কোচবিহার-বিবাহের প্রতিবাদ - পাতার উপরে . . .
“কোচবিহার-বিবাহের” প্রতিবাদে তিনি “কপালে ছিল বিয়ে কাঁদলে হবে কি?” নামে একটি ব্যাঙ্গাত্মক
নাটকের রচনা করেছিলেন। এই “কোচবিহার-বিবাহের” ঘটানাটি ছিল --- ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্ম সমাজের আচার্য
কেশবচন্দ্র সেনের জ্যেষ্ঠা কন্যা সুনীতি দেবীর সঙ্গে কোচবিহারের রাজপুত্র নৃপেন্দ্র নারায়ণ বাহাদুরের
বিবাহ সংক্রান্ত। আচার্য নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্কা কন্যার বিবাহ দিতে সম্মতি দেন যা কিনা ব্রাহ্ম-ধর্মের বিরুদ্ধ
কাজ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শিবনাথ শাস্ত্রীর বৈশাখ ১২৮৫ বঙ্গাব্দে লেখা, “এই কি ব্রাহ্ম বিবাহ” নামক
প্রতিবাদী প্রবন্ধটি পড়তে পারেন এখানে ক্লিক্ করে . . .।
এই কবি সম্বন্ধে কেউ যদি আমাদের আরও তথ্য, কবিতা ও কবির ছবি পাঠিয়ে সাহায্য করেন তাহলে
আমরা কৃতজ্ঞতাস্বরূপ প্রেরকের নাম এখানে উল্লেখ করবো।
আমরা মিলনসাগরে কবি আনন্দচন্দ্র মিত্রের কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টাকে সার্থক মনে করবো।
উত্স:
- শিবনাথ শাস্ত্রী, “এই কি ব্রাহ্ম বিবাহ”, উইকিপেডিয়া।
- সুবেধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, ২০১০।
- শিশিরকুমার দাশ, সংসদ বাংলা সাহিত্য সঙ্গী, ২০০৩।
কবি আনন্দচন্দ্র মিত্রের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের যোগাযোগের ঠিকানা :-
মিলনসাগর
srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৬.৯.২০১৮।
...
কবি আনন্দচন্দ্র মিত্র - জন্মগ্রহণ করেন অবিভক্ত
বাংলার ঢাকা জেলার মুন্সিগঞ্জ উপজেলার বজ্রযোগিনীতে।
পিতার নাম বঙ্গচন্দ্র মিত্র।
কর্মজীবনে কবি দীর্ঘকাল ময়মনসিংহ জেলায়
শিক্ষকতা করার পরে শেষ জীবনে কলকাতা করপোরেশনে
উচ্চপদে যোদ দেন।
আনন্দচন্দ্র মিত্রের স্বদেশপ্রেম ও কবিতা - পাতার উপরে . . .
কবি সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন। ১৮৭৬ সালে শিবনাথ শাস্ত্রীর গুপ্তচক্রে বিপিনচন্দ্র
পাল, সুন্দরীমোহন দাস প্রমুখদের সঙ্গে অগ্নি প্রদক্ষিণ করে, নিজের বুকের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞাপত্রে স্বাক্ষর
করে স্বদেশপ্রেম এবং ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণ করেন।
কবি আনন্দচন্দ্র মিত্রর কবিতা ও গানেও স্বদেশ প্রেম প্রাধান্য পেয়েছে। তাঁর বহু গানে "পথিক" ভণিতা
দেওয়া রয়েছে।
আনন্দচন্দ্র মিত্রের রচনাসম্ভার - পাতার উপরে . . .
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাঝামাঝি সময়ে, মহাকাব্য-রচনাকারদের মধ্যে তাঁর বিশিষ্ট
স্থান আছে বলে মনে করা হয়।
তাঁক রচনাসম্ভারে রয়েছে “মিত্রকাব্য” ২ম খণ্ড (১৮৭৪), ২য় খণ্ড (১৮৭৭), “হেলেনকাব্য” ২খণ্ডে, রাজা
রামোহন রায়ের জীবন ও কর্ম অবলম্বনে “ভারতমঙ্গল কাব্য” প্রভৃতি।
তাঁর উপন্যাসের মধ্য রয়েছে রাদকুমারী (১৮৭৯), দুই ভাই (১৮৮৫), ভজহরি (১৮৮৬) প্রভৃতি।
পাঠপুস্তকের মধ্যে রয়েছে “পদ্যসার”, “পদ্যশিক্ষাসার”, “কবিতাসার” প্রভৃতি। গদ্য ও পদ্য পাঠ্য-পুস্তক
ছাত্রদের মাঝে সমাদৃত হয়েছিল।
কাব্য ছাড়াও তাঁর রাগ-প্রধান সঙ্গীত যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর “ভারত শ্মশান মাঝে আমি রে
বিধবা বালা” গানটি প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।