কবি মাধবেন্দ্র পুরী - ছিলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দীক্ষাগুরু ঈশ্বর পুরীর দীক্ষাগুরু ছিলেন। তিনি  
অদ্বৈতাচার্য্যেরও দীক্ষাগুরু ছিলেন।

তাঁর জন্মকাল পূর্বাশ্রমের জাতি বা বাসস্থান সম্বন্ধে কিছু জানা যায় নি। চৈতন্যচরিতামৃতের মধ্য-লীলার ৪র্থ
পরিচ্ছেদে কৃষ্ণদাস কবিরাজ মাধবেন্দ্র পুরীর প্রেম-ভক্তিময় জীবনের কাহিনী বর্ণনা করেছেন।

তাঁর দুটি সংসকৃত শ্লোক বা পদ শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থে রয়েছে। এই দুটি শ্লোক শ্রীচৈতন্যের খুব প্রিয় ছিল।

১৯৬১ সালে প্রকাশিত,
বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী” থেকে আমরা
মাধবেন্দ্র পুরীর একটি বাংলা পদ “সাজল ধনী চন্দ্রবদনী” পেয়েছি। তিনি মাধবেন্দ্র পুরীর বাংলায় পদরচনা
নিয়ে লিখেছেন . . .

মাধবেন্দ্র পুরী গোপালের সেবাভার দুই গৌড়িয়াকে দিয়াছিলেন। ইহা হইতে অনুমিত হয় যে তিনি স্বয়ং
বাঙালী ছিলেন। তিনি কবি ও বাঙালী হইলে এই পদটি (সাজল ধনী চন্দ্রবদনী ) তাঁহার পক্ষে লেখা অসম্বব
নহে। অষ্টাদশ শতাব্দীর সঙ্কলনগুলিতে এই পদটি নাই বটে, কিন্তু শ্রীবৃন্দাবনে অদ্বৈতদাস পণ্ডিত বাবাজী
মহারাজ ইহা কীর্তন করিতেন। শ্রীবৃন্দাবনে তাঁহার ছাত্র বনমালী দাস বাবাজী উহা সংগ্রহ করিয়া তাঁহার
পদরত্নমালা পুথিতে সঙ্কলন করেন। ঐ পুথি নবদ্বীপের প্রাচীন কীর্তনীয়া শ্রীনিতাইপদ দাস বাবাজীর নিকট
আছে
।”



বিভিন্ন রূপে "মাধব" ভণিতা ও তার অপভ্রংশ -                                  পাতার উপরে . . .   
আমরা মিনলসাগরে যে বিভিন্ন রূপে “মাধব” ও তার অপভ্রংশ রূপের ভণিতাযুক্ত পদ সংগ্রহ করতে
পেয়েছি তা হলো "মাধব", "মাধব দাস", "দ্বিজ মাধব", "মাধব আচার্য্য", "শ্রীমাধব", "মাধাই", "মাধো", "মাধব
ঘোষ", "মাধবেন্দ্র পুরী", "মাধবী" এবং "মাধবী দাসী"।

মিলনসাগরে প্রকাশিত "মাধব" সম্বলিত বিভিন্ন ভণিতায় ক্লিক করলেই সেই পাতায় চলে যেতে পারবেন।
মাধব   
মাধব দাস    
দ্বিজ মাধব   
দ্বিজ মাধব দাস   
মাধব আচার্য্য   
শ্রীমাধব   
মাধাই    
মাধব ঘোষ   
মাধবেন্দ্র পুরী    
মাধবী    
মাধবী দাসী      
মাধো   ...   
আমরা
মিলনসাগরে  কবি মাধবেন্দ্র পুরীর বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই  
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের উদ্দেশ্য                                       পাতার উপরে . . .    
নরহরি চক্রবর্তীর কবিতা বা পদাবলির মান দ্বিতীয় শ্রেণীর কি না, তাঁর কবিতা বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাসের তুল্য
কি না বা
জ্ঞানদাসের কাব্যের মানের কাছাকাছি কি না, এই সব গূঢ় তাত্ত্বিক তর্ক-বিতর্কের আলোচনায়
উনিশ ও বিংশ শতকের বাংলার পদাবলী সাহিত্য সরগরম হয়েছিল! সেসময়ের বিভিন্ন গ্রন্থকারের লেখা
পড়লেই তা চোখে পড়ে। কিন্তু মিলনসাগর এ বিষয়ের অতি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তত্ত্বকথায় যেতে আগ্রহী নয়! তাই
এই আলোচনা আমরা এখানে করলাম না।

আমাদের উদ্দেশ্য, উত্কর্ষের নিরিখে বৈষ্ণব পদাবলীর বিচার করা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য পদকর্তাদের
যতগুলি সম্ভব পদ একত্রে এখানে প্রকাশ করা। বৈষ্ণব পদকর্তা ও সংকলকগণ যে আজীবন কঠোর
পরিশ্রম  করে এই বিশাল সাহিত্য বাঙালীকে এযুগে উপহার দিয়ে যেতে পেরেছেন, আমরা মিলনসাগরে
তাঁদের সবাইকে আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও নমস্কার জানাই।

আমরা প্রতিটি পদে, সেই পদেটির উত্স-গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছি। একাধিক ক্ষেত্রে একাধিক রূপে পাওয়া
একই পদ একত্রে তুলে দিয়েছি  তুলনার জন্য।  সংস্কৃত ভাষার  পদগুলির বাংলায় অনুবাদ বা ব্যাখ্যা হাতে
পেলেই তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি।


    
কবি মাধবেন্দ্র পুরীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।      


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ৮.৫.২০১৭
পরিবর্ধিত সংস্করণ - ৩.৮.২০১৭
                                                        
...
মাধবেন্দ্র পুরী
জন্ম আনুমানিক ১৩৫০ শকাব্দ ( ১৪২৮ খৃষ্টাব্দ )
তিরোধান শ্রীচৈতন্যের জন্মের কিছু পূর্বে।
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে
আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান
তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো।
আমাদের ঠিকানা -
srimilansengupta@yahoo.co.in
বিভিন্ন রূপে "মাধব" ভণিতা ও তার অপভ্রংশ    
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা   
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"    
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
*
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .