| কবি নরহরি চক্রবর্তীর বৈষ্ণব পদাবলী |
| আজু কি আনন্দ নদীয়ায় ভণিতা নরহরি কবি নরহরি চক্রবর্তী নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত ও সংকলিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, দ্বাদশ তরঙ্গ, ৮৬৮-পৃষ্ঠা। ॥ কামোদঃ॥ আজু কি আনন্দ নদীয়ায়। পথে যত বৃদ্ভ নারী, দাঁড়াইয়া সারি সারি, শচীর দুলাল পানে চায়॥ ধ্রু॥ কেহো কারো প্রতি কয়, এ কভু মানুষ নয়, বুঝিলাম চিতে বিচারিয়া। এমন বালক মেন, না দেখি না শুনি হেন, ভারত ভূমেতে জনমিয়া॥ কেহো পুন পুন ভণে, কি বলিব এত দিনে, হইল সকল দুঃখ নাশ। কেহো কহে মনে যাহা, কহিতে নারিয়ে তাহা, ধন্য এই নদীয়ার বাস॥ কেহ কহে শচী ধন্য, করিল কতেক পুণ্য, কহিতে না জানি স্নেহ তাঁর। এ চাঁদ বদনে যাকে, সদা মা বলিয়া ডাকে, হেন ভাগ্য আছে আর কার॥ কেহ কহে এই মতে, বেড়াউক নদীয়াতে, সকল সুকৃতি সঙ্গে লৈয়া। কেহ কহে মনে হেন, সোনার নিমাই যেন, কখন না ছাড়য়ে নদীয়া॥ কেহ কহে নদীয়াতে, সদা রহু কুশলেতে, বিধিরে প্রার্থনা এই করি। নরহরি প্রাণ গোরা, কেবল আঁখের তারা, ইহার বালাই লৈয়া মরি॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (১৯৩৪, প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে । নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থের “নরহরি” ও “নরহরি দাস” ভণিতাযুক্ত পদের মধ্য থেকে নেওয়া বলে এই পদটি নরহরি চক্রবর্তীর পদ বলে বিবেচিত হয়েছে। ॥ কামোদঃ॥ আজু কি আনন্দ নদীয়ায়। পথে যত বৃদ্ভ নারী দাঁড়াইয়া সারি সারি শচীর দুলাল পানে চায়॥ ধ্রু॥ কেহো কারু প্রতি কয় এ কভু মানুষ নয় বুঝিলাম চিতে বিচারিয়া। এমন বালক যেন না দেখি না শুনি হেন ভারতভূমেতে জনমিয়া॥ কেহো পুন পুন ভণে কি বলিব এত দিনে হইল সকল দুঃখ নাশ। কেহো কহে মনে যাহা কহিতে নারিয়ে তাহা ধন্য এই নদীয়ার বাস॥ কেহ কহে শচী ধন্য করিল কতেক পুণ্য কহিতে না জানি স্নেহ তার। এ চাঁদবদনে যাকে সদা মা বলিয়া ডাকে হেন ভাগ্য আছে আর কার॥ কেহ কহে এই মতে বেড়াউক নদীয়াতে সকল প্রকৃতি সঙ্গে লৈয়া। কেহ কহে মনে হেন সোনার নিমাই যেন কখন না ছাড়য়ে নদীয়া॥ কেহ কহে নদীয়াত সদা রহু কুশলেতে বিধিরে প্রার্থনা এই করি। নরহরি প্রাণগোরা কেবল আঁখের তারা ইহার বালাই লৈয়া মরি॥ . ************************* === নরহরির বিভিন্ন সূচীতে যেতে . . . === নরহরি নামের কবিদের একত্রে সকল পদাবলীর সূচীতে . . . সকল নরহরি ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরি দাস ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরিয়া ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . বিভিন্ন পদ-সংকলনে প্রাপ্ত অনির্দিষ্ট নরহরির পদের সূচীতে . . . নরহরি সরকারের নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর বিভিন্ন সংকলনে প্রাপ্ত পদের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| জয় জয় আরতি গৌরকিশোর ভণিতা নরহরি কবি নরহরি চক্রবর্তী নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত ও সংকলিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, দ্বাদশ তরঙ্গ, ৮৪৬-পৃষ্ঠা। ॥ গীতে যথা---গৌরী॥ জয় জয় আরতি গৌরকিশোর। লসত সিংহাসনে, জনু কনকাচল, ডগমগ জগত যুবতী চিত চোর॥ ধ্রু॥ শ্রীঅদ্বৈত প্রেমভরে, গর গর আরতি, করু নিজ নাথে নেহারি। মণি গণ জটিত সু,-কনক থারি পর, দম কত দীপ দুরিত তম-হারী॥ দক্ষিণভাগে, ভাঁতি রীতি অদভুত, নিত্যানন্দচন্দ্র রসভোর। বামে গদাধর, সরস ভঙ্গি তহি, কোউ ধরত নব ছত্র উজোর॥ শ্রীনিবাস বর,-যত কুসুমাবলি, চামর করু নরহরি অনিবার। শুক্লাম্বর বর, চরচত চন্দন, গুপ্ত মুরারি করত জয়কার॥ মাধব বাসু,-ঘোষ পুরুষোত্তম, বিজয় মুকুন্দ আদি গুণি ভূপ। গায়ত মধুর, রাগ শ্রুতি মূরছন, গ্রাম সপ্তসর ভেদ অনুপ॥ বাজত মুরজ, মৃদঙ্গ চঙ্গড়ক, বীণ নিশান বেণু চলু ওর। ঘন ঘন ঘন্ট, ঝমকত ঝাঁঝরী, ঝন নন ঝাঁঝ গরজে ঘন ঘোর॥ নাচত পরম,-হরষ বক্রেশ্বর, সরস ভাঁতি গতি নটক সুঢার। উঘ টত ধিকট ধিধি কট, তক থৈ থৈ থৈ তি বিবিধ পরকার॥ বিবশ পুরুব রসে, রসিক গদাধর, শ্রীধর গৌরীদাস হরিদাস। কো বিরচব সব, ভকত মত্ত অতি, নিরখি গৌরমুখ মধুরিম হাস॥ সুরগণ গগনে, মগন-গণসহ, সুরপতি কত যতনে করত পরিহার। পার্ব্বতী পতি চতু,-রানন পুলকিত, ঝর ঝর নয়নে ঝরত জলধার॥ ত্রিভূবন উলস, শেষযশ বরণত, স্তুতি করু মুনি নব নাম উচারি। নরহরি পহু ব্রজ,-ভূষণ রসময়, নদীয়াপুর পরমানন্দ-কারী॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (১৯৩৪, প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে । নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থের “নরহরি” ও “নরহরি দাস” ভণিতাযুক্ত পদের মধ্য থেকে নেওয়া বলে এই পদটি নরহরি চক্রবর্তীর পদ বলে বিবেচিত হয়েছে। ॥গৌরী॥ জয় জয় আরতি গৌরকিশোর । লসত সিংহাসনে জনু কনকাচল ডগমগ জগত-যুবতী-চিতচোর ॥ ধ্রু ॥ শ্রীঅদ্বৈত প্রেমভরে গরগর আরতি করু নিজ নাথে নেহারি । মণিগণ জড়িত সুকনক-থারিপর দমকত দীপ দুরিত-তমোহারী ॥ দক্ষিণভাগে ভাতি রীত অদ্ভুত নিত্যানন্দ রসভোর । বামে গদাধর সরস ভঙ্গী তহি কউ ধরত নব ছত্র উজোর ॥ শ্রীনিবাস বর যত কুসুমাঞ্জলি চামর করু নরহরি অনিবার । শুক্লাম্বর বর চরচত চন্দন গুপ্ত মুরারি করত জয়কার ॥ মাধব বাসু ঘোষ পুরুষোত্তমবিজয় মুকুন্দ আদি গুণী ভূপ । গায়ত মধুর রাগশ্রুতি মূরছনা গ্রাম১ সপ্তসর২ ভেদ অনুপ ॥ বাজত মূরজ মৃদঙ্গ চঙ্গড়ক বীণ নিশান বেণু চলু ওর । ঘন ঘন ঘন্টা ঝমকত ঝাঁঝরি ঝন্ নন ঝাঁঝ গরজে ঘন ঘোর ॥ নাচত পরম হরষ বক্রেশ্বর সরস ভাতি গতি নটক সুঠার । উঘটত ধিকট ধিকট ধিধি কট তক থৈ থৈ থৈতি বিবিধ পরকার ॥ বিবশ পূরব রসে রসিক গদাধর শ্রীধর গৌরীদাস হরিদাস । কো বিরচব সব ভকত মত্ত অতি নিরখি গৌরমুখ মধুরিম হাস ॥ সুরগণ গগনে মগন গণ সহ সুরপতি কত যতনে করত পরিহার । পার্ব্বতী-পতি চতুরাতন পুলকিত ঝর ঝর নয়নে ঝরত জলধার ॥ ত্রিভূবনে উলস শেষ যশ বরণত স্তুতি করু মুনি নব নাম উচারি । নরহরি পহুঁ ব্রজভূষণ রসময় নদীয়াপুর –পরমানন্দকারী ॥ ১ - গ্রাম তিনটি - উদারা, মুদারা, তরা। ২ - সপ্তস্বর - সা, ঋ, গ, ম, প, ধা, নি। . ************************* === নরহরির বিভিন্ন সূচীতে যেতে . . . === নরহরি নামের কবিদের একত্রে সকল পদাবলীর সূচীতে . . . সকল নরহরি ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরি দাস ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরিয়া ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . বিভিন্ন পদ-সংকলনে প্রাপ্ত অনির্দিষ্ট নরহরির পদের সূচীতে . . . নরহরি সরকারের নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর বিভিন্ন সংকলনে প্রাপ্ত পদের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আজু কি আনন্দ সংকীর্ত্তনে ভণিতা নরহরি কবি নরহরি চক্রবর্তী নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত ও সংকলিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, দ্বাদশ তরঙ্গ, ৮৩৯-পৃষ্ঠা। ॥ পুনঃ কামোদঃ॥ আজু কি আনন্দ সংকীর্ত্তনে। নাচে গৌর নিত্যানন্দ, পরম আনন্দ কন্দ, প্রিয় পারিষদবৃন্দ সনে॥ ধ্রু॥ নাচে বোলে ভাল ভাল, বাজে খোল করতাল, সভে মহাবিহ্বল প্রেমায়। নদীর প্রবাহ পারা, সবার নয়নে ধারা, কেহ কেহ পড়ে কারু গায়॥ কেহ বা পুলক ভরে, হুঙ্কার গর্জ্জন করে, কাঁপে কেহ থির হৈতে নারে। কেহ কারু পানে চা’য়া, দুই বাহু পসারিয়া, কোলে করি ছাড়িতে না পারে॥ কেহু কারু পায় ধরে, পদধূলি লয় শিরে, কেহ ভূমে পড়ি গড়ি যায়। প্রভু ভৃত্য এক রীতি, দেখি নরহরি অতি, আনন্দে প্রভুর গুণ গায়॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (১৯৩৪, প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে । নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থের “নরহরি” ও “নরহরি দাস” ভণিতাযুক্ত পদের মধ্য থেকে নেওয়া বলে এই পদটি নরহরি চক্রবর্তীর পদ বলে বিবেচিত হয়েছে। ॥ কামোদ॥ আজু কি আনন্দ সংকীর্ত্তনে । নাচে গৌর-নিত্যানন্দ পরম আনন্দকন্দ প্রিয় পারিষদবৃন্দ সনে ॥ ধ্রু ॥ নাচে বোলে ভাল ভাল বাজে খোল করতাল সবে মহা বিহ্বোল প্রেমায় । নদীর প্রবাহ পারা সবার নয়নে ধারা কেহ কেহ পড়ে কার গায় ॥ কেহ বা পুলক ভরে হুঙ্কার গর্জ্জন করে কাঁপে কেহ থির হৈতে নারে। কেহ কারু পানে চাঞা দুই বাহু পসারিয়া কোলে করি ছাড়িতে না পারে ॥ কেহ কারু পায় ধরে পদধূলি লয় শিরে কেহ ভূমে পড়ি গড়ি যায় । প্রভু ভৃত্য এক রীতি দেখি নরহরি অতি আনন্দে প্রভুর গুণ গায় ॥ . ************************* === নরহরির বিভিন্ন সূচীতে যেতে . . . === নরহরি নামের কবিদের একত্রে সকল পদাবলীর সূচীতে . . . সকল নরহরি ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরি দাস ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরিয়া ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . বিভিন্ন পদ-সংকলনে প্রাপ্ত অনির্দিষ্ট নরহরির পদের সূচীতে . . . নরহরি সরকারের নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর বিভিন্ন সংকলনে প্রাপ্ত পদের সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নাচত গৌর পুরুবরসে ভোর ভণিতা নরহরি কবি নরহরি চক্রবর্তী নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত ও সংকলিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, দ্বাদশ তরঙ্গ, ৮৩৬-পৃষ্ঠা। ॥ পুনঃ সোমরাগঃ॥ নাচত গৌর পুরুবরসে ভোর। কনকধরাধর-গরব-বিভঞ্জন, ঝলকত অঙ্গ অতনু চিত চোর॥ ধ্রু॥ হাসত মৃদু মৃদু, বদন চান্দ ছবি, নাশত ঘোর কলুষ আঁধয়ার। ধরইতে তাল, তরল পদপঙ্কজ, কম্পই ধরণি সহই নাহি ভার॥ তরুণ অরুণ যুগ, লোচন ডগ মগ, অবিরল বিপুল পুলক কুল সাজি। গরজত সঘন, সিংহ জিনি বিক্রম, বলি কলিকাল বিপুল ভয়ে ভাজি॥ ভেদত গগন, গানে প্রিয় পরিকর, বায়ত খোল ললিত করতাল। মাতল অখিল, লোক ভণ নরহরি, ভুবন ভরল যশ বিশদ বিশাল॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” (১৯৩৪, প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে । নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থের “নরহরি” ও “নরহরি দাস” ভণিতাযুক্ত পদের মধ্য থেকে নেওয়া বলে এই পদটি নরহরি চক্রবর্তীর পদ বলে বিবেচিত হয়েছে। ॥ পুনঃ সোমরাগঃ॥ নাচত গৌর পুরুবরসে ভোর। কনক ধরাধর গরব বিভঞ্জন ঝলকত অঙ্গ অতনু চিতচোর॥ ধ্রু॥ হাসত মৃদু মৃদু বদন চান্দ ছবি নাশত ঘোর কলুষ আঁধয়ার। ধরইতে তাল তরল পদপঙ্কজ কম্পই ধরণি সহই নাহি ভার॥ তরুণ অরুণযুগ লোচন ডগমগ অবিরল বিপুল পুলককুল সাজি। গরজত সঘন সিংহ জিনি বিক্রম বলী কলিকাল বিপুল ভয়ে ভাজি॥ ভেদত গগন গানে প্রিয় পরিকর বায়ত খোল ললিত করতাল। মাতল অখিল লোক ভণ নরহরি ভুবন ভরল যশ বিশদ বিশাল॥ . ************************* === নরহরির বিভিন্ন সূচীতে যেতে . . . === নরহরি নামের কবিদের একত্রে সকল পদাবলীর সূচীতে . . . সকল নরহরি ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরি দাস ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . সকল নরহরিয়া ভণিতাযুক্ত পদের সূচীতে . . . বিভিন্ন পদ-সংকলনে প্রাপ্ত অনির্দিষ্ট নরহরির পদের সূচীতে . . . নরহরি সরকারের নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর নির্দিষ্ট ভাবে জ্ঞাত সকল পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থের পদের সূচীতে . . . নরহরি চক্রবর্তীর বিভিন্ন সংকলনে প্রাপ্ত পদের সূচীতে . . . মিলনসাগর |