলে নন্দরাণী। এই নিবেদন তোরে না যাবে কালিন্দীতীরে সাবধান মোর নীলমণি॥ রামেরে লইয়া কোরে সিঞ্চয়ে আঁখির নীরে পুন পুন চুম্বে মখখানি। সভার অগ্রজ তুমি তোরে কি শিখাব আমি বাপ মোর যাইয়ে নিছনি॥ বলাই রাণীর পায়ে পুন পুন প্রণাময়ে পুনপুন রাণী কোলে করে। যাইতে না পারে বনে বান্ধিল রাণীর প্রেমে কহে রাম গদগদ স্বরে॥ কিছু ভয় নাহি মনে ঘর যাই দুই জনে সকালে খাইবা অন্নপানে। সংবাদ পাইলে তবে আমরা খাইব সবে মাধব কহয়ে সাবধানে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |