অনুবাদ - ১-৮। হে শৌরে! গৌরবর্ণ আমার এই বক্ষঃস্থলে মৃগমদ-বিন্দু-সমূহ দ্বারা পত্রাকার চিত্রাবলি রচনা কর। হে শ্যামল সুন্দর! আমার অঙ্গে নানাবিধ বিচিত্র বেশ রচনা কর। হে শিখি- পুচ্ছ-মুকুট! আমার এই শিখিপুচ্ছসদৃশ্য অপূর্ব্ব কেশ-পাশ পুষ্পচয় দ্বারা ভূষিত কর। হে সনাতন! আমার এই কর্ণ-যুগলে পুষ্প-রচিত লবঙ্গ সংযুক্ত করিয়া শিল্প-কৌশলের পরিচয় দাও। (সতীশচন্দ্র রায়, পদকল্পতরু)
অনুবাদ - ১-১৫। যদিও ব্রহ্মা বহু সমাধি গ্রহণ করিয়াও (তোমার কৃপা ব্যতীত) তোমার নখাগ্রের একটি কিরণও দেখিতে পান না, তথাপি আমি তোমার অদ্ভুত করুণা-প্রবাহের কথা শ্রবণ করিয়া এই কামনা করিতেছি। হে দেব! আমি তোমাকে বন্দনা করি ; আমার মনোভৃঙ্গকে তোমার পদ-পঙ্কজের মকরন্দ-পানে নিযুক্ত কর। হে মাধব! যদিও তোমাতে আমার তিল- মাত্র ভক্তিরও উদ্রেক হয় না,--- তথাপি তোমার ভগবত্তা অঘটন-ঘটনা-পটীয়সী। হে সনাতন! আমার এই চিত্ত-মধুকর তোমার অমৃত-নিন্দী পদ-পঙ্কজ-মকরন্দে অপূর্ব্ব রস- সম্ভার প্রাপ্ত হইয়া উহার মাধুর্য্য আস্বাদন করিতে করিতে নিত্য নিশ্চল-ভাবে অবস্থান করুক। (সতীশচন্দ্র রায়, পদকল্পতরু)