এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ষষ্ঠ তরঙ্গ, ৩য় উচ্ছ্বাস, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
. ॥ বিহাগড়া॥
. যঙ কলি রূপ শরীর না ধরিত। তঙ ব্রজপ্রেম মহানিধি কুঠরিক কোন্ কপাট উঘাড়ত॥ ধ্রু॥ নীরক্ষীর হংসন পান বিধায়ন, কোন্ পৃথক করি পায়ত। কো সব ত্যজি ভজি বৃন্দাবন কো সব গ্রন্থ বিরচিত॥ যব পীতু বনফুল, ফলত নানাবিধ মনোরাজী অরবিন্দ। সো মধুকর বিনু পান কোন্ জানত বিদ্যমান করি বন্দ॥ কো জানত মথুরা বৃন্দাবন, কো জানত রাধামাধবরতি। কো জানত ব্রজভাব সব, কো জানত নিগূঢ় পিরীতি॥ যাকর চরণপ্রসাদে সব জান গাই গাও যাই সুখ পাওত। চরণকমলে শরণাগত মাধো, তব মহিমা উর লাগত॥
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ষষ্ঠ তরঙ্গ, ৩য় উচ্ছ্বাস, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
. ॥ বিহগড়া॥
. জয় জয় রূপ মহারসসাগর। দরশন পরশন চরণ-রসায়ন আনন্দ হুকে গাগর॥ ধ্রু॥ অতি গম্ভীর ধীর করুণাময়, প্রেম ভকতি কে আগর। উজ্জ্বল প্রেম মহামুনিপ্রকটিত, দেশ গৌর বৈরাগর॥ সদ্গুণমণ্ডিত পণ্ডিতরঞ্জন, বৃন্দাবন নিজ নাগর। কীরিতি বিমল যশ, শুনতহি মাধো, সতত রহল হিয়া জাগর॥