| কবি উদ্ধবদাসের বৈষ্ণব পদাবলী |
| গৌড় দেশে রাঢ় ভোমে শ্রীখণ্ড নামেতে গ্রামে গৌড় দেশে রাঢ় ভোমে শ্রীখণ্ড নামে গ্রামে কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থশাখা ২৫শপল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, ২৩৭৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ গৌড় দেশে রাঢ় ভোমে শ্রীখণ্ড নামেতে গ্রামে মধুমতী প্রকাশ যাহায়। শ্রীমুকুন্দ দাস সঙ্গে শ্রীরঘুনন্দন রঙ্গে ভক্তি-তত্ত্ব জগতে লওয়ায়॥ শুনি মধুমতী নাম নিত্যানন্দ বলরাম সপার্ষদে দিল দরশন। দেখি অবধৌত চন্দ্র হইয়া পরমানন্দ নতি করি বন্দিলা চরণ॥ কহে নিত্যানন্দ রাম শুনি মধুমতী নাম আসিয়াছি তৃষিত হইয়া। এত শুনি নরহরি নিকটেত জল হরি সেই জল ভাজনে ভরিয়া॥ আনিয়া ধরিল আগে মধু-স্নিগ্ধ মিষ্ট লাগে গণ সহ খায় নিত্যানন্দ। যত জল ভরি আনে মধু হয় ততক্ষণে পুন পুন খাইতে আনন্দ॥ মধুমতী-মধু-দান সপার্ষদে করি পান উনমত অবধৌত রায়। হাসে কান্দে নাচে গায় ভোমে গড়াগড়ি যায় উদ্ধবদাস রস গায়॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির ২৪৭৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ গৌড় দেশে রাঢ় ভোমে শ্রীখণ্ড নামেতে গ্রামে মধুমতী প্রকাশ যাহায়। শ্রীমুকুন্দ দাস সঙ্গে শ্রীরঘুনন্দন রঙ্গে ভক্তি-তত্ত্ব জগতে লওয়ায়॥ শুনি মধুমতী নাম নিত্যানন্দ বলরাম সপার্ষদে দিল দরশন। দেখি অবধৌত চন্দ্র হইয়া পরমানন্দ নতি করি বন্দিলা চরণ॥ কহে নিত্যানন্দ রাম শুনি মধুমতী নাম আসিয়াছি তৃষিত হইয়া। এত শুনি নরহরি নিকটেত জল হেরি সেই জল ভাজনে ভরিয়া॥ আনিয়া ধরিল আগে মধু-স্নিগ্ধ মিষ্ট লাগে গণ সহ খায় নিত্যানন্দ। যত জল ভরি আনে মধু হয় ততক্ষণে পুন পুন খাইতে আনন্দ॥ মধুমতী-মধু-দান সপার্ষদে করি পান উনমত অবধৌত রায়। হাসে কান্দে নাচে গায় ভোমে গড়াগড়ি যায় উদ্ধবদাস রস গায়॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌড় দেশে রাঢ় ভূমে শ্রীখণ্ড নামে গ্রামে মধুমতী প্রকাশ যাহায়। শ্রীমুকুন্দ দাস সঙ্গে শ্রীরঘুনন্দন রঙ্গে ভক্তিতত্ত্ব জগতে লওয়ায়॥ শুনি মধুমতী নাম নিত্যানন্দ বলরাম সপার্ষদে দিল দরশন। দেখি অবধৌত চন্দ্র হইয়া পরমানন্দ নতি করি বন্দিলা চরণ॥ কহে নিত্যানন্দ রাম শুনি মধুমতী নাম আসিয়াছি তৃষিত হইয়া। এত শুনি নরহরি নিকটেতে জল হরি’ সেই জল ভাজনে ভরিয়া॥ আনিয়া ধরিল আগে মধুস্নিগ্ধ মিষ্ট লাগে গণ সহ খায় নিত্যানন্দ। যত জল ভরি আনে মধু হয় ততক্ষণে পুন পুন খাইতে আনন্দ॥ মধুমতী মধু দান সপার্ষদে করি পান উনমত অবধৌত রায়। হাসে কান্দে নাচে গায় ভূমে গড়াগড়ি যায় উদ্ধবদাস রস গায়॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র বর্ণন ॥ তথা রাগ॥ গৌড় দেশে রাঢ় ভোমে শ্রীখণ্ড নামেতে গ্রামে মধুমতী প্রকাশ যাহায়। শ্রীমুকুন্দ দাস সঙ্গে শ্রীরঘুনন্দন রঙ্গে ভক্তি-তত্ত্ব জগতে লওয়ায়॥ শুনি মধুমতী নাম নিত্যানন্দ বলরাম সপার্ষদে দিল দরশন। দেখি অবধৌত চন্দ্র হইয়া পরমানন্দ নতি করি বন্দিলা চরণ॥ কহে নিত্যানন্দ রাম শুনি মধুমতী নাম আসিয়াছি তৃষিত হইয়া। এত শুনি নরহরি নিকটেত জল হরি সেই জল ভাজনে ভরিয়া॥ আনিয়া ধরিল আগে মধু-স্নিগ্ধ মিষ্ট লাগে গণ সহ খায় নিত্যানন্দ। যত জল ভরি আনে মধু হয় ততক্ষণে পুন পুন খাইতে আনন্দ॥ মধুমতী-মধু-দান সপার্ষদে করি পান উনমত অবধৌত রায়। হাসে কান্দে নাচে গায় ভোমে গড়াগড়ি যায় উদ্ধবদাস রস গায়॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| প্রকট শ্রীখণ্ড-বাস নাম শ্রীমুকুন্দ দাস কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থশাখা ২৫শপল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, ২৩৭৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ প্রকট শ্রীখণ্ড-বাস নাম শ্রীমুকুন্দ দাস ঘরে সেবা গোপীনাথ জানি। গেলা কোন কার্য্যান্তরে সেবা করিবার তরে শ্রীরঘুনন্দনে ডাকি আনি॥ ঘরে আছে কৃষ্ণ-সেবা যত্ন করি খাওয়াইবা এত বলি মুকুন্দ চলিলা। পিতার আদেশ পাঞা সেবার সামগ্রী লৈয়া গোপীনাথের সমুখে আইলা॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি বয়-ক্রম শিশু-মতি খাও বলে কান্দিতে কান্দিতে। কৃষ্ণ সে প্রেমের বশে না রাখিয়া অবশেষে সকল খাইলা অলক্ষিতে॥ আসিয়া মুকুন্দ দাস কহে বালকের পাশ প্রসাদ নৈবেদ্য আন দেখি। শিশু কহে বাপ শুন সকলি খাইলা পুন অবশেষ কিছুই না রাখি॥ শুনি অপরূপ হেন বিস্মিত হৃদয়ে পুন আর দিন বালকে কহিয়া। সেবা-অনুমতি দিয়া বাড়ীর বাহির হৈয়া পুন আসি রহে লুকাইয়া॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি হইয়া হরিষ-মতি গোপীনাথে লাড়ু দিয়া করে। খাও খাও বলে ঘন অর্দ্ধেক খাইতে হেন সময়ে মুকুন্দ দেখি দ্বারে॥ যে খাইল রহে তেন আর না খাইলা পুন দেখিয়া মুকুন্দ প্রেমে ভোর॥ নন্দন করিয়া কোলে গদগদ-স্বরে বলে নয়ানে বরিখে ঘন লোর॥ অদ্যাপি শ্রীখণ্ডপুরে অর্দ্ধ লাড়ু আছে করে দেখে যত ভাগ্যবন্ত জনে। অভিন্ন-মদন যেই শ্রীরঘুনন্দন সেই এ উদ্ধবদাস রস ভণে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির ২৪৭৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ প্রকট শ্রীখণ্ড-বাস নাম শ্রীমুকুন্দ দাস ঘরে সেবা গোপীনাথ জানি। গেলা কোন কার্য্যান্তরে সেবা করিবার তরে শ্রীরঘুনন্দনে ডাকি আনি॥ ঘরে আছে কৃষ্ণ-সেবা যত্ন করি খাওয়াইবা এত বলি মুকুন্দ চলিলা। পিতার আদেশ পাঞা সেবার সামগ্রী লৈয়া গোপীনাথের সমুখে আইলা॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি বয়-ক্রম শিশু-মতি খাও বলে কান্দিতে কান্দিতে। কৃষ্ণ সে প্রেমের বশে না রাখিয়া অবশেষে সকল খাইলা অলখিতে॥ আসিয়া মুকুন্দ দাস কহে বালকের পাশ প্রসাদ নৈবেদ্য আন দেখি। শিশু কহে বাপ শুন সকলি খাইলা পুন অবশেষ কিছুই না রাখি॥ শুনি অপরূপ হেন বিস্মিত হৃদয়ে পুন আর দিন বালকে কহিয়া। সেবা-অনুমতি দিয়া বাড়ীর বাহির হৈয়া পুন আসি রহে লুকাইয়া॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি হই হরিষত-মতি গোপীনাথে লাড়ু দিয়া করে। খাও খাও বলে ঘন অর্দ্ধেক খাইতে হেন সময়ে মুকুন্দ দেখি দ্বারে॥ যে খাইল রহে তেন আর না খাইলা পুন দেখিয়া মুকুন্দ প্রেমে ভোর॥ নন্দন করিয়া কোলে গদগদ-স্বরে বলে নয়ানে বরিখে ঘন লোর॥ অদ্যাপি শ্রীখণ্ডপুরে অর্দ্ধ লাড়ু আছে করে দেখে যত ভাগ্যবন্ত জনে। অভিন্ন-মদন যেই শ্রীরঘুনন্দন সেই এ উদ্ধবদাস রস ভণে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ প্রকট শ্রীখণ্ডবাস নাম শ্রীমুকুন্দ দাস ঘরে সেবা গোপীনাথ জানি। গেলা কোন কার্য্যান্তরে সেবা করিবার তরে শ্রীরঘুনন্দনে ডাকি আনি॥ ঘরে আছে কৃষ্ণসেবা যত্ন করি খাওয়াইবা এত বলি মুকুন্দ চলিলা। পিতার আদেশ পাঞা সেবার সামগ্রী লৈয়া গোপীনাথের সমুখে আইলা॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি বয়ক্রম শিশুমতি খাও বলে কাঁদিতে কাঁদিতে। কৃষ্ণ সে প্রেমের বশে না রাখিয়া অবশেষে সকল খাইলা অলক্ষিতে॥ আসিয়া মুকুন্দ দাস কহে বালকের পাশ প্রসাদ নৈবেদ্য আন দেখি। শিশু কহে বাপু শুন সকলি খাইলে পুন অবশেষ কিছুই না রাখি॥ শুনি অপরূপ হেন বিস্মিত হৃদয়ে পুনঃ আর দিন বালকে কহিয়া। সেবা-অনুমতি দিয়া বাড়ীর বাহির হৈয়া পুনঃ আসি রহে লুকাইয়া॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি হইয়া হরিষ মতি গোপীনাথে নাড়ু দিয়া করে। খাও খাও বলে ঘন অর্দ্ধেক খাইতে হেন সময়ে মুকুন্দ দেখি দ্বারে॥ যে খাইল রহে তেন আর না খাইলা পুনঃ দেখিয়া মুকুন্দ প্রেমে ভোর॥ নন্দন করিয়া কোলে গদ গদ স্বরে বলে নয়ানে বরিখে ঘন লোর॥ অদ্যাপি শ্রীখণ্ডপুরে অর্দ্ধ লাড়ু আছে করে দেখে যত ভাগ্যবন্ত জনে। অভিন্নমদন যেই শ্রীরঘুনন্দন সেই এ উদ্ধবদাস রস ভণে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র বর্ণন ॥ তথা রাগ॥ প্রকট শ্রীখণ্ডবাস নাম শ্রীমুকুন্দ দাস ঘরে সেবা গোপীনাথ জানি। গেলা কোন কার্য্যান্তরে সেবা করিবার তরে শ্রীরঘুনন্দনে ডাকি আনি॥ ঘরে আছে কৃষ্ণসেবা যত্ন করি খাওয়াইবা এত বলি মুকুন্দ চলিলা। পিতার আদেশ পাঞা সেবার সামগ্রী লৈয়া গোপীনাথের সমুখে আইলা॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি বয়ঃক্রম শিশুমতি খাও বলে কান্দিতে কান্দিতে। কৃষ্ণ সে প্রেমের বশে না রাখিয়া অবশেষে সকল খাইলা অলক্ষিতে॥ আসিয়া মুকুন্দ দাস কহে বালকের পাশ প্রসাদ নৈবেদ্য আন দেখি। শিশু কহে বাপ শুন সকলি খাইলা পুন অবশেষ কিছুই না রাখি॥ শুনি অপরূপ হেন বিস্মিত হৃদয়ে পুন আর দিন বালকে কহিয়া। সেবা-অনুমতি দিয়া বাড়ীর বাহির হৈয়া পুন আসি রহে লুকাইয়া॥ শ্রীরঘুনন্দন অতি হইয়া হরিষ-মতি গোপীনাথে লাড়ু দিয়া করে। খাও খাও বলে ঘন অর্দ্ধেক খাইতে হেন সময়ে মুকুন্দ দেখি দ্বারে॥ যে খাইল রহে তেন আর না খাইলা পুন দেখিয়া মুকুন্দ প্রেমে ভোর॥ নন্দন করিয়া কোলে গদগদ স্বরে বলে নয়ানে বরিখে ঘন লোর॥ অদ্যাপি শ্রীখণ্ডপুরে অর্দ্ধলাড়ু আছে করে দেখে যত ভাগ্যবন্ত জনে। অভিন্ন মদন যেই শ্রীরঘুনন্দন সেই এ উদ্ধব দাস রস ভণে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| পূরবে শ্রীদাম এবে অভিরাম কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থশাখা ২৫শপল্লব, শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র-বর্ণন, ২৩৭৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ পূরবে শ্রীদাম এবে অভিরাম মহাতেজ-পুঞ্জ রাশি। বাঁশী বাজাইতে ভ্রমিতে ভ্রমিতে শ্রীখণ্ড গ্রামেতে আসি॥ দেখিয়া মুকুন্দে কহয়ে সানন্দে কোথায় রঘুনন্দন। তাহারে দেখিতে আইলাম এথাতে আনি দেহ দরশন॥ শুনি ভয় পাঞা রাখে লুকাইয়া গৃহেতে দুয়ার দিয়া। তোহোঁ নাহি ঘরে বলি স্তুতি করে অভিরাম গেলা না দেখিয়া॥ বড়ডাঙ্গি নামে স্থান নিরজনে নৈরাশ হইয়া বসি। বুঝি তার মন শ্রীরঘুনন্দন অলখিতে মিলে আসি॥ দেখিয়া তাহারে দণ্ডবৎ করে দুই চারি পাঁচ সাতে। শ্রীরঘুনন্দন করি আলিঙ্গন আনন্দ-আবেশে মাতে॥ তবে দুহুঁ মেলি নাচে কুতূহলী নিজ-পহু-গুণ গাইয়া। চরণ ঝারিতে নূপুর পড়িল আকাই হাটেতে যাইয়া॥ অভিরাম সনে শ্রীরঘুনন্দনে মিলন হইল শুনি। সঘনে মুকুন্দ হই নিরানন্দ কান্দে শিরে কর হানি॥ পত্নীর সহিতে বিষাদিত-চিতে আইল দোঁহার পাশ। দুহুঁ-নৃত্য গীত দেখি হরষিত ভণয়ে উদ্ধবদাস॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির ২৪৮০-পদসংখ্যায় হুবহু একইরূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ পূরবে শ্রীদাম এবে অভিরাম মহাতেজ-পুঞ্জ রাশি। বাঁশী বাজাইতে ভ্রমিতে ভ্রমিতে শ্রীখণ্ড গ্রামেতে আসি॥ দেখিয়া মুকুন্দে কহয়ে সানন্দে কোথায় রঘুনন্দন। তাহারে দেখিতে আইলাম এথাতে আনি দেহ দরশন॥ শুনি ভয় পাঞা রাখে লুকাইয়া গৃহেতে দুয়ার দিয়া। তোহোঁ নাহি ঘরে বলি স্তুতি করে অভিরাম গেলা না দেখিয়া॥ বড়ডাঙ্গি নামে স্থান নিরজনে নৈরাশ হইয়া বসি। বুঝি তার মন শ্রীরঘুনন্দন অলখিতে মিলে আসি॥ দেখিয়া তাহারে দণ্ডবৎ করে দুই চারি পাঁচ সাতে। শ্রীরঘুনন্দন করি আলিঙ্গন আনন্দ-আবেশে মাতে॥ তবে দুহুঁ মেলি নাচে কুতূহলী নিজ-পহু-গুণ গাইয়া। চরণ ঝারিতে নূপুর পড়িল আকাই হাটেতে যাইয়া॥ অভিরাম সনে শ্রীরঘুনন্দনে মিলন হইল শুনি। সঘনে মুকুন্দ হই নিরানন্দ কান্দে শিরে কর হানি॥ পত্নীর সহিতে বিষাদিত-চিতে আইল দোঁহার পাশ। দুহুঁ-নৃত্য গীত দেখি হরষিত ভণয়ে উদ্ধবদাস॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ পূরুবে শ্রীদাম এবে ভেল অভিরাম মহাতেজঃপুঞ্জ রাশি। বাঁশী বাজাইতে ভ্রমিতে ভ্রমিতে শ্রীখণ্ডগ্রামেতে আসি॥ দেখিয়া মুকুন্দে কহয়ে সানন্দে কোথায় রঘুনন্দন। তাহারে দেখিতে আইলাম এথাতে আনি দেহ দরশন॥ শুনি ভয় পাঞা রাখে লুকাইয়া গৃহেতে দুয়ার দিয়া। তোহো নাহি ঘরে বলি স্তুতি করে অভিরাম গেলা না দেখিয়া॥ বড়ডাঙ্গি নামে স্থান নিরজনে নৈরাশ হইয়া বসি। বুঝি তার মন শ্রীরঘুনন্দন অলখিতে মিলে আসি॥ দেখিয়া তাহারে দণ্ডবৎ করে দুই চারি পাঁচ সাতে। শ্রীরঘুনন্দন করি আলিঙ্গন আনন্দ-আবেশে মাতে॥ এবে দুই মিলি নাচে কুতূহলি নিজ পহুঁ গুণ গাইয়া। চরণ ঝারিতে নূপুর পড়িল আকাইহাটেতে যাইয়া॥ অভিরাম সনে শ্রীরঘুনন্দন মিলন হইল শুনি। সগণে মুকুন্দ হই নিরানন্দ কাঁদে শিরে কর হানি॥ পত্নীর সহিতে বিষাদিত চিতে আইল দুঁহার পাশ। দুহুঁ নৃত্য গীত দেখি হরষিত ভণয়ে উদ্ধবদাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরভক্তবৃন্দের চরিত্র বর্ণন ॥ তথা রাগ॥ পূরবে শ্রীদাম এবে অভিরাম মহাতেজপুঞ্জরাশি। বাঁশী বাজাইতে ভ্রমিতে ভ্রমিতে শ্রীখণ্ড গ্রামেতে আসি॥ দেখিয়া মুকুন্দে কহয়ে সানন্দে কোথায় রঘুনন্দন। তাহারে দেখিতে আইলাম এথাতে আনি করাও দরশন॥ শুনি ভয় পাঞা রাখে লুকাইয়া গৃহেতে দুয়ার দিয়া। তোহোঁ নাহি ঘরে বলি স্তুতি করে অভিরাম গেলা না দেখিয়া॥ বড়ডাঙ্গি নামে স্থান নিরজনে নৈরাশ হইয়া বসি। বুঝি তার মন শ্রীরঘুনন্দন অলখিতে মিলে আসি॥ দেখিয়া তাহারে দণ্ডবৎ করে দুই চারি পাঁচ সাতে। শ্রীরঘুনন্দন করি আলিঙ্গন আনন্দ আবেশে মাতে॥ তবে দুহুঁ মেলি নাচে কুতূহলী নিজপহুগুণ গাইয়া। চরণ ঝাড়িতে নূপুর পড়িল আকাইহাটেতে যাইয়া॥ অভিরাম সনে শ্রীরঘুনন্দনে মিলন হইল শুনি। সঘনে মুকুন্দ হই নিরানন্দ কান্দে শিরে কর হানি॥ পত্নীর সহিতে বিষাদিত-চিতে আইল দোঁহার পাশ। দুহুঁ নৃত্য গীত দেখি হরষিত ভণয়ে উদ্ধবদাস॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কক্ খটি বচন রচন শুনি সচকিত কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ কক্ খটি-বচন রচন শুনি সচকিত . দুহুঁ-চিতে ভৈ গেল তরাস। নিরমিত বেশ পুনহি ভেল বিচলিত . খলিত কেশ পট-বাস॥ ভরমহি কানুক পীত বসন লেই . সুন্দরি ঝাঁপল অঙ্গ। রাইক ওঢ়নি লেই সুনাগর . চলু সব সহচরি সঙ্গ॥ সহজই সঙ্গ-ভঙ্গে অতি আকুল . ঝাঁপল দুহুঁ-দিঠি নীর। তাহে গুরুজন-ভিতে শঙ্কাকুল-চিতে . না চিহ্নয়ে নিজ চীর॥ দুহুঁ জন অতিশয় বিরহে বেয়াকুল . সজল-নয়নে তহিঁ চায়। উদ্ধব দাস ভণ অরুণ-কিরণ হেরি . সহচরি পালটি না চায়॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ কক্খটী বচন, রচন শুনি সচকিত, দুহুঁ চিতে ভৈ গেল তরাস। বিরচিত বেশ, পুনহি ভেল বিচলিত খলিত কেশ পটবাস॥ ভরমহি কানুক, পীত বসন লই, সুন্দরী ঝাঁপল অঙ্গ। রাইক উড়নী, গেই সুনাগর, বলু সব সহচরী সঙ্গ॥ সহজই সঙ্গ, সঙ্গে অতি আকুল, ঝাঁপল দুহুঁ দিঠি নীর। তাহে গুরুজন ভিতে, শঙ্কাকুল চিতে, নাহি চিহ্নয়ে নিজ চীর॥ দুহুঁ জন অতিশয়, বিরহে বেয়াকুল, সজল নয়নে তহিঁ যায়। উদ্ধবদাস ভণ, অরুণ কিরণ হেরি, সহচরী পালটি না চায়॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ কক্ খটি বচন রচন শুনি সচকিত . দুহুঁচিতে ভৈ গেল তরাস। নিরমিত বেশ পুনহি ভেল বিচলিত . খলিত কেশ পট-বাস॥ ভরমহি কানুক পীত বসন লেই . সুন্দরি ঝাঁপল অঙ্গ। রাইক ওঢ়নি লেই সুনাগর . চলু সব সহচরি সঙ্গ॥ সহজই সঙ্গ-ভঙ্গে অতি আকুল . ঝাঁপল দুহুঁ দিঠি নীর। তাহে গুরুজনভিতে শঙ্কাকুলচিতে . না চিহ্নয়ে নিজ চীর॥ দুহুঁ জন অতিশয় বিরহে বেয়াকুল . সজল নয়নে তহিঁ চায়। উদ্ধবদাস ভণ অরুণ কিরণ হেরি . সহচরি পালটি না চায়॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাধা-কুণ্ড-সন্নিধানে হর্ষ-বর্ষদ বনে রাধা কুণ্ড সদনে হর্ষ বদনে কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬১৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ রাধা-কুণ্ড-সন্নিধানে হর্ষ-বর্ষদ বনে বকুল-কদম্ব-তরু-শ্রেণী। বান্ধিয়াছে দুই ডালে রক্ত-পট্ট-ডোরি ভালে মাঝে মাঝে মুকুতা খিচনি॥ পুষ্প-দল চূর্ণ করি সূক্ষ্মবস্ত্র মাঝে ভরি সুকোমল তুলী নিরমিয়া। পাটার উপরে মড়ি ডুরি-বন্ধ কোণা চারি কৃষ্ণ আগে উঠিলেন গিয়া॥ রাই কর আকর্ষণ করি অতি হর্ষ-মন তুলিলেন হিন্দোলা উপরি। কর-পুটে আঁটি ভোরি দোলা-পাটে পদ ধরি সমুখাসমুখি মুখ হেরি॥ হেন কালে সখীগণে করি নানা রাগ গানে পুষ্পের আরতি দুহে কৈল। এ উদ্ধব দাস ভণে সবে কৈল নির্ম্মঞ্ছনে অতিশয় আনন্দ বাড়িল॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ তোলেচিত॥ রাধা কুণ্ড সদনে হর্ষ বদনে বকুল কদম্ব তরু শ্রেণী। বান্ধিয়া দুই ডালে রক্ত বর্ণ ডুরি ভালে মাঝে মাঝে মুকুতা খেচনি॥ পুষ্পদল চূর্ণ করি শুক্ল বস্ত্র মাঝে ভরি সুকোমল তুলি নিরমিঞা। পাটের উপরি মুড়ি ডুরি বন্ধ কৈলা চারি কৃষ্ণ আগে উঠিলেন গিয়া॥ রাই কর আকর্ষণ করি অতি হর্ষ মন তুলিলেন হিণ্ডোল উপরি। কর মুটে আটি ডুরি দোলা পাতি পদ ধরি সমুখা সমুখি মুখ হেরি॥ হেন কালে সখীগণে করি রাগ নানা গানে পুষ্পের আরতি দুহে কৈল। এ উদ্ধব দাস ভণে সভে কৈল নির্মঞ্ছনে অতিশয় আনন্দ বাড়িল॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ রাধা-কুণ্ড-সন্নিধানে, হর্ষ-বর্ষদ বনে, বকুল-কদম্বতরু শ্রেণী। বান্ধিয়াছে দুই ডালে, রক্ত-পট্ট ডোরি ভালে, মাঝে মাঝে মুকুতা খিচনি॥ পুষ্প-দল চূর্ণ করি, সূক্ষ্মবস্ত্র মাঝে ভরি, সুকোমল তুলী নিরমিয়া। পাটার উপরে মুড়ি, ডুরি বান্ধা কোণা চারি, কৃষ্ণ আগে উঠিলেন গিয়া॥ রাই কর আকর্ষণ, করি অতি হর্ষমন, তুলিলেন হিন্দোল উপরি। কর-পুটে আঁটি ভোরি, দোলা-পাটে পদ ধরি, সমুখাসমুখি মুখ হেরি॥ হেন কালে সখীগণে, করি নানা রাগ গানে, পুষ্পের আরতি দুহুঁ কৈল। উদ্ধবদাস ভণে, সবে কৈল নির্ম্মঞ্ছনে, অতিশয় আনন্দ বাড়িল॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” তয় খণ্ড, ঝুলন লীলা, ৪৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সারঙ্গ - তেওট॥ রাধাকুণ্ড সন্নিধানে, হর্ষবর্ষদ বনে, বকুল কদম্ব তরু শ্রেণী। বান্ধিয়াছে দুই ডালে, রক্ত-পট্ট ডোরি ভালে, মাঝে মাঝে মুকুতার খেচনী॥ পুষ্পদল চূর্ণ করি, সূক্ষ্মবস্ত্র মাঝে ভরি, সুকোমল তুলি নিরমিয়া। পাটার উপরে মুড়ি, ডুরি বন্ধ কোনা চারি, কৃষ্ণ আগে উঠিলেন গিয়া॥ রাই কর আকর্ষণ, করি অতি হর্ষ মন, তুলিলেন হিন্দোলা উপরি। কর মুঠে আঁটি ডুরি, দোলাপাটে পদ ধরি, সমুখাসমুখি মুখ হেরি॥ হেনকালে সখিগণে, নানা রাগ রস-গানে, পুষ্পের আরতি দোঁহে কৈল। এ উদ্ধব দাস ভণে, সবে কৈল নির্ম্মঞ্ছনে, অতিশয় আনন্দ বাঢ়িল॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ কামোদ॥ রাধাকুণ্ড সন্নিধানে হর্ষবর্ষদ বনে বকুল কদম্ব তরুশ্রেণী। বান্ধিয়াছে দুই ডালে রক্তপট্টডোরি ভালে মাঝে মাঝে মুকুতা খিচনি॥ পুষ্পদল চূর্ণ করি সূক্ষ্ম বস্ত্র মাঝে ভরি সুকোমল তুলী নিরমিয়া। পাটার উপরে মড়ি ডুরিবন্ধ কোণা চারি কৃষ্ণ আগে উঠিলেন গিয়া॥ রাইকর আকর্ষণ করি অতি হর্ষমন তুলিলেন হিন্দোলা উপরি। কর-পুটে আঁটি ভোরি দোলাপাটে পদ ধরি সমুখাসমুখি মুখ হেরি॥ হেন কালে সখীগণে করি নানা রাগ গানে পুষ্পের আরতি দুহেঁ কৈল। এ উদ্ধব দাস ভণে সবে কৈল নির্ম্মঞ্ছনে অতিশয় আনন্দ বাড়িল॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| যত সেবা-পরা সখী সচতুরা জত সেবাপরা সখী চতুরা কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬১৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ যত সেবা-পরা সখী সুচতুরা কি দিব উপমা তার। অতি অনুরাগে মাথে বান্ধি পাগে সাজয়ে বিবিধ হার॥ আনন্দে অতুল কর্পূর তাম্বুল দিয়া মুখ পানে চায়। হরষিত-চিতে দোলা দোলাইতে ললিতা বিশাখা যায়॥ শাটীর অঞ্চল কটিতে বান্ধল সুছান্দে কিঙ্কিণী দিয়া। বক্র হৈয়া কাছে রহে আগে পাছে দুই পদ আরোপিয়া॥ আর দুই সখী সময় নিরখি হিন্দোলা বিশ্রাম স্থানে। তাম্বুল-লম্পুটে লঞা কর-পুটে এ দাস উদ্ধবে ভণে॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ তোলেচিত॥ জত সেবাপরা সখী চতুরা কি দিব উপমা তার। অতি অনুরাগে মাথে বান্ধে পাগে সাজায়ে বিবিধ হার॥ আনন্দ অতুল কর্পূর তাম্বুল দিয়া মুখ পানে চায়। হরসিত চিতে দোলা দোলাইতে ললিতা বিশাখা জায়॥ সাড়ির অঞ্চল কটিতে বান্ধিল সুছান্দে কিঙ্কিণী দিয়া। বক্র হয়া কাছে রহে আগে পাছে দুই পদ আরোপিয়া॥ আর দুই সখী সময় নিরখি হিন্দোলা বিশ্রাম স্থানে। তাম্বুল সম্পুটে লয়া করপুটে এ দাস উদ্ধব ভণে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ যত সেবা-পরা, সখী সুচতুরা, কি দিব উপমা তার। অতি অনুরাগে, মাথে বান্ধি পাগে, সাজয়ে বিবিধ হার॥ আনন্দে অতুল, কর্পূর তাম্বুল, দিয়া মুখ পানে চায়। হরষিত-চিতে, দোল দোলাইতে, ললিতা বিশাখা যায়॥ শাটীর অঞ্চল, কটিতে বান্ধল, সুছান্দে কিঙ্কিণী দিয়া। বক্র হৈয়া কাছে, রহে আগে পাছে, দুই পদ আরোপিয়া॥ আর দুই সখী, সময় নিরখি, হিন্দোলা বিশ্রাম স্থানে। তাম্বুল-সম্পুটে, লঞা করপুটে, এ দাস উদ্ধবে ভণে॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” তয় খণ্ড, ঝুলন লীলা, ৪৮০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত জয়-জয়ন্তী - একতালা॥ যত সেবাপরা, সখী সুচতুরা, কি দিব তুলনা তার। অতি অনুরাগে, মাথে বান্ধে পাগে, সাজায়ে বিবিধ হার॥ আনন্দে অতুল, কর্পূর তাম্বুল, দিয়া মুখপানে চায়। হরষিত চিতে, দোলা দোলাইতে ললিতা বিশাখা যায়॥ শাড়ির অঞ্চল, কটিতে বান্ধিল, সুছান্দে কিঙ্কিণী দিয়া। বক্র হইয়া কাছে, রহে আগে পাছে, দুই পদ আরোপিয়া॥ আর দুই সখী, সময় নিরখি, হিন্দোলা বিশ্রাম স্থানে। তাম্বুল সম্পুটে, লৈয়া করপুটে এ দাস উদ্ধব ভণে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ তথা রাগ॥ যত সেবাপরা সখী সুচতুরা কি দিব উপমা তার। অতি অনুরাগে মাথে বান্ধি পাগে সাজয়ে বিবিধা কার॥ আনন্দে অতুল কর্পূর তাম্বুল দিয়া মুখপানে চায়। হরষিতচিতে দোলা দোলাইতে ললিতা বিশাখা যায়॥ শাটীর অঞ্চল কটিতে বান্ধল সুছান্দে কিঙ্কিণী দিয়া। বক্র হৈয়া কাছে রহে আগে পিছে দুই পদ আরোপিয়া॥ আর দুই সখী সময় নিরখি হিন্দোলা বিশ্রাম স্থানে। তাম্বুলসম্পুটে লঞা কর-পুটে এ দাস উদ্ধব ভণে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মনের আনন্দ সখী মন্দ মন্দ মনের আনন্দে সখি মন্দ মন্দ কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬১৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ জয় জয়ন্তী॥ মনের আনন্দ সখী মন্দ মন্দ ঝুলায়ত দুহুঁ সুখে। বেগ-অবশেষে পাঞা অবকাশে তাম্বুল দেয়ই মুখে॥ আর সখীগণ সুগন্ধি চন্দন পরাগাদি লৈয়া করে। নাগর-নাগরী- অঙ্গের উপরি বরিখে আনন্দ-ভরে॥ কোন সখীগণ করয়ে নর্ত্তন মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ যন্ত্রেতে রাগ গণ তাতে আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরিয়া বিহ্বল দেব-নারী-কুল ঊর্দ্ধ পথে সভে রহে। পুষ্প বরিষণ করে অনুখণ এ দাস উদ্ধবে কহে॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ জয়জয়ন্তী॥ মনের আনন্দ সখী মন্দ মন্দ ঝুলায়ত দুহু সুখে। বেগে অবশেষে পেয়্যা অবকাশে তাম্বুল দেওল মুখে॥ আর সখীগণ সুগন্ধি চন্দন পরাগাদি লঞে করে। নাগর নাগরী অঙ্গের উপরি বরিখে আনন্দ ভরে॥ কোন সখীগণ করএ নর্ত্তন মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ জন্তেতে রাগগণ তাতে আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরী বিভোল দেব নারীকুল ঊর্দ্ধ পথে সভে রহে। পুষ্প বরিসণ করে অনুখণ এ দাস উদ্ধব কহে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ জয় জয়ন্তী॥ মনের আনন্দ, সখী মন্দ মন্দ, ঝুলায়ত দুহুঁ সুখে। বেগ-অবশেষে, পাঞা অবকাশে, তাম্বুল দেয়ই মুখে॥ আর সখীগণ, সুগন্ধি চন্দন, পরাগাদি লৈয়া করে। নাগর-নাগরী, অঙ্গের উপরি, বরিখে আনন্দ-ভরে॥ কোন সখীগণ, করয়ে নর্ত্তন, মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ যন্ত্রেতে, রাগ তান তাতে, আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরিয়া বিহ্বল, দেব-নারীকুল, ঊর্দ্ধ পথে সবে রহে। পুষ্প বরিষণ, করে অনুক্ষণ, এ দাস উদ্ধবে কহে॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৪০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কৌরাগিণী॥ মনের আনন্দে সখী মন্দে মন্দে ঝুলায়ত দুহুঁ সুখে। বেগ অবশেষ পাই অবকাশে তাম্বুল দেয়ই মুখে॥ আর সখীগণ সুগন্ধি চন্দন পরাগাদি লৈয়া করে। নাগর নাগরি অঙ্গের উপরি বরিখে আনন্দ ভরে॥ কোন সখীগণ করয়ে নর্ত্তন মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ যন্ত্রেতে রাগ তান তাথে আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরিয়া বিহ্বল দেব-নারী কুল ঊর্দ্ধপথে সবে রহে। পুষ্প বরিষণ করে অনুক্ষণ এ দাস উদ্ধব কহে॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” তয় খণ্ড, ঝুলন লীলা, ৪৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ জয়জয়ন্তি - দুঠুকী॥ মনের আনন্দে, সখি মন্দ মন্দ, ঝুলায়ত দোহে সুখে। বেগ অবশেষে, পাইয়া অবকাশে তাম্বুল দেয়ই মুখে॥ আর সখীগণ করয়ে নর্ত্তন মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ যন্ত্রেতে রাগ তান তাতে আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরিয়া বিহ্বল দেব-নারীকুল ঊর্দ্ধ পথে সভে রহে। পুষ্প বরিষণ করে নিরীক্ষণ এ দাস উদ্ধবে কহে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ জয়জয়ন্তী॥ মনের আনন্দ সখী মন্দ মন্দ ঝুলায়ত দুহুঁ সুখে। বেগ অবশেষে পাঞা অবকাশে তাম্বুল দেয়ই মুখে॥ আর সখীগণ সুগন্ধি চন্দন পরাগাদি লৈয়া করে। নাগর নাগরী অঙ্গের উপরি বরিখে আনন্দভরে॥ কোন সখীগণ করয়ে নর্ত্তন মোহন মৃদঙ্গ বায়। বিবিধ যন্ত্রেতে রাগগণ তাতে আলাপি সুস্বরে গায়॥ হেরিয়া বিহ্বল দেবনারীকুল ঊর্দ্ধ পথে সভে রহে। পুষ্প বরিষণ করে অনুক্ষণ এ দাস উদ্ধবে কহে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| হোর দেখ না ঝুলন রঙ্গ হের দেখ না ঝুলন রঙ্গ কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬১৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুরট॥ হোর দেখ না ঝুলন রঙ্গ। মন্দ-বেগেতে দোলিতে দোলিতে অলস দুহুঁক অঙ্গ॥ ইষত মুদিত আধ উদিত দুহুঁ ঢুলু ঢুলু আঁখি। আধ বিকসিত কমলে যৈছন মিলল ভ্রমর পাখী॥ জৃম্ভা-উদগতি সৌরভে উমতি অলিকুল তহিঁ আসি। হেরি মুখ ভ্রম ভেল নীল হেম কমল বিমল শশী॥ হিন্দোলা উপরি সুগীত-মাধুরি ঊর্দ্ধপথ আচ্ছাদিয়া। ঝুলনার ঝোকে অলি ঝাকে ঝাকে সুস্বরে ফিরে ঘুরিয়া॥ রাই-শ্যাম-অঙ্গ- পরিমল সঙ্গ মত্ত ভৃঙ্গ ভুলি গেল। এ উদ্ধব ভণে দেখি দুই জনে আনন্দ অন্তর ভেল॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুরট রাগ তালোচিত॥ হোর দেখনা ঝুলন রঙ্গ। মন্দ বেগেতে দোলিতে দোলিতে অলস দুহুক অঙ্গ॥ ইষত মুদিত আধ উদিত দোহ ঢুলু ঢুলু আঁখি। আধ বিকশিত কমল জৈছন মিলল ভ্রমর পাখী॥ জিম্ভা উদিগতি সৌরভে উমতি অলিকুল তহি আসি। হেরি মুখ ভ্রম ভেল নীল হেম কমল বিমল শশী॥ হিন্দোলা উপরি সুগীত মাধুরী ঊর্দ্ধ পথে আচ্ছাদিয়া। ঝুলনার ঝাকে অলি লাকে লাখে সুস্বরে ফেরএ ঘুরিয়া॥ রাই শ্যাম অঙ্গ পরিমল সঙ্গ মত্ত ভৃঙ্গ ভুলি গেল। এ উদ্ধব ভনে দেখি দুই জনে আনন্দ অন্তর ভেল॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুরট॥ হের দেখ না ঝুলন রঙ্গ। মন্দ-বেগেতে, দোলিতে দোলিতে, অলস দুহুঁক অঙ্গ॥ ইষত মুদিত, আধ উদিত, দুহুঁ ঢুলু ঢুলু আঁখি। আধ বিকসিত, কমলে যৈছন, মিলল ভ্রমর পাখী॥ জৃম্ভ-উদ্গতি, সৌরভে উমতি, অলিকুল তহিঁ আসি। হেরি মুখ ভ্রম, ভেল নীল হেম, কমল বিমল শশী॥ হিন্দোল উপরি, সুগীত-মাধুরী, ঊর্দ্ধ পথে আচ্ছাদিয়া। ঝুলনার ঝোঁকে, অলি ঝাঁকে ঝাঁকে, সুস্বরে ফিরে ঘুরিয়া॥ রাই-শ্যাম-অঙ্গ- পরিমল সঙ্গ, মত্ত ভ্রমর ভুলি গেল। এ উদ্ধব ভণে, দেখি দুই জনে, আনন্দ অন্তর ভেল॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” তয় খণ্ড, ঝুলন লীলা, ৪৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুরট মল্লার - দুঠুকী॥ হোর দেখনা ঝুলন রঙ্গ। মন্দ বেগেতে ঝুলিতে ঝুলিতে অলস দুহুঁক অঙ্গ॥ ইষত মুদিত আধ উদিত দুহুঁ ঢুলু ঢুলু আঁখি। আধ বিকসিত কমলে যৈছন মিলল ভ্রমর পাখী॥ জৃম্ভ উদগতি সৌরভে উমতি অলিকুল তহি আসি। হেরি মুখ ভ্রম ভেল নীল হেম কমলে মিলল শশী॥ হিন্দোলা উপরি শোভিত মাধুরী উর্দ্ধ পথ আচ্ছাদিয়া। ঝুলনার ঝোঁকে অলি ঝাঁকে ঝাঁকে সুস্বরে ফিরে ঘুরিয়া॥ রাই শ্যাম অঙ্গ পরিমল সঙ্গ মত্ত ভৃঙ্গ ভুলি গেল। এ উদ্ধব ভণে দেখি দুইজনে আনন্দ অন্তর ভেল॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ সুরট॥ হোর দেখ না ঝুলন রঙ্গ। মন্দ বেগেতে দোলিতে দোলিতে অলস দুহুঁক অঙ্গ॥ ইষত মুদিত আধ উদিত দুহুঁ ঢুলু ঢুলু আঁখি। আধ বিকসিত কমলে যৈছন মিলল ভ্রমর পাখী॥ জৃম্ভা উদগতি সৌরভে উমতি অলিকুল তহিঁ আসি। হেরি মুখ ভ্রম ভেল নীল হেম কমল বিমল শশী॥ হিন্দোলা উপরি সুগীত-মাধুরী ঊর্দ্ধপথ আচ্ছাদিয়া। ঝুলনার ঝোঁকে অলি ঝাঁকে ঝাঁকে সুস্বরে ফিরে ঘুরিয়া॥ রাইশ্যাম অঙ্গ পরিমল সঙ্গ মত্ত ভৃঙ্গ ভুলি গেল। এ উদ্ধব ভণে দেখি দুই জনে আনন্দ অন্তর ভেল॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাধা রাণি শ্যাম রস-রাজ কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬২০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মায়ূর॥ . রাধা রাণি শ্যাম রস-রাজ। বৃন্দা-দেবি-রচিত রাজ-আসন . রঙ্গ হিণ্ডোরক মাঝ ॥ ধ্রু॥ বাজত কিঙ্কিণি নূপুর সুমধুর . নটত হার মণিমাল। মধুকর-নিকর রাগ জনু গায়ত . গুন-গুন শবদ রসাল॥ সামাঝিকরব @ হেরই পরস্পর . দুহুঁ-জন হসিত বয়ান। দোলা-লম্বিত কুসুম-পত্রযুত . শাখা বীজনক ভান॥ দুহুঁ-মন রীঝে ভিজি রস-বাদর . আদর কো করু ওর। উদ্ধব দাস আশ করি হেরইতে . সখি সহ যুগল কিশোর॥ পাঠান্তর ও ব্যাখ্যা - @ ‘সামাঝিকরব’ - পদকল্পতরুর প্রাপ্ত ক-পুথিতে এই শব্দের জায়গায় ‘মাঝারি করব’ শব্দ রয়েছে। এই নিয়ে সতীশচন্দ্র রায়ের ব্যাখ্যা আমরা এখানে তুলে দিচ্ছি . . . ‘মাঝারি করব’ কিংবা ‘সামাঝিকরব’ কোন পাঠেই অর্থ হয় না। কোন কোন প্রাচীন পুথিতে (যথা ঘ পুথি) ‘শ’ স্থানে প্রায়ই ‘স’ লিখিত হইয়াছে, এরূপ অবস্থায় ‘শ্যামা’ শব্দের ‘শ্যা’ অক্ষরের য-ফলা ও পদ-চ্ছেদ লিপিকর-প্রমাদে পরিত্যক্ত হইলে ‘শ্যামাঝিকরব’ পাঠই ‘সামাঝিকরব’ পাঠে পরিণত হইতে পারে। ‘শ্যামা ঝিকরব’ পাঠের অর্থ --- শ্যামানাম্নী সখী (হিন্দোলা) ঝাকরাইয়া অর্থাৎ ধাক্কা মারিয়া চালাইয়া দিবে। হিন্দী চালনার্থক ‘ঝকোল’ বা ‘ঝকোর’ ধাতুর প্রয়োগ পদাবলি-সাহিত্যে আছে, যথা--- ‘দোলত দুহুঁজন কুসুম-হিণ্ডোরে। দুই দিগে দুই সখি দেই ঝকোরে॥’ ---প-ক-ত ১৫২৯ সংখ্যক পদ। পুনশ্চ--- ‘ব্রজরমণীগণ দেওত ঝকোর’ ---প-ক-ত ১৫৫২ সংখ্যক পদ। ‘ঝকোর’ শব্দ হইতে ‘ঝুকার’, ‘ঝিকার’ বা ‘ঝাকার’ সহজেই উদ্ভূত হইতে পারে। শ্রীযুক্ত যোগেশ বাবু (যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি) তাঁহার বাঙ্গালা শব্দ-কোশ গ্রন্থে লিখিয়াছেন--- ‘ঝাঁকরা ধাতু (ঝাঁক ধাতু হইতে) ঝাঁকরাই - বেগে কম্পিত করি, বেগে সঞ্চালিত করি।’ যোগেশ বাবু ‘ঝাঁক ধাতু’র অর্থস্থলে লিখিয়াছেন--- (‘সং বক্ক ধাতু নাশনে হইতে ধাক্কা)। ঝাঁকি - ঝাক্কা দিই, কম্পিত করি’ এ অবস্থায় ‘ঝাঁক’ ধাতুর চন্দ্রবিন্দুর আগম যে অনিবার্য্য নহে এবং সম্ভবতঃ ‘কাঁপ’, ‘ঝাঁপ’ ইত্যাদি ধাতুর ভ্রান্ত- সাদৃশ্যমূলক ইহাই অনুমান হয়। হিন্দীর ‘ঝকোল’ কিংবা প্রাচীন পদাবলির ‘ঝকোর’ ধাতুতে চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার না থাকা এই অনুমানেরই পোষকতা করিতেছে। এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মায়ূর॥ রাধা রাণী শ্যাম রসরাজ। বৃন্দা-দেবি- রচিত রাজ আসন, রঙ্গ হিণ্ডোরক মাঝ॥ বাজত কিঙ্কিণী, নূপুর সুমধুর, নটত হার মণিমাল। মধুকর নিকর, রাগ জনু গায়ত, গুন গুন শবদ রসাল॥ মাঝা করি কর, হেরই পরস্পর, দুহুঁ-জন হসিত বয়ান। দোলা লম্বিত, কুসুম পত্রযুত, শাখা বীজনক ভান॥ দুহুঁ মন রীঝ. ভিজি রস বাদর, আদর কো করু ওর। উদ্ধবদাস, আশ করি হেরইতে, সখী সহ যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ মায়ূর॥ . রাধা রাণি শ্যাম রসরাজ। বৃন্দাদেবি রচিত রাজআসন . রঙ্গ হিণ্ডোরক মাঝ ॥ ধ্রু॥ বাজত কিঙ্কিণি নূপুর সুমধুর . নটত হার মণিমাল। মধুকরনিকর রাগ জনু গায়ত . গুনগুন শবদ রসাল॥ সমুখা সমুখি হেরই পরস্পর . দুহুঁজন হসিত বয়ান। দোলালম্বিত কুসুমপত্রযুত . শাখা বীজনক ভান॥ দুহুমন রীঝে ভিজি রসবাদর . আদর কো করু ওর। উদ্ধব দাস আশ করি হেরইতে . সখি সহ যুগল কিশোর॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| দোলা অতিশয় বেগ লাগি দুহুঁ কবি উদ্ধব দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল), ৪র্থখণ্ড, ৪র্থশাখা ৩০শপল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬২১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ দোলা অতিশয় বেগ লাগি দুহুঁ . নিজ নিজ পদযুগে চাপি। দুহুঁ কর ডোরহিঁ ডোর ঝুলায়ত . গাওত মধুর আলাপি॥ এক বেরি উধ উঠতহিঁ পুন অধ . খরতর চালয়ে দোল। দুহুঁ রূপ-মাধুরি হেরইতে সহচরি . পরমানন্দে বিভোল॥ শ্যামর গোরি গোরি পুন শ্যামর . কবহুঁ উপর কভু হেট। অনুপম কান্তি কৌতুক সুবিথারল . দুহুঁক হার দুহুঁ ভেট॥ রাইক মোতিম-হার শ্যাম-উরে . নৃত্য কয়ল পরতেক। কানু-বনমাল রাই-কুচ-কঞ্চুকে . আলিঙ্গন অভিষেক॥ ঝুলইতে ঐছন শোভন সখিগণ . হেরইতে আনন্দ হোই। উদ্ধব দাস ভণ কো করু বীজন . চামর ঢুলায়ত কোই॥ এই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার, “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুরা॥ দোলা অতিশয় বেগ লাগি দুহুঁ নিজ নিজ পদযুগ চাঁপি। দোহ করে ডোর হিণ্ডোর ঝুলাওত গাওত মধুর আলাপী॥ এক বেঢ়ি উধ উঠতহি পুন অধ খরতর চালএ দোল। দুহু রূপ মাধুরী হেরইতে সহচরী পরমানন্দে বিভোল॥ শ্যামরূ গোরি গৌরী পুন শ্যামরূ কবহি উপর কভু হেট। অনুপম কান্তি কৌতুক সুবিথারল দুহুঁক হার দুহুঁ ভেট॥ রাইক মোতিক হার শ্যাম উরে নিত্য কয়ল পরতেক। কানু বনমাল রাই কুচ কঞ্চুকে আলিঙ্গন অভিষেক॥ ঝুলইতে ঐছন শোভন সখীগণ হেরইতে আনন্দ হোই। উদ্ধবদাস ভণ কোকরূ বিজন চামর ঢুলাওত কোই॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সিন্ধুড়া॥ দোলা অতিশয়, বেগ লাগি দুহুঁ নিজ নিজ পদযুগে চাপি। দুহুঁ কর ডারহিঁ ডোর ঝুলায়ত, গাওত মধুর আলাপি॥ এক বেরি উধ, উঠতহিঁ পুন অধ, খরতর চালয়ে দোল। দুহুঁ রূপ-মাধুরা, হেরইতে সহচরী, পরমানন্দে বিভোল॥ শ্যামর গোরী, গোরী পুন শ্যামর, কবহুঁ উপর কভু হেট। অনুপম কান্তি, কৌতুক সুবিথারল, দুহুঁক হার দুহুঁ ভেট॥ রাইক মোতিম, হার শ্যাম উরে, নৃত্য কয়ল পরতেক। কানু বনমাল, রাই-কুচ-কঞ্চুকে, আলিঙ্গন অভিষেক॥ ঝুলইতে ঐছন, শোভন সখীগণ, হেরইতে আনন্দ হোই। উদ্ধবদাস ভণ, কো করু নিজ জন, চামর ঢুলায়ত কোই॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” তয় খণ্ড, ঝুলন লীলা, ৪৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সারঙ্গ মল্লার - মধ্যম দশকুশী॥ দোলা অতিশয়, বেগ লাগি দুহুঁ, নিজ নিজ পদ যুগে চাপি। দুহুঁ করে ডোরহি, ডোর ঝুলায়ত, গায়ত মধুর আলাপি॥ এক বেরি ঊর্দ্ধ, উঠতহি পুন অধ, খরতর ভেল হিণ্ডোর। দুহুঁ রূপ মাধুরী, হেরইতে সহচরী, পরমানন্দে বিভোর॥ শ্যামর গোরি গোরি পুন শ্যামর কবহু উপরে কভু হেট। অনুপম কান্তি কৌতুক সুবিথারল দুহুঁক হার দুহুঁ ভেট॥ রাইক মোতিম হার শ্যাম উরে নৃত্য করত পরতেক। কানুক বনমাল রাই কুচ কঞ্চুকে আলিঙ্গন অভিষেক॥ ঝুলইতে ঐছন শোভন সখীগণ হেরইতে আনন্দ হোই। উদ্ধব দাস ভণ কো করু বীজন চামর ঢুলায়ত কোই॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থে পদটি পদকর্তা উদ্ধব দাস (২) এর নামে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা ॥ সিন্ধুড়া॥ দোলা অতিশয় বেগ লাগি দুহুঁ . নিজ নিজ পদযুগে চাপি। দুহুঁ কর ডোরহিঁ ডোর ঝুলায়ত . গাওত মধুর আলাপি॥ এক বেরি উধ উঠতহি পুন অধ . খরতর চালয়ে দোল। দুহুঁ রূপমাধুরি হেরইতে সহচরি . পরমানন্দে বিভোল॥ শ্যামর গোরি গোরি পুন শ্যামর . কবহুঁ উপর কভু হেঁট। অনুপম কান্তি কৌতুক সুবিথারল . দুহুঁক হার দুহুঁ ভেট॥ রাইক মোতিমহার শ্যামউরে . নৃত্য কয়ল পরতেক। কানু বনমাল রাইকুচকঞ্চুকে . আলিঙ্গন অভিষেক॥ ঝুলইতে ঐছন শোভন সখিগণ . হেরইতে আনন্দ হোই। উদ্ধব দাস ভণ কো করু বীজন . চামর ঢুলায়ত কোই॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |