| কবি মীর মোশার্রফ হোসেনের গান ও কবিতা |
| ওরে প্রাণ মিলন সলিল কর দান কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( নেপথ্যে সঙ্গীত ) ॥ রাগিণী খাম্বাজ, তাল কাওয়ালি॥ ওরে প্রাণ মিলন সলিল কর দান। যায় যায় যায় প্রাণ, ওষ্ঠাগত হলো প্রাণ, বিনে প্রেম-বারি পান। মন প্রাঁণ সব সঁপেছি হেরে ও বয়ান, তবে কেন হেন জনে হান প্রিয়ে বিষ বাণ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কুবাসনা যার মনে, তার উপাসনা কি কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( নেপথ্যে গান ) ॥ রাগিণী সিন্ধু, তাল জৎ॥ কুবাসনা যার মনে, তার উপাসনা কি ? মনে এক, মুখে শুধু হরি ব’লে ফল কি ? মধু মাখা-বোল মুখে, গরল রয়েছে বুকে, হেন ছদ্ম-বেশী তার অধর্ম্মেতে ভয় কি ? সতীর সতীত্ব ধন, হরিবারে করে পণ, মুখে বিভু-পদে মন, এদের, অন্তঃকালে হবে কি ? . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সুখী বলে কোন্ জন কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( নেপথ্যে গান ) ॥ রাগিণী ঝিঁঝট খাম্বাজ, তাল আড়াঠেকা॥ সুখী বলে কোন্ জন ? অধীনতা পাশে বাঁধা যাদেরি চরণ॥ ক্ষমতা হলোনা আর, করি পদ অগ্রসর, দেখে আসি একবার, প্রেয়সী বদন॥ দুজন দুহাত ধ’রে, লয়ে যায় জোর ক’রে, কেহ মিছে রোষ ভরে, মারে অকারণ। দেখিলে চক্ষেরি পরে, কেমন প্রভুত্ব করে, আনিতে দিল না মোরে আমারি বসন॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আর, কে আছে আমার কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( নেপথ্যে গান ) ॥ রাগিণী বাগশ্রী, তাল আড়াঠেকা॥ আর, কে আছে আমার ? এ দুঃখ পাথারে কেবা হবে কর্ণধার ? যে তারিবে এ দুস্তারে, নিজে সে ভাসে পাথারে, না হেরি সে প্রাণেশ্বরে, ঝুরি অনিবার। আমরি আমারি লাগি, প্রাণকান্ত দুঃখ ভাগী, বিপক্ষ হলো বিরাগী, না দেখি নিস্তার! শুনেছি ভারতেশ্বরী, দুষ্ট জন দণ্ডকারী, তবে, মাগো কেন হেরি, হেন অবিচার ? . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চেতরে চেতরে চিত! এই তো দিন্ ঘুনায়ে এলো কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( নেপথ্যে গান ) ॥ রাগিণী ললিত, তাল জলদ্ তেতালা॥ চেতরে চেতরে চিত! এই তো দিন্ ঘুনায়ে এলো। সারা নিশি ঘুমাইলে আর কত ঘুমাবে বল॥ মায়াবিনী এই নিশি, আসল্ ঘুম্ পাড়ানী মাসী, ভোগা দিয়ে সর্ব্বনাশী সার কথাটী ভুলিয়ে দিল! শিষ্ট যারা নিশিযোগে, রয় কি তারা নিদ্রাযোগে ? মন্ রেখে সেই পদ-যুগে, যোগে ম’জে জেগেছিল। দুষ্ট লোকে রেতের বেলা, ঠিক্ যেন হয় কলির চেলা, কেউ চুরি, কেউ কামের খেলা, খুন্ ক’রে কেউ লুকাইল! . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কাতরে ডাকি মা তোরে শুনমা ভারতেশ্বরী কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ( সঙ্গীত ) ॥ রাগিণী ললিত, তাল আড়াঠেকা॥ কাতরে ডাকি মা তোরে শুনমা ভারতেশ্বরী! অবিহিত অবিচারে আর বাঁচিনে মরি মরি॥ থাক মা সাগর পারে, কভুনা হেরি তোমারে, রক্ষ মা প্রজা কিঙ্করে, বিনয়ে মিনতি করি। অবলা সরলা সতী, তাহে ছিল গর্ভবতী, সে সতীর এ দুর্গতি, উহু মরি মরি! সবল দুর্ব্বল পরে, হেন অত্যাচার করে? রক্ষ মা দীন প্রজারে, মা তোমার চরণে ধরি॥ দয়া মমতা পালিনী, প্রজার দুঃখ বিমোচিনী, দীন দুঃখ-নাশিনী, মা তুমি শুভঙ্করী ;--- জননী বলিয়ে ডাকি, শুন সিন্ধু পারে থাকি, করুণা কটাক্ষ রাখি, তার মা ভারতেশ্বরী॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কবে পোহাইবে ভবে এই দুঃখ বিভাবরী কবি মীর মশার্রফ হোসেন জমীদার দর্পণ নাটকের গান। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তরুণ সান্যাল সম্পাদিত পরিচয় পত্রিকার আষাঢ় ১৩৭৭ (জুন ১৯৭০) সংখ্যায় প্রকাশিত। ॥ রাগিণী ললিত, তাল আড়াঠেকা॥ কবে পোহাইবে ভবে এই দুঃখ বিভাবরী। উপায় না হয় ভেবে নিয়ত ভাবনা করি॥ কবে দেব দিবাকর, বিকাশিয়ে সুখকর, নাশিবেন তম ঘোর, ঘোর অন্ধকার? ওহে বিপদ বারণ, কর বিপদে তারণ, তম কর নিবারণ নিবেদন করি ;--- তুমি দেব সর্ব্বময়, কাতরে করুণাময়, নাশ কর দীন ভয়, শ্রীপদ কমলে ধরি॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |