কবি রাসসুন্দরী দেবী -  বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনী, "আমার জীবন" গ্রন্থের রচয়িতা এবং  
কবি। তিনি
জন্মগ্রহণ করেন অবিভক্ত বাংলার পাবনা জেলার পোতাজিয়া (পাতাজিয়া) গ্রামে। পিতা  
জমীদার পদ্মলোচন রায়, কবির মাত্র চার বছর বয়সেই পরলোক গমন করেন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে
তিনি দ্বিতীয়।
 সঙ্গীতজ্ঞ ও যাত্রা-পালাকার নীলরতন রায় তাঁর ভাই। ফরিদপুরের, অধুনা  রাজবাড়ী জেলার,
রামদিয়া
 গ্রামের জমীদার সীতানাথ সরকার তাঁর স্বামী। প্রখ্যাত আইনজ্ঞ ও টেগোর ল প্রফেসার  
কিশোরীলাল সরকার তাঁর অষ্টম সন্তান। সুবোধচন্দ্র সরকার ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত “সংসদ বাংলা
 
চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড”
 গ্রন্থে প্রফেসার কিশোরীলাল সরকারের পিতার নাম রয়েছে সীতানাথ  সরকার
এবং মাতার নাম “আমার
 জীবন” গ্রন্থের রচয়িত্রী রাসসুন্দরী দেবী।

শৈশব জীবন                                                                                 ^^ উপরে ফেরত  
শৈশবে আট বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিবেশী মেয়েদের সঙ্গে খেলা করে কাটাতেন। এরপর দুবছর তাঁকে তাঁদের
বাড়ীতে স্থিত ছেলেদের জন্য “বাঙ্গালা স্কুলের” শিক্ষিকা একজন মেম সাহেবের পাশে বসিয়ে রাখা
 হোতো,  
স্কুল চলাকালীন। সেখানে বসে বসে তিনি মনে মনে বাংলা ও পারসী ভাষা খানিকটা শিখেছিলেন।

ছোটবেলায় তিনি সব কিছুতেই ভীষণ ভয় পেতেন। তাঁর আট বছর বয়স নাগাদ, তাঁর মা তাঁকে বলেছিলেন,
“তোমার এত ভয় কেন? ভয় নাই, কিসের ভয়, ছেলে-ধরা নাই, ও সকল মিছা কথা, আমাদের দয়ামাধব
 
আছেন, ভয় কি? তোমার যখন ভয় হইবে, তুমি দয়ামাধবকে ডাকিও, দয়ামাধবকে ডাকিলে তোমার ভয়
থাকিবে না।” দয়ামাধব তাঁদের গৃহদেবতার নাম ছিল।

তাঁর বছর দশেক বয়স নাগাদ এর রাতে, তাঁদের বসতবাড়ী আগুন লেগে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে যায়। তিন
ভাই-বোন সেই আগুন থেকে পালিয়ে যেতে গিয়ে বাড়ী থেকে বহুদূর চলে আসেন এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
সেই সময় মায়ের কথা স্মরণ করে, তাঁরা গৃহদেবতা দয়ামাধবের নাম করতে থাকলে, কাছ দিয়ে
 যাওয়া
কিছু মানুষের গোচরে আসেন এবং তারা তাদের বাড়ীতে পৌঁছে দেন। এই ঘটনার পরে কবির দয়ামাধবের
উপর ভক্তি আরো বেড়ে যায়।

সংসার জীবন                                                                                 ^^ উপরে ফেরত  
বারো বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয় ফরিদপুরের রামদিয়া গ্রামের জমীদার সীতানাথ সরকারের সঙ্গে। বিয়ের
পর শ্বশুরবাড়ীতেও তিনি আদর যত্নে ছিলেন। শাশুড়ী মা তাঁকে মায়ের মতোই স্নেহ করতেন।
 সেখানে  
তাঁকে গৃহের কোনো কাজই করতে দেওয়া হতো না। শাশুড়ী নিজেই রান্না-বান্না করতেন। অন্য কাজের জন্য
ঝি-চাকরের ব্যবস্থা ছিল।

এই সময়ে তিনি কিছুদিনের জন্য শিল্পকর্ম করায় মন দেন। অন্যান্য কাজের সঙ্গে মাটির মূর্তি গড়াতেও
 
উদ্যোগী হয়েছিলেন। একবার একটি সাপের মূর্তি বানিয়ে রং করে খাটের তলায় রেখেছিলেন। সেটি এত
জীবন্ত হয়েছিল যে বাড়ীসুদ্ধ লোক সেই সাপটি দেখে ভয় পেয়ে, লাঠি দিয়ে মারার চেষ্টা করলে সেটি ভেঙে
গেলে, বুঝতে পারেন যে সেটি আসলে মাটির তৈরী করা সাপ! এই ঘটনার পর তিনি আর এসব কাজে হাত
দেননি।

কিছদিন পরেই তাঁর শাশুড়ী অন্ধ হয়ে যান। তখন থেকে তাঁর উপরে সংসারের সব দায়িত্বভার এসে পড়ে।
তাঁর কোনো ভাসুর বা দেবর ছিল না। কিন্তু বাড়ীতে কাজের লোকের সংখ্যা ২৫-২৬ ছিল। তাঁদের খাওয়া
দাওয়ার জন্য রান্না তাঁকেই করতে হতো। এর উপর ছিল শাশুড়ীর দেখাশোনা এবং তাঁর সব ব্যক্তিগত কাজ
করে দেওয়া বা সাহায্য করা। সর্বোপরি ছিল গৃহদেবতা মদনগোপালের বিগ্রহের রক্ষণাবেক্ষণ ও পূজা।  

১৮ বছর বয়স থেকে ৪১ বছর বয়সের মধ্যে তাঁর বারটি সন্তান হয়। তার মধ্যে দশটি পুত্র দুইটি কন্যা।
তাদের মধ্যে জীবিত ছিলেন চার পুত্র ও এক কন্যা। প্রখ্যাত আইনজ্ঞ ও টেগোর ল প্রফেসার কিশোরীলাল
সরকার তাঁর অষ্টম সন্তান।

“আমার জীবন” গ্রন্থের প্রথম ভাগের ত্রয়োদশ রচনার “স্বপ্ন-বিবরণ” লেখায় তিনি উল্লেখ করেছেন তাঁর একটি
স্বপ্নের। এই স্বপ্নে তিনি তাঁর চতুর্থ সন্তান, পুত্র প্যারীলালের মৃত্যু দেখতে পান। সেই সময়ে প্যারীলাল
 
বহরমপুরে পড়তে গিয়েছিলেন। পরদিনই রাসসুন্দরী, বহরমপুরে লোক পাঠান এবং তাঁর পুত্রের
 মৃত্যুর
খবর পান। এবং সেই মৃত্যুর, তাঁর দেখা স্বপ্নের সঙ্গে হুবহু মিল ছিল। “মনের অলৌকিকতা” এবং “অন্তরে
স্পষ্টদর্শন” লেখায় তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর বড় ছেলে বিপিন বিহারী একবার ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে
গিয়ে আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনাটিও, সেদিনই কিছু পূর্বে দিনের বেলায় জেগে থাকা অবস্থায় তিনি
দেখতে পেয়েছিলেন।

বিদ্যা অর্জন                                                                                 ^^ উপরে ফেরত  
সেকালে মেয়েদের লেখাপড়া করাটা সমাজে ভালো চোখে দেখা হতো না। কবির বাপেরবাড়ী এবং
 
শ্বশুরবাড়ী, দুই পরিবারই যথেষ্ঠ সচ্ছল ছিল কারণ তাঁরা ছিল নিজ নিজ গ্রামের জমিদার। কিন্তু দু-বাড়ীতেই
নারীশিক্ষার কোনো প্রচলন ছিল না। বাপের বাড়ীতেই, ছেলেদের স্কুল থাকলেও মেয়েদের পড়াশুনার কোনো
রেওয়াজ ছিল না। মেয়েরা লেখা পড়া শিখলে মন্দ বই ভাল বলতো না কেউ। রাসসুন্দরী দেবী
 বরাবরই
মনে সাধ ছিল লেখা পড়া শিখে ধর্ম-গ্রন্থ পাঠ করার।

শ্বশুরবাড়ীতে যখন তিনি সংসার-ধর্ম পালনে প্রচণ্ডভাবে ব্যস্ত, তখন তাঁর লেখা পড়ার করার সাধ আরো
বেড়ে যায়। স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে পিতার গৃহের স্কুলে বসে যে বর্ণমালা
 মুখে
মুখে শিখেছিলেন তা তাঁর সম্পূর্ণ মনে আছে! তাঁর বড় ছেলের বয়স যখন আট বছর অর্থাৎ কবির বয়স
যখন ২৬, সে সময় একদিন রাতে স্বপ্ন দেখলেন যে তিনি চৈতন্যভাগবত গ্রন্থটি পাঠ করছেন! (প্রথম
 
অধ্যায়ের সপ্তম রচনায় লিখেছেন যে তিনি যখন পড়তে শিখেছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর।) তিনি
জানতেন না চৈতন্যভাগবত গ্রন্থটি তাঁদের বাড়ীতে আছে কি না। আশ্চর্যজনকভাবে পরদিনই তাঁর স্বামী
 
গ্রন্থটি (পুঁথি) তাঁদের ঘরে রেখে কাজে চলে যান। রাসসুন্দরী সেই বইয়ের একটি পাতা ছিঁড়ে
 রান্নাঘরে  
লুকিয়ে রাখেন। পাতাটি নিয়েও তাঁর কোনো লাভ হয়নি কারণ তিনি তো তখনও পড়তে শেখেননি।

ক্রমে তিনি লুকিয়ে পড়তে শুরু করেন। তাঁর তিনজন বিধবা ননদ তাঁদের বাড়ীতেই থাকতেন। পাছে তাঁরা
দেখে ফেলেন তাই তিনি তাঁদের আহ্নিকের সময় তাঁর প্রতিবেশিনীদের নিয়ে লুকিয়ে চৈতন্যভাগবত পুঁথি
পড়তেন। এমন কি পাহারাদার রাখতেন যাতে কেউ দেখে না ফেলে। আসলে পাছে কেউ কিছু বলে এই
ভয়েই তিনি সর্বদা তটস্থ থাকতেন। কিছুকাল পর তাঁর ননদদের এই কথা জানাতে, আনন্দিত হয়ে, তাঁরাও
তাঁর কাছে পড়া শেখা শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি আর লুকিয়ে পুঁথি পড়তেন না।

একবার বাল্মীকি-পুরাণের আদিকাণ্ড পড়া হয়ে গেলে দেখেন যে বাকিটা বাড়ীতে নেই। পঞ্চম পুত্র দ্বারকানাথ
তখন কলকাতায় পড়তেন। কবি নিজে তখনো লিখতে পারতেন না বলে পুত্রকে চিঠি লিখে তা জানাতে
 
পারেন নি। ছেলে ছুটিতে বাড়ী এলে তাকে বলেছিলেন। ছেলেও বইটি শীঘ্রই পাঠিয়ে দেন। এই প্রথম তিনি
ছাপা অক্ষর পড়তে অভ্যস্ত হয়েছিলেন। পুত্র কিশোরীলালের অভিযোগ ছিল যে তাঁরা যে চিঠি লেখেন, মা
সেই সব চিঠির উত্তর দেন না। তাই তিনি নিজেই মাকে কাগজ কলম দোয়াত কালি দিয়ে বলেছিলেন উত্তর
দিতেই হবে! এই ঠ্যালায় তিনি লিখতে শিখে নেন! এই সময়ে স্বামীর অসুস্থতার কারণে পুত্র দ্বারকানাথের
কাঁঠালপোতার বাসায় মাস ছয়েক থাকতে হয় চিকিত্সার জন্য। লেখাটা সেইখানেই তিনি রপ্ত করে নেন।

আমার জীবন                                                                                 ^^ উপরে ফেরত  
১৮৬৮ সালে তাঁর আত্মজীবনী “আমার জীবন” প্রকাশিত হয়। “আমার জীবন”-এর প্রথম ভাগের দশম রচনায়
লিখেছেন . . . “১২১৬ সালে চৈত্র মাসে আমার জন্ম হইয়াছে, আর এই বহি ১২৭৫ সালে যখন প্রথম ছাপা হয়
তখন আমার বয়ঃক্রম ঊনষাইট বত্সর ছিল। কবির ৮৮ বছরে, ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (১৮৯৬) লেখা “আমার
 
জীবন” এর দ্বিতীয় ভাগ সহ প্রকাশিত হয়, যার ভূমিকা লিখেছিলেন
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গ্রন্থ পরিচয়
লিখেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন।

“আমার জীবন”, নারীর কলমে, সেকালের বাংলায় নারীর সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থানের পরিচায়ক
গ্রন্থের অন্যতম। এটিই বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনী।

সেকালের হিন্দু বিবাহিতা নারীর রীতি অনুসারে এই গ্রন্থে তাঁর স্বামীর উপর একটি পুরো রচনা (চ্যাপ্টার)
লিখে থাকলেও, কোত্থাও স্বামীর নাম উল্লেখ করেন নি। সারা গ্রন্থে বহুবার তাঁকে “কর্ত্তাটি” বলে উল্লেখ বা
সম্বোধন করছেন! হিন্দু স্ত্রীদের সে সময়ে স্বামীর নাম মুখে আনা নিষেধ ছিল।

কবির জীবন সম্বন্ধে আমরা প্রায় সব তথ্যই এই বইটি থেকেই পাই।  

গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণটির সমাপ্তিতে লিখেছিলেন তাঁর শেষ ইচ্ছার কথা এইভাবে . .

.        “
আমার জীবন-চরিত---দ্বিতীয়ভাগ---এই পর্যন্তই ক্ষান্ত থাকিল। আমার জীবনান্ত হইলে  আমার  
বংশের মধ্যে যিনি ইচ্ছা করেন তিনি আমার শেষ ভাগ লিখিবেন।
.        এই বইখানি আমার নিজ হস্তে লেখা। আমি লেখা পড়া কিছুই জানি না। পাঠক মহাশয়েরা, তোমরা
যেন অবহেলা না কর, দেখিয়া ঘৃণা করিও না। অধিক লেখা বাহুল্য। তোমরা সব জান, যাহাতে পরিশ্রম
সফল হয় করিবা।
.        আমার এই বইখানি ছাপান হইলে ঐ বই বিক্রয় হইয়া ছাপানর দাম দিয়া পরে যে কিঞ্চিৎ থাকিবে ঐ
টাকা আমানত থাকিবেক। আমার ছেলেদের ত কথাই নাই। পরে আমার বংশের মধ্যে যে থাকিবেক, প্রতি
বত্সর মদনগোপালের নিকট ঐ টাকা দিয়া মহোত্সব হইবেক, এই আমার প্রার্থনা
”।

উপসংহার                                                                                 ^^ উপরে ফেরত  
রাসসুন্দরী দেবীর জীবনকালে ঘটে গিয়েছে ভারতবর্ষের অগণিত যুগান্তকারী ঐতিহাসিক ঘটনা।
রাজা
রামমোহন রায়ের
সতীদাহ প্রথা নির্মূলন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সফল বিধবা বিবাহ আন্দোলন,  ১৮৫৭
সালের সিপাহী বিদ্রোহ প্রভৃতি যার অন্যতম। এক কথায় বাংলার নবজাগরণ
( Bengal Renaissance ) এর
কার্যকর সময়টাই রাসসুন্দরীর জীবনকাল। তিনি নিজে ঐতিসাহিক চরিত্র হয়ে গেলেও তাঁর গ্রন্থে
  
ঐতিহাসিক ঘটনার কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়না। হয়তো এই সব ঘটনার আঁচ তাঁর গ্রামের বাড়ীর  
অন্দরমহল অবধি পৌঁছাতে পারে নি। এটা আরও প্রমাণ করে যে সে কালের হিন্দু নারীদের জীবন এত  
সংঘর্ষময়, এত সংসার জীবনের ব্যস্ততা, এত পরাধীনতার মধ্য দিয়ে কাটতো যে এই সব ঐতিহাসিক  
ঘটনাবলী, যা তাঁদেরই জীবনে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করার কথা, তা নিয়েও তাঁদের ভাবনা চিন্তা করার  
অবকাশ ছিল না।


তাঁর গ্রন্থের একাধিক জায়গায় তিনি লিখেছেন, “আমি ভারতবর্ষে আসিয়া এত দীর্ঘকাল যাপন করিলাম”।
আমরা জানিনা যে তিনি তাঁর গ্রন্থের প্রথম সংস্করণে (১৮৬৮) এই কথা লিখেছিলেন কি না, কারণ সেই
 
সংস্করণ আমরা হাতে পাইনি। আমাদের কাছে কেবল দ্বিতীয় সংস্করণই (১৮৯৬) রয়েছে। এই থেকে একটা
কথা বুঝতে অসুবিধা হয় না যে সেই সময়ের মধ্যে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এই দেশ, বাংলা-বিহার-উড়িষ্যা-
অসমের মতো আলাদা আলাদা রাষ্ট্রের পরিচয়ের উর্ধে উঠে এক দেশ ভারতবর্ষ হিসেবে মানুষের মনে
 
জায়গা করে নিয়েছে।

সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর স্থান মূলত বাংলার প্রথম আত্মজীবনীকার হিসেবেই স্বীকৃত। কিন্তু তাঁর “আমার
 
জীবন” গ্রন্থের অন্তত ৩০-৪০ শতাংশই কবিতা
, যার বেশীরভাগই ভক্তিরসের। প্রতিটি “রচনা”-ই (চ্যাপ্টার
বা অধ্যায়) তিনি শুরু করেছেন কবিতা দিয়ে। রচনার মধ্যে মধ্যেও বহু ক্ষুদ্র বা অনু-কবিতা রয়েছে।
 
রচনার বাইরেও রয়েছে কবিতা। এমনকি রয়েছে চারটি গীতও! একটিতে সুর-তালও দেওয়া রয়েছে! তাই
আমাদের চোখে তিনি কেবল
 আত্মজীবনীকার নন, তিনি একজন কবি এবং গীতিকার। পুরোমাত্রায়।  

আমরা মিলনসাগরে,
 তাঁর “আমার জীবন” গ্রন্থের সব ক’টি কবিতাই তুলে দিলাম ( প্রাপ্ত বইয়ের  
প্রতিলিপিতে কয়েকটি পাতা না থাকায় হয়তো কয়েকটি কবিতা বাদ পড়ে গেল )। মিলনসাগরে এই পাতা
কবি রাসসুন্দরী দেবীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। আমরা  
মিলনসাগরে  কবি রাসসুন্দরী দেবীর কবিতা তুলে
আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।



উত্স -  রাসসুন্দরী দেবী, আমার জীবন, ১৮৯৬,
West Bengal State Central Library website।      
.           সুবোধচন্দ্র সরকার ও অঞ্জলি বসু, সংসদ বাংলা চরিতাভিধান প্রথম খণ্ড, ২০১০।    
.           
বাংলাপেডিয়া।        
.           
Rajbari-7700, Bangladesh এর ফেসবুক পাতা।    



কবি রাসসুন্দরী দেবীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২২.০১.২০১৭                                                        ^^ উপরে ফেরত    

...             
রাসসুন্দরী দেবী
চৈত্র ১২১৬ ~ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ
( মার্চ-এপ্রিল ১৮১০ ~ ১৮৯৯ খৃষ্টাব্দ )
< আমরা এই ছবিটি পেয়েছি Rajbari-7700, Bangladesh
এর ফেসবুক পাতা থেকে।
শৈশব জীবন  
সংসার জীবন
বিদ্যা অর্জন  
আমার জীবন  
উপসংহার   
*
*
*
*
*