কবি রঘুনাথ দাস - তিনি রঘুনাথ দাস গোস্বামী নামেও পরিচিত ছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভুর থেকে বয়সে
কিছুটা ছোট এবং তাঁর প্রিয় পার্ষদ ও ভক্ত ছিলেন। পদকল্পতরু গ্রন্থে তাঁর তিনটি পদ অন্তর্ভুক্ত করা আছে।
বাংলা ও ব্রজবুলি দুই ভাষাতেই এঁর পদ পাওয়া গিয়েছে। রঘুনাথ দাসের আরেকটি পদ পেয়েছি ১৯৩৯
সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত শ্রীপদামৃতমাধুরী, তৃতীয় খণ্ড থেকে।

শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী পদাবলী গ্রন্থের সংকলক
জগবন্ধু ভদ্রর মতে ইনিই প্রসিদ্ধ ষট্ গোস্বামীর অন্যতম রঘুনাথ
দাস গোস্বামী।


বৃন্দাবনের ষট্ গোস্বামী                                                                 পাতার উপরে . . .    
রূপ ও সনাতন গোস্বামী, তাঁদের ভ্রাতুষ্পুত্র জীব গোস্বামী, গোপাল ভট্ট, রঘুনাথ ভট্ট এবং রঘুনাথ দাস
বৃন্দাবনের এই ছয়জন গোস্বামীই ষট্-গোস্বামী নামে পরিচিত। এঁরাই গৌড়ীয় বৈষ্ণবরসতত্ত্ব ও মঞ্জরী-ভাবের
উপাসনা-রীতির প্রবর্তক।


রঘুনাথ দাসের পূর্বাশ্রম                                                                 পাতার উপরে . . .    
রঘুনাথ দাস সপ্তগ্রামবাসী কায়স্থ ধন-কুবের গোবর্ধন দাসের পুত্র। কথিত আছে যে পিতা গোবর্ধন দাসের
বার্ষিক ভুসম্পত্তির আয় ছিল বারো লক্ষ টাকা। রঘুনাথ দাস মাত্র ১৭ বছর বয়সের তরুণ যৌবনে, যুবতী স্ত্রী
ও অপার ঐশ্যর্য্য, ভোগ-বিলাস ত্যাগ করে শ্রীচৈতন্যদেবের সঙ্গে মিলিত হয়ে, শ্রীক্ষেত্রে গিয়ে সন্ন্যাস গ্রহণ
করেন। তিনি বলরাম আচার্যের শিষ্য ছিলেন। ১৬ বছর নীলাচলে ( পুরী ) মহাপ্রভুর সেবা করেন। মহাপ্রভুর
তিরোধানের পর বৃন্দাবনে গিয়ে সনাতন ও
রূপ গোস্বামীর সাহচর্য পান।


রঘুনাথ দাসের গোস্বামীর প্রধান কীর্তি ও রচনা                                 পাতার উপরে . . .    
রঘুনাথ দাস গোস্বামীর প্রধান কীর্তি বৃন্দাবনে রাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ড উদ্ধার। তাঁর রচনা-সম্ভারের  মধ্যে  
রয়েছে “উপদেশামৃত”, “মনঃশিক্ষা”, “শ্রীচৈতন্যস্তব কল্পবৃক্ষ”, “বিলাপকুসুমাঞ্জলি”, “স্তবমালা”, “চৈতন্যাষ্টক”,  
“মুক্তাচরিত”, “দানকেলিচন্তামণি” প্রভৃতি গ্রন্থ। তিনি স্বরুপ দামোদর রচিত চৈতন্যজীবনীমূলক কড়চারও  
বৃত্তিকার ছিলেন।



বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের উদ্দেশ্য                                       পাতার উপরে . . .    
নরহরি চক্রবর্তীর কবিতা বা পদাবলির মান দ্বিতীয় শ্রেণীর কি না, তাঁর কবিতা বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাসের তুল্য
কি না বা জ্ঞানদাসের কাব্যের মানের কাছাকাছি কি না, এই সব গূঢ় তাত্ত্বিক তর্ক-বিতর্কের
আলোচনায় উনিশ ও বিংশ শতকের বাংলার পদাবলী সাহিত্য সরগরম হয়েছিল! সেসময়ের বিভিন্ন
গ্রন্থকারের লেখা পড়লেই তা চোখে পড়ে। কিন্তু মিলনসাগর এ বিষয়ের অতি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তত্ত্বকথায় যেতে
আগ্রহী নয়! তাই এই আলোচনা আমরা এখানে করলাম না।

আমাদের উদ্দেশ্য, উত্কর্ষের নিরিখে বৈষ্ণব পদাবলীর বিচার করা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য পদকর্তাদের
যতগুলি সম্ভব পদ একত্রে এখানে প্রকাশ করা। বৈষ্ণব পদকর্তা ও সংকলকগণ যে আজীবন
কঠোর পরিশ্রম  করে এই বিশাল সাহিত্য বাঙালীকে এযুগে উপহার দিয়ে যেতে পেরেছেন, আমরা
মিলনসাগরে তাঁদের সবাইকে আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও নমস্কার জানাই।

আমরা প্রতিটি পদে, সেই পদেটির উত্স-গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছি। একাধিক ক্ষেত্রে একাধিক রূপে পাওয়া
একই পদ একত্রে তুলে দিয়েছি  তুলনার জন্য।  সংস্কৃত ভাষার  পদগুলির বাংলায় অনুবাদ বা ব্যাখ্যা হাতে
পেলেই তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

আমরা
মিলনসাগরে  কবি রঘুনাথ দাসের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি রঘুনাথ দাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৮.২.২০১৭
এই পাতার পরিবর্ধিত সংস্করণ - ২.৫.২০১৭


...                                                                                    
রঘুনাথ দাস
১৪৯৫/৯৬ - ১৫৮২
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে
আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান
তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো।
আমাদের ঠিকানা -
srimilansengupta@yahoo.co.in
বৃন্দাবনের ষট্ গোস্বামী     
রঘুনাথ দাসের ঐশ্বর্য্য-মণ্ডিত পূর্বাশ্রম   
রঘুনাথ দাসের প্রধান কীর্তি ও রচনা সম্ভার   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?          
*
*
*
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .